করোনাভাইরাস সমাজতন্ত্রকে নতুন সুযোগ দেবে

আহমেদ দীন রুমি, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট
স্লাভোয় জিজেক

স্লাভোয় জিজেক

  • Font increase
  • Font Decrease

স্লাভোয় জিজেক বর্তমান দুনিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী মুখ। খুব কম দার্শনিক জীবিত অবস্থায় এতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পেরেছেন। দ্য সাবলাইম অবজেক্ট অব আইডিয়োলজি প্রকাশের মধ্য দিয়ে নজরে আসেন। মহামারি নিয়ে তার লেখা বই ‘প্যানডেমিক: দুনিয়া কাঁপানো কোভিড-১৯’ প্রকাশিত হয়েছে সদ্যই। এই সাক্ষাৎকার নিয়েছেন চার্লি ন্যাশ; যা প্রকাশিত হয়েছে স্প্যাকট্যাটরে।


“ঠিক আছে, পারব। যদিও আমি অসুস্থ। (ভাইরাসের কারণে না)”

এই কথার মধ্য দিয়েই সাক্ষাৎকার নির্ধারিত হলো। স্লাভোয় জিজেকের সাথে এক ঘণ্টার ফোনালাপ। যেই আমি তাকে তার সময়ের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছি; জোর দিয়ে বললেন, “খুব বেশি প্রত্যাশা করবেন না। এটা ভাইরাস নয়। কিন্তু উপেক্ষা করি কিভাবে? ভাইরাসের অনেক লক্ষণই আমার মধ্যে আছে। তবুও আশার কথা হলো, এটা ভাইরাস না।”

“বহু বছর ধরেই লক্ষণগুলো বয়ে বেড়াচ্ছি।” তিনি যোগ করলেন। “জানেনই তো আমার হামেশাই নাক টানা ও অন্যান্য স্বভাবের ব্যাপারে।”

স্লাভোয় জিজেক বর্তমান দুনিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী মুখ

কথা ছিল প্রকাশিতব্য প্রবন্ধের বই A Left That Dares to Speak Its Name প্রসঙ্গে আলাপ হবে। বইটি নিয়ে সত্তর বছর বয়সী দার্শনিকের দাবি গত পাঁচ দশক ধরে লেখা তার বেশিরভাগ বইয়ের তুলনায় এটি সহজপাঠ্য। কিন্তু জিজেক বেশি আগ্রহী কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস নিয়ে কথা বলতে।

মাছ ধরার নৌকা নিয়ে নির্বোধ সিনেমাটা দেখেছি কিনা জিজ্ঞেস করার আগেই বলে নিলেন, “ইউরোপ এখন এক যথার্থ ঝড়ের নিকটবর্তী হচ্ছে।”

“সিনেমাটি অভিনেতা জর্জ ক্লোনির; নাম The Perfect Storm। পারফেক্ট স্টর্ম কাকে বলে জানেন? যখন বিপর্যয়গুলো, যেমন এখানে একটি টর্নেডো আর ওখানে একটি ঝড় এসে একসাথে মিলিত হয়। এবং এই একত্রীকরণ তাদের প্রভাবকেও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমার মনে হয় ইউরোপ এখন এক যথার্থ ঝড়ের নিকটবর্তী হচ্ছে।”—তিনি ব্যাখ্যা করলেন।

“আমি ঠাহর করতে পারছি না; আদতে এখানে হচ্ছেটা কী? সব হর্তাকর্তারা তাদের ঘোষণা শুরু করছেন এভাবে—‘আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই; আতঙ্কিত হবেন না।’ এবং তারপর তারা যা শোনাচ্ছেন তা ভীতিকর।” তিনি বলেন, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসের প্রভাব ইউরোপের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

“এর সাথে যদি সম্ভাব্য শরণার্থীদের নয়া স্রোতকে যোগ করো; তবে দেখবে এটি যথার্থ অর্থেই ঝড়। আমি মনে করি ইউরোপ এখন এতটাই দুর্বল যে; সুসংগঠিত পন্থায় এর প্রতিক্রিয়া জানাতেও সক্ষম না। এই জন্যেই বলেছি, করোনাভাইরাস সমাজতন্ত্রকে নতুন সুযোগ দেবে।” তিনি বলেন।

