কলরব ও হলি টিউনের রমজান আয়োজনে চমক



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কলরব ও হলি টিউনের রমজান আয়োজনে থাকছে চমক

কলরব ও হলি টিউনের রমজান আয়োজনে থাকছে চমক

  • Font increase
  • Font Decrease

রহমত, বরকত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তাবাহী পবিত্র রমজান মাস আমাদের মাঝে সমাগত। আত্মশুদ্ধির এ মাসকে ঘিরে মুমিন-মুসলমানদের মধ্যে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আর পবিত্র রমজান মাসকে সূরে সূরে বরণ করতে প্রস্তুতি নিয়েছে ইসলামি সংগীতের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরব। পাশাপাশি মাসব্যাপী রমজানের শিক্ষা ও আবেদন মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা তৈরি করছে পরিচিত ইসলামিক চ্যানেল- হলি টিউন।

এ বিষয়ে কলরবের যুগ্ম-নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ বদরুজ্জামান জানান, পবিত্র রমজানকে বরণ করতে তারা ৭টি সংগীত তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ২টি সংগীত রিলিজ হয়েছে, বাকিগুলোও পহেলা রমজানের মধ্যে ইসলামী সংগীত প্রকাশের বৃহৎ প্লাটর্ফম ‘হলি টিউনে’ পর্যায়ক্রমে রিলিজ করা হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে রমজান মাসব্যাপী ধারাবাহিকভাবে ইসলামি সংগীত প্রচার করা হবে।

কলরব শিল্পীদের গাওয়া রমজানের সংগীতগুলো হলো- জনপ্রিয় শিল্পী সাঈদ আহমাদ, সিনিয়র শিল্পী ওমর আব্দুল্লাহ, আবির হাসান, সালমান সাদী, ইলিয়াস আমিন ও ইমরানুল ফারহানের কন্ঠে- ‘এলো রমজান।

মুহাম্মদ বদরুজ্জামান ও সিনিয়র শিল্পী আহমদ আব্দুল্লাহর কন্ঠে ‘নিয়ামতে রমজান।’

জনপ্রিয় শিল্পী আবু রায়হান, হুসাইন আদনান ও তাওহিদ জামিলের কন্ঠে ‘মোবারকবাদ মাহে রমজান।’

সিনিয়র শিল্পী ইয়াসিন হায়দার, কিশোর শিল্পী আহনাফ খালিদ, জাহিদ হাসান ও নাসরুল্লাহ ইরফানের কন্ঠে ‘রমজান এলোরে।’

তরুণ শিল্পী হাসান মাহাদীর কন্ঠে ‘রমাদান।’

কিশোর শিল্পী তাহসিনুল ইসলাম, শাফিন আহমাদ, শামিম আরমান, সাইফুল্লাহ নুর এবং আতিক হাসানের কন্ঠে ‘এসেছে রমজান।’

এছাড়া শিশুশিল্পী হুজাইফা ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম শাওন, রিফাত রহমান, সাব্বির আহমাদ ও নওশাদ মাহমুদের কন্ঠে ‘মাহে রমজান এলো।’

হলি টিউনের উদ্যোগে রমজানব্যাপী বিশেষ আয়োজনের অন্যতম হলো- রমজানের প্রতিদিন বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে প্রচারিত হবে ‘খতমে কোরআন। এ অনুষ্ঠানে কোরআন তেলাওয়াত করবেন বিশ্বজয়ী হাফেজ ক্বারি আবু রায়হান।

এছাড়া রমজানে মাসব্যাপী দুই দিন পরপর কলরব শিল্পীদের কন্ঠে ইসলামি সংগীত প্রকাশ করা হবে।

অনুষ্ঠানমালায় আরও থাকছে, রমজানজুড়ে বিষয়ভিত্তিক বিভিন্ন জিজ্ঞাসা ও আলাপচারিতার লাইভ প্রোগ্রাম। হাছিব আর রহমানের উপস্থাপনায় রমজানে প্রতি তিনদিন পরপর রাত ১০টা থেকে পৌনে এক ঘন্টার বিশেষ লাইভ। লাইভে দেশের প্রথম সারির ইসলামি সংগীত শিল্পী এবং ইসলামি আলোচকরা উপস্থিত থাকবেন এবং দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন।

   

বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তিতে সম্মাননা পেলেন বিশিষ্ট লেখকরা



নিজস্ব প্রতিবেদক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামি ধারার সৃজনশীল প্রকাশনী বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডে ডিআর টাওয়ার মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট লেখক ও মুহাদ্দিস মাওলানা লিয়াকত আলী। মাসউদুল কাদির ও শেখ মুহাম্মদ রিয়াজের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাসিক মুসলিম নারী পত্রিকার সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল।

ক্বারী ইলিয়াস লাহোরীর তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। ফাঁকে ফাঁকে হামদ- নাত ও ইসলামি সংগীতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে অনুষ্ঠান।

