বন্ধুত্বটা হারিয়ে যায় নি : পুতুল ও রেজা দম্পতি



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
রেজা ও পুতুল দম্পতি /  ছবি : শেখ সাদী

রেজা ও পুতুল দম্পতি / ছবি : শেখ সাদী

  • Font increase
  • Font Decrease

সাজিয়া সুলতানা পুতুল ও সৈয়দ রেজা আলী- বন্ধু থেকে এখন দম্পতি। দুজনেই মাল্টি ট্যালেন্টেড। গান লেখেন, সুর করেন, কম্পোজিশন করেন এবং গান গেয়ে থাকেন। একসঙ্গে সুরের সাগরে ভাসছেন তারা। সদা হাসিমুখ এই দুই শিল্পীর রসায়নও বেশ মজার। আজ তাদের তৃতীয় বিবাহবার্ষিকী। দাম্পত্যের নানা বিষয় নিয়ে বার্তা২৪.কমের মুখোমুখি হয়েছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ


তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীতে মনের মধ্যে কী অনুভব হচ্ছে?


সৈয়দ রেজা আলী : আমাদের তিন বছরের অ্যানিভার্সারি, না?

সাজিয়া সুলতানা পুতুল : বিশ্বাস করা কঠিন! কিন্তু আসলেই তিন বছর।

সৈয়দ রেজা আলী : সাথে আমাদের একটা মেয়েও (গীতলিনা) আছে।

কন্যা গীতলিনাকে নিয়ে পুতুল ও রেজা দম্পতি /  ছবি : শেখ সাদী

সাজিয়া সুলতানা পুতুল : হ্যাঁ। সেটি বাড়তি পাওয়া! একেবারে ভরা করোনার মধ্যে আমাদের বিয়েটা হয়। একেবারে ঘরোয়াভাবে। যেদিন বিয়ে হয় দুপুরবেলা আমার শাশুড়ি মায়ের তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তে সন্ধ্যায় বিয়ে হয়। কারণ, তারপর দিন থেকে লকডাউন শুরু হয়। একটা বিচ্ছিন্নতা শুরু হবে সেই ভাবনা থেকেই তিনি চেয়েছিলেন বিয়ে দিয়ে বউ ঘরে তুলে নেবেন সেদিনই।

সৈয়দ রেজা আলী : সবচেয়ে মজার বিষয় ছিল, সাধারনত বিয়ে করতে জামাই যায় শশুর বাড়ি। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে উল্টো হয়েছিল। পুতুল ও তার পরিবার এসেছিল আমাদের বাড়িতে। সেখানেই বিয়ে হয় (হাহাহা)।

সাজিয়া সুলতানা পুতুল : আমার ঠিকানা বদলে গেল সেই থেকে। এখন আমরা একসঙ্গে ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।

রেজা ও পুতুল দম্পতি /  ছবি : শেখ সাদী

আপনারা একে অন্যকে ‘তুই’ সম্বোধন করেন। এর পেছনের কারণ কী?


সৈয়দ রেজা আলী : আসলে আমরা তো আগে থেকেই বন্ধু ছিলাম। বন্ধুদের তো তুই তুকারি সম্পর্ক। আর আমরা কখনো স্বামী-স্ত্রী হবো সেটি তো ভাবিনি তখন। সেই যে সম্পর্ক, বিয়ের পর তা আর বদলায়নি। এজন্যই তুই করে ডাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

সাজিয়া সুলতানা পুতুল : হ্যা। বন্ধুত্বের খাতিরে আমার আসা যাওয়া ছিল রেজাদের বাড়িতে। তার বাবা-মা আমাকে ভালোভাবে জানতেন। আমিও তাদের জানতাম। আমরা একসঙ্গে গানের কাজ করতাম। একপর্যায়ে বাবা মায়ের পক্ষ থেকেই আমাদের বন্ধুত্বকে বিয়েতে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখন মনে হয়, তারা ঠিক কাজটাই করেছেন। রেজার মতো জীবনসঙ্গী আমি পেয়েছি, এটা সত্যিই আরামের।

পুতুল /  ছবি : শেখ সাদী

বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে একে অন্যকে কোন উপহার দিয়েছেন কী?


