আবুধাবিতে জয়া আহসান, সঙ্গে বলিউডের বিজয়!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আইআইফা ২০২৩-এ যোগ দিতে বলি তারকাদের মতো আবুধাবিতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের জয়া আহসান। এই মুহূর্তেও তিনি আবুধাবিতেই রয়েছেন। আইফার অনুষ্ঠান থেকেই বেশকিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন জয়া। তাঁর সঙ্গে দেখা গিয়েছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীকে, যিনি কিনা আবার জয়ার হিন্দি ডেবিউ ছবি 'কড়ক সিং'-র পরিচালক। আইআইফা-র অনুষ্ঠানে জয়া নীল ব্লাউজের সঙ্গে ফিউশন শাড়ি পরেছেন। সঙ্গে গলায় পরেছিলেন দামি মুক্ত ও পাথরের গয়না। ধুতি স্টাইলে মসলিন শাড়িটি পরতে দেখা যায় জয়াকে।

এদিকে IIFA-র অনুষ্ঠানেই পছন্দের অভিনেতা বিজয় বর্মার সঙ্গে দেখা হয়ে গেলে তাঁর সঙ্গে লেন্সবন্দি হতেও ছাড়েননি জয়া। জয়ার পোস্টে সেই ছবিও উঠে এসেছে। সেবিষয়ে জয়া আনন্দবাজারকে জানান, ‘বিজয় আমার প্রিয় অভিনেতা। আমি ওঁর দাহাড় সিরিজটি দু’বার দেখেছি।

আবুধাবিতে ওঁর সঙ্গে দেখা হয়। টনি দা (অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী) আমাদের পরিচয় করিয়ে দেন। পছন্দের অভিনেতাকে সামনে পেয়ে ভাবলাম ছবি তোলার সুযোগ মিস করা উচিত নয়। আমরা প্রায় দশ মিনিট কথা বলেছি।' প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে তমান্না ভাটিয়ার সঙ্গে বিজয়ের সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছ।

অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর 'কড়ক সিং'টিমের সঙ্গে এবার আবুধাবিতে গিয়েছেন জয়া। জয়ার প্রথম ছবিতে তাঁর সঙ্গে দেখা যাবে পঙ্কজ ত্রিপাঠি, সঞ্জনা সঙ্ঘী, পার্বতী থিরুবতুর মতো অভিনেতারা। ছবিটি একটি পারিবারিক ড্রামা বলেই জানা যাচ্ছে।

এদিকে আগামী সপ্তাহে মুক্তি পেতে চলেছে জয়া আহসান অভিনীত কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি ‘অর্ধাঙ্গিনী’। প্রসঙ্গত এপার এবং ওপার দুই বাংলাতেই অভিনেত্রী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন জয়া আহসান। এবার তিনি বলিউডের পথেও নিজের পরিচিতি তৈরি করতে চলেছেন।

ববির হাতে চড় খেলেও ঋতুপর্ণা ফেরাননি পলাশকে!



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
ববি, রাশিদ পলাশ ও ঋতুপর্ণা

ববি, রাশিদ পলাশ ও ঋতুপর্ণা

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ঈদুল আযহায় মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমাটি বেশ ভালোই আলোচনায় জন্ম দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ছবির প্রশংসা কিংবা বক্স অফিস সাফল্য নয়, নায়িকা ববির হাতে এ ছবির নির্মাতা রাশিদ পলাশ চড় খেয়ে বেশ আলোচনায় আসেন!

ইয়ামিন হক ববি

তবে দমে যাবার পাত্র নন এই নির্মাতা। ববি তাকে অপমান করলেও কলকাতার প্রখ্যাত ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তাকে সমীহ করেছেন। তাইতো পলাশের নতুন ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে তাকে ফেরাননি ঋতু।

রাশিদ পলাশ তার নতুন ছবির ঘোষণা দিয়েছেন। নাম ‘তরী’। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। নির্মাতা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ঋতুপর্ণার সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। তিনি গল্প শুনে আমাদের চলচ্চিত্রে কাজ করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। এর মধ্যে আমরা আনুষ্ঠানিক বিষয়গুলো ঠিক করে ফেলবো।’

