বড়দিনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ব্যাংকক



মাজেদুল নয়ন, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, ঢাকা
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্যাংকক থেকে: মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ দশমিক ১৩ শতাংশ খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী। তবে পর্যটকদের অন্যতম তীর্থভূমি হওয়াতে থাইল্যান্ডে বেশ ঘটা করেই পালিত হয় বড়দিন। দেশটির যে কোন শহরের যে কোন বড় শপিং মল বা হোটেলে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে বড়দিনের প্রস্তুতি।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে আমরা হাঁটতে যাই সেন্ট্রাল ওয়ার্ল্ড শপিং মলের আশপাশে। এই মলের বাইরের বিশাল চত্বরে বড়দিনকে ঘিরে যেন মেলা বসেছে। প্রায় শত ফুট উঁচু ক্রিসমাস ট্রি অনেক দূর থেকেই দেখা যায়। আর সেটিই আবহ দেয় বড়দিন খুব কাছে চলে এসেছে।

barta24
দেশটির যে কোন বড় শপিং মল বা হোটেলে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে বড়দিনের প্রস্তুতি।

করোনার প্রাদুর্ভাবে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় থাইল্যান্ডে পর্যটক প্রায় হাড়ির তলায়। তাই স্থানীয়দের ভিড়ই বেশি। কিন্তু সন্ধ্যার আগে আগে সেখানে প্রায় ভিড় জমে বসেছে। তবে এই শহরে এখনো কাউকে মাস্ক ছাড়া চোখে পড়েনি। চেষ্টা করা হচ্ছে শতভাগ স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে উৎসব পালনের।

সেন্ট্রাল ওয়ার্ল্ডের পূর্ব পাশে প্রায় ৪০০ বর্গমিটার জুড়ে উৎসবের আয়োজন। রয়েছে ফুড ফ্যাস্টিভ্যাল। খাবারের শহর ব্যাংকক। এখানে হরেক রকমের খাবার মেলে। নেটফ্লিক্সে ঝড় তোলা কোরিয়ান সিরিজ স্কুইড গেমসের আদলে একটি দোকানে বিক্রি হচ্ছে হানিকম্ব। তবে এই হানিকম্বগুলো না কিনে শুধু ছবি তোলার জন্যেও ভীড় করছেন অনেকে।

ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে ছবি পোস্ট করার জন্য এখানে বিভিন্ন কর্নার রয়েছে।

ডাব দিয়ে যে আইসক্রিম হয়, সেটাও ব্যাংককের পথে ঘাটেই দেখা মেলে। ডাবের মধ্যকার নারিকেলের অংশটুকুকে বাটির মতো বানিয়ে তার মধ্যে রাখা হয় আইসক্রিম। সাম্প্রতিক বছরে থাইল্যান্ডে গাঁজাকে বৈধতা দেয়া হয়েছে ভেষজ উপাদান হিসেবে। তাই ক্যানাবিজ বা গাঁজার চা আর কফিও বিক্রি হচ্ছে।

সাগরের নিচের শ্যাওলা থেকে যে চিপস হয়, সেটিও বেশ জনপ্রিয় এখানে। এই একটি উপাদান দিয়েই বানানো হয় শত রকমের খাবার। আর পুরো ফুড ফ্যাস্টিভ্যালে রয়েছে কোরিয়ান খাবার আর স্টাইলের ছোঁয়া।

সন্ধ্যা হতেই জমে উঠে আলোর খেলা। ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকে ছবি পোস্ট করার জন্য এখানে বিভিন্ন কর্নার রয়েছে। সুখী, মজাদার, স্বপ্ন, আশা, সততা এই নামে বেশ কয়েকটি কর্ণার করা হয়েছে ছবি তোলার জন্য। ছোট লাইট দিয়ে যেন অর্কিডের বাগান সাজানো হয়েছে। সেগুলোতে ভিড় করছে মেয়েরা ছবি তুলতে।

সেন্ট্রাল ওয়ার্ল্ড মার্কেটের ভেতরেও রয়েছে সাজসজ্জা। বড়দিনের এই প্রস্তুতির সঙ্গে রয়েছে নতুন বছরের প্রস্তুতিও। নতুন বছরের উৎসবকে ঘিরে ব্যাংকক আবারো পর্যটকে ভরে উঠবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

