শুরু হলো হিজরি চান্দ্রবর্ষের দ্বিতীয় মাস 'সফর'



আবুল খায়ের মোহাম্মদ, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শুরু হলো হিজরি চান্দ্রবর্ষের দ্বিতীয় মাস 'সফর'

শুরু হলো হিজরি চান্দ্রবর্ষের দ্বিতীয় মাস 'সফর'

  • Font increase
  • Font Decrease

হিজরি ১৪৪৪ সালের সফর শুরু হয়েছে, যে মাস মাস ইসলামি হিজরি চান্দ্রবর্ষের দ্বিতীয় মাস এবং একইসঙ্গে 'মহররম মাসের জোড়া মাস' হিসাবে পরিচিত।

ইসলাম-পূর্ব জাহিলি যুগে মহররম ও সফর এই দুই মাসের নাম ছিল ‘আস সফরুল আউয়াল’ ও ‘আস সফরুস সানি’, অর্থাৎ ‘প্রথম সফর’ ও ‘দ্বিতীয় সফর’। ইসলামি ক্যালেন্ডার বছরের প্রথম মাস ‘আস সফরুল আউয়াল’, বা ‘মুহাররামুল হারাম’। এ মাসে যুদ্ধবিগ্রহ তখনো নিষিদ্ধ ছিল; কিন্তু আরবের লোকেরা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য তাদের সুবিধামতো অনৈতিকভাবে এ মাস দুটি আগে-পরে নিয়ে যেত। তাই পরবর্তী সময়ে তাদের এ অপকৌশল নিরসনের জন্য প্রথম মাসের নামকরণ করা হয় মহররম (নিষিদ্ধ); সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় মাসের বিশেষণ ‘আস সানি’ বা ‘দ্বিতীয়’ শব্দটিও অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। ফলে এ দুই মাসের নাম পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান ‘মহররম’ ও ‘সফর’ রূপ লাভ করে।

মহররম ও সফর, এ দুই মাস মিলে একই ঋতু; সুতরাং এ সফর মাস মহররম মাসের সমান না হলেও নানাদিক থেকে কিছু কিছি গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে।

মূলত ‘সিফর’ মূল ধাতু থেকে উদ্ভূত ‘সফর’ মানে হবে শূন্য, রিক্ত। আর ‘সাফর’ ক্রিয়া মূল থেকে উৎপন্ন হলে এর অর্থ হবে হলুদ, হলদেটে, তামাটে, বিবর্ণ, ফ্যাকাশে, পাণ্ডুবর্ণ, ফিকে, ঔজ্জ্বল্যবিহীন, দীপ্তিহীন, রক্তশূন্য ইত্যাদি। এহেন নামকরণের হেতু এই যে, তখন আরবরা সৌরবর্ষ হিসাব করত; চান্দ্রমাস গণনা করলেও ঋতু ঠিক রাখার জন্য প্রতি তিন বছর অন্তর বর্ধিত এক মাস যোগ করে ১৩ মাসে বছর ধরে সৌরবর্ষের সঙ্গে সমন্বয় করত। সুতরাং মাসগুলো মোটামুটিভাবে ঋতুতে স্থিত থাকত। ঋতু ও ফল–ফসলের সঙ্গে আদিকাল থেকেই মানুষের জীবন ও জীবনধারার সব ক্রিয়াকর্ম পরিচালিত হতো।

প্রাকৃতিক কারণে এবং ঋতুগত প্রভাবে আরব দেশে সে সময় সফর মাসে খরা হতো এবং খাদ্যসংকট, আকাল দেখা দিত। মাঠঘাট শুকিয়ে চৌচির, বিবর্ণ ও তামাটে হয়ে যেত। ক্ষুধার্ত মানুষের চেহারা রক্তশূন্য ও ফ্যাকাশে হতো। তাই তারা বলত ‘আস সাফারুল মুসাফফার’, অর্থাৎ ‘বিবর্ণ সফর মাস’। আরবের জাহিলরা এই মাসকে দুঃখ-কষ্টের মাস মনে করে চাঁদ দেখা থেকেও বিরত থাকত এবং দ্রুত মাস শেষ হওয়ার অপেক্ষা করত।

