প্রযুক্তিতে অন্য দেশের চেয়ে রুশ অস্ত্র ১০ বছর এগিয়ে: পুতিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের সর্বাধুনিক সমরাস্ত্র এখন রাশিয়ার হাতে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি দাবি করে বলেছেন, প্রযুক্তির দিক থেকে অন্য দেশগুলোর চেয়ে রুশ অস্ত্র ১০ বছর এগিয়ে আছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) সেনাবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে পুতিন এসব কথা বলেন।

পুতিন বলেন, আমরা আমাদের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও যোদ্ধাদের নিয়ে গর্ব করি। কারণ তারা দেশের জন্য বুক চেতিয়ে লড়ে যাচ্ছেন। তারা আমাদের স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী। তাদের ওপর মাতৃভূমির সার্বভৌমত্বের দায়িত্ব দিয়ে জনগণ নিশ্চিন্তে আছেন।

পুতিন আরও বলেন, তারা ইউক্রেনের দোনবাসে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। দোনেৎস্ক ও লুহানস্কের মানুষকে ইউক্রেনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্ত করেছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর কারণে পশ্চিমাদেশ দেশগুলোর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা মুখোমুখি হতে হয়েছে দেশটিকে। রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে গোটা বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

মিয়ানমারে 'অনলি ফ্যান' মডেলের ছয় বছরের কারাদণ্ড



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাপ্তবয়স্কদের সাবস্ক্রিপশন সাইট ‘অনলি ফ্যান’-এ ছবি পোস্ট করায় মিয়ানমারের এক মডেলের ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সামরিক আদালত। ন্যাং মওয়ে সান নামের এই মডেল একজন চিকিৎসক ছিলেন। খবর বিবিসির।

সামরিক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ন্যাং মওয়ে সানকে দুই সপ্তাহ আগে ‘সংস্কৃতি এবং মর্যাদাহানি করার জন্য’ অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তিনি এর আগে ২০২১ সালে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভেও অংশ নিয়েছিলেন।

অনলি ফ্যানস কনটেন্টের জন্য এই মডেলই প্রথম, যাকে মিয়ানমার কারাদণ্ড দিল বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবাদে অংশগ্রহণের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট কারার দায়ে অপর এক মডেলকে গত আগস্টে একই আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ওই মডেলের নাম থিনজার উইন্ট কিয়াও। তিনি অক্টোবরে বিচারের মুখোমুখি হবেন।

এই মডেল ইয়াঙ্গুনের উত্তর দাগন টাউনশিপে বসবাস করেন। যেখানে সামরিক আইন বলবৎ রয়েছে।

দেশটির আইনের ধারা ৩৩ (এ) এর অধীনে ন্যাং মওয়ে সানকে নগ্ন ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

;

এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হচ্ছে ভিস্তারা!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিমান পরিষেবায় ব্যাপক পরিবর্তনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া। সংস্থাটির লক্ষ্য অভ্যন্তরীণ বিমান পরিষেবা বাজারের কমপক্ষে ৩০ শতাংশ দখলে নেওয়া। গুঞ্জন উঠেছে এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বিমান সংস্থা ভিস্তারা। ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে টাটা কর্নধার রতন টাটা সক্রিয় হয়েছেন বলে সংস্থার একটি সূত্রের খবর।

একত্রীকরণের বিষয়ে রতনের সংস্থার পক্ষে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের প্রাথমিক আলোচনাও হয়েছে বলে ওই সূত্র জানিয়েছে। পরিকাঠামো ও সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং খরচ কমানোর পাশাপাশি টাটাদের মালিকানাধীন দুই সংস্থা মিশে গেলে বিমান পরিষেবার ক্ষেত্রেও সুফল মিলতে পারে বলে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করছেন।

পরিকল্পনা কার্যকর হলে দেশের এক নম্বর বিমান সংস্থা ইন্ডিগোকে টেক্কা দিতে পারবে টাটা। একত্রীকরণের পর ভিস্তারার হাতে ২৫ শতাংশ শেয়ার (আনুমানিক মূল্য ৫ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা) থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত বছরের অক্টোবরে সরকারি বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার নিয়ন্ত্রণ হাতে পায় টাটা। এয়ার ইন্ডিয়ার বিলগ্নীকরণের জন্য টাটা সন্সের জমা দেওয়া ১৮ হাজার কোটি টাকার দরপত্রটি কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ‘বিলগ্নীকরণ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা নিয়ন্ত্রণ দফতর’ অনুমোদন করায় ৬৮ বছর পরে ফের এয়ার ইন্ডিয়ার মালিকানা পেয়েছিল টাটারা।

