সৃজিতের জন্মদিনে আদুরে শুভেচ্ছা মিথিলার!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সৃজিতের জন্মদিনে আদুরে শুভেচ্ছা মিথিলার!

সৃজিতের জন্মদিনে আদুরে শুভেচ্ছা মিথিলার!

  • Font increase
  • Font Decrease

জীবনের আরও এক বসন্ত পার করলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। জন্মদিনে শুভেচ্ছা বার্তায় ভাসছেন সৃজিত, তবে সবচেয়ে সুন্দর বার্তা নিঃসন্দেহে এসেছে মিথিলার পক্ষ থেকে। এদিন নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করে সৃজিতকে শুভেচ্ছা জানান মিথিলা।

ছবিতে দেখা গেল সোফার উপর বসে রয়েছেন মিথিলা, তাঁর গা ঘেঁষে বসে আছেন সৃজিত। মিথিলার ডান দিকে আইরা। ছবিতে সৃজিত-মিথিলার সুখী পরিবারের একটা ঝলক উঠে এল। পারিবারিক উদযাপনে জমজমাট সৃজিতের জন্মদিন তা স্পষ্ট। দুজনের পোশাকে রঙের। সবুজ টপ আর কালো জিনসে মিথিলা, অন্যদিকে সবুজ কটনের হাফ শার্ট আর ব্লু ডেনিমে সেজে সৃজিত। বরের জন্য মিথিলার বার্তা, ‘শুভ জন্মদিন সৃজিত’।

সৃজিতের বয়স নিয়ে কম কটূক্তি শুনতে হয়নি মিথিলাকে। ‘তাহসানের মতো হ্যান্ডসামের পর বুড়ো ডিরেক্টর’কে বিয়ে করেছেন এমন কথা বলা হয়েছে। কিন্তু মিথিলা আর সৃজিতের বয়সের ফারাক জানলে আপনি চমকে যাবেন। বয়স প্রসঙ্গে একবার সরাসরি স্বামীর কাছেই প্রশ্ন রেখেছিলেন মিথিলা নিজে। মিথিলা সঞ্চালিত শো ‘আমার আমি’তে হাজির হয়েছিলেন সৃজিত। সেখানেই মিথিলার কথামতো নিজের আসল বয়স ফাঁস করেন ‘কাকাবাবু’ পরিচালক। জন্মের সাল-তারিখ ঘোষণা করে সৃজিত। সঙ্গে বলেন, 'আমার পাকা দাড়ি দেখে আমার বয়স পঞ্চাশোর্ধ ভাবার কারণ নেই। এর জন্য সম্পূর্ণরূপে দায়ী আমার মা। ওঁনার ২৫ বছর বয়স থেকে চুল পাকতে শুরু করে। এই জিনে আমার কোনও হাত নাই'।

১৯৭৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর জন্মেছিলেন সৃজিত। শনিবার ৪৬ পূর্ণ করলেন পরিচালক। আর তাঁর ‘বেটারহাফ’ মিথিলার বয়স এখন ৪০। দুজনের বয়সের ফারাক মাত্র ৬ বছরের। যদিও সৃজিতের বয়স প্রসঙ্গে মিথিলা ওই শো-তেই জানিয়েছিলেন, ‘ওর আসল বয়স ছয় কী সাড়ে ছয়। আমার মেয়ে আয়রার সঙ্গে যখন ওকে আমি দেখি, এটাই মনে হয়’।

প্রসঙ্গত, মিথিলা আপতত ব্যস্ত টলিউডে নিজের পরবর্তী প্রজেক্ট ‘অরণ্যর প্রাচীন প্রবাদ’ নিয়ে, ওদিকে সৃজিত ব্যস্ত নিজের পুজায় রিলিজ দশম অবতার নিয়ে।

   

আমাদের কাজ নিয়ে কোন অভিযোগ এখনো শুনিনি : তৌহিদুজ্জামান



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
তৌহিদুজ্জামান ও ‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’-এর কাজ / ছবি : ফেসবুক পেজ

তৌহিদুজ্জামান ও ‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’-এর কাজ / ছবি : ফেসবুক পেজ

  • Font increase
  • Font Decrease

তৌহিদুজ্জামান এক সময় মডেলিং করতেন। এখন তিনি অন্য ভূবনের বাসিন্দা। ‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। সেটি নিয়ে এখন তার সব ব্যস্ততা। সমসাময়িক বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন বার্তা২৪.কমের সঙ্গে


মডেলিং ছেড়ে ইন্টেরিয়র ডিজাইন নিয়ে কাজ শুরু করলেন কেন?