পরবর্তীতে ইসলামি বিশ্বাসমতে, কল্যাণ-অকল্যাণ সময় বা ঋতুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং তা নির্ভর করে বিশ্বাস ও কর্মের ওপর। তাই মহানবী (সা.) এ মাসের নামের নেতিবাচক বিশেষণ পরিবর্তন করে সুন্দর ইতিবাচক বিশেষণ যুক্ত করে নামকরণ করলেন ‘আস সাফারুল মুজাফফার’, অর্থাৎ ‘সাফল্যের সফর মাস’। ইতিবাচক চিন্তা ও সৃজনশীল কর্মকাল দ্বারা এই বিবর্ণ সফরকে সুবর্ণ করে তোলাই এর অন্তর্নিহিত দর্শন। শুভচিন্তা, সু-ধারণা, মঙ্গলাকাঙ্ক্ষা ও সৃজনশীল উদ্দীপনা সাধারণ জিনিসকেও অসাধারণ করে তোলে; শূন্যতাকে পূর্ণতায় পরিণত করে। ইসলাম এমনই ইতিবাচকতায় বিশ্বাসী এবং আশাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ।

ইসলাম যেহেতু বিশ্বাস করে যে, দুনিয়া হলো আখেরাতে সাফল্যের কর্মক্ষেত্র এবং মানুষের জীবন সময়ের সমষ্টি, তাই কর্মগুণে প্রতিটি ক্ষণ, দিন ও মাসকে বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ করাই কর্তব্য। অতএব, আল্লাহ তাআলার রহমত ও বরকত পেতে এ মাসেও বেশি বেশি কাজকর্ম তথা আমল করা বাঞ্ছণীয়। ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাতসমূহ যথাযথভাবে আদায় করার পাশাপাশি নফল ইবাদতে মশগুল হওয়াও উচিত।

মহান আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদে বলেছেন, ‘মহাকালের শপথ, মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা নয়, যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেয় ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।’ (সুরা-১০৩ আসর, আয়াত: ১-৩)।

উম্মে সালমা (রা.) বলেছেন, ‘একদা রাতে নবীজি (সা.) জাগ্রত হয়ে বললেন, সুবহানাল্লাহ! এ চমৎকার সুন্দর রাত! এতে কতই না বিপদ আপতিত হয়; আর এতে কতই না রহমতের ধনভান্ডার খুলে দেওয়া হয়।’ (বুখারি, প্রথম খণ্ড, হাদিস নম্বর ১১৬)।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা সময়কে মন্দ বোলো না, কারণ আমিই সময়।’ (হাদিসে কুদসি)।

হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ‘কোনো অশুভ-অযাত্রা নেই, কোনো ভূত-প্রেত বা অতৃপ্ত আত্মার অশুভ ক্ষমতা নেই এবং সফর মাসের অশুভ কিছুর কোনো অস্তিত্ব নেই।’ (বুখারি, পঞ্চম খণ্ড, হাদিস: ২১৫১, ২১৬১, ২১৭১ ও ২১৭৭)।

অতএব, কোনো দিন, ক্ষণ বা মাসকে অকল্যাণকর রূপে চিহ্নিত করা ইসলাম-পূর্ব অজ্ঞতাকালীন মানসিকতার পরিচায়ক। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রাপ্ত দিন, ক্ষণ বা মাসকে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো। সুকর্ম ও সুবচনের মাধ্যমে দিন, ক্ষণ বা মাসকে ফলবতী করা তাই প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালন না করে হতাশা, অলসতা, অপচয়, কুকর্ম ও কুবাক্যে দিন, ক্ষণ বা মাসকে নষ্ট করা হলে মানবজীবনের সাফল্য বিনষ্ট হতে বাধ্য। ফলে আল্লাহ তাআলার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, সৎকর্ম, সদুপদেশ ও ধৈর্যকে সাফল্যের নিয়ামক ধরে সফর মাসে সুকর্ম ও সুবচনের আত্মনিয়োগ করাই কাম্য এবং লাভজনক।

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ বাড়ল সৌদি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওমরাহ ভিসার মেয়াদ এক মাস থেকে বাড়িয়ে তিন মাস করেছে সৌদি আরব। এ নিয়ম যে কোনো দেশের মুসলিম নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. তৌফিক আল-রাবিয়াহ।

সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট জানায়, তাসখন্দে দুদিনের সরকারি সফরের সময় ওমরাহ ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর এ ঘোষণা দেন তৌফিক আল-রাবিয়াহ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসার মেয়াদ কম থাকায় প্রতি বছরই ওমরাহ করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন অনেকে। তাদের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

;

মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু



ড. মাহফুজ পারভেজ, অ্যাসোসিয়েট এডিটর, বার্তা২৪.কম
মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু

