করোনা মোকাবিলায় মিয়ানমারে মসজিদ ব্যবহারের আহ্বান

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিয়ানমারে মুসলিম সম্প্রদায়কে করোনাভাইরাস নিয়ে লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যেহেতু, দেশটি এখন পর্যন্ত কোভিড -১৯ এর মাত্র তিনজন রোগী সনাক্ত হয়েছে, তাই সময় থাকতে তাদের ঐক্যের আহ্বান করা হয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) মিয়ানমারের ইসলামিক ধর্ম বিষয়ক কাউন্সিলের সেক্রেটারি টিন মং থান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ে লড়াইয়ে সারা দেশের হাজারো মসজিদ ব্যবহার করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারে এক হাজারেরও বেশি মসজিদ পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা রয়েছে। মুসলিম ব্যবসায়ীদের মালিকানাধীন হোটেল, অ্যাপার্টমেন্ট এবং বিল্ডিংও রয়েছে। এই জায়গাগুলো অস্থায়ীভাবে ভাইরাসের সাথে লড়াই করার জন্য সঙ্গরোধ সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

ধর্ম বিষয়ক কাউন্সিল জাতীয় এবং আঞ্চলিক সরকার এবং স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে যে, প্রয়োজনে ধর্মীয় ভবনগুলো অস্থায়ী হাসপাতাল এবং পৃথক পৃথক সঙ্গরোধ সেন্টারে রূপান্তর করা যেতে পারে।

মিয়ানমারের অনেক নাগরিক এরইমধ্যে সীমান্ত পথ দিয়ে থাইল্যান্ড, চীন এবং লাওসের মতো প্রতিবেশী দেশ থেকে ফিরে এসেছে।

টিন মং বলেন, কাউন্সিল স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে অনুরোধ করেছে যে, তাদের প্রত্যাবর্তনকারীদের নিজ নিজ জায়গায় সঙ্গরোধে সহায়তা করা হোক। এবার আমাদের হাত মিলাতে হবে। ঐক্যের সঙ্গে আমরা এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চলতি মাসের শুরুতে ভাইরাসটিকে মহামারি হিসাবে ঘোষণা করার পর থেকে মিয়ানমারের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ উচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে।

প্রতিবেশী থাইল্যান্ড এবং চীন থেকে আসা হাজার হাজার প্রবাসী কর্মীরা দেশের সীমান্ত দিয়ে আগমন অব্যাহত রাখায় মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ দেশব্যাপী অস্থায়ী সঙ্গরোধ সুবিধা প্রস্তুত করছে। সরকারি হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি অ্যাপার্টমেন্ট, হোটেল এবং ধর্মীয় ভবনগুলোতে সন্দেহভাজন রোগীদের পৃথকীকরণের সুবিধা হিসাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।

মিয়ানমারের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশের পাঁচ শতাধিক লোককে হাসপাতাল ও অস্থায়ী সঙ্গরোধে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

এ সম্পর্কিত আরও খবর