মডেলিং ভালোলাগা থেকে করতাম। এখনো ভালো সুযোগ পেলে করব। তবে এটাকে পেশা হিসেবে নিতে চাইনি কখনো। আমার পড়াশুনা শান্ত মারিয়ম ইউনিভার্সিটিতে ‘ইন্টেরিয়র এন্ড আর্টিটেকচার’ বিষয়ে। ২০১১ সালে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে ৫ বছর ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং ফার্মে কাজ করি। কিন্তু আমার বরাবরই স্বপ্ন ছিল নিজের একটি প্রতিষ্ঠান হবে। তাই থিওরি এবং প্র্যাকটিক্যাল- দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই সঞ্চয়ের পর ২০১৭ সালে ‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’ শুরু করি।

তৌহিদুজ্জামান

কি ধরনের কাজ করছেন ‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’ থেকে?


আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রাধাণ্য থাকে সকল ধরনের ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজে। বাসাবাড়ি, অফিস আদালত, রেস্টুরেন্ট, শো রুম, জিমসহ সবকিছুর ইন্টেরিয়র ডিজাইন করে থাকি। পাশাপাশি আমি যেহেতু একজন ইঞ্জিনিয়ার, তাই অল্প বিস্তর আর্কিটেকচারাল কাজও করি।


প্রায় সাত বছর আপনার প্রতিষ্ঠানের বয়স। সফলতা কতোখানি?


এরইমধ্যে আমার প্রতিষ্ঠান বেশ ভালো করছে আলহামদুলিল্লাহ। এখন পর্যন্ত দেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কাজ করেছি। সবচেয়ে ভালোলাগে, আমাদের কাজ নিয়ে কোন ক্লায়েন্টের অভিযোগ শুনিনি। তবে আমার কাছে সফলতার সংজ্ঞাটা ভিন্ন। মানুষ একবারেই শীর্ষে উঠে যায় না। ছোট ছোট সফলতাও কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, আমি একটি কাজ শুরু করলাম। ক্লায়েন্টকে যা যা কথা দিয়েছিলাম, সবটাই ঠিকঠাক রাখতে পারলাম, তখন তার যে স্যাটিসফেকশন, সেটাও আমার কাছে এক ধরনের সফলতা।

‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’-এর কাজ / ছবি : ফেসবুক পেজ

এই পেশায় সবচেয়ে মজা আর সবচেয়ে চ্যালেঞ্জ কিসে?


আগেই বলেছি, সবচেয়ে আনন্দ লাগে যখন আমাদের কাজ দেখে ক্লায়েন্টের মুখে হাসি ফোটে তখন। আরেকটি মজার বিষয় হলো- যে কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করি সেটি তো প্রথমে ভাবনাতে থাকে, সেটি যখন বাস্তবে চোখের সামনে ধরা দেয় তখন। আর সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং বিষয় হলো কাজের মান রক্ষা করা। আর সেটি করতে গেলে প্রতিটি ক্ষেত্রে শতভাগ সততা ও সচেতনতা দরকার।

‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’-এর কাজ / ছবি : ফেসবুক পেজ

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?


আমি একটু বর্তমানে বাঁচা মানুষ। ভবিষ্যৎ নিয়ে আকাশ পাতাল ভাবি না। যে কাজটি শুরু করি সেটিতেই শতভাগ সফল হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ নিষ্ঠা দিয়ে কাজ করি। তবে সবার মতো আমিও চাই, আমার প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ ‘বাকশো ইন্টেরিয়র ডিজাইন’ একদিন সবাই চিনবে, অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে পারব।

;

যে ঘটনায় নিষিদ্ধ, সেটিই বাঁচালো স্মিথের সংসার



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উইল স্মিথ ও স্ত্রী জাডা পিংকেট স্মিথ

উইল স্মিথ ও স্ত্রী জাডা পিংকেট স্মিথ

  • Font increase
  • Font Decrease

৯৪ তম অস্কারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কমেডিয়ান ক্রিস রককে বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা উইল স্মিথের চড়ের ঘটনা। উইলের স্ত্রী জাডা পিংকেট স্মিথকে নিয়ে করা ঠাট্টায় রাগান্বিত হয়ে ভরা অনুষ্ঠানের স্টেজে গিয়ে এই কান্ড করেন তিনি। এই ঘটনায় উইল স্মিথকে অস্কার কতৃপক্ষ নিষিদ্ধ পর্যন্ত করেছিল। এমনকি উইলের পক্ষে বিপক্ষে সে সময় অনেক কথাবার্তা হয়।

সেই বিখ্যাত ঘটনাকে উল্লেখ করে আবারও মুখ খুলেছেন ৫২ বছর বয়সী জাডা। তিনি জানান, উইলের সাথে সম্পর্ক নিয়ে তিনি অনিশ্চিত ছিলেন। অস্কারের স্টেজে সেই চড় মারার ঘটনায় তিনি সম্পর্কের ব্যাপারে দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি এখন নিশ্চিত, বাকি জীবন উইলের সাথেই কাটাবেন। 