(সমস্বরে) অবশ্যই। বছরে একটা দিন আসে, উপহার না দিলে কী হয় (হাহাহা)!

সাজিয়া সুলতানা পুতুল : আমার কাছে রেজার চাওয়া থাকে মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট জাতীয় কিছু। যদিও আমি চেষ্টা করি তা না দিতে। কারণ সে সারা বছরই ওগুলো কিনতে থাকে। তাই অন্যকিছু দিয়েছি গত দুই বছর। কিন্তু এবছর সে বলেছে, না আমার মিউজিক্যাল কিছু হলেই ভালো হয়। পরে তাকে একটি গীটারের প্যাডেল দিয়েছি। যতোবার সে ব্যবহার করবে আমার কথন মনে পড়বে!

সৈয়দ রেজা আলী : আমি এখনো দিইনি। সবটা এখনই বলে দেব? সারপ্রাইজ থাকাই ভালো।

কন্যা গীতলিনাকে নিয়ে রেজা ও পুতুল দম্পতি /  ছবি : শেখ সাদী

কাজের জায়গায় পরস্পরকে কিভাবে সাপোর্ট করেন?


(সমস্বরে) আমরা একে অপরের কাজকে সম্মান করি। তাই কেউ যাতে কারও জন্য বিরক্ত না হয় সেদিক খেয়াল রাখি। এমনকি যার কাজটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ থাকে তাকে কাজের মধ্যেই থাকতে দেই। সে সময় আমাদের মেয়েকে অন্যজন টেক কেয়ার করি।


দুজন শিল্পী হওয়ায় একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে কোন বিড়ম্বনা তৈরী হয় কী?


সৈয়দ রেজা আলী : না, আমরা একে অন্যের ব্যাপারে জাজমেন্টাল নই। সবচেয়ে বড় কথা আমরা একে অন্যকে স্পেস দিই। সেটা কাজ হোক বা একান্তে কিছু মি টাইম কাটানো হোক। কারণ আমাদের একে অন্যের ব্যক্তিত্ব, মেধা কিংবা এথিক্যাল জায়গায় প্রচন্ড সম্মানবোধ রয়েছে। তবে এটা ঠিক যে, যেহেতু দুজনই ক্রিয়েটিভ কাজের সঙ্গে যুক্ত ফলে আমরা তো একে অপরের কাজ কিছুটা হলেও বুঝি। তাই আমরা কেউ কিছু তৈরী করলে সবার আগেই একে অপরকেই দেখাই। এবং কোন সাজেশন আসলে সেটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে থাকি।

সাজিয়া সুলতানা পুতুল : বিড়ম্বনা তো হয় না। বরং লাভ হয়েছে আমার। দেখা গেল কেউ বলল, একটা গানের ভয়েস দিতে হবে, স্টুডিওতে আসুন। আমি যদি বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যে থাকি, তাহলে বলি যে, আপনি কি আমাকে মিউজিক্যাল ট্র্যাক টা পাঠাবেন? আমি ভয়েসটা রেকর্ড করে পাঠাচ্ছি। পরে সেটা রেজার ওপর চাপিয়ে দিই। ও শত ব্যস্ত থাকলেও আমাকে এক ফাঁকে ভয়েসটা রেকর্ড করে দেয়।

নিজের ব্যান্ডদল ‘ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশ’-এর সদস্যদের সঙ্গে রেজা

তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীতে নিজের কাছে এবং একে অপরের কাছে কী প্রত্যাশা রয়েছে?