শিশিরকুমার দিয়ে শুরু, আরও যারা ‘পদ্ম সম্মান’ প্রত্যাখ্যান করেন



আফসানা রিপা, নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
পদ্ম সম্মান

পদ্ম সম্মান

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘পদ্ম সম্মান’। ১৯৫৪ সালের ২ জানুয়ারি ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক পদ্ম সম্মানের প্রবর্তন হয়। জাতির প্রতি বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদ্ম সম্মান প্রদান করে থাকে ভারত সরকার। পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ ও পদ্মশ্রী এই তিন বিভাগে দেওয়া হয় পুরস্কারগুলো।

চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা। সে তালিকা থেকে এবছর পদ্মভূষণ সম্মাননা প্রত্যাখ্যান করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও 

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নিজেই এক বিবৃতি দিয়ে জানান, ‘পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়ে আমি কিছুই জানি না। আমাকে এ নিয়ে কেউ কিছু বলেওনি। যদি আমাকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়ে থাকে, তাহলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করছি।’

শুধু বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ই নয় এবছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরকারের দেওয়া পদ্ম সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনজন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এবং বিশিষ্ট তবলাবাদক অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, পদ্ম সম্মান ফিরিয়ে দিয়ে পরে গ্রহণ করেছিলেন তিনি

পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যানের শুরু হয়েছিল নাট্য ব্যক্তিত্ব শিশিরকুমার ভাদুরির মাধ্যমে। কেন্দ্রের তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের মনে হয়ছিল বাংলার বিশিষ্ট এই ব্যক্তিত্বকে পদ্ম সম্মান দেওয়া দরকার। আর শিশির ভাদুরির বয়স তখন ৭০ বছর। সরকারের দেওয়া সম্মান নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নাট্যমঞ্চের বিশিষ্ট এই শিল্পী বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রীয় সম্মান আসলে স্তাবকের দল তৈরির এটা চেষ্টামাত্র।‘

তারপর থেকে কয়েকদশক ধরে বাংলার বহু বিশিষ্টজন পদ্ম সম্মান সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন।

নাট্য ব্যক্তিত্ব শিশিরকুমার ভাদুরি

১৯৯০ সালে পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক নিখিল চক্রবর্তী। সেই সময়ে কেন্দ্রে আসীন কংগ্রেস সরকার। কেন্দ্রকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, একজন সাংবাদিকের ওপর রাষ্ট্রের বদান্যতার বোঝা থাকা উচিত নয়।

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এবং অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ের মতো পদ্ম সম্মাননা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন পশ্চিম বাংলার স্বর্ণযুগের শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। ১৯৮৮ সালে কেন্দ্রের তরফ থেকে বিশিষ্ট এই শিল্পীকে পদ্ম সম্মান দেওয়া হলে তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।

হেমন্ত মুখোপাধ্যায়

একাধিকবার পদ্ম সম্মাননা ফিরিয়ে দিয়েছেন পশ্চিম বাংলার নাট্যকার বাদল সরকার। তাকে প্রথমবার ১৯৭২ সালে দেওয়া হয়েছিল পদ্মশ্রী। তিনি তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তার চার বছর আগে বাদল সরকার পেয়েছিলেন সঙ্গীত-নাটক একাডেমি সম্মান। বাদল সরকার বলেন, লেখক হিসেবে তিনি তার প্রাপ্য সম্মান পেয়ে গিয়েছেন। তার আর নতুন করে কোন সম্মানের প্রয়োজন নেই।

পশ্চিম বাংলার নাট্যকার বাদল সরকার

শুধু ব্যতিক্রমী হয়ে রইলেন ভারতীয় বিশিষ্ট অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। ১৯৭০ সালে পদ্ম সম্মাননা ফিরিয়ে দিয়ে তিনি তার চেয়েও আরও উচ্চতর সম্মান গ্রহণ করেন। ২০০৪ সালে তিনি পদ্মভূষণ সম্মাননা গ্রহণ করে এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, এই সম্মান না নিলে ভক্তদের ভাবাবেগে আঘাত লাগবে।