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

রাশিদ পলাশের ‘তরী’তে ঋতুপর্ণার এখনো চুক্তি স্বাক্ষর না হলেও ইতোমধ্যে সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছে। পরিচালক জানিয়েছেন, কিছু অংশের কাজ হয়েছে রাজশাহীতে। বাকি অংশের শুটিং সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত তখনই ঋতুপর্ণার অংশের কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছবিতে ঋতুপর্ণাকে চলচ্চিত্রের এক্সট্রা আর্টিস্টের ভূমিকায় (সিনেমার মূল শিল্পীদের পেছনে বা পাশে কিছু ছোট ছোট চরিত্র থাকে, যাদের ‘এক্সট্রা’ বলা হয়) দেখা যাবে।

‘তরী’ সিনেমায় আর কোন কোন শিল্পী অভিনয় করছেন এখনই জানাতে চান না নির্মাতা। ছবিটির গল্প আহাদুর রহমানের, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন গোলাম রাব্বানী। পুণ্য ফিল্মসের ব্যানারে এ বছরই শুটিং-ডাবিং শেষ করে ছবিটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে পরিচালকের।

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

;

কোনালের ‘আলো কি আটকানো’ গানে শুদ্ধ-সুন্দরের বার্তা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী সোমনূর মনির কোনাল নতুন গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। এ সময়ের ব্যস্ত শিল্পী হিসেবে নতুন গান নিয়ে আসা তেমন বড় ঘটনা নয়। তবে তিনি যখন ‘এক নির্ঝরের গান’ প্রজেক্টের গান নিয়ে হাজির হন সেটি অবশ্যই এক শ্রেণীর দর্শক-শ্রোতার কাছে দারুণ ব্যাপার।

কেননা, মেধাবী নির্মাতা ও সঙ্গীতকার এনামুল করিম নির্ঝরের প্রতিটি কাজে থাকে স্বকীয়তা ও নতুনত্বের ছাপ। তার কম্পোজিশনে এক ধরনের সিম্ফনি তৈরী হয় যা শ্রোতাদের আলাদা আবেশে ভাসায়। ফাহমিদা নবীর কণ্ঠে সেই বিখ্যাত গান ‘লুকোলুরি লুকোচুরি গল্প’র কথা নিশ্চয়ই সবাই জানেন! তেমনি আমেজ পাওয়া যাচ্ছে কোনালের এই নতুন গানটিতে। যার নাম ‘আলো কি আটকানো’।

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

দুদিন হলো ‘গানশালা’ ইউটিউব চ্যানেলে গানটির ইনডোর মিউজিক ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। এর কথা ও সুর করেছেন এমানুল করিম নির্ঝর। সঙ্গীত পরিকল্পনা সৈয়দ কামরুজ্জামান সুজনের। ‘যেটা আমাদের নিজের মতোন’ শিরোনামের অ্যালবামের আওতায় রয়েছে ‘আলো কি আটকানো’ গানটি।

কোনাল বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘নির্ঝর ভাইয়ের কাজগুলো আমার ভালোই লাগে। কারণ তার গানগুলো ভিন্নধর্মী হয়। আমরা সাধারনত যে ধরনের গান বেশি গাই, সেগুলো সাধারন মানুষের কাছে সহজে পৌঁছনোর জন্য সহজ সরল কথা ও সুর বেছে নেওয়া হয়। কিন্তু নির্ঝর ভাইয়ের টার্গেট অডিয়েন্স হয়তো আলাদা। এজন্য তার গানে নিজের চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস-অবিশ্বাসের জায়গাটা মনের মতো করে প্রকাশ করেন। তিনি সমাজের নানা সমস্যা নিয়ে গান করেন। আবার সেই সমস্যার সমাধান কী হতে পারে তা নিয়েও তার গান রয়েছে। ফলে গানগুলো করার পরিকল্পনাতেও ভিন্নতা থাকে। সেটা অডিও হোক কিংবা ভিডিও। ফলে আমার খুব ভালো লেগেছে তার সঙ্গে কাজ করতে।’ 