“অবশ্যই আমি প্রাচীন ধাঁচের সাম্যবাদকে বুঝাচ্ছি না। সাম্যবাদ বলতে বুঝাচ্ছি তা-ই; যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে। আমাদের সংগঠিত করা, বিন্যাস করা ইত্যাদি ইত্যাদি। হায় খোদা, এটা একটা বিপদজনক পরিস্থিতি। তারা দেশে মাস্ক, রেসপিরেটর কিংবা অনুরূপ যন্ত্রপাতির স্বল্পতার কথা বলছে। আমাদের একে একটা যুদ্ধ হিসাবেই গণ্য করতে হবে। এক প্রকার ইউরোপীয় বিন্যাসের মতোই; সম্ভবত যুদ্ধবস্থার সৈন্য সমাবেশের মতো। এটা করা যেতে পারে; এটা এমনকি বাড়াতে পারে উৎপাদনশীলতাও।”—জিজেক বলতে থাকেন। “রাষ্ট্রীয় বিন্যাস, সামাজিক প্রচেষ্টা এবং সংগঠনের মধ্যে দিয়েও পুঁজিবাদের ভালো দিকগুলো রেখে দেওয়া সম্ভব। শুধু করোনা ভাইরাসের সাথে না, এটা প্রয়োজনীয় হতে পারে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং উদ্বাস্তু সমস্যার মতো যে কোনো সংকটের সাথেই।”

আটলান্টিকের অপর পারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কী?
“২০২০ সালের ডেমোক্রেটিক নমিনেশনের দৌরাত্ম্যে”, জিজেক বলেন, “সাম্প্রতিক কালের ঘটনাগুলোর দ্বারা আমার দীর্ঘদিনের উপমিতিগুলোই চূড়ান্তভাবে সত্যায়িত হয়। এটা কি স্পষ্ট না যে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিষ্ঠিত বার্তাটি হলো, ‘বার্নি স্যান্ডার্সের চেয়ে ট্রাম্প ভালো?”

“আমি খেয়াল করেছি তুমি ব্যাপারটা কিভাবে নিচ্ছো, চলো একে বলা যাক ‘নির্বাচনযোগ্যতার সমস্যা’। ডেমোক্রেটিক প্রচারণায় বলা হচ্ছে বার্নি স্যান্ডার্স কট্টরপন্থী ইত্যাদি ইত্যাদি। হায় খোদা, ট্রাম্প তো সেভাবেই নির্বাচনে জিতেছে। আমি বুঝাতে চাচ্ছি, একসময়ের বুলি—‘নির্বাচনে জিততে হলে সাবধানে কাজ করো; মধ্যমপন্থায় থাকো’, এখন আর কাজ করে না।”

“যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি এবং মূলধারায় আমাদের একটা সামাজিক বিপ্লবের শক্ত ভিত আছে। যথার্থ এক উপায় হিসাবে এটা অবিশ্বাস্যভাবে গুরুত্বপূর্ণ।”

জিজেক বলতে থাকলেন, মূলধারার ডেমোক্রেটিক কিংবা রিপাবলিকান পার্টি ক্রমেই পার্থক্য হারাচ্ছে। উদাহরণ হিসাবে ইঙ্গিত দেন সাম্প্রতিক সময়ে বিলিয়নিয়ার মাইকেল ব্লোমবার্গের নির্বাচনি দৌরাত্ম্যের প্রসঙ্গ টেনে। “ট্রাম্প নাকি স্যান্ডার্স?—তারা এটা বলে না, তবে ডেমোক্রিটিক কাছারিতে যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়; তবে তারা কার্যত ট্রাম্পকেই বেছে নেবে। তাই আমি মনে করি, রাজনৈতিক পরিহাসটা এখানেই।”

জিজেকের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনেক বেশি নিষ্ক্রিয়। তার অন্যতম ভুল যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের পেছনে অবস্থান করে সিরিয়া থেকে সরে আসা। তিনি একে ট্রাম্পের করা সবচেয়ে সর্বনাশা কাজ বলে দাবি করেছেন।

“ট্রাম্প কুর্দিদের বলি দিয়েছেন।” জিজেক বলেন, “প্রধান ভুক্তভোগী। সবাই তাদের শোষণ করতে চায়। কুর্দিদের প্রতি আমার পূর্ণ সহানুভূতি আছে। উত্তর ইরাকের রক্ষণশীল কুর্দিদের জন্য অতো না হলেও দক্ষিণপূর্ব তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ার কুর্দিদের জন্য রয়েছে।”

“ট্রাম্প একতরফাভাবে পথ খুলে দিল। নতুন পরিস্থিতিতে সেখানে কেবল দুই ভাগীদার এরদোয়ান এবং পুতিন। তাদের দুজনের লক্ষ্যবস্তুও স্পষ্ট, ইউরোপ এবং ইউরোপের ঐক্যকে ধ্বংস করা। মানুষ এখনো খেয়াল করেনি যে, একই ব্যাপার ঘটছে লিবিয়ায়। একপক্ষকে রাশিয়া মদদ দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। গৃহযুদ্ধের মধ্যে অন্যপক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক। এবং তারপর তারা চুক্তি করছে।”

