কখন কোথায় ঈদ জামাত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহত্তর ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় এদিন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবার পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। তবে আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলে এই জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে। 

প্রতি বছরের মতো এবারও পবিত্র ঈদুল আজহায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। 

এরপর সকাল ৮টা, সকাল ৯টা, সকাল ১০টায় ও সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ঈদ জামাত হবে।

জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার টানেলে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, হুইপবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ-সদস্যবৃন্দ ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারীসহ মুসল্লীরা এই জামাতে অংশ নেবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআয় দুটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল ৯টায়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল মসজিদে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে সকাল ৮টায়, ফজলুল হক মুসলিম হলের পূর্ব পাশের খেলার মাঠে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ও আজিমপুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার বায়তুন নূর জামে মসজিদে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত আয়োজনে কয়েক বছর ধরে শোলাকিয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যাচ্ছে দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান। আয়োজকদের দাবি, প্রায় ২২ একর আয়তনের এ মাঠে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষ সেখানে একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। সকাল সাড়ে ৮টায় সেখানে কোরবানির ঈদের জামাত হবে।

আরামবাগের দেওয়ানবাগে জামাত হবে সকাল ৮টায়। সায়েদাবাদ চিশতিয়া সাইদিয়া দরবার শরীফ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, মিরপুরে ফুরফুর দরবার মসজিদ কমপ্লেক্সে সকাল সাড়ে ৭টায় জামাত হবে।

ধানমণ্ডির সোবহানবাগ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, ১২ নম্বর রোডে অবস্থিত তাকওয়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, ৬ নম্বর রোডের ঈদগাহ জামে মসজিদে সকাল ৮টায় এবং ৭ নম্বর রোডের বায়তুল আমান জামে মসজিদে সকাল ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া মিরপুর ১২ নম্বরের ‘এ’ ব্লকের হারুন মোল্লা ঈদগাহ মাঠে সকাল সোয়া ৭টায় ঈদ জামাত হবে।

বকশীবাজার সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে সকাল ৮টায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় মারকাজুল ফিকরি ইসলামীতে সকাল ৭টায়, সি-ব্লকের উম্মে কুলসুম জামে মসজিদে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে, এফ ব্লকের জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, জি ব্লকের বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে, কে ব্লকের মদিনাতুল উলুমে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে এবং এন ব্লকের ফকিহুল মিল্লাত জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত হবে।

কাজলারপাড় ভাঙ্গাপ্রেস এলাকার বায়তুল জান্নাত জামে মসজিদে সকাল ৯টায়, খিলগাওয়ের পল্লীমা সংসদ ময়দানে সকাল সাড়ে ৭টায়, লক্ষ্মীবাজারের মিয়া সাহেব ময়দা শাহ বাড়ি জামে মসজিদে সকাল ৭টায় ও নূরাণী জামে মসজিদে ৮টায় ঈদ জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।

মগবাজার বিটিসিএল মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, মিরপুর দারুস সালামের মাদবর বাড়ি মসজিদে সকাল ৭টায়, কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেট জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদ জামাত হবে।

এছাড়া আগারগাঁওয়ের দারুল ঈমান মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, কৃষি বাজার তাহেরীয়া মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, মোহাম্মদপুরের মসজিদ-এ-তৈয়্যেবিয়ায় সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে।

মঙ্গলবার জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দান পরিদর্শন শেষে সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম জানান, কেন্দ্রীয় ঈদের জামাতের জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।

সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে প্রধান দুটি ঈদ জামাত হবে। পাশাপাশি ৪১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে আলাদা ঈদ জামাত হবে।

সিটি মেয়র জানান, স্বাভাবিক বৃষ্টিতে জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদে নামাজ বিঘ্নিত না হওয়ার জন্য মসজিদের আশপাশের নালাগুলো পরিষ্কার করা হয়েছে। বৃষ্টি হলে পানির ঝাপটা থেকে বাঁচতে স্টেজের চারপাশে কাপড়ের পর্দা দেওয়া হবে। তবে অস্বাভাবিক বৃষ্টিতে পানি উঠলে মসজিদের ভিতরে জামাত হবে।

এবারের প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জাতীয় মসজিদ জমিয়াতুল ফালাহের খতিব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন পেশ ইমাম হাফেজ মৌলানা আহমদুল হক।

নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল সাড়ে ৭টায় আটটি মসজিদে ঈদ জামাত হবে বলে জানিয়েছেন জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহম্মেদ।

এগুলো হলো- লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদে, হযরত শেখ ফরিদ (র.) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি করপোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ।

ঈদের দিন সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এমএ আজিজ সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে ঈদের জামাত হবে।

বরিশাল

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ জানিয়েছেন, নগরীতে প্রধান ঈদ জামায়াত হবে সকাল ৭টায় নগরীর হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ মাঠে।