মহানবীর (সা.) মহব্বতের রবিউল আউয়াল মাসের শুরু

  • Font increase
  • Font Decrease

সূচিত হলো দয়াল নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি মহব্বতের পরশময় রবিউল আউয়াল মাস। মহানবীর প্রেমের বান ডাকে এ মাসে। মহব্বতের জোয়ার দোলা জাগায় প্রতিটি মোমিন-মুসলমানের হৃদয়ে।

সিরাতুন নবীর এত চর্চা আর কোন মাসে হয় না। বড় বড় মাহফিলে, মসজিদে, অফিসে, বাড়িতে, সর্বত্র এ মাসে অনুষ্ঠানের ব্যাপক আয়োজন হয় এবং তাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন থেকে শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে ইসলামী চিন্তাবিদ ও ওলামায়ে কেরাম মূল্যবান আলোচনা পেশ করেন। বাংলার কবি, সাহিত্যিকগণ নাতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে মহানবীর গুণকীর্তন করেন। বাংলার লোকজ গায়ক আবেগ ও প্রেমে গান করেন 'দয়াল নবীজী আমার'।

https://youtu.be/jpn6w3u35qU

ব্যক্তিগত ও সমবেতভাবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি যে পরিমাণ দরুদ ও সালাম পেশ করা হয় রবিউল আউয়াল মাসে, তা বছরের আর কোনো মাসে এতটা হয় না। স্বয়ং মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা আহযাবে এরশাদ করেন
-ان الله وملائکة يحصلون على النبى يا يه‍االذين امنوا صلو عليه وسلموا تسليما (سوروالحزاب -)
"নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা এবং ফেরেশতাগন হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ প্রেরণ করে থাকেন । সুতরাং হে ঈমানদারেরা ! তোমরাও তার উদ্দেশ্যে দরূদ ও সালাম প্রেরণ কর ।"

হজরত ইবনে মাসঊদ (রা.) হতে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি সব লোকের তুলনাঢ আমার বেশি নিকটবর্তী হবে, যে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমার ওপর দরূদ পড়বে।" –সুনানে তিরমিজি: ৪৮৪

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা আমার কবরকে উৎসব কেন্দ্রে পরিণত করো না। তোমরা আমার প্রতি দরূদ পেশ কর। কারণ, তোমরা যেখানেই থাক, তোমাদের পেশকৃত দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়।" –সুনানে আবু দাউদ: ২০৪২

হজরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনার পর দরূদ না পড়লে তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদদোয়া করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম বদদোয়া করেছেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলেছেন।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই অভিশাপ দিলেন যে, "সেই ব্যক্তির নাক ধূলা-ধূসরিত হোক, যার কাছে আমার নাম উল্লেখ করা হল, অথচ সে (আমার নাম শুনেও) আমার প্রতি দরূদ পড়ল না।" (অর্থাৎ 'সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' বলল না)। -তিরমিজি: ৩৫৪৫

হজরত আলী (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "প্রকৃত কৃপণ সেই ব্যক্তি, যার কাছে আমি উল্লিখিত হলাম (আমার নাম উচ্চারিত হল), অথচ সে আমার প্রতি দরূদ পাঠ করল না।" –সুনানে তিরমিজি: ৩৫৪৬

রবিউল আউয়ালে সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র জন্ম ও ওফাতের মাসে তাঁর প্রতি লক্ষ-কোটি দরুদ ও সালাম।

;

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ৯ অক্টোবর



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৯ অক্টোবর রোববার সারা দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে। বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। মঙ্গলবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুনিম হাসান।

সভায় অতিরিক্ত সচিব জানান, দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৪ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সফর মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ৯ অক্টোবর (১২ রবিউল আউয়াল) দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালিত হবে।

আরবি ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’র শাব্দিক অর্থ- মহানবির (স.) জন্মদিনের আনন্দোৎসব। মুসলমানরা ১২ রবিউল আউয়াল মহানবি হজরত মুহম্মদ (স.) এর জন্ম ও মৃত্যু (ওফাত) দিবস হিসেবে পালন করে। কারণ এ দিনেই রাসুলে কারীম (স.) ইন্তেকালও করেন। সেই হিসাবে আগামী ৯ অক্টোবর হবে ১২ রবিউল আউয়াল। বাংলাদেশে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিন সাধারণ ছুটি।

;

সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ২৮ জনে দাঁড়াল।

পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখতে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ১৪৪৪ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা ও ঈদে মিলাদুন্নবির (সা.) তারিখ নির্ধারণে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

;