সৈয়দ রেজা আলী : আমি সত্যি স্টুডিওটা হওয়ার পর কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকি। এটা অবশ্য পুতুলেরই চাওয়া ছিল। আমার বাবা বিয়ের পর পুতুলকে বলেছিলেন, ‘কি চাও তুমি?’ ও বলেছিল, ‘বাবা, আমাদের একটা স্টুডিও করে দেন।’ তবে এ বছর চেষ্টা করব আমার স্ত্রী, কন্যা ও পরিবারকে আরও বেশি সময় দিতে। আর নিজের কাছে প্রত্যাশা হলো আমি একটি ইন্সট্রুমেন্টাল অ্যালবাম করছি। সেটি যতো সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায় সেই চেষ্টা করব।

সাজিয়া সুলতানা পুতুল : আমার ক্ষেত্রেও গান নিয়ে সব চাওয়া পাওয়া। কারণ গান আ ব্যক্তিজীবন আমাদের মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। রেজার কাছে আমারও প্রত্যাশা ওর ইন্সট্রুমেন্টাল অ্যালবামটা যেন এ বছর ঠিকঠাকভাবে প্রকাশ করতে পারে। কারণ এটা ওর অনেক বড় একটি স্বপ্ন ও সাধনার কাজ। আর নিজের কাছে প্রত্যাশা হলো আমাদের কন্যা এখন থেকে একটু একটু পড়তে পারে। আমরা চাই এই সময়ে তাকে আরও সময় দিয়ে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে।

   

ঈদের ব্যান্ড শোতে চিরকুট, জলের গান ও অবসকিউর



বিনোদন প্রতিবেদক, বার্তা২৪.কম
বিটিভিতে ঈদের ব্যান্ড শো ‘মিউজিক্যাল এক্সপ্রেস’

বিটিভিতে ঈদের ব্যান্ড শো ‘মিউজিক্যাল এক্সপ্রেস’

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনে সন্ধ্যা ৭টায় প্রচারিত হয়েছে বিশেষ ব্যান্ড সংগীতের অনুষ্ঠান ‘মিউজিক্যাল এক্সপ্রেস’।

ব্যান্ড ‘চিরকুট’র একক পরিবেশনা

তিন দিনের এই আয়োজনে ঈদের দিন ছিল ব্যান্ড ‘চিরকুট’র একক পরিবেশনা। দ্বিতীয় দিন ‘অবসকিউর’, ‘নকশী কাঁথা’,‘বাউল এক্সপ্রেস’ ও ‘আর্বোভাইরাস’র পরিবেশনা।

ব্যান্ড ‘চিরকুট’র একক পরিবেশনা

তৃতীয় দিন গান পরিবেশনায় ছিল ‘জলের গান’। শাহজামান মিয়া ও নাসির উদ্দিনের প্রযোজনায় ‘মিউজিক্যাল এক্সপ্রেস’ উপস্থাপনা করেছেন কাজী মোমরেজ, শান্তা জাহান ও নাহিদ আফরোজ সুমী।

 

জলের গানের পরিবেশনা

 

;

