জয়িতার টেগর’স টেল-এ বুঁদ সাধারণ থেকে তারকা



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
একক সংগীতানুষ্ঠান ‘‘টেগর’স টেল’’-এ গাইছেন জয়িতা

একক সংগীতানুষ্ঠান ‘‘টেগর’স টেল’’-এ গাইছেন জয়িতা

  • Font increase
  • Font Decrease

একজন স্কুল জীবনের বন্ধুর অনুভূতি দিয়ে শুরু করা যাক। মারুফা আজিজ উপমা লিখেছেন, ‘সেই স্কুল জীবন থেকে তোর গান শুনে আসছি, কিন্তু এবারের গান অন্যরকম ভালো লাগার। কারণ এবার তোর একক সংগীত সন্ধ্যায় ছিলাম আমরা। প্রতিটা মুহূর্তে আন্টিকে (প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী শিল্পী মিতা হক) মিস করেছি, মাঝে মাঝে দেখে মনে হচ্ছিল আন্টিই গাইছেন। গর্বিত বাবা-মায়ের গর্বিত সন্তান।’

কথাগুলো যাকে নিয়ে লেখা হয়েছে তিনি ফারহিন খান জয়িতা। তরুণ প্রজন্মের রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী। যাকে এ প্রজন্মের অন্যতম মেধাবী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী বলে মনে করেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা!

ফারহিন খান জয়িতা

জয়িতার আরেকটি পরিচয় আছে। তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রয়াত রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী ও শিক্ষক মিতা হক এবং মঞ্চ নাটকের যুবরাজ’খ্যাত খালেদ খানের একমাত্র কন্যা।

গত ১৭ মে ছুটির দিনে রাত ৮টা থেকে বনানীর যাত্রা বিরতির নতুন ঠিকানায় জয়িতার একক সংগীত সন্ধ্যা ‘টেগর’স টেলস’। সেই অনুষ্ঠান দেখতে টিকেট কেটে হাজির হন অনেকেই। তারমধ্যে শোবিজ তারকারাও ছিলেন।

এক ঘন্টা ৪৫ মিনিট জয়িতা একে একে গেয়ে গেলেন বাল্মীকি প্রতিভা, মায়ার খেলা, প্রেম পর্যায়ের গানগুলো।

অনুষ্ঠানে এক ফ্রেমে জয়িতা, তার স্বামী শাহিদ মুস্তাফিজ, অভিনেত্রী নাজনিন হাসান চুমকী, নাদিয়া আহমেদ ও তার মা

গান শুনতে গিয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী নাজনিন হাসান চুমকী। নিজের অনুভূতির কথা সোশ্যাল লিখেছেন এভাবে, ‘গত সন্ধ্যায় জয়িতার কণ্ঠে রবীন্দ্র সংগীতে বুঁদ হয়ে ছিলাম। জয়িতা সোনা, তোমার কণ্ঠে মধু আছে। আর উচ্চারণ, তোমার কাছ থেকে অনেক শেখার আছে। তুমি অতুলনীয়। তোমার জন্য শুভকামনা সকল সময়।’

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নাদিয়া আহমেদ অনুষ্ঠান শেষে ছোট ছোট কিছু ভিডিও ক্লিপিং শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘আমাদের জয়িতা। মিতা আপার সুযোগ্য কন্যা জয়িতা। ওকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার কিংবা ওকে নিয়ে বলবার কিছু নেই। শুধু বলবো, আজকে গান থেকে শুরু করে কয়েক লাইন আবৃত্তি এক অসাধারন মুগ্ধতার সন্ধ্যা কাটলো। যারা রবীন্দ্রপ্রেমী তাদের জন্য একটু শেয়ার করলাম। জয়িতা তুই একটা ভালবাসা।’