প্রসঙ্গত, প্রায় ন’দশক আগে টাটা গোষ্ঠীরই হাত ধরে শুরু হয়েছিল দেশের প্রথম বিমান সংস্থা। দেশের প্রথম পাইলট জে আর ডি টাটা প্রতিষ্ঠিত সেই টাটা এয়ারলাইন্সের নাম বদলে ১৯৪৬ সালে হয় এয়ার ইন্ডিয়া (এআই)। স্বাধীনতার পরে তার মালিকানা চলে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। এরপর ২০১৪ সালে দেশটির বিমান পরিষেবায় বিদেশি লগ্নির পথ চওড়া করে দিয়েছিল কেন্দ্র। সে বছর জুনে মালয়েশিয়ার ধনকুবের টনি ফার্নান্ডেজের এয়ার এশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতের আকাশে এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়া-র পরিষেবা শুরু করে টাটা। পরে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের সঙ্গে যৌথভাবে চালু করে বিমান পরিষেবা সংস্থা ‘ভিস্তারা’।

;

সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী হলেন যুবরাজ সালমান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নির্দেশে মন্ত্রিসভায় আনা রদবদলে তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এ কথা জানিয়েছে।

যুবরাজ সালমান বিশ্বের বৃহত্তম তেল রফতানিকারকের অঘোষিত শাসকই বলা হয়। এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে তার ভূমিকার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হলো।

এমবিএস হিসেবেও পরিচিত সৌদি যুবরাজ। এত দিন উপ-প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করছিলেন তিনি । নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী করা হয়েছে তার ছোট ভাই খালিদ বিন সালমানকে। যিনি উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

রাজকীয় ফরমানে অন্য জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফায়সাল বিন ফারহান আল-সউদ, অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাদান এবং বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ আল-ফাতিহ নিজ নিজ পদে বহাল রয়েছেন।

অতীতে সৌদি আরবে সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিজের কাছে রাখতেন বাদশাহ। ছেলে এমবিএসকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে ধীরে হলেও পোক্তভাবেই ক্ষমতা হস্তান্তর অব্যাহত রেখেছেন ৮৬ বছর বয়সী বাদশাহ সালমান।

;

গ্রহাণুতে আঘাত হেনেছে নাসার মহাকাশযান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহাশূন্যে এক গ্রহাণুকে তার গতিপথ থেকে সরিয়ে দিতে ধাক্কা দিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার পাঠানো একটি মহাকাশযান। এতে গ্রহাণুর গতিপথ কতটুক পরিবর্তন হয়েছে তা জানতে কয়েক দিন, এমনকি সপ্তাহ লাগতে পারে বলে জানিয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

বাংলাদেশ সময় সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টা ১৪ মিনিটে এ সংঘর্ষ ঘটে। পুরো ঘটনাটি বিভিন্ন টেলিস্কোপের সাহায্যে দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপও।

নাসার পরীক্ষামূলক এই অভিযানে দেখা হচ্ছে, পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে এমন গ্রহাণুকে তার গতিপথ থেকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেয়া যাবে কিনা। পরীক্ষাটা চালানো হয়েছে ডাইমরফোস নামে একটি গ্রহাণুর ওপর।

নাসার এই ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট বা সংক্ষেপে ডার্ট মিশনের লক্ষ্য হলো, বড় আকারের একটি পাথরখণ্ডকে পৃথিবীতে আঘাত হানা থেকে থামানো ঠিক কতটা কঠিন হবে সে সম্পর্কে ধারণা করা। পৃথিবী থেকে এক লাখ ১০ হাজার কিলোমিটার দূরে ডাইমরফোস নামের একটি গ্রহাণুতে আঘাত হানে মহাকাশযানটি।

নাসা জানিয়েছে, গ্রহাণুটির পৃথিবীতে দিকে আসছে না। এই পরীক্ষার মাধ্যমে সেটিকে পৃথিবীর দিকে ধাক্কা দিয়ে পাঠানোর কোনো সম্ভাবনাও নেই।

১৬০ মিটার চওড়া ডাইমরফোসে ঘণ্টায় ২০ হাজার কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে মহাকাশযানটি।

এর ফলে ডাইমরফোসের গতিপথ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে ডিডিমোস নামের আরেকটি বড় গ্রহাণুর চারদিকে আবর্তিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডার্টের সঙ্গে জুড়ে দেয়া হয়েছে ১৪ কেজি ওজনের একটি 'কিউবস্যাট', যার কাজ হলো সংঘর্ষের পর ভিডিও ধারণ করা। ৫০ কিলোমিটার দূর থেকে ছবি তুলে কিউবস্যাটটি সেগুলো পৃথিবীতে পাঠাবে।

ডাইমরফোসের মতো একটি গ্রহাণু যদি পৃথিবীতে আঘাত হানে, যদিও এর সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ, এটি প্রায় এক কিলোমিটার লম্বা দুইশ' মিটার গভীর গর্তের সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে আশেপাশের এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হবে ব্যাপক।

;