ঈদ উৎসবে ডিএমএস চমক



বিনোদন প্রতিবেদক, বার্তা২৪.কম
ঈদ উৎসবে ডিএমএস চমক

ঈদ উৎসবে ডিএমএস চমক

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদকে ঘিরে শ্রোতা-দর্শকদের জন্য বিভিন্ন ঘরনার গান ভিডিও নিয়ে হাজির হচ্ছে দেশের অন্যতম অডিও ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)।
২৯ মার্চ থেকে প্রকাশ পেতে শুরু করেছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস) এর ঈদ উৎসবকে ঘিরে তাদের আয়োজনের গানগুলো।
প্রতিষ্ঠানটির বর্ণিল ঈদ আয়োজনে এবার থাকছে বাংলা সঙ্গীতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র শওকত আলী ইমন ও আঁখি আলমগীরের কন্ঠে ‘কফির পেয়ালা’। আশিক মাহমুদের কথায় গানটির সুর করেছেন আকাশ মাহমুদ। সঙ্গীতায়োজন করেছেন শওকত আলী ইমন নিজেই। গানের ভিডিও নির্মাণ করেছেন শিথিল রহমান।
এই প্রজন্মের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী জিসান খান শুভ’র কন্ঠে শ্রোতারা শুনতে পাবেন ‘মেঘ ২’ শিরোনামের নতুন গান। শুভ’র কথা ও সুরে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন আমজাদ হোসেন। সুনামগঞ্জের মনোরম লোকেশনে চিত্রায়ন করে গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত।
নাহিদ হাসানের কন্ঠে আসছে ‘তোমার ভেজাচুল’ শিরোনামের নতুন গান। মাহমুদ শাওনের অনবদ্য কাব্যমালায় সুর দিয়েছেন নাহিদ নিজেই। গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন আমজাদ হোসেন। ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত।
সামজ ভাই গেয়েছন ‘আঘাত’ শিরোনামের নতুন গান। জিসান খান শুভ’র কথা ও সুরে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন আমজাদ হোসেন। সুনামগঞ্জের মনোরম লোকেশনে চিত্রায়ন করে গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত।
কন্ঠশিল্পী খালেদ মুন্না গেয়েছেন ‘তোমার নিষ্ঠুর আচরণে বুকে ধাক্কা লাগে’। প্রিন্স রুবেলের কথা ও সুরে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন রোজেন রহমান। ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত।
আলোচিত কন্ঠশিল্পী সাথী খানের কন্ঠে প্রকাশ পাবে ‘বেশি কথা না বলিয়া’ শিরোনামের গান। সচল পাগল সুজনের কথা ও সুরে গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন আদিব কবীর। ভিডিও নির্মাণ করেছেন রাজ বিশ্বাস শংকর।
জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী ঐশী দ্বৈত কন্ঠ দিয়েছেন এই প্রজন্মের কন্ঠশিল্পী জনি খানের সাথে। তাদের দু’জনের নতুন গান ‘বেসামাল’। মাহতাব হোসেনের গীতিকবিতায় সুর দিয়েছেন জনি খান। সঙ্গীতায়োজন করেছেন মুশফিক লিটু। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন রাহাত বাপ্পী।
প্রতিবারে মত এবারও ধ্রুব মিউজিক স্টেশন সুযোগ করে দিয়েছে নতুন প্রতিভাবানদের। নতুন একটি ব্যান্ডকে তারা তুলে এনেছে। নতুন এই ব্যান্ডের নাম ফড়িং ব্যান্ড। তাদের নতুন গান ‘সোনার ফড়িং’ প্রকাশ পা”েছ এবারের ঈদে। শেখ মোঃ পলাশের কথা ও সুরে গানটিতে কন্ঠ দিয়েছেন ব্যান্ডের ভোকাল রাছেল সিকদার। সঙ্গীতায়োজনে ছিলেন তরিক। গানটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন ফারহান আহমেদ রাফাত।
এই প্রজন্মের কন্ঠশিল্পী এ আর টুটুলের কন্ঠে ‘নীলচে খামে’ প্রকাশ পাবে এবারের ঈদে। সালেহ আকরাম মেরিনের কাব্য মালায় সুর দিয়েছেন এ আর টুটুল নিজেই। সঙ্গীতায়োজন করেছেন মুশফিক লিটু ।
নিজের কথা, সুর ও কন্ঠে শ্রোতাদের জন্য নতুন গান নিয়ে আসছেন কন্ঠশিল্পী এহসান কবির। গানের শিরোনাম ‘মনটা আমার ভাড়া দেবো’। গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন তমাল হাসান। ভিডিও নির্মাণ করেছেন মামুন রনি।

ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস) জানায়, ২৯ মার্চ থেকে প্রকাশ শুরু হওয়া এই ঈদ উৎসব চলবে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। গানগুলো তাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের পাশাপাশি গানগুলো শুনতে পাওয়া যাবে দেশি ও আর্ন্তজাতিক একাধিক অ্যাপ এ।

;