জয়িতার সঙ্গে সেমন্তী মঞ্জুরী ও তার স্বামী

নিজে রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী হয়ে আরেকজন রবীন্দ্র সংগীতশিল্পীকে নিয়ে সেমন্তী মঞ্জুরী লিখেছেন, ‘অনেকদিন পর দিদির এতগুলো গান শুনলাম! আনন্দঘন সময় কাটলো। গান তো ভালো বলতেই হয়। তবে আবৃত্তি শুনে বার বার মামার (জয়িতার বাবা অভিনেতা খালেন খান) চেহারাটা চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। লাভ ইউ জয়িতা দিদি।’

মেধাবী নির্মাতা কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘কি অনবদ্য এক ঘন্টা পয়তাল্লিশ মিনিট কাটালাম! জয়িতা দোস্ত, তুমি সবার হৃদয় হরণ করেছ। তোমার গায়কী এবং গান নির্বাচন ছিলো এক কথায় পারফেক্ট। তুমি তো বটেই, তোমার যন্ত্রশিল্পীরাও অসাধারন পারফরমেন্স করেছেন গত রাতে। গান, নাচ, কবিতা সব মিলিয়ে অদ্ভূত সুন্দর একটা আবহ তৈরী হয়েছিলো। প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি আমি। এ ধরনের পরিবেশনা তোমার আরও বেশি বেশি করা উচিত।’

একক সংগীতানুষ্ঠান ‘‘টেগর’স টেল’’-এ অনবদ্য পরিবেশনা ছিল জয়িতার

শুধু এই তারকারাই নন, জয়িতার ফেসবুক জুড়ে আরও নানা পেশা, নানা বয়সের দর্শকের প্রশংসা বার্তা ছড়িয়ে আছে। টিকেট শেষ হয়ে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে জয়িতা আগের দিনই জানিয়েছেন, শিগগির আবার ফিরবেন এরকম আয়োজন নিয়ে।

   

দ্বিতীয় সন্তানের জন্য ৭ বছর চেষ্টা করেছিলাম: রানী মুখার্জি



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: রানী মুখার্জি

ছবি: রানী মুখার্জি

  • Font increase
  • Font Decrease

মেয়ে আদিরার জন্মের পর দ্বিতীয় সন্তান চেয়েছিলেন রানী মুখার্জি। আর এর জন্য টানা সাত বছর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সফল হতে পারেননি। এমনকি গর্ভপাতের সম্মুখীন হতে হয় ৪৬ বছর বয়সী এ অভিনেত্রীকে।

এক সাক্ষাৎকারে ‘সন্তান নেওয়ার চেষ্টা নিয়ে’ তার সংগ্রামের গল্প বলেন রানী মুখার্জি।

রানী মুখার্জি বলেন, আমার মেয়ের জন্মের পর ৭/৮ বছর পরে দ্বিতীয় সন্তান নেয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলাম। তার বয়স যখন ১ বা ২ তখন থেকেই চেষ্টা করছিলাম। আদিবার যখন ৮ বছর বয়স হয় তখন আমি গর্ভধারণ করি। কিন্তু আমাকে গর্ভপাতের সম্মুখীন হতে হয়।

রানী বলেন, সন্তানের জন্য চেষ্টা করার সময় কতটা কষ্ট পেতে হয় এ সম্পর্কে আমরা কল্পনাও করতে পারি না। অনেক সময় সফল হতে পারিনা বা গর্ভপাতের সম্মুখীন হতে হয়। মানসিক, শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাদের।

গর্ভপাত প্রসঙ্গে রানী জানান, কী পাওয়া যায়নি, তা নিয়ে শোক করার বদলে যা পাওয়া গিয়েছে তা নিয়ে খুশি থাকতে পারাই জীবনের সবচেয়ে বড় কাজ। আর এই কাজটিই তিনি করে চলেছেন।

তবে আর সন্তানের জন্ম দেওয়ার মতো বয়স তাঁর নেই। আদিরাকে যে তিনি কোনওদিন ভাই বা বোন দিতে পারবেন না, এটা ভাবলেই তাঁর মন ভেঙে যায় বলে জানান, রানী। 