বলো বীর, চির উন্নত মম শির

পদ্ম সম্মাননা প্রত্যাখ্যানের ঝড় দেখে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার কথাই বারবার মনে পড়ে। যারাই এই সম্মাননা প্রত্যাখান করেছেন তাদের কথায় এমনটাই মনে হয় একটি সম্মান পাওয়ার লোভে নিজের মান-সম্মানকে কোনভাবেই বিসর্জন দেওয়া যায় না।

;

‘গৈইলত থাকি, মোক ঘর করি দেয় কাই’



কল্লোল রায়, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণি ইউনিয়নের সুরিরডারা গ্রামের বাসিন্দা মহেছেনা বেগম। স্বামী ছেড়ে চলে যাওয়ায় অসহায় জীবন যাপন করছেন এই ষাটোর্ধ্ব নারী। সন্তানরা থেকেও নেই। ফলে গোয়ালঘরে গরুর সাথে কয়েকমাস ধরে বসবাস করছেন মহেছেনা বেগম।

জানা যায়, তার স্বামী ছেড়ে গেছেন প্রায় ছয় বছর আগে। এরপর দুই ছেলে নিয়ে স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করছিলেন মহেছেনা। ৫/৬ মাস আগে বড় ছেলে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। সাথে নিজের করা ঘরটাও ভেঙে নিয়ে গেলেও নিজের প্রথম পক্ষের ছেলেকে রেখে যান মা মহেছেনার কাছে। গৃহহীন মহেছেনার আশ্রয় হয় ছোট ছেলের গোয়াল ঘরে, গরুর সাথে। এই তীব্র শীতেও দশ বছর বয়সের নাতিসহ গরুর সাথে একই ঘরে বসবাস ষাটোর্ধ্ব মহেছেনার।

মহেছেনার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, গোয়াল ঘরের একদিকে একটি মাঁচান আর একদিকে শোবার বিছানা। মাঝখানের কোনায় গরু রাখার স্থান। গোবর-মূত্রের গন্ধ নিয়ে সেই ঘরেই বসবাস মহেছেনার। যেন নিজ ভূমিতে পরবাসী তিনি। ছোট ছেলে বাড়িতে থাকলেও স্বল্প আয়ে মায়ের জন্য আলাদা ঘর তৈরি করে দেওয়ার ‘সামর্থ’ নেই তার। বিকল্প না থাকায় ছেলের গোয়ালঘরে আশ্রয় হয়েছে মহেছেনার।

মহেছেনা বলেন, ‘বড় বেটা প্রথম বউ ছাড়ি দিয়া ফির বিয়া করি অন্যটেই থাকে। নাতিটাক মোর কাছত রাখি গেইছে। ছোট বেটা দিন আনি দিন খায়। মোক ঘর করি দেয় কাই? নাতিটাক নিয়া ছোট বেটার গৈইলত (গোয়ালে) থাকি।’

গরুর গোবর আর মূত্রের গন্ধে সমস্যা হয় কি না, এমন প্রশ্নে মহেছেনা বলেন, ‘ সমস্যা হয় কিন্তু কী করমো বাবা, ঘর করারতো সামর্থ নাই!’

অন্যের বাড়িতে কাজ করে নিজের ও নাতির খাবার জোগান মহেছেনা। নিজের বয়স কত সেটাও ঠিকমতো বলতে পারেন না। তবে গোয়ালঘরে থাকা নিয়ে তাঁর ছোট ছেলের প্রতি কোনও অভিযোগ নেই। বরং ছেলের জন্য অনেকটা সাফাই গাইলেন ষাটোর্ধ্ব এই নারী।

‘নাতিসহ যাওয়ার আর জায়গা নাই। মাইনষের বাড়িত কামাই করি আনি নাতিসহ খাঙ। ছোট বেটা নিজে চইলবার পায় না মোক কেমন করি দিবে। উয়ারও (ওরও) একটায় ঘর। কাইয়ো ঘরও দেয়না, সাহায্যও করে না।’

মহেছেনার ছোট ছেলে কাজে যাওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মহেছেনা যে বাড়িতে কাজ করেন সেই বাড়ির বড় ছেলে মারুফ আহমেদ মহেছেনা ও তার নাতির জন্য আলাদা ঘর করে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে সেজন্য সমাজের সামর্থবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মারুফ আহমেদ বলেন, ‘সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দেওয়ায় ইতোমধ্যে কয়েকজনের সাড়া পেয়েছি। আরও কিছু সহায়তা দরকার। সকলের সহায়তা পেলে আগামী মাসেই মহেছেনা ও তার নাতির জন্য ঘর তৈরি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।’