ঈদ ইত্যাদিতে ইমরানের স্বপ্ন পূরণ, ফারিণের গায়িকা হিসাবে আত্মপ্রকাশ



বিনোদন প্রতিবেদক, বার্তা২৪.কম
ঈদ ইত্যাদিতে ফারিণ, তাহসান, ইরমান এবং বাপ্পা

ঈদ ইত্যাদিতে ফারিণ, তাহসান, ইরমান এবং বাপ্পা

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ ইত্যাদির বিশেষ আয়োজনের একটি হচ্ছে সংগীতে চমক। যে কারণে ঈদ ইত্যাদির গানগুলির কথা, সুর, শিল্পী নির্বাচন ও চিত্রায়ণ বেশ ব্যতিক্রমী হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের ঈদের ইত্যাদিতেও শিল্পী নির্বাচনে রয়েছে বড় চমক।
এবারের অনুষ্ঠানে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দুই ভুবনের দুই তারকা জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান এবং অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। পেশাদার সংগীতশিল্পী না হয়েও খুব চমৎকারভাবেই গানটি গেয়েছেন ফারিণ। উল্লেখ্য অভিনয়ে জনপ্রিয় ফারিণের টিভিতে গাওয়া এটিই প্রথম গান। বলা যায় এই গানটির মাধ্যমেই ফারিণের গায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটলো।

গায়িকা হিসেবে ফারিণের আত্মপ্রকাশ

এ প্রসঙ্গে ফারিণ বলেন, ‘ইত্যাদি ছোটবেলা থেকেই আমার প্রিয় অনুষ্ঠান। আমার প্রিয় অনুষ্ঠানে গান গাইতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। গানটি ভালো হয়েছে। শোনার পর মনে হয়েছে, ভিন্ন ধরনের গান হয়েছে। আমার বিশ্বাস, সব শ্রেণির শ্রোতা-দর্শকের কাছে ভালো লাগবে এটি। আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য ইত্যাদির প্রতি কৃতজ্ঞ।’ গানটি নিয়ে তাহসান বলেন, ‘এ ধরনের গান আগে করিনি। খুবই উৎসবের আমেজ নিয়ে, আনন্দময় একটি গান হয়েছে। ফারিণও খুব ভালো গেয়েছে।’ গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল। সুর ও সংগীত করেছেন ইমরান মাহমুদুল। তাহসান ও ফারিণের এই দ্বৈত সংগীতটি দর্শকরা দারুণ উপভোগ করবেন।
এবারের অনুষ্ঠানে আর একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার এবং তার সঙ্গে গেয়েছেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। উল্লেখ্য ‘গাড়ি চলে না, চলে না’ গানটি গেয়ে বাপ্পা মজুমদারের দলছুট দলের প্রথম টিভিতে আত্মপ্রকাশ ঘটে ইত্যাদির মাধ্যমে, আর এই প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী ইমরান মাহমুদুল এই প্রথম গাইলেন ইত্যাদিতে। এ প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘ইত্যাদি অনুষ্ঠানের জন্য প্রথম গান গাইতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আমার কাছে ইত্যাদি একটি আবেগের নাম। তখনো বিনোদন জগতে গান গাইতে আসিনি। সেই ছোটবেলা থেকে ইত্যাদি দেখতাম।

ইত্যাদির মঞ্চে ইমরান

স্বপ্ন দেখতাম, একদিন ইত্যাদিতে গান করব। তখন ইত্যাদিতে একটা গান গাওয়ার সুযোগ পেলেই হিট হয়ে যেতেন শিল্পী। ভাবতাম, কোনো দিন আমি যদি ইত্যাদিতে একটা গান গাইতে পারতাম!’ এত দীর্ঘ সময় এসে ইত্যাদি অনুষ্ঠানে গান করার সুযোগে স্মৃতিকাতর হওয়ার কথা জানালেন ইমরান।

