ইউক্রেনকে অস্ত্র দিলে বড় ভুল করবে দক্ষিণ কোরিয়া : পুতিন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিলে দক্ষিণ কোরিয়া বড় ধরনের ভুল করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন।

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নতুন চুক্তির প্রতিক্রিয়ায় সিউল এ ধরনের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে বলে জানানোর পর তিনি এ মন্তব্য করলেন।

বিবিসি জানিয়েছে, পুতিন বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বলেছেন, সিউল যদি কিয়েভকে অস্ত্র সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মস্কো এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে তা দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান নেতৃত্বের জন্য বড় ধরণের হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পিয়ংইয়ং ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা পরই দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা চ্যাং হো-জিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার পরিকল্পনা করছি।’

এদিকে, পুতিনের সফরে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে, যার সমালোচনা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

চ্যাং হো-জিন বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে শক্তিশালী করে, এ ধরনের যেকোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সহযোগিতা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন। অথচ রাশিয়া নিজেই ওই প্রস্তাবের পক্ষে ছিল। তাই এই প্রতিরক্ষা চুক্তি করে স্বয়ং মস্কো তা লঙ্ঘন করেছে। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়াকে সহায়তা দিলে তা দক্ষিণ কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্পর্কে নিঃসন্দেহে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলবে।”

দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনকে মানবিক সহায়তা ও সামরিক সরঞ্জাম দিলেও এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহ করতে রাজি হয়নি। কারণ, যুদ্ধরত কোনো পক্ষের কাছে অস্ত্র বিক্রি না করার নীতি দীর্ঘদিন ধরেই মেনে চলছে সিউল।

তাই রুশ হামলার শুরুর পর ওয়াশিংটন ও কিয়েভের অনুরোধের পরও ইউক্রেনকে অস্ত্র বিক্রি করতে রাজি হয়নি দেশটি।

ইউক্রেনের কেউ কেউ আশা করছেন যে, মস্কো এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে গভীর সামরিক সহযোগিতা সিউলকে তার দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করবে।

পুতিনের সফরের উত্তর কোরিয়ার নেতা ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

রাশিয়াও এরই মধ্যে ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়া থেকে পাওয়া ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করতে শুরু করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে মস্কো-পিয়ংইয়ংয়ের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অবাক হওয়ার কিছু নেই উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কিরবি। এই চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে জাপানও।

ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে মেটা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে মেটা। রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার (১২ জুলাই) এই ঘোষণা দেয় মেটা।

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবন এলাকা ক্যাপিটল হিলে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ভাঙচুরে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

মেটা বলেছে, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি উচ্চতর স্থগিতাদেশের শাস্তির অধীন থাকছেন না।’

এর আগে ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ট্রাম্পের সমর্থকরা ক্যাপিটল হিলে ভাঙচুর চালানোর একদিন পর তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়।

সে সময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের প্রশংসা করেছেন।

পরে ২০২৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে মেটা ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট আবারও সক্রিয় করে। তবে তাতে নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল। অবশেষে সেই নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হলো।

মেটা এক ব্লগ পোস্টে বলেছে, ‘রাজনৈতিক মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে আমাদের দায় মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বাস করি যে, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য মনোনীতদের বক্তব্য জানার অধিকার রাখেন।’

এতে আরো বলা হয়েছে, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থীরাও আর সব ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের মতো একই কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের অধীন থাকবেন।’

উল্লেখ্য, অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্ট হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার টুইটার ও ইউটিউব একাউন্টও নিষিদ্ধ করা হয়।

এসব নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মত প্রকাশ করে আসছিলেন।

;

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কে পি শর্মা অলি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নেপালে শুক্রবার (১২ জুলাই) দেশটির পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক মাওবাদী নেতা পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচন্ড আস্থা ভোটে হেরে যাওয়ার পর নতুন জোট সরকার গঠন হতে যাচ্ছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, নতুন এই সরকারের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সরকার গঠন করেছিলেন পুষ্পকমল দাহাল। তখন তৃতীয়বারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। এরপর ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তাকে তিনবার জোট বদলাতে হয়। আর পাঁচবার পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। শুক্রবার পঞ্চমবারের অনাস্থা ভোটে হেরে যান তিনি।

ইউএমএল পার্টির আইনপ্রণেতা যোগেশ ভট্টরাই বলেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে নতুন জোট সরকারের প্রয়োজন ছিল।

এর মধ্য দিয়ে নেপালে ২০ মাস ধরে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার নিরসন হবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা।

২০০৮ সালে নেপালে ২৩৯ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। এরপর থেকে গণতান্ত্রিক নেপালে চলছে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা। কে পি শর্মা অলি নতুন সরকার গঠন করলে সেটা হবে ২০০৮ সালের পর দেশটিতে ১৪তম গণতান্ত্রিক সরকার।