অস্কারে ক্রিস রককে উইল স্মিথের চড়কাণ্ড 

সম্প্রতি ‘দ্য রেড টেবিল টক শো’-এর উপস্থাপক ডেইলি মেইলের এক কথোপকথনে বৈবাহিক জীবনে সমস্যা নিয়ে জেডাকে প্রশ্ন করা হয়। তিনি তখন জানান, দীর্ঘদিন ধরে উইলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে দ্বিধা চলছিল তার মনে। এমনকি তারা গত ৭ বছর ধরে আলাদাই বসবাস করছিলেন। কিন্তু চড়ের ঘটনায় তার চোখ খুলে গেছে। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি সংসার টিকিয়ে রাখবেন। তিনি জানেন না, এই ঘটনা না ঘটলে তাদের সম্পর্কের নৌকা কোথায় গিয়ে ঠেকতো! তিনি এই চড়ের নামকরণ করেছেন, “হলি স্ল্যাপ”।

উইল স্মিথ ও স্ত্রী জাডা পিংকেট স্মিথ

১৯৯৭ সালে এই দম্পতি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তাদের একজন পুত্র ও এক কন্যা সন্তান আছে। স্মিথের দুই সন্তান জ্যাডেন এবং উইলোও ইতোমধ্যে হলিউডের প্রতিষ্ঠিত তারকা। কিছুদিন আগে রেড সি আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে বিবাহিত জীবনের নানা সমস্যার কথা বলেছিলেন উইল স্মিথ। এই ব্যাপারের পর সংসারে তার কমতি ও অস্কার অনুষ্ঠানে রককে চড় মারার প্রসঙ্গও টেনেছিলেন তিনি। চড় মারায় ১০ বছরের জন্য অস্কার থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন উইল।
তথ্যসূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

;

গায়ে একটি সুতোও নেই বিদ্যুতের



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিদ্যুৎ জামওয়াল

বিদ্যুৎ জামওয়াল

  • Font increase
  • Font Decrease

গায়ে একটি সুতোও নেই। জঙ্গলে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা বিদ্যুৎ জামওয়াল। রান্না করে খাচ্ছেন, ঘর্মাক্ত হলে গোসলটাও সেরে নিলেন। যেন সেই আদিম যুগের মানুষ। লাজ লজ্জার বালাই নেই! শুধু একটাই পার্থক্য, সেই মুহূর্তগুলো কেউ একজন ক্যামেরায় ধারণ করেছেন। যা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ঝঁড় তুলেছে।

বিদ্যুৎ জামওয়াল

মার্শাল আর্টে বিশেষজ্ঞ এই স্টার মাঝে মধ্যে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে উপস্থিত হন। তিনি বরাবরই শরীর সম্পর্কেও সচেতন। কতটা চ্যালেঞ্জ তিনি নিতে পারে, কতটা নিজেকে ফিট রাখতে মরিয়া তিনি তার প্রমাণ রেখে গিয়েছেন শত শতবার। বিদ্যুৎ জামাল মাঝে মধ্যেই বেশ কিছু ছবি করে থাকেন। ওটিটি-তেও চলছে কথা।

বিদ্যুৎ জামওয়াল

তবে জীবনের ৪৩ তম জন্মদিন যেভাবে সেলিব্রেট করলেন তিনি তা দেখে এক কথায় সকলেই অবাক। সাহসী পদক্ষেপে নজর কাড়লেন তিনি, হলেন প্রশংসিতও। বিদ্যুৎকে নিয়ে দর্শক মনে বরাবরই এক বিশেষ উত্তেজনা বর্তমান। তবে বলিউডে যে বহু ছবি করেছেন এমন না। মাঝে মধ্যে পর্দায় দেখা যায় তাকে। সুপারহিট ছবিও নেই অভিনেতার ঝুলিতে। তবে তার অ্যাকশন বারবার দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছে। এবার তার জন্মদিন সেলিব্রেশনের কায়দা দেখে অবাক নেটপাড়া আরও একবার প্রশংসায় ভাসলেন।

বিদ্যুৎ জামওয়াল

বলিউডের অন্যতম অ্যাকশন হিরো যেন রাতারাতি হয়ে গেলেন টার্জেন। যার অ্যাকশনে বুঁদ নেটদুনিয়া, হঠাৎ সেই স্টারের এমন কি হল, নিজের চোখকেও যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না ভক্তরা। বিদ্যুৎ জামালেন ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। মাথায় চেনা ছকে কাটা চুল, হিমালয়ের কোলে কোলে ঘুরছেন তিনি। কিন্তু সত্যি পরণে নেই একটু সুতোও। কখনও পাহাড় বেয়ে আসা ঝর্ণার জলে করছেন স্নান।

 

;