এই সংগীতশিল্পী আরও বলেন, ‘আমার জন্য এটি একটি বিরাট ব্যাপার। ইত্যাদি আমার জন্য একটি অনুপ্রেরণা, আবেগ। আজ ইত্যাদিতে গাইতে পেরে আমার স্বপ্ন পূরণ হলো।’ গানটির কথা লিখেছেন লিটন অধিকারী রিন্টু, সুর ও সংগীত করেছেন ইমরান মাহমুদুল।
গত ০২ মার্চ মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে ইত্যাদির বিশাল সেটে গান দুটির চিত্রধারণ করা হয়।
প্রতিবারের মত এবারও ঈদের বিশেষ ইত্যাদি একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে ঈদের পরদিন রাত ০৮টার বাংলা সংবাদের পর। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপ্নারে করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। স্পন্সর করেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।

;

জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে পার করছি: ঈদে ফারিয়ার পোস্ট



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নুসরাত  ফারিয়া

নুসরাত ফারিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢালিউডের জনপ্রিয় অবিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া মাহজার। অন্যান্য তারকাদের মতো ঈদ কাটেনি তার। প্রায় একমাস ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তার বাবা মাজহারুল ইসলাম। ঈদের দিন বাবার কাছেই ছিলেন ফারিয়া। হাসপাতাল থেকেই ভক্তদের উদ্দেশ্যে ঈদের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন নায়িকা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লম্বা পোস্ট দিয়েছেন তিনি। ফারিয়া লিখেছেন-

আমার আব্বুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ২৮ দিন পূরণ হলো। দুটি স্ট্রোক এবং একটি অপারেশনের পরও, তিনি প্রতিদিন একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যার সাথে লড়াই করছেন। অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করলে আমি সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। যদিও কিছুই আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই। একমাত্র উপায় হলো প্রার্থনা করা এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখা...

সম্প্রতি, প্রেসের সাথে এক প্রেসমিটিংয়ে আমি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাম। বর্তমানে আমায় জীবনের সবচেয়ে বড় মানসিক অস্থিরতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অনেককে মন্তব্য করতে শুনি, ‘আপনার বাবার এরকম শারীরিক অবস্থা। তার মধ্যেও আপনি কীভাবে ছবি পোস্ট করতে পারেন? ইভেন্টে যেতে পারেন বা এরকমভাবে পরিপাটি করে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন?

কি করব বলুন? এটাই আমাদের পেশার কঠিন বাস্তবতা। কখনও কখনও আমরা আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া এবং সামাজিক জীবনের সাথে এতটাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি যে লোকেরা ভুলে যায়, আমরাও মানুষ। এটাই এখন আমার জীবন। মানুষ আমার দিকে যতই নুড়ি ছুঁড়ুক না কেন, হাসিমুখে মেনে নিয়ে আমার কাজ করে যেতে হবে। আমি এত মানুষের ভালবাসা, যত্ন এবং আশীর্বাদ পেয়ে অত্যন্ত খুশি। সকলকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা জানা নেই। এই কঠিন সময়ে যারা আমার পাশে এসেছিলেন তাদের সকলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। এই ঈদ আপনার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি ও সমৃদ্ধি।

আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে ঈদ মোবারক।

পোস্টের নিচে ভক্তরা কমেন্ট করেছেন। অভিনেত্রীর বাবার সুস্থতা কামনা করেছেন অনেকেই।

বহুগুণ সম্পূর্ণা অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। যেমন অভিনয়ে পারদর্শী, তেমনে নাচ, মডেলিং এবং গানেও। শুধু তাই নয়, পর্দার সামনে কাজ শুরু করেছিলেন আরজে এবং টেলিভিশন উপস্থাপিকা হিসেবেই। কম বয়সে ছিলেন অত্যন্ত ভালো বিতার্কিক। দেশের বাইরেও একাধিকবার অভিনয় করেছেন তিনি। ভারতীয় বাংলার অভিনেতাদের সাথে যৌথ প্রযোজনার সিনেমা করে ওপার বাংলায়ও পরিচিতি লাভ করেছেন।  

;