;

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাওয়ায় পান্না কায়সারকে খেলাঘরের শুভেচ্ছা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পান্না কায়সারকে শুভেচ্ছা জানাতে খেলাঘরসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা

পান্না কায়সারকে শুভেচ্ছা জানাতে খেলাঘরসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাওয়ায় জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতি মণ্ডলীর চেয়ারম্যান অধ্যাপক পান্না কায়সারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় পান্না কায়সারকে শুভেচ্ছা জানাতে খেলাঘরসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা হাজির হন।

প্রথমে খেলাঘরের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান সংগঠনের নেতাকর্মী ও ভাইবোনরা।

এসময় শহীদ শহিদুল্লাহ কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার বলেন, আমার স্বপ্ন মুক্তিযুদ্ধে চেতনায় বিজ্ঞান মনষ্ক প্রজন্ম গড়ে তোলা। সে লক্ষে আরো বেশি বেশি কাজ করে যাব। আগামী প্রজন্মকে যদি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় গড়ে তোলা যায় তাহলে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে ঠিক অন্যরকম।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিজ্ঞান মনষ্ক প্রজন্ম গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে খেলাঘরের মাধ্যমে সারাদেশে আরো বেশি কাজ করতে চাই। সেইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নতুন নতুন বই ও গবেষণার ইচ্ছা রয়েছে বলে জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক প্রণয় সাহা, প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুন মোর্শেদ, রাজেন্দ্র চন্দ্র দেব মন্টু, সাংবাদিক অশোকেশ রায়, সাংবাদিক রাজন ভট্টাচার্য, আশরাফিয়া আলী আহমেদ নান্তু, হাফিজুর রহমান মিন্টু, আব্দুল মান্নান, কোহিনুর আক্তার শিল্পী, নাদিয়া রহমান মেঘলা প্রমুখ।

গত রবিবার বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা হয়। এবারে পান্না কায়সার সহ ১৫ গুণীজনকে পুরস্কার সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হবে। অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার প্রদান করবেন।

;

শীতের সকালে কৃষকের খাবার



ফটো স্টোরি, বার্তা২৪.কম
শীতের সকালে কৃষকের খাবার/ ছবি: মেহেরাব হোসেন নাঈম

শীতের সকালে কৃষকের খাবার/ ছবি: মেহেরাব হোসেন নাঈম

  • Font increase
  • Font Decrease

আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য মাঠের ক্ষেতে বা আইলে কৃষকের খাবার-দাবার। কাজের ফাঁকে সকালে নাস্তা আর দুপুরের খাবার সারেন তারা। এই প্রথা চলে আসছে আদিকাল থেকে।


ভোর বা সকালে কৃষক ও শ্রমিক চলে যান মাঠের ক্ষেতের কাজে। কাঁধে থাকে লাঙ্গল-জোয়াল, মই।কারো হাতে কাস্তে বা হাসুয়া। কেউবা কোদাল হাতে মাঠে চলে যায়। রোদ, ঝড়-বৃষ্টিতে একমনে কাজ করেন তারা।


সকালে বাড়ি ছাড়েন বলে নাস্তা ও দুপুরের খাবারটি মাঠে সারেন তারা।

কৃষাণ বধূরা গামছায় বেঁধে নাস্তা নেন। কোনো সময় দুপুরে খাবার পোটলায় বেঁধে প্রিয় মানুষটির খাবার নিয়ে যান। সঙ্গে থাকে বাসি তরকারি, ভর্তা, কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ।


তরকারি বাসি কিংবা টাটকা এবং পদ যাই থাক পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ থাকতেই হবে পাতে। কর্মজীবী মানুষটির অপেক্ষায় থাকেন খাবারের।


অবশেষে আসে সেই মহেদ্রক্ষণ। কাজের ফাঁকে মাঠের ক্ষেতে বা আইলে কিংবা উঁচু জায়গায় বসে খাবার খান। খাওয়া-দাওয়া শেষে কৃষাণী বধূ বাড়ির পানে ফিরেন।

;