ইউক্রেনকে ৮৮ কোটি ডলার অনুমোদন দিয়েছে আইএমএফ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২৩ সালে অনুমোদিত ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্যাকেজের তৃতীয় ধাপে ইউক্রেনের জন্য ৮৮ কোটি ডলার ছাড় করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল। 

বৃহস্পতিবার( ২২ ফেব্রুয়ারি) এই তথ্য জানায় সংস্থাটি। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কিয়েভ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য সংস্থাটি এই অর্থ দিতে যাচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার বাহিনী সীমান্ত অতিক্রমের দিন থেকে প্রায় দুই বছর পর ঘোষিত এই সহায়তা অবশ্যই এখন আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের মাধ্যমে অনুমোদিত হতে হবে।
সম্প্রতি ওয়ারশ’তে ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সাথে আইএমএফ দলের প্রধান গ্যাভিন গ্রে সাক্ষাত করেন। এই সময় তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও এই সহায়তা কর্মসূচির আওতায় কর্মক্ষমতা শক্তিশালী হয়েছে।’
এক বছর আগে চার বছরের জন্য এই সহায়তা প্যাকেজের অনুমোদন দেওয়া হয়। দলটি এ সহায়তা প্যাকেজের বিভিন্ন লক্ষ্য মূল্যায়ন করে।
আইএমএফ দল বলেছে, যুদ্ধের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইউক্রেনের জন্য ৪৮৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

   

স্যাটেলাইট চিত্রে ইরানের বিমানঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতির আভাস



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্যাটেলাইট চিত্রে দুই দিন আগে ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ইস্পাহান শহরের একটি বিমানঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতির আভাস পাওয়া গেছে। রোববার (২১ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ধারণ করা হয় এসব দৃশ্য।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি প্রকাশিত ছবি দুটির দৃশ্য বিশ্লেষণ করেছে। তাতে দেখা যায়, হামলায় ইস্পাহানের ওই বিমানঘাঁটির একটি প্রতিরক্ষাব্যবস্থার আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানে একটি ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। যদিও ইসরায়েল আনুষ্ঠানিক কোনো কিছু বলেনি।

রয়টার্স জানায়, শুক্রবার সকালে ইরানে হামলার আগে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। তবে এটাকে ‘ফলস অ্যালার্ম’ বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

গত শনিবার ইসরায়েলে ইরানের তিন শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাবে ইসরায়েল এই প্রতিক্রিয়া জানায় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জানাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে শান্ত থাকার ও কোনও হামলা না চালানোর অনুরোধ জানিয়েছিল। সেটা উপেক্ষা করেই ইসরায়েল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

হামলার পর লক্ষ্যস্থল ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে নানা রকমের অনুমান শুরু হয়। তবে ইরান বলেছে, ড্রোনের সমন্বয়ে চালানো ওই হামলা আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সহায়তায় নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়।

হামলায় ঠিক কোন ধরনের অস্ত্র বা অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট না হলেও স্যাটেলাইটে ধারণ করা দৃশ্যে ওই বিমানঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়েছে।

অবশ্য হামলার পর এখনো ইস্পাহান পারমাণবিক স্থাপনা থেকে কোনো ছবি পাওয়া যায়নি। আর জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) বলেছে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর কোনো ক্ষতি হয়নি।

এর আগে, গত ১ এপ্রিল থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সতর্কতামূলক অবস্থান নেয়। ওই দিন সিরিয়ায় ইরানি দূতাবাস প্রাঙ্গণে সন্দেহভাজন ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সাত সামরিক উপদেষ্টা নিহত হন। এই ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করে তেহরান। এরপরই ১৩ এপ্রিল ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।

;

একসঙ্গে ৬ সন্তানের জন্ম দিলেন ২৭ বছরের নারী



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির একটি হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর জন্ম দিয়েছেন ২৭ বছরের জিনাত ওয়াহিদ নামে এক নারী। ৬ শিশুসহ তাদের মা সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন ওই হাসপাতালের চিকিৎসক। জন্ম নেওয়া ছয় শিশুর মধ্যে চারজন ছেলে শিশু ও বাকি দুজন মেয়ে শিশু। গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) এক ঘণ্টার মধ্যে একের পর এক ছয় সন্তান প্রসব করেন তিনি।

শনিবার (২০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

রাওয়ালপিন্ডি জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ ফারজানা দ্য ডনকে জানান, মিসেস ওয়াহিদ প্রসব ব্যথার কারণে গত বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন শুক্রবার এক ঘণ্টার মধ্যে একের পর এক ছয় সন্তান প্রসব করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এটিই ছিল তার প্রথম প্রসব। বাচ্চাদের মধ্যে চারটি ছেলে ও দুটি মেয়ে এবং প্রতিটি শিশুর ওজন হয়েছে দুই পাউন্ডের কম। মা ও তার ছয় সন্তান কোনো জটিলতা ছাড়াই সুস্থ আছেন।

জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের ডাক্তাররা ইনকিউবেটরে রেখেছেন বলেও জানান তিনি। 

এমন ঘটনায় হাসপাতাল প্রশাসন আনন্দ প্রকাশ করেছে। 

 

;

আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, ইসরায়েলের নিন্দা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কুখ্যাত ইউনিট নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েল বলছে, সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা আইএনএসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে নেতজাহ ইয়েহুদার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে আমেরিকা।

এ প্রসঙ্গে শনিবার (২০ এপ্রিল) রাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আইডিএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত হবে না। আমাদের সৈন্যরা সন্ত্রাসী দানবদের সঙ্গে লড়াই করছে।’

ইসরায়েলি মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচও মার্কিন পরিকল্পনার নিন্দা করেছেন। গভির বলেন, ‘আমাদের সেনাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা।’

তিনি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টকেও মার্কিন আদেশের সামনে নতি স্বীকার না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপের অংশ যাতে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সম্মত হতে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা ত্যাগ করতে বাধ্য করা যায়।

;

গাজার খান ইউনিসে মিলল গণকবর, ৫০ মরদেহ উদ্ধার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের খান ইউনিসে নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে একটি গণকবর শনাক্ত করা হয়েছে। এতে ৫০টি মরদেহের খোঁজ পাওয়া গেছে। 

চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এই শহরটি ছেড়ে যাওয়ার এতোদিন পর গণকবরের সন্ধান মিলেছে। রোববার (২১ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে ৫০ টি মৃতদেহ-সম্বলিত একটি গণকবর উন্মোচন করেছে ফিলিস্তিনি জরুরি পরিষেবা।

পরিষেবাটি বলেছে, ‘আমাদের দলগুলো আগামী দিনে অবশিষ্ট শহীদদের খোঁজে তাদের অনুসন্ধান এবং পুনরুদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখবে। কারণ তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এখনও (গণকবরে) রয়েছে।’

আল জাজিরা বলছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গত ৭ এপ্রিল গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিস থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে। আর এরপরই সেখানে এই গণকবর শনাক্ত হলো। মূলত কয়েক মাসের নিরলস ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং ভারী লড়াইয়ের পরে গাজার এই শহরের বেশিরভাগ অংশ এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ কোনও ধরনের আশ্রয় ছাড়াই বসবাস করছে এবং প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ত্রাণবাহী ট্রাক এই অঞ্চলে প্রবেশ করছে।

ইসরায়েল গাজার ওপর ব্যাপকভাবে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। এর ফলে এই ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠী বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা অনাহারের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণের ফলে এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৭৬ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া ইসরায়েল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে।

;