;

পরিকল্পনা করে বিয়ের খবর গোপন করিনি: আইরিন



মাসিদ রণ, সিনিয়র নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
বিয়ের মঞ্চে আইরিন ও তার স্বামী / ছবি : শিল্পীর সৌজন্যে

বিয়ের মঞ্চে আইরিন ও তার স্বামী / ছবি : শিল্পীর সৌজন্যে

  • Font increase
  • Font Decrease

ছোটপর্দার পরিচিত মুখ আইরিন আফরোজ। মডেলিং ও টিভি নাটকে সাবলিল উপস্থিতি দিয়ে দর্শকের মন জয় করেছেন। এই তারকা সাত মাস আগেই বিয়ের পীড়িতে বসেছেন। তবে সেই খবর জানাজানি হয়েছে সদ্য। কেন এতোদিন বিয়ের খবর জানাননি? কখন কিভাবে বিয়েটা হলো? এসব নিয়ে বার্তা২৪.কমের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মাসিদ রণ

আইরিন আফরোজ

নতুন জীবন শুরু করেছেন, অভিনন্দন। যদিও সাত মাস আগেই বিয়েটা করেছেন...


ধন্যবাদ। হ্যাঁ বিয়েটা করেছি গত বছরের ডিসেম্বরে। তবে কোরবানির ঈদের সময় ফেসবুকে স্বামীর সঙ্গে ছবি দেখে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হওয়ায় এখন অনেকেই আমাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। যেদিন প্রথম খবরটি মিডিয়ায় আসে তার পরদিন ঘুম থেকে উঠে আমি তো অবাক। ফোন, এসএমএস, ইনবক্স, সোশ্যাল মিডিয়ায় কমেন্টে ভরে যায়। সবাই নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। আমার খুব ভালো লাগছে।

নব দম্পতি বাবু ও আইরিন / ছবি : শিল্পীর সৌজন্যে

এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি খবর এতোদিন পরে কেন জানালেন?


আমি জানি, অনেকে এই বিষয়েও কথা তুলেছেন। কারণ শোবিজে এর আগে অনেক তারকা বিয়ে-বাচ্চা লুকানোর নিউজ খুব সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তারা কেন এই কাজ করেছেন তা আমি জানি না। তবে আমার বিষয়টি বলতে পারি যে, ক্যারিয়ারে প্রভাব পড়বে, ডিমান্ড কমে যাবে, দর্শকপ্রিয়তা হারাবো এসব চিন্তা থেকে নয়। কারণ ২০২৪-এ এসে বিয়ের কারণে এসব হয় না। আমি আসলেই কোন পরিকল্পনা করে বিয়ের খবর গোপন করিনি!

বিয়েটা যে গোপন করেছি তাও কিন্তু নয়। আমার আশেপাশের মানুষ বা যেসব সেটে কাজ করেছি, যারা বিয়ের কথা জিজ্ঞেস করেছেন সবাইকে বিয়ের ব্যাপারে জানিয়েছি। তবে এটা ঠিক যে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের ছবি দিয়ে বিয়ের ঘোষণা করিনি!

আইরিন আফরোজ

কারণ, আমার বিয়েটা খুবই দ্রুত সিদ্ধান্তে হয়েছে। তখন আমার মানসিক অবস্থা ভালো ছিল না! বিয়ের কিছুদিন আগেই আমার আব্বুকে হারাই। তিনি বরাবরই চাইতেন, আমি বিয়ে করে সুখী হই। এমনকি মৃত্যুর আগে হাসপাতালে থাকাকালীন আমার বিয়ে নিয়ে কথা বলেছেন। তারপর তো তিনি চলেই গেলেন! এজন্য আমি ভাবলাম দ্রুতই বিয়েটা সেরে ফেলা উচিত। এতে আব্বুর আত্মা শান্তি পাবে।