সাড়ে ৭টায় আমতলা মোড়ে বরিশাল ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মডেল মসজিদে হবে দ্বিতীয় প্রধান জামাত।

জেলার সবচেয়ে বড় জামাত হবে সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের চরমোনাই পীরের দরবার শরীফে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এই জামাত হবে।

এছাড়া উজিরপুরের গুটিয়ার নান্দনিক বায়তুল আমান মসজিদ কমপ্লেক্সে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত হবে। দুইটি করে জামাত হবে নগরীর বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদ, জামে এবাদুল্লাহ মসজিদ ও জামে কসাই মসজিদে।

নগরীর বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদের খতিব ও মাওলানা আব্দুল কাদের জানান, সকাল ৮টায় সেখানে প্রথম জামাত হবে। দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল ৯টায়।

গির্জামহল্লার জামে কসাই মসজিদে সকাল ৭টায় সেখানে প্রথম জামাত এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাত হবে। চকবাজার জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে সকাল ৮টা ও সাড়ে ৯টায় দুটি জামাত হবে।

নগরীর আলেকান্দা নূরিয়া স্কুল মাঠে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং সাড়ে ৮টায় দুটি ঈদ জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। চৌমাথা মারকাজ মসজিদে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক কৃষিবিদ নুরুল ইসলাম বলেন, জেলায় মোট ৮ হাজার ৭৩৪টি মসজিদ রয়েছে, এদের মধ্যে ৮ হাজার মসজিদেই ঈদ জামাত হবে।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ জেলার প্রায় আড়াই হাজার স্থানে ঈদুল আজহার জামাত হবে। প্রধান জামাত হবে সকাল ৮টায় নগরীর আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে।

একই স্থানে দ্বিতীয় জামাত হবে সকাল পৌনে ৯টায়। সেই লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক তৌহিদুল আনোয়ার।

এছাড়াও ঐতিহ্যবাহী বড় মসজিদে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত, সকাল সাড়ে ৮টায় দ্বিতীয় জামাত হবে। আকুয়া মার্কাজ মসজিদের মাঠে সকাল ৭টায়, ময়মনসিংহ মার্কাজ মসজিদে সকাল ৮টায়, গাঙ্গিনারপাড় জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মাঠে সকাল ৮টায়, ভাটিকাশর জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ও জেলাখানা মসজিদে সকাল ৮টায় জামাত হবে। এছাড়া জেলার ৭৩টি স্থানে বড় পরিসরে ঈদের জামাত হবে।

রাজশাহী

রাজশাহীতে এবার ঈদুল আজহার প্রধান জামাত হবে হযরত শাহ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহে, সকাল ৮টায়। তবে বৃষ্টি হলে বা আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে একই সময় ঈদের প্রধান জামাত হবে হযরত শাহ মখদুম (রহ.) দরগাহ জামে মসজিদে। মানুষ বেশি হলে ৪৫ মিনিটের ব্যবধানে দরগা মসজিদে পর পর দুটি জামাত হবে।

রাজশাহীতে ঈদের দ্বিতীয় প্রধান জামাতও হবে সকাল ৮টায়, মহানগর ঈদগাহে (টিকাপাড়া)। বৃষ্টি হলে একই সময়ে পাশেই থাকা টিকাপাড়া মোহাম্মপুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে ঈদের জামাত হবে। এছাড়া সকাল ৮টায় মহানগরীর তৃতীয় বড় ঈদ জামাত হবে বড় মসজিদ সংলগ্ন সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে।

এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৮টায় এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে সকাল ৭টায় ঈদ জামাত হবে।

সিলেট

সিলেটে সকাল ৮টায় ঈদের প্রধান জামাত হবে নগরীর শাহী ঈদগাহ ময়দানে। একই সময়ে সিলেট কালেক্টরেট জামে মসজিদে ঈদের জামাত হবে।

শাহজালালের দরগাহ মসজিদে সকাল ৮টায় হবে ঈদ জামাত। এছাড়া নগরীর ছোট-বড় আরও তিন হাজার ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদ জামাতের আয়োজন থাকছে।

খুলনা

প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে সকাল ৮টায়। এতে ইমামতি করবেন টাউন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহম্মদ সালেহ।

আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৮টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

টাউন জামে মসজিদে দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

খুলনা আলিয়া মাদরাসা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। খুলনা সিটি করপোরেশন পরিচালিত বায়তুন নূর মসজিদে সকাল সোয়া ৮টা ও সোয়া ৯টায় দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে সকাল সোয়া ৭ টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

রংপুর

প্রধান জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় কালেক্টরেট ঈদগাহে। ঈমামতি করবেন হাফেজ মাওলানা হাফিজুল ইসলাম। আবহাওয়া খারাপ হলে ঈদের প্রধান জামাত হবে রংপুর জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৮টায়। সেখানে ৯টায় হবে