নেপালের রাজনীতির গতিপ্রকৃতি সব সময় বড় দুই প্রতিবেশী ভারত ও চীনের কড়া নজরদারিতে থাকে। হিমালয় ঘেঁষা নেপালে এই দুই দেশের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। দিল্লি ও বেইজিং নেপাল ও নেপালের রাজনীতিতে প্রভাব রাখতে চায়।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহালের সরকারের ওপর থেকে গত সপ্তাহে সমর্থন তুলে নেয় অন্যতম বৃহত্তম জোটসঙ্গী লিবারেল কমিউনিস্ট ইউনিফায়েড মার্ক্সিস্ট লেনিনিস্ট (ইউএমএল) পার্টি। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন কে পি শর্মা অলি।

এরপর পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে ৬৯ বছর বয়সি প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহালের সামনে দুটি বিকল্প পথ খোলা ছিল। হয় তাকে সরকার প্রধানের পদ ছাড়তে হবে, নতুবা পার্লামেন্টে নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। পুষ্পকমল দাহাল দ্বিতীয় বিকল্প পথ বেছে নিয়ে ব্যর্থ হন।

কে পি শর্মা অলি এর আগে দুবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। গত জুনের শেষের দিকে তিনি মধ্যপন্থী দল নেপালি কংগ্রেসের (এনসি) সঙ্গে একটি চুক্তি করেন। এর ফলে পার্লামেন্টে এই জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথ সুগম হয়। তখন থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, কে পি শর্মা অলি নতুন সরকার গড়বেন।

তবে গতকাল পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে পুষ্পকমল দাহাল হেরে যাওয়ার পর কে পি শর্মা অলির নেতৃত্বে নতুন জোট সরকার কবে নাগাদ দায়িত্ব নেবে, সে সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি।

ভোটাভুটিতে উতরে যেতে সাবেক মাওবাদী নেতা পুষ্পকমল দাহালের ২৭৫ আসনের পার্লামেন্টে ন্যূনতম ১৩৮টি ভোট দরকার ছিল। পার্লামেন্টে হাজির ছিলেন ২৫৮ সদস্য।

তাদের মধ্যে পুষ্পকমল দাহালের পক্ষে ভোট দেন মাত্র ৬৩ জন। আর বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৯৪টি। বাকি একজন ভোটদানে বিরত ছিলেন।

স্পিকার দেব রাজ ঘিমিরি ভোট গণনা শেষে বলেন, আস্থা ভোটে পার্লামেন্ট সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহালকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

;

গাজায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় ৫০ জনের বেশি নিহত



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলা

জায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি আর্মি রেডিওর বরাতে শনিবার (১৩ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইসরায়েলের আর্মি রেডিও জানিয়েছে, হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদিন আল-কাসাম ব্রিগেডের নেতা মোহাম্মদ দেইফকে মারতে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় মোহাম্মদ দেইফ নিহত হয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি এবং তার বর্তমান অবস্থাও অজানা।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা মুখপাত্র আল জাজিরাকে বলেছেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরকে নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, ফিলিস্তিনিরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লোকজনকে উদ্ধার করার চেষ্টা করছে। আহতদের মধ্যে শিশু ও প্রতিবন্ধীরাও রয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আল-মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় কমপক্ষে নিহত ২০ জনকে এবং আহত ৯০ জন ফিলিস্তিনিকে খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে আনা হয়েছে।

নাসের হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা আল জাজিরাকে বলেছেন, ২০টিরও বেশি মৃতদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাছাড়া গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ।

গাজা সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতি বলেছে, হামলায় বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মীসহ ১০০ জনেরও বেশি লোক নিহত বা আহত হয়েছে।

;

মার্কিন চাপ প্রত্যাখ্যান করে রাশিয়া-চীনের প্রশংসা করলেন পেজেশকিয়ান



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন চাপেই ইরান সাড়া দেবে না।

সেই সঙ্গে তিনি চীন ও রাশিয়ার সাথে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও স্মরণ করেন।

শনিবার (১৩ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা তুলে ধরেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

‘নতুন বিশ্বকে আমার বার্তা’ শিরোনামে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান বলেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে... বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে এবং বুঝতে হবে যে ইরান তাদের কোন চাপেই সাড়া দেবে না।। আবারও সবাইকে বলছি, ইরান চাপে পড়ে কিছু করে না, করবেও না এবং ইরান সরকারের প্রতিরক্ষা কৌশলে পরমাণু অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত নয়।’

তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন।

বিবৃতিতে চীন ও রাশিয়াকে নিয়ে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘কঠিন সময়ে চীন ও রাশিয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের কাছে এই বন্ধুত্ব খুবই মূল্যবান।’

তিনি বলেন, ‘রাশিয়া ইরানের মূল্যবান কৌশলগত মিত্র ও প্রতিবেশী। আমার প্রশাসন আমাদের এই সহযোগিতার সম্পর্কের আরও সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।’

মাসুদ পেজেশকিয়ান ইরানের একজন সংস্কারপন্থি নেতা। তিনি একজন হার্ট সার্জারি বিশেষজ্ঞ। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় তাবরিজ অঞ্চল থেকে ৫ বার পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন পেজেশকিয়ান। এ ছাড়া ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

;