“আমি মনে করি গোটাটাই সহযোগিতামূলক। এই টানাপোড়েন ইউরোপকে নতুন দফায় উদ্বাস্তুদের হুমকিতে ফেলেছে। এখন এটা বামপন্থীদের কাছে ভয়ংকর শোনাতে পারে। তারপরেও আমি মনে করি ইউরোপে নতুন উদ্বাস্তুদের স্রোত মানে পরিপূর্ণভাবে সেখানকার আদর্শিক এবং রাজনৈতিক সর্বনাশ। আমি উদ্বাস্তুদের বিপক্ষে না। কিন্তু চার বছর আগে প্রথম ধাক্কার সময়টাতেই একে আরো সংগঠিত উপায়ে মোকাবেলা করা উচিত ছিল। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অর্থ কেবল হাঙ্গেরি কিংবা কয়েকটা দেশই না; গোটা ইউরোপকে ক্রমান্বয়ে দখল করে নেবে পপুলিস্ট সরকার। আমাদের ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না; কেমন অদ্ভুত মিত্র পেয়েছি এখানে।”

জিজেক মনে করেন ইউরোপের নিষ্ক্রিয়তা রাশিয়ার পুতিন এবং তুরস্কের এরদোয়ানকে ‘নয়া অক্ষশক্তি’র অংশ করেছে। যেটি তেল কিংবা উদ্বাস্তুদের মাধ্যমে যে কোনো সময় ইউরোপকে ব্ল্যাকমেল করতে পারে।

“ইউরোপের নিষ্ক্রিয়তায় আমি হতবাক”, তিনি বললেন। “তুরস্ক উদ্বাস্তুদের সাহায্য করলে আমরা তাকে ৬ বিলিয়ন ইউরো দিই। এটা ন্যক্কারজনক সমঝোতা। ঠিক আছে; কিন্তু আমাদের হাতে থাকা অপেক্ষাকৃত শান্তির চার বছর সময়কে ব্যবহার করা উচিত ছিল ইউরোপকে সংগঠিত করার জন্য। উদ্বাস্তুর বিরুদ্ধে না; পরিস্থিতির বদল ঘটানোর জন্য। অবশ্যই ইউরোপ উদ্বাস্তু গ্রহণ করবে, কিন্তু এটা কোনো সমাধান না।

“সেখানে সৌদি আরব, কুয়েত এবং আমিরাতের মতো সম্পদশালী দেশ আছে। তারা কোনো অভিবাসী নিচ্ছে না। কেন ইউরোপ? কেন সৌদি আরব, কুয়েত কিংবা আমিরাত নয়? তারা ধনী এবং সম্পদশালী। তাদের জন্য গ্রহণ করা সহজ হতো।”

বামপন্থী পপুলিস্টদের ব্যাপারে জিজেক সন্দেহপ্রবণ। তার দাবি, একসাথে কাজে জড়িত হতে নয়; “কেন ভুল হলো এই বিষয়ে চমৎকার বই লিখতে” তারা বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করে।

“আমি বরং শিষ্ট এবং বাস্তববাদী বামপন্থাকে গুরুত্ব দেব; যেটির কী করতে হবে তার একটা স্পষ্ট প্রস্তাবনা আছে। যেমন... ঠিক আছে, সোজাসুজি বললে, আমরা পুঁজিবাদ থেকে একেবারে বের হতে পারব না। তাহলে তার সাথে বোঝাপড়া কেমন হবে?” জিজেক বলেন, “পপুলিস্ট বামদের কাজ করতে হবে, কিভাবে পুঁজিবাদী কলকব্জাগুলোকে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে।”

জিজেক বলেন, “ট্রাম্প এবং পপুলিজমের উত্থান আসলে উদার এবং মধ্যপন্থী ঐক্যমত্যের সমাপ্তির ইঙ্গিত।” সংখ্যাগুরুরা এর মধ্য দিয়ে হতাশ হয়েছে এবং আমরা আর পেছনেও ফিরতে পারব না। তাই হচ্ছে গোটা ইউরোপ জুড়ে। লি পেন (ফরাসি পপুলিস্ট রাজনীতিবিদ), এএফডি (জার্মানির পপুলিস্ট পার্টি) ও অন্যান্যসহ চারপাশে কেবল পপুলিস্ট বিদ্রোহ।” বামপন্থীদের উৎসাহিত করার আগে তিনি ঘোষণা করেন, “তাই করো; যা ডানপন্থী হয়ে ট্রাম্প করেছে।”

