যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের মৃতদেহ পচিয়ে তৈরি হবে জৈব সার!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মানব শরীর দিয়ে কম্পোস্ট বা জৈব সার তৈরির অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ৬ অঙ্গরাজ্য সরকার। সর্বশেষ এমন প্রক্রিয়া কার্যকর করার অনুমোদন দেয় নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য।

প্রচলিত রীতির কবর দেয়ার বিকল্প হিসেবে এই পদ্ধতিকে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব শহরে কবরস্থানের বা নতুন করে কবর দেয়ার সংকট তৈরি হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি একটি বিকল্প সমাধান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাটির সঙ্গে মিশে মৃতদেহ সারে পরিণত হওয়ার পর, সেই মাটি তার প্রিয়জনদের দেয়া হবে, যাতে তারা ফুলগাছ, সবজির চারা বা বৃক্ষ রোপণ করতে পারেন।

এমন প্রক্রিয়াকে পরিবেশবান্ধবও বলা হচ্ছে।‘ন্যাচারাল অর্গানিক রিডাকশন’ নামে পরিচিত এই পদ্ধতিতে যদি একটি মরদেহ কন্টেইনারে আবদ্ধ অবস্থায় থাকে তাহলে কয়েক সপ্তাহ পর পচে যায়। এভাবে তৈরি হবে জৈব সার।

এর আগে, ২০১৯ সালে ওয়াশিংটন প্রথম এই পদ্ধতির অনুমোদন দেয়। এরপর কলোরাডো, ওরেগন, ভার্মন্ট ও ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যেও অনুমোদন দেয়।
ডেমোক্রেটিক গভর্নর ক্যাথি হোচুল গত শনিবার অনুমোদন দেওয়ার পর নিউইয়র্ক ষষ্ঠ অঙ্গরাজ্য হিসেবে এর অনুমোদন দিলো।

জানা গেছে, মাটিতে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে তৈরি হয় এই জৈব সার। প্রথমে জৈব সার তৈরিতে আবদ্ধ জায়গায় মরদেহ রাখা হয়। সেখানে কাঠের গুঁড়া, বিশেষ ধরনের লতাপাতা ও খড় ঘাসের মতো কিছু উপাদান রাখা হয়। ধীরে ধীরে এগুলোতে পচন ধরে। মাসখানেক এভাবে রাখা হয়। জীবাণুমুক্ত করার জন্য তাপও প্রয়োগ করা হয় এতে। স্বাভাবিকভাবেই মরদেহ জৈব সারে পরিণত হয়।এই সার মাটিতে মিশিয়ে ফুলগাছ, সবজি চাষে বা বৃক্ষায়নে ব্যবহার করা যায়, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

একটি মার্কিন রিকম্পোস্ট ফার্ম বলছে, তার পরিষেবা একটি শ্মশান বা ঐতিহ্যগত দাফনের তুলনায় এক টন কার্বন সংরক্ষণ করতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী হলো ব্যাপক হারে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ। কেননা এর তৈরি গ্রিন হাউস পৃথিবীতে তাপমাত্রা ধরে রাখে, ফলে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই পদ্ধতি সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি এখনো। তবে নিউ ইয়র্কের ক্যাথলিক বিশপ মনে করেন, মানবদেহকে গৃহস্থালির বর্জ্য হিসেবে বিবেচনা করা মোটেও উচিত নয়। জৈব সারে রূপান্তরিত করার খরচ নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা আছে।

   

ভারতের সাবেক এমএলএসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের রাজনৈতিক দল হরিয়ানা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লোক দলের (আইএনডিএল) প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক এমএলএ নাফে সিং রাথিসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেছেন এক বন্দুকধারী।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তার গাড়িতে অতর্কিত হামলা চালান ওই বন্দুকধারী। এতে গাড়িতে থাকা তিনজন নিহত হন। এছাড়া গুরুতর আহত হন আরও দুজন। আহতদের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ওই বন্দুকধারী একটি গাড়িতে করে এসে নাফে সিং রাথিকে বহনকারী গাড়িতে গুলি ছোড়া শুরু করেন। বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে তিনি পালিয়ে যান।

আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী ব্রাহম শক্তি সঞ্জিবানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পরই সাবেক এমএলএকে মৃত ঘোষণা করা হয়. আইএনডিএল মিডিয়া সেলের প্রধান রাকেস সিং তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বন্দুকধারীর হামলায় নাফে সিং রাথি প্রাণ হারিয়েছেন।

নাফে সিং বাহাদুরগড়ের এমএলএ ছিলেন। সেখানেই এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপরই স্থানটিতে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে রেখেছেন আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তারা এখন সিসিটিভি ফুটেজ থেকে হত্যাকারীকে শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় গ্যাংস্টার লরেন্স বিসনই এবং তার কাছের লোক কালা জাথেদিকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সম্পত্তির দ্বন্দ্ব নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

নাফে সিং হরিয়ানার রাজনৈতিক অঙ্গনে খুবই পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি দুইবার রাজ্যটির আইনসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।



;

নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ দাবিতে ইসরায়েলে ব্যাপক বিক্ষোভ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভের সময় শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তেল আবিবে অন্তত পাঁচজন আটক হয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ইসরায়েলি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের দাঙ্গাবাজ বলে দাবি করেছে। পাঁচজনকে আটক করার কথা জানিয়ে এক্স-এ দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, তারা সড়কে যান চলাচলে বাধা তৈরি করেছিলেন এবং পুলিশের নির্দেশনা মানেননি।