তাছাড়া বরাবরই চেয়েছি, আমার বিয়েটা হবে খুব সুন্দর আয়োজন করে। সেই ছবি উৎসাহ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করবো। কিন্তু সেভাবে তো বিয়েটা করতে পারিনি। তাই ইচ্ছে ছিল এ বছরেই সবাইকে জানিয়ে বড় পরিসরে বিয়ের আয়োজন করার। তার আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বামীর সঙ্গে ছবি দেখে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়ে গেছে।

স্বামীর সঙ্গে আইরিনের রোমান্টিক মুহূর্ত / ছবি : শিল্পীর সৌজন্যে

আপনার স্বামী তো শোবিজের বাইরের মানুষ। তার সম্পর্কে জানতে চাই...


আমার স্বামীর নাম মেহেদী হাসান চৌধুরী, ডাকনাম বাবু। সে একজন শিক্ষিত মানুষ, সফল ব্যবসায়ী। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে তাদের পরিবারের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। শ্বশুরবাড়ির সবাই বলতে গেলে ইতালি নয়তো লন্ডনে থাকেন। শুধু আমি আর আমার স্বামীই মিরপুরে আছি। বাবু আমার দেখা সবচেয়ে ভালো মানুষদের একজন। পার্টনারকে সম্মান করা, স্পেস দেয়া, তার কাজকে সম্মান করা, কাজে অনুপ্রেরণা দেওয়া- সব গুণই তারমধ্যে আছে। এমনও হয় যে, আমি কিছুদিন অলসতার জন্য শুটিং না করলে সে-ই আমাকে বলে, ‘এভাবে বসে থেকো না। শুটিং করো, কারণ তুমি অভিনয়টা ভালোবাসো। আমি তো সারাক্ষণ ঘর সংসার সামলাবে এমন মেয়ে করিনি। তুমি একজন অভিনেত্রী, দর্শক তোমাকে ভালোবাসে, তাদের জন্য হলেও তোমাকে কাজ করতে হবে।’

আমি অবশ্য সংসারটা মন দিয়েই করি। আগের মতো প্রতিদিন শুটিং করি না। আমার রান্না খেতে বাবু খুব ভালোবাসে। তার জন্য রান্নাটা আমিই করি। এবার কোরবানির ঈদে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে বড় পাতিলে গুরুর মাংস করেছি। তা দেখে গ্রামের মানুষ তো অবাক, বলছে- আপনি নায়িকা মানুষ। রান্না বান্নাও পারেন (হাহাহা)।

বিয়ের মঞ্চে আইরিন ও তার স্বামীর মালাবদল / ছবি : শিল্পীর সৌজন্যে

বিয়েটা কিভাবে হলো?


একেবারেই ঘরোয়াভাবে দুই পরিবারের ক্লোজ আত্মীয়-স্বজন নিয়ে বিয়েটা করেছি। অবশ্য বাবা আমার বিয়েটা দেখে যেতে পারেননি। তবে তিনি অসুস্থ অবস্থায় বাবুকে দু-একবার দেখেছেন। তখন আমি আব্বুকে বলেছি বাবু আমার খুব ভালো বন্ধু। তখন আমরা প্রেমের সম্পর্কে ছিলাম। আব্বুও বলেছিলেন, ‘ছেলেটা খুব ভালো। নামাজ-কালাম করে, তুমি ডাকা মাত্র চলে এসেছে, তার মানে তোমাকে কেয়ার করে।’ বাবা একথা বলার পরই আসলে বিয়েটা দ্রুত করার সিদ্ধান্ত নিই।

স্বামীর সঙ্গে আইরিনের রোমান্টিক মুহূর্ত

আপনাদের পরিচয় কিভাবে?


