ইউক্রেন সংকট: সব পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান চীনের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেন ইস্যুতে সব পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চীনা। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বুধবার (২৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে ফোনে বলেছেন, বেইজিং ইউক্রেন ইস্যুতে জড়িত সকল পক্ষকে শান্ত দেখতে চায়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, আমরা ইউক্রেন ইস্যুতে সব পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং উত্তেজনা ছড়ায় এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছি।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, ন্যাটোর সম্প্রসারণে রাশিয়ার আপত্তির বিষয়ে ব্লিঙ্কেনকে বলেছি যে সামরিক ব্লকগুলিকে শক্তিশালী বা সম্প্রসারণ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না।

ইউক্রেন সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই প্রায় এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করে রেখেছে প্রতিবেশী দেশ রাশিয়া। যেকোনো মুহূর্তে রুশ সেনারা দেশটিতে আক্রমণ করতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। যদিও ইউক্রেনে হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে বরাবরই দাবি করে আসছে মস্কো।

তবে রাশিয়া পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তার গ্যারান্টি চায়। ইতিপূর্বে রাশিয়া পরিষ্কার করেই বলেছে যে, ইউক্রেনকে কখনোই সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি মস্কো লিখিতভাবে চায়। এমনকি সোভিয়েত ইউনিয়নের সাবেক এই প্রদেশে ন্যাটোর সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হবে না; এমন প্রতিশ্রুতিও চায় রাশিয়া।

এদিকে, রুশ দাবির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন ইউক্রেন ইস্যুতে কোনও ছাড় পাবে না মস্কো। কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এই সংকট নিরসনের ওপরও তাগিদ দেন তিনি।

নাইজেরিয়ায় গির্জায় পদদলিত হয়ে প্রাণ গেলো ৩১ জনের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
নাইজেরিয়ায় গির্জায় পদদলিত হয়ে প্রাণ গেলো ৩১ জনের

নাইজেরিয়ায় গির্জায় পদদলিত হয়ে প্রাণ গেলো ৩১ জনের

  • Font increase
  • Font Decrease

আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় পোর্ট হারকোর্ট শহরের একটি গির্জায় পদদলিত হয়ে অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হন আরও ৭ জন। হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ।

তাৎক্ষণিকভাবে রিভার রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র গ্রেস ইরিঞ্জ-কোকো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, শনিবার ভোরে গির্জায় খাবার নিতে আসেন শতাধিক মানুষ। একটি গেট ভেঙে যায়। প্রচণ্ড ভিড়ে পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, কিছু লোক সেখানে আগে থেকেই ছিলেন। কেউ কেউ ধৈর্যহীন হয়ে ছুটতে শুরু করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।হতাহতের বেশিরভাগই শিশু।

দুর্ঘটনায় আহতদের হারকোর্ট সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

এর আগে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম পাঞ্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পোর্ট হারকোর্ট পোলো ক্লাবে অনুষ্ঠিত দ্য কিংস অ্যাসেম্বলি ‘শপ ফর ফ্রি’ অনুষ্ঠানের জন্য প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছিলেন। গির্জার ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পাওয়ার জন্য অনেকে শুক্রবার থেকে সারিতে দাড়িয়ে ছিলেন।

গির্জায় নিহত এবং আহতদের উদ্ধারের পর পার্শ্ববর্তী পোর্ট হারকোর্ট সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

;

আজারবাইজানে এয়ার শো-তে তুর্কি ড্রোনের প্রশংসা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আজারবাইজানে এয়ার শো-তে তুর্কি ড্রোনের প্রশংসা

আজারবাইজানে এয়ার শো-তে তুর্কি ড্রোনের প্রশংসা

  • Font increase
  • Font Decrease

আজারবাইজানে এয়ার শো-তে উল্লসিক দর্শকদের কাছে তুরস্কের ড্রোন ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে । এই ড্রোন বিজলির গতিতে চক্রাকারে উড্ডয়ন দক্ষতার মাধ্যমে আকাশে মিলিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা প্রদর্শন করে। এ ধরণের তুর্কি ড্রোন ইউক্রেন রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছে।

চলতি সপ্তাহে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে শুরু হওয়া এ্যারোস্পেস এবং টেকনোলজি উৎসব ‘টেকনোফেস্টে’ তুরস্ক এ্যারোস্পেস প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।

শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এতে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বেকার প্রতিরক্ষা কোম্পানি তুরস্কের এই টিবি ২ ড্রোন তৈরি করেছে, এরদোয়ানের জামাতা সেলচুক বায়রাক্তার এই কোম্পানির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হিসেবে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়নে সাফল্যের জন্য সুনাম অর্জন করেছেন।

বুধবার আজারবাইজানের বিমান বাহিনীর মিগ-২৯ এবং তাদের কমব্যাট ড্রোন ‘আকিনসি’র সঙ্গে তুরস্কের বায়রাক্তার ড্রোন বাকুর আকাশে উড্ডয়ন করেছে।

তুরস্কের ড্রোনগুলো প্রথম ত্রিপোলি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী কমান্ডার জেনারেল খলিফা হাফতারের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশংসা অর্জন করে।

নাগরনো কারাবাখ অঞ্চলে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে আজারবাইজান এই ড্রোন ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে।

;

ডনবাসকে রক্ষায় সবকিছু করা হচ্ছে: কিয়েভ

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্ব ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চল রক্ষা করার জন্য ‘সবকিছু’ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ইউক্রেন।

রুশ বাহিনী ডনবাসে সর্বাত্মক হামলা চালানোর ফলে ইউক্রেনের সেনারা বিপাকে পড়েছেন। চারপাশ থেকে অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি এড়ানোর কৌশল হিসেবে দেশটির সেনারা গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকা থেকে পিছু হটছেন। খবর এএফপির।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাসের লুহানস্ক ও দোনেৎস্ককে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আলাদা প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেছেন। ডনবাস ইউক্রেনের শিল্পাঞ্চল হিসেবে খ্যাত। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ডনবাসে রুশ বাহিনী ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন।

ইউক্রেনীয়দের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ানরা ডনবাসে সর্বোচ্চ কামানের ব্যবহার ও রিজার্ভ সেনা মোতায়েন করেছে। সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালাচ্ছে তারা। বর্তমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দিয়ে আমরা মাতৃভূমি রক্ষার লড়াই করছি। এ সক্ষমতা বাড়াতে আমরা সবই করছি।

শুক্রবার (২৭ মে) ডনবাসে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা দাবি করেন, দোনেৎস্ক অঞ্চলের সেভেরোদোনেৎস্ক ও ক্রামাতোরস্ক শহরের মধ্যবর্তী লিমান শহরটি তারা দখল নিয়েছে। ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অঞ্চলের প্রধান প্রধান শহরের সঙ্গে সংযোগকারী সড়কে শহরটির অবস্থান। শহরটি বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে রুশ বাহিনী।

রাশিয়ান বাহিনী লুহানস্ক প্রদেশের সেভেরোদোনেৎস্ক ও লিসিচানস্ক শহরে প্রবেশ করছে। তবে তাদের অগ্রগতি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে।

;

২২ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য রফতানি আটকে দিয়েছে রাশিয়া: জেলেনস্কি

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের ২২ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য রফতানি আটকে দিয়েছে রাশিয়া বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

শুক্রবার (২৭ মে) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এ অভিযোগ করেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

ইউক্রেনের প্রায় অর্ধেক শস্য রফতানি সরবরাহ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে, কারণ রাশিয়া কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরের মধ্য দিয়ে দেশের প্রধান রফতানি রুটটি অবরোধ করে রেখেছে। এমন পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ‘বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।

জেলেনস্কি বলেন, সাইলোতে ২২ মিলিয়ন টন শস্য রাখা হয়েছে। আমরা সেগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করতে পারছি না। অথচ যেখানে এই সময়ে বিশ্ব বাজারে এসব খাদ্যশস্যের খুবই প্রয়োজন।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, জাতিসংঘের অনুমান দুর্ভিক্ষে চলতি বছর অতিরিক্ত ৫০ মিলিয়ন মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে। যা একটি অনুমান, তবে এ সংখ্যা আরও বেশি হবে।

এর আগে মস্কোর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভ্লাদিমির পুতিন জোর দিয়ে বলেছেন রাশিয়ান ফেডারেশন শস্য ও সার রফতানির মাধ্যমে খাদ্য সংকট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে প্রস্তুত। তবে শর্ত থাকে যে পশ্চিমাদের আরোপ করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।

রাশিয়ার অবস্থানকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে ইউক্রেন।

;