তিনি বলেন, “আমার মনে আছে, শুরুর দিকে মানুষ ভেবেছিল ট্রাম্প অনেক বেশি বিভেদ সৃষ্টিকারী। নাহ; আসলে এভাবেই তুমি জেতো। হিলারি হেরে গেছে কারণ সে চেষ্টা করেছে এই খেলাটা খেলতে। আমাদের আরো কেন্দ্রের দিকে যেতে হবে, নৈতিক সংখ্যাগুরু এবং নীরব নৈতিক সংখ্যাগুরু। আমার মনে হয় বামদের একে প্রশংসা করা উচিত। তাদের কৌশল যেন এমন না হয়, ‘আমরা প্রগতিশীল, আমরা বিপ্লবী, আমরা জনসম্মুখে বাজে কথা বলি’, আমি মনে করি বামপন্থা, নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার জন্য, এই পথেই নিজেকে উপস্থাপন করতে হবে। উত্তরাধুনিকতা মানে যদি অশ্লীলতা, বিদ্রুপ, অসামঞ্জস্য এবং মিথ্যা সংবাদ হয়ে থাকে; তবে ট্রাম্প প্রকৃত অর্থেই উত্তরাধুনিক প্রেসিডেন্ট। এবং আমি মনে করি বামপন্থীরা লজ্জাহীনভাবে চিৎকার করতে থাকবে, “না, আমরা শুধুমাত্র কিছু প্রান্তিক দলের কথা বলছি না; বলছি সাধারণ, বিনয়ী, দরিদ্র দৈনন্দিন মানুষদের কথা।”

“বামদের এলজিবিটি কিংবা অমুক তমুক সংখ্যালঘুদের নিয়েও ঘোরগ্রস্ততা থামাতে হবে। আমি মনে করি, ভিন্ন জীবনাচার নিয়ে ঘোরগ্রস্ততা, সংখ্যালঘুদের, সম্পূর্ণভাবে শুধুমাত্র একটি কৌশল বড় ধরনের অর্থনৈতিক সমস্যা এড়িয়ে যাবার।”

“শ্রেণি সংগ্রাম ফিরে আসছে”, জিজেক ব্যক্ত করলেন, “গত বছরের দুই বিস্ময়কর সফল সিনেমা ছিল জোকার এবং প্যারাসাইট। দুইটাই শ্রেণী সংগ্রামের ওপর দাঁড়ানো।”

“ডিজিটাল যুগ এই শ্রেণী সংগ্রামে শ্রমিকদের সাহায্য করবে কিনা; তা অস্পষ্ট। একদিকে ইন্টারনেট সরাসরি সামাজিক সহযোগিতার দ্বার খুলে দিয়েছে। আপনি নিমেষেই পৌঁছাতে পারবেন মিলিয়ন মানুষের কাছে। অন্যদিকে, এখানেই জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ আবির্ভুত হন।”

“আমরা ক্রমেই সচেতন হচ্ছি, ইন্টারনেট কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে; ডিজিটাল জগতটা কারা নিয়ন্ত্রণ করবে? আজকের দিনে এটাই অন্যতম প্রধান যুদ্ধ। আমার মনে হয়, ডিজিটাল জগত নিজে ভালো বা মন্দ কোনোটাই নয়। এটা আসলে এক সংগ্রামের রাজ্য।”

আমি (চার্লি ন্যাশ) তাকে প্রশ্ন করেছিলাম নিক ল্যান্ড এবং ক্রমশ জনপ্রিয় হতে থাকা দর্শন—এক্সিলারেশনিজম নিয়ে। যার শুরুই হয়েছে এই তত্ত্বের মধ্য দিয়ে যে, সামাজিক পরিবর্তনের জন্য পুঁজিবাদ এবং প্রযুক্তিকে দ্রুততর হতে হবে। তিনি ল্যান্ডকে জানেন বলে মনে হলো না কিন্তু বললেন, “এক্সিলারেশনিজমের মধ্যে আমি যা ভালো দেখি তা হলো, আমি এই তত্ত্ব কিনব না যে তুমি স্থানীয় প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক পুঁজিবাদ মোকাবেলা করবে। আমার কয়েকজন লাতিন আমেরিকান বন্ধু দাবি করে আমাদের প্রাচীন গোত্র সংস্কৃতিতে ফিরে যাওয়া উচিত। না। আমি এখানেও মার্ক্সবাদী। আপনাকে আমূল পুঁজিবাদের আধুনিকীকরণের মধ্য দিয়েই যেতে হবে। ফেরার কোনো পথ নেই।”

আপনার মতামত লিখুন :