তেল আবিবের রাজপথ থেকে বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করেছে। তাদের জোরপূর্বক সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই পক্ষ। ইসরায়েলের আরও কয়েকটি শহর থেকেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ইসরায়েলিদের অবিলম্বে ছাড়িয়ে আনতে একটি চুক্তি সই করার দাবি বিক্ষোভকারীদের।

তাদের দাবি, জিম্মিদের মুক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ জন্য নেতানিয়াহু সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হবে নেতানিয়াহুকে।

;

লোকসভা নির্বাচন সামনে রেখে সমাবেশের ডাক তৃণমূলের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাঁচ বছর পরে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে সমাবেশের ডাক দিয়েছে রাজ্যটির ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে সর্বশেষ ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ করেছিল তৃণমূল।

এরপরে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেও একবার সমবেশ করে তৃণমূল বিরোধী জোটের নেতাদের নিয়ে এসেছিল কলকাতা। তবে এবার জোটের জন্য নয়, লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল আগামী ১০ মার্চ সমাবেশ করতে চায়। সেই সমবাবেশের পোস্টার রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।

আগামী ১০ মার্চ ‘ব্রিগেড চলো’র ডাক দিয়ে সকাল ১১টা থেকে ‘জনগর্জন সভা’ করার কথা জানানো হয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বিজেপি চূড়ান্ত প্রচার পর্ব শুরু করবে মার্চ মাসের প্রথম দিনেই। ভোটের দামামা বাজাতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখনও পর্যন্ত যা জানা গেছে, ১ মার্চ আরামবাগে এবং পরের দিন কৃষ্ণনগরে সভা মোদির। এরপরে ৮ মার্চ ফের সভা রয়েছে মোদির। বারাসতে হবে নারী সম্মেলন। সেখানে সন্দেশখালির নির্যাতিতা নারীদের নিয়ে আসতে চায় বিজেপি।

ঠিক তার দুই দিন পরেই ব্রিগেডে সভা তৃণমূলের। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিগেডে সভা করেনি তৃণমূল। গত ডিসেম্বরে ব্রিগডে গীতা পাঠের সমাবেশ করেছিল কয়কেটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। এরপরে সিপিএমের যুব সংগঠন একটি ব্রিগেড সমাবেশ করে। সেই দুই সভায় জমায়েত নিয়ে তুলনা হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই সঙ্গে তুলনায় টানা হয়েছিল গত ২১ জুলাই ধর্মতলায় হওয়া তৃণমূলের জমায়েতকে। এবার তৃণমূলের ব্রিগেড।

বেশ কিছু দিন ধরেই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে সরব তৃণমূল। রাজ্যের বরাদ্দ আটকে দেওয়ার অভিযোগে কলকাতা থেকে দিল্লি বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ, বিক্ষোভ ধর্না করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ব্রিগেডেও সেই সব দাবিকে সামনে রেখেই সমাবেশ করতে চলেছে তৃণমূল। তবে লোকসভা নির্বাচনের মুখে মুখে এই সভা আসলে ভোটের দামামা বাজাতেই।

;

পিটিআই প্রধানের দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন আলী জাফর



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) যুক্তিযুক্তভাবে নেতৃত্বের সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।

ইমরানের অনুপস্থিতিতে দলটির চেয়ারম্যান পদ শুন্য হওয়ায় ওই পদে স্থলাভিষিক্ত হওয়াপর দৌড়ে রয়েছেন দলটির বেশ কয়েক জন নেতা।

দ্য নিউজ রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে, এদের মধ্য থেকে ব্যারিস্টার আলী জাফর উক্ত পদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করেছেন। দলের আন্তঃদলীয় নির্বাচনের আগে পিটিআই চেয়ারম্যানের প্রার্থী হিসাবে জাফরের নাম ঘোষণা করেছিলেন ব্যারিস্টার গোহর আলী খান।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন জাফর। কারণ, তিনি সিনেটে দলের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একাধিক আদালতে বিভিন্ন মামলা পরিচালনাকারী আইনি দলের সদস্য তিনি।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পটভূমিতে ৩ মার্চ নতুন আন্তঃ-দলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা করে দলটি।

পিটিআইয়ের নির্বাচনী সূচি অনুযায়ী আন্তঃদলীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের ২৩ এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই ২৫ ফেব্রুয়ারি শেষ করার কথা ছিল।

এদিকে, মনোনয়নপত্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ২৭ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে এবং ৩ মার্চ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পাশাপাশি প্রাদেশিক সম্পাদকমণ্ডলীতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দ্য নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময় ব্যারিস্টার জাফর বলেন, তিনি মনে করেন যে, তিনি দলের চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। তাই এর পরিবর্তে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য তার কাজ চালিয়ে যাবেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘পেশাগতভাবে আমি মনে করি যে, আমি যখন ইমরান খানকে জেল থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছি, তখন আমি পার্টির চেয়ারম্যান হতে পারি না। কারণ, এখানে দ্বন্দ্ব রয়েছে। দ্বন্দ্বটি হলো চেয়ারম্যান হিসেবে আমার স্বার্থ তাকে কারাগারে রাখা হতে পারে।’

জাফর আরও বলেন, ‘আমি এই ধরনের স্বার্থের সংঘাতে জড়াতে চাই না। পেশাগতভাবে আমি মনে করি এটি ঠিক নয়।’

পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে তার প্রত্যাহার গ্রহণ করেছেন কিনা জানতে চাওয়া হলে জাফর ইতিবাচক জবাব দেন।

;