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

‘আলো কি আটকানো’ গানটি নিয়ে কোনাল আলাদা করে বলেন, ‘‘এই গানটি নির্ঝর ভাই কোভিডের সময় লিখেছিলেন। আসলে আমাদের জীবনের অনুভূতির জানালাগুলো যদি নিজেরাই বন্ধ করে রাখি তাহলে শুদ্ধতা এসে কিভাবে আমাদের মনকে আলোকিত করবে? এজন্য শুদ্ধ, সুন্দর ও সুস্থতার চর্চা করতে হবে যাতে আমাদের জীবন আলোয় ভরে ওঠে। এমন চিরন্তন অনুভূতির বানী ও সুরের আবেশ রয়েছে ‘আলো কি আটকানো’ গানটিতে। আশা করছি গানটি সবার ভালো লাগবে।’’

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

গানটির কথা এমন -‘আলো কি আটকানো জানালা কারণে/ বন্ধ বাড়িটার দরজার মনে! খুলতে ভয় পায়, কি জানি কী যে হয় / সবারই সংশয়; কি জানি কী যে হয়! / স্বপ্ন উল্টানো মানো বা না-ই মানো / স্বভাবে চমকানো দুচোখই আটকানো / নাই মানো নাই মানো / সহজ সন্ধানে, প্রকৃতি সবখানে / থমকে দাঁড়িয়ে, দুহাত বাড়িয়ে চাইছে বাঁচতে / অচেনা তাপ নিয়ে, আগুনে ঝাঁপ দিয়ে / ইনিয়ে-বিনিয়ে/ মুখোশে বাঁচতে চাইছে বাঁচতে / ভালো কি থেমে গেল ছাদের বারণে / অন্ধ দেয়ালের এলোমেলো বনে / সচল ঘড়িকাঁটা, বলছে চশমাটা / সামাল সামলানো, মনের জানালাটা / মনের দরজাটা, খুললে খুলে দাও / যেভাবে প্রকৃতির প্রকৃত আলো চাও / আদরে-অনাদরে ভুলেছ কোন ঘোওে / তফাৎ শব্দটা আলোর কালোটাও / হয়তো জানো না আসলে কী যে চাও!’

সোমনূর মনির কোনাল / ছবি : ইএন নাঈম

;

চঞ্চলের অপেক্ষার অবসান, একই দিনে দুই বাংলায় আসছেন মৃণাল হয়ে



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘পদাতিক’ সিনেমার পোস্টারে চঞ্চল চৌধুরী

‘পদাতিক’ সিনেমার পোস্টারে চঞ্চল চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

চঞ্চল চৌধুরী একের পর এক দারুণ সব কাজ উপহার দিচ্ছেন দর্শকদের। তবে বেশিরভাগ কাজই তিনি করেন একেবারে গোপনে। কাজ মুক্তির আগে খুব একটা সোরগোল তার পছন্দ নয়। কখনো নিজের কোন কাজ মুক্তির অপেক্ষায় তিনি ছিলেন এ কথা সচারচর বলেন না চঞ্চল।

তবে ‘পদাতিক’ সিনেমাটি নিয়ে তার রয়েছে অন্যরকম আবেগ। তাইতো ছবি মুৃক্তির তারিখ সবার সঙ্গে শেয়ার করতে গিয়ে এই দক্ষ অভিনেতা ফেসবুকে লিছেছেন, "কহো কানে কানে, শুনাও প্রাণে প্রাণে, মঙ্গলবারতা"। অপেক্ষার অবসান আসন্ন! মৃণাল সেনের জীবননির্ভর বহু প্রতীক্ষিত ছবি 'পদাতিক' আসছে ১৫ই আগস্ট আপনার নিকটতম Cinema Hall-এ! আর ১৫ জুলাই (আজ) মানে ঠিক এক মাস আগে আসছে পদাতিক ছবির নতুন গান Sahana Bajpaie'র কণ্ঠে।  