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. অ. ফ. ম. খালিদ হোসেন ছাড়াও সংবর্ধিত লেখকরা বক্তব্য দেন। তারা লেখালেখি ও প্রকাশনা শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। জাতির ক্রান্তিকালে লেখকদের একতাবদ্ধ হয়ে লেখালেখি করার আহ্বান জানান বক্তারা। প্রকাশকদের উদার মনে লেখকদের মূল্যায়নের আহ্বান জানান। লেখক-প্রকাশকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রকাশনা শিল্পকে এগিয়ে নেবে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা।

ইসলামি ও মৌলিক সাহিত্য রচনায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন: মাওলানা লিয়াকত আলী, মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী, মুফতী মুহাম্মদ তৈয়্যেব হোসাইন, মুফতী মুবারকুল্লাহ, ড. আহমদ আবদুল কাদের, মাসুদ মজুমদার, নূরুল ইসলাম খলিফা, অধ্যাপক এম. মুজাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, আবদুল কাদির সালেহ, আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, ফরীদ আহমদ রেজা, মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ড. মুহাম্মদ সোলায়মান, মুহাম্মদ এনায়েত আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, ড. সালেহ মতীন, মো. শরীফ হোসেন, ড. মুহাম্মদ নুরউদ্দিন কাওছার, মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দীন, মুহাম্মদ মনজুরে মাওলা, শেখ মো. রিয়াজ উদ্দিন, মো. খায়রুল হাসান, জহির উদ্দিন বাবর, মাওলানা মুনীরুল ইসলাম, আইয়ূব বিন মঈন, মাসউদুল কাদির, মুফতী ফারুক আহমাদ, মুফতী মাহফূযুল হক, মাওলানা আহমাদুল্লাহ, কাজী সিকান্দার, সাইফুল হক।

অনুবাদ সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় উৎসাহ প্রদানে সম্মাননা পেলেন মুফতী আবু সাঈদ, মুফতি আবু উসায়মা আখতার, মুফতী আমিনুল ইসলাম আরাফাত, মুফতী শরীফুল ইসলাম, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ, মুফতী আশরাফ আলী, মুহাম্মদ আনিসুর রহমান। ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয় মাসিক মদীনার সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দীন খান রহ. (মরণোত্তর), এমদাদিয়া লাইব্রেরীর আব্দুল হালিম ও ইসলামিয়া কুতুবখানার মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে বই পাঠ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে পবিত্র ওমরার ব্যবস্থা, দ্বিতীয় বিজয়ীকে ল্যাপটপ ও তৃতীয় বিজয়ীকে স্মার্টফোন দেওয়া হয়। এছাড়া আরও ৪০ জন বিজয়ী পুরস্কার লাভ করেন। বই পাঠ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন ঢাকার মোস্তাফিজুর রহমান, দ্বিতীয় খুলনার উম্মে হাবিবা এবং তৃতীয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইশতার জাহান। অনুষ্ঠানে কাজী সিকান্দার রচিত ‘লেখক হওয়ার ব্যাকরণ’ এবং মো. শরীফ হোসেন রচিত ‘চিন্তাগুলো যাক ছড়িয়ে’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের লেখক ও পাঠকদের পক্ষ থেকে ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রকাশনাটির স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।

;

দুশ্চিন্তা দূর হয় দরুদ পাঠে



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
দরুদ একটি ফজিলতময় আমল, ছবি : সংগৃহীত

দরুদ একটি ফজিলতময় আমল, ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করার নির্দেশনা পবিত্র কোরআন-হাদিসে রয়েছে। মহান আল্লাহ তার রাসুলের প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ নবীর প্রতি রহমত নাজিল করেন এবং তার ফেরেশতারাও নবীর জন্য রহমতের দোয়া করে। হে ঈমানদাররা! তোমরাও নবীর প্রতি রহমতের দোয়া করো এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।’ -সুরা আহজাব : ৫৬

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম পাঠ করার মাধ্যমে দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং পাপ মোচন হয়।

ইরশাদ হয়েছে, হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, আমি হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার ওপর অনেক বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করি। আপনি আমাকে বলে দিন, আমি (দোয়ার জন্য যতটুকু সময় বরাদ্দ করে রেখেছি তার) কতটুকু সময় আপনার ওপর দরুদ প্রেরণের জন্য নির্দিষ্ট করব? জবাবে নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি এক-তৃতীয়াংশ করি? নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরও বেশি করো, তাহলে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি অর্ধেক সময় নির্ধারণ করি? নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরও বেশি নির্ধারণ করো, তাহলে তা তোমার জন্যই ভালো। আমি বললাম, যদি দুই-তৃতীয়াংশ করি। নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়।

যদি আরও বেশি নির্ধারণ করো তা তোমার জন্যই কল্যাণকর হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে আমি আমার (দোয়ার) সবটুকু সময়ই আপনার ওপর দরুদ পাঠ করার জন্য নির্দিষ্ট করে দেব? নবী কারিম (সা.) বলেন, তাহলে তোমার চিন্তা ও ক্লেশের জন্য তা যথেষ্ট হবে এবং তোমার গোনাহ মাফ করা হবে। -জামে তিরমিজি : ২৪৫৭

;