ভালোবাসার গন্তব্যে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় অপূর্ব!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘পথে হলো দেরী’ নাটকে অপূর্ব

‘পথে হলো দেরী’ নাটকে অপূর্ব

  • Font increase
  • Font Decrease

‘কিছু কিছু সম্পর্ক উত্তাল সমুদ্রের মতো। দিকহীন। কূল নেই কিনারা নেই। তবুও ভালোবাসার গন্তব্যে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু কখনও কখনও হয়ে যায় দেরি’ এমন সংলাপ শোনা গেল ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্বর ঠোটে।

গত ৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয় মাত্র ৩০ সেকেন্ডের একটি টিজার। যেখানে অপূর্ব এই কথাগুলো বলছেন উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে নৌকায় ভেসে ভসে! এই টিজার প্রকাশের পর পলকেই ভাইরাল হয়ে যায়। ফেসবুকে বিভিন্ন নাটকের গ্রুপ আর ব্যক্তিগত দেয়ালে শেয়ার হতে থাকে। সঙ্গে প্রশংসায় ভাসতে থাকেন অপূর্ব ও সংশ্লিষ্টরা। বেশিরভাগ দর্শকই মনে করছেন, বছর শেষে অপূর্বর বড় কামব্যাক হচ্ছে এই নাটকটির মাধ্যমে। যার প্রতিচ্ছবি মিলছে এই টিজারে।

জানা গেছে, এটি সিএমভি’র ব্যানারে ‘ক্লোজআপ রোম্যান্টিক ড্রামা ফেস্টিভ্যাল’-এর ‘পথে হলো দেরী’ নাটকের টিজার। চিত্রনাট্য ও নির্মাণে জাকারিয়া সৌখিন। অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, তটিনী, মনোজ প্রামাণিক, সালহা খানম নাদিয়া প্রমুখ।

‘পথে হলো দেরী’ নাটকে তটিনী ও অপূর্ব

টিজার থেকে আশাতীত প্রশংসা পেয়ে খানিকটা স্বস্তিতে আছেন নায়ক অপূর্ব। বললেন, ‘দর্শকদের এমন সাড়া পেলে সব কষ্ট ভুলে যাই। মনে হয়, আমাদের পরিশ্রমটা কাজে লেগেছে।’

এরপর স্মৃতি কাতর অভিনেতা বলেন, ‘টিজারে যে দৃশ্যটি দেখছেন সেটা কক্সবাজার থেকে অনেক ভেতরে, টেকনাফের কাছাকাছি গভীর সমুদ্রে। এখানে শুটিং করতে যাওয়ার সময় আমাদের নৌকা আটকে যায় বালিতে। এরপর টানা ৬ ঘণ্টা পুরো ইউনিট অপেক্ষা করেছি জোয়ারের জন্য। জোয়ার আসার পর আমাদের নৌকা সচল হয়। এই শ্রম বা ডেডিকেশনগুলো সার্থক হয় দর্শকদের এমন সাড়া পেলে।’

অপূর্ব চলতি বছর কাজের পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দিয়েছেন। এরমধ্যে ‘পথে হলো দেরী’ তার কাছে অন্যতম সেরা কাজ হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন।

এদিকে নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন বলেন, ‘আমি আসলে বড় ক্যানভাস ধরার চেষ্টা করেছি। আমার এই চেষ্টার সঙ্গে শতভাগ একাত্ম ছিলো অপূর্ব, তটিনী, সিনেমাটোগ্রাফার নাজমুল হাসানসহ ইউনিটের প্রত্যেকে। অন্যদিকে প্রযোজক পাপ্পু ভাইয়ের দিক থেকেও ছিলো সর্বোচ্চ স্বাধীনতা। সব মিলিয়ে পুরো ইউনিট মিলে অসম্ভব কষ্ট করে এই কাজটি করেছি। সেই টিম ওয়ার্কের ফল পাচ্ছি টিজার প্রকাশের পর থেকে। আশা করছি, পুরো নাটকটি দেখলে দর্শকদের কাছ থেকে আরও সাড়া পাবো।’

‘পথে হলো দেরী’ নাটকে অপূর্ব

প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘ক্লোজআপ রোম্যান্টিক ড্রামা ফেস্টিভ্যাল’-এর তৃতীয় ও শেষ কাজ হিসেবে ‘পথে হলো দেরী’ মুক্তি পাচ্ছে শিগগিরই, সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে। এর আগে একই উৎসবের অংশ হিসেবে ৩০ নভেম্বর মিজানুর রহমান আরিয়ান নির্মিত ‘হদয়ে হৃদয়’ এবং ৭ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে প্রবীর রায় চৌধুরীর ‘ভালোবাসি তবুও’। দুটো নাটকই পেয়েছে দারুণ জনপ্রিয়তা।

;