আমার একটা ফ্রেন্ড সার্কেল ছিল। তাদের মাধ্যমেই বাবুর সঙ্গে পরিচয় ২০১৬-১৭ সালের দিকে। তখনই আমরা বেশ ভালো বন্ধু হয়ে উঠি। কিন্তু কোন প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। একটা পর্যায়ে আমাদের ওই সার্কেলটার যোগাযোগ কমে যায়। যে যার লাইফ গোছাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কোভিডের পর আবার ফ্রেন্ড সার্কেলটার রিইউনিয়ন হয়। এবার আমরা সবাই আগের চেয়ে অনেক ম্যাচুরড। আমি আর বাবু দুজনই বিয়ের ব্যাপারে মানসিকভাবে প্রস্তুতিও নিয়ে ফেলেছিলাম। দুজন দুজনকে মনে হয়েছে একসঙ্গে আমরা থেকে যেতে পারবো। এই চিন্তা থেকেই প্রেমের সম্পর্কে জড়ানো।

বিয়ের মঞ্চে আইরিন ও তার স্বামী / ছবি : শিল্পীর সৌজন্যে

বাবু লাইফ পার্টনার হিসেবে সত্যি খুব ভালো। আমি যেমনটা চেয়েছিলাম, তেমনটাই। আমার স্বামীর অনেক টাকা থাকবে, দেখতে রাজপুত্রের মতো হবে- সেগুলো চাইনি। চেয়েছি এমন একজন মানুষ যে আমার সঙ্গে সম্পর্কে সৎ থাকবে, আমাকে বুঝবে। যদিও আমার স্বামীর বাড়ি গাড়ি সব আছে, সিক্স প্যাক অ্যাবস আছে (হাহাহা)- এগুলো তো আসলেই বাড়তি পাওনা! সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন আজীবন একসঙ্গে দারুণভাবে কাটিয়ে দিতে পারি।

;

টাকা নয়, তাহসানের সঙ্গে কাজের কারণ জানালেন মিথিলা!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন সাবেক তারকা দম্পতি তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। আরিফুর রহমানের ‘বাজি’ শিরোনামের ওয়েব সিরিজে দেখা গেছে তাদের। বিচ্ছেদের পর একসঙ্গে দুজনের অভিনয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই বলছেন, সন্তান তাদের এক করতে না পারলেও টাকার জন্য একত্র হয়েছেন তাহসান-মিথিলা! তাহসানের সঙ্গে পর্দায় ফেরা ও সমালোচনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মিথিলা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা বলেন, ‘২০১৬-এর পরে আমরা আর কাজ করিনি। ২০১৭ সালে আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এত বছর বাদে কাজ করলাম, লোকে আবার অনেক কথা বলতে শুরু করল। টাকার জন্য মিথিলা-তাহসান একসঙ্গে কাজ করল, অথচ বাচ্চার জন্য একসঙ্গে থাকতে পারল না! লোকে তো জানেই না আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের কথা। আমরা খুব ভালো আছি। দর্শক ভাবছে ২০১৬-এর পরে ২০২৪-এ মিথিলা আর তাহসানের দেখা হল। এটা তো নয়, আমাদের তো প্রতিদিন কথা হয়। ব্যাপারটা ও রকম নয় যে বহু বছর পরে দুজনের দেখা।’

`বাজি' সিরিজের প্রেস কনফারেন্সেও দুজন দুজনের বেশ প্রশংসাও করেন

সাক্ষাৎকারে মিথিলা আরও জানান, বিচ্ছেদ হলেও তাহসানের সঙ্গে এখনও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে তার। মিথিলার ভাষ্য, ‘সব সম্পর্কে বন্ধুত্ব না-ও থাকতে পারে। কিন্তু সন্তান থাকলে তার স্বার্থ আগে দেখতে হবে। সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য আমার কাছে সবচেয়ে আগে। এটাই উচিত। আমি আয়রাকে দেখতে পেলাম না। আমি আর তাহসান লড়াই করলাম, এই ইগোর যুদ্ধে তো বাচ্চার ক্ষতি হবে। এছাড়াও আমি আর তাহসান চোদ্দো বছর একসঙ্গে থেকেছি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের আলাপ। দুজন দুজনকে ভালো করে জানি। তবে, আয়রা সৃজিতকে ‘আব্বু বলে, তাহসানকে ‘বাবা’, এই দুইয়ের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আমি’।