হজ মৌসুমে মক্কা-মদিনায় কাজের সুযোগ



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হজ মৌসুমে মক্কা-মদিনায় কাজের সুযোগ, ছবি : সংগৃহীত

হজ মৌসুমে মক্কা-মদিনায় কাজের সুযোগ, ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন পবিত্র হজ মৌসুমে সৌদি আরবের তিনটি শহরে খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ রয়েছে। দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মক্কা, মদিনা ও জেদ্দা শহরে হজের সময় শূন্য পদে বেশ কিছু লোক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের ঘোষণামতে পদগুলো হলো- হজ কন্ট্রোলার, কাস্টমার সার্ভিস, মেকানিক্যাল টেকনিশিয়ান, ড্রাইভার ও প্রকৌশলী। এসব পদে কতজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি।

আগ্রহীদের লিংকে (https://hajcareers.haj.gov.sa/) আবেদন করতে বলা হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে বসবাস করা স্থানীয় নাগরিক ও মুসলিম অভিবাসীদের জন্য হজের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এবার সৌদি হজযাত্রীদের জন্য আবাসন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে চার হাজার ৯৯ রিয়াল থেকে ১৩ হাজার ২৬৫ রিয়ালের মধ্যে চারটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা দেওয়া হয়। পুরো অর্থ চার ধাপে পরিশোধ করা যাবে।

এর মধ্যে ২০ শতাংশ রমজান মাস শুরুর আগে এবং ৪০ শতাংশ ২০ রমজানের আগে শোধ করতে হবে।
গত বছর করোনা-পরবর্তীকালের সর্ববৃহৎ হজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৮ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৬০ হাজার ৯১৫ জন বিদেশি মুসলিম ছিলেন।

এদিকে গত বছর বিভিন্ন দেশ থেকে ১৩ কোটি ৫৫ লাখের বেশি মুসলিম ওমরাহ পালন করেন, যা ছিল সৌদি আরবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা। একই বছর ২৮ কোটির বেশি মুসল্লি পবিত্র মসজিদে নববীতে নামাজ পড়েন ও রওজা শরিফ জিয়ারত করেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১ মার্চ হজের ভিসা ইস্যু শুরু হয়ে ২৯ এপ্রিল শেষ হবে। এরপর ৯ মে থেকে সৌদি আরবে হজযাত্রীদের গমন শুরু হবে।

;

শাবান মাসের ফজিলত ও আমল



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শাবান মাসে রমজানের প্রস্তুতিমূলক বেশি বেশি রোজা রাখা, ছবি : প্রতীকী

শাবান মাসে রমজানের প্রস্তুতিমূলক বেশি বেশি রোজা রাখা, ছবি : প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

শাবান মাস আসলেই রমজানের সুঘ্রাণ বইতে শুরু করে প্রতিটা মুমিন বান্দার অন্তরে। হিজরি বর্ষের অষ্টম মাস হলো- শাবান। এ মাসের পরেই আগমন ঘটে মুমিনদের জন্য বরকতময় বসন্তকাল রমজান মাসের। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসকে অনেক গুরুত্ব দিতেন এবং বেশি বেশি ইবাদতসহ বিশেষ কিছু আমল করতেন।

শাবান মাসের আমলসমূহের মাঝে শ্রেষ্ঠ আমল হচ্ছে- রমজানের প্রস্তুতিমূলক বেশি বেশি রোজা রাখা। নবী কারিম (সা.) শাবান মাসে অধিকহারে নফল রোজা রাখতেন।

হাদিসে এসেছে, হজরত উম্মে সালমা (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে শাবান ও রমজান মাস ছাড়া অন্যকোনো দুই মাস একাধারে রোজা রাখতে দেখিনি। -সুনানে আবু দাউদ : ২৩৩৬

তবে শাবান মাসের ২৭ তারিখ থেকে রোজা না থাকার কথাও অন্য হাদিসে পাওয়া যায় যাতে রমজানের রোজা শুরুতে সমস্যা না হয়। তবে তিনি এ মাসে একাধারে যতবেশি রোজা রাখতেন অন্যকোনো মাসে রাখতেন না।

যেমন অন্য এক হাদিসে এসেছে, উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী কারিম (সা.) শাবান মাসের চেয়ে বেশি রোজা কোনো মাসে রাখতেন না। তিনি পুরো শাবান মাসই রোজা রাখতেন এবং বলতেন, তোমাদের মধ্যে যতটুকু সামর্থ্য আছে ততটুকু (নফল) আমল করো, কারণ তোমরা (আমল করতে করতে) পরিশ্রান্ত হয়ে না পড়া পর্যন্ত আল্লাহতায়ালা (সওয়াব) দান বন্ধ করেন না। -সহিহ বোখারি : ১৯৭০

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) রজব ও শাবান পুরো মাসে দোয়া ও ক্ষমা বেশি প্রার্থনা করতেন। তিনি এ দোয়া বেশি বেশি পড়তেন- (উচ্চারণ) আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজবা ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগনা রামাজান।’

অর্থ : হে আল্লাহ! রজব মাস ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন; রমজান আমাদের নসিব করুন। -মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯

;