জেলহত্যা দিবসে পর্তুগাল আ’লীগের আলোচনা সভা ও দোয়া



তানভীর মোজাম্মেল শোভন, লিসবন, পর্তুগাল থেকে
পর্তুগাল আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, ছবি: সংগৃহীত

পর্তুগাল আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে পর্তুগাল আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ৫ নভেম্বর লিসবনের বেঙ্গল রেস্টুরেন্টে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল বাসার বাদশার সভাপতিত্ব এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন, মাঈন উদ্দিন মাষ্টার, এ্যাডঃ মাহবুব হোসেন, পর্তুগাল ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রনি হোসাইন, সাবেক সভাপতি শিবলু, ছাত্রলীগ নেতা শাহীন দর্জি, অল ইউরোপ বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নওশাদুর রহমান ইমন, প্রচার সম্পাদক আরিফ হোসেন মাসুম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা আবুল বাসার বাদশা বলেন, কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ড বিশ্বমানবতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে জঘন্যতম কলঙ্কময় ঘটনা। বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার জন্য ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আ'লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করার লক্ষ্যে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এখন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। শেখ হাসিনাকে রক্ষার প্রশ্নে বাঙালি জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। কোনো ষড়যন্ত্রেই কাজ হবে না।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘নীতিকে আঁকড়ে ধরে লোভ লালসা ভয় ভিতির ঊর্ধ্বে থেকেও যে রাজনীতি করা যায় তা এই চার নেতা জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন। আমরা জেল হত্যা দিবস পালন করি ঠিকই কিন্তু এই চার নেতার আদর্শ কতটুকু ধারণ করি? কোনো অবস্থায়ই নীতি ও আদর্শের সাথে আপোষ করা যাবে না এই হোক জেল হত্যা দিবসের অঙ্গীকার।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশনার আবদুর রাজ্জাক, হাবিবুর রহমান, উপদেষ্টা আবুল বাসার, সাংগঠনিক সম্পাদক জিল্লু রহমান, মোঃ রাশেদ, অল ইউরোপ বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সহ-সভাপতি আশরাফুল আলম রাসেল, পর্তুগাল ছাত্রলীগের জাহিদ হাসান সোহাগ সোহেল আহম্মেদ নওস্বাদুর রহমান ইমন, সোহেল রানা, কামরুল হাসান লিজু, এ এইচ নোভেল, সেলিম আহম্মেদ,আক্তার হোসেন, নুরুল ইসলাম রাজিব, রিজভী আহম্মেদ প্রমুখ।

সভার শেষে ‘৭৫-এর ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাসহ নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।