`বাজি' সিরিজের প্রেস কনফারেন্সেও দুজন দুজনের বেশ প্রশংসাও করেন। এ তারকারা প্রমাণ করলেন স্বামী-স্ত্রী আলাদা হলেও বাবা-মা কখনই আলাদা হয় না। এ বন্ধন সারা জীবনের।

;

‘কল্কি’ মুক্তির আগেই তুলে আনলো খরচের অর্ধেক!



বিনোদন ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
‘কল্কি’ ছবির লুকে দীপিকা পাড়ুকোন, প্রভাস ও অমিতাভ বচ্চন

‘কল্কি’ ছবির লুকে দীপিকা পাড়ুকোন, প্রভাস ও অমিতাভ বচ্চন

  • Font increase
  • Font Decrease

আর মাত্র দুই দিন পরেই (২৭ জুন) মুক্তি পাচ্ছে বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’। নাগ অশ্বিন পরিচালিত এই ছবিতে দেখা যাবে প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসানের মতো তুখোড় অভিনেতাদের! 

৬০০ কোটি বাজেটের এই ব্যয়বহুল ছবিটি মুক্তির আগেই জানা গেলো দারুণ খবর! প্রযোজকরা জানালেন, মুক্তির আগেই নাকি নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক খরচ ঘরে তুলে নিতে পেরেছেন তারা!

‘কল্কি’ ছবির পোস্টার

বলিপাড়ায় গুঞ্জন, মুক্তির আগেই ৩৯৪ কোটি টাকা আয় করে ফেলছে প্রভাসের ‘কল্কি’। শোনা যাচ্ছে, যে অনুপাতে এই সিনেমার সত্ব অন্ধ্রপ্রদেশে বিক্রি হয়েছে তা থেকে ৮৫ কোটি টাকা আয় হয়েছে। কিছু সত্বের বিনিময়ে ২৭ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। হায়দরাবাদের নিজাম সত্ব মারফত আয় ৭০ কোটি টাকা। ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ টেকনোলজি সার্ভিস থেকে ছবির মোট আয় ১৮২ টাকা।

এভাবেই তামিলনাড়ু এবং কেরালা থেকে ছবির আয় ২২ কোটি টাকা। কর্ণাটক থেকে প্রাপ্তি ৩০ কোটি টাকা। আর গোটা উত্তর ভারত থেকে ৮০ কোটি টাকার ব্যবসা করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশের সত্বের বিনিময়ে আরও ৮০ কোটি টাকা ধরা হচ্ছে। এই সমস্ত কিছু মেলালে মুক্তির আগেই ‘কল্কি’র আয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৩৯৪ কোটি টাকা। এর পর আবার অগ্রিম বুকিংও রয়েছে।

‘কল্কি’ ছবির লুকে প্রভাস

মহাভারতের উপর ভিত্তি করেই ‘কল্কি’তে ভবিষ্যতের গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক নাগ অশ্বিন। এই ছবির সুবাদেই দীর্ঘ ৩৮ বছর পর অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন কমল হাসান। অশ্বথামার চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিগ বি। আর কমল হাসান প্রধান খল চরিত্র সুপ্রিম ইয়াসকিন। ভৈরবের ছায়াসঙ্গী বুজ্জির জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন দক্ষিনী সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা কীর্তি সুরেশ। আর ছবিতে বাঙালির পাওনা কমান্ডার মানসের চরিত্রে কলকাতার মেধাবী অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।

তথ্যসূত্র : পিঙ্কভিলা

;