‘পদাতিক’ সিনেমার পোস্টারে চঞ্চল চৌধুরী

ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃণাল সেনের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তার বায়োপিক বানিয়েছেন সৃজিত মুখার্জি। ‘পদাতিক’ নামে কলকাতার এ ছবিতে মৃণাল সেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের চঞ্চল চৌধুরী।

ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৫ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গেজুড়ে ছবিটি মুক্তি পাবে। জানা গেল, একই দিনে বাংলাদেশের হলেও দেখা যাবে ‘পদাতিক’। বাংলাদেশে এ ছবিটি সাফটা চুক্তিতে আমদানি করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া।

প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আব্দুল আজিজ বলেন, ভারতের সঙ্গে একই দিনে বাংলাদেশেও মুক্তি পাবে ‘পদাতিক’। আলাপ চূড়ান্ত হয়েছে। আমদানির জন্য ইতিমধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। আশা করছি, শিগগিরই অনুমতি পেয়ে যাব।’

‘পদাতিক’ সিনেমার সেটে চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে সহশিল্পীরা

‘পদাতিক’-এর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ‘হুব্বা’ বাংলাদেশে আমদানি করেছিল জাজ। হুগলির ডনখ্যাত হুব্বা শ্যামলকে নির্মিত ছবির ভূমিকায় ছিলেন বাংলাদেশের মোশাররফ করিম। তবে ছবিটি মুক্তির পর ব্যবসায়িকভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে এদেশে।

পদাতিকে মৃণাল সেনের যুবক ও বয়স্ক-দুই চরিত্রে দেখা যাবে চঞ্চল চৌধুরীকে। নির্মাতার কিশোর বয়সের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কোরক সামন্ত।

মৃণালের এই বায়োপিকে মৃণালের স্ত্রী গীতা সেনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মনামী ঘোষ। পুত্র কুণাল সেনের চরিত্রে আছেন সম্রাট চক্রবর্তী।

‘পদাতিক’ সিনেমায় চঞ্চল চৌধুরী

চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ‘মৃণাল সেনের জন্ম থেকে মৃত্যু তার কাব্যময় জীবন উঠে এসেছে এ ছবিতে। যে কোনো কাজে আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টায় কমতি থাকে না। পদাতিকে খুব সচেতনভাবে আমি সেরা চেষ্টাটা করেছি। সৃজিত মুখার্জি গবেষণা ও যত্ন নিয়ে ছবিটি করেছেন। আমার মনে হয় এই কাজটি ইতিহাসের পাতায় থেকে যাওয়ার মতো হবে।’

;

কোপার ফাইনালে মন মাতানো শাকিরা, দেখুন ছবিতে



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কোপার ফাইনাল রাঙিয়ে তুললেন শাকিরা

কোপার ফাইনাল রাঙিয়ে তুললেন শাকিরা

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আজ সকালে কোপার ফাইনালে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া। খেলায় কলম্বিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা।

খেলা ছাড়াও ফাইনালের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিরতিতে বিশ্ববিখ্যাত পপ গায়িকা শাকিরার পারফরম্যান্স।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্রীড়া আসরের ফাইনালের মাঝবিরতিতে জমকালো আয়োজন হরহামেশাই দেখা যায়। দেশটির জাতীয় ফুটবল লিগের (এনএফএল) চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ হিসেবে পরিচিত সুপার বোলে তো এ ধরনের আয়োজন রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার কোপা আমেরিকার ফাইনালের বিরতিতে পারফর্ম করেন শাকিরা।
ফুটবলের সঙ্গে শাকিরার সম্পর্ক পুরোনো। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের থিম সং ‘ওয়াকা ওয়াকা’ও ছিল তারই গাওয়া। সেবার স্টেডিয়ামে তার পারফরম্যান্সের কথা মনে রেখেছেন অনেক দর্শক।
 

এবারও কোপার ফাইনালে মনে রাখার মতোই পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন শাকিরা। দুঃখের ব্যাপার একটাই, তার দেশ কলম্বিয়া ফাইনালে হরে গেছে।

আজ ‘হিপস ডোন্ট লাই’, ‘ওয়াকা ওয়াকা’সহ জনপ্রিয় কয়েকটি গান গেয়ে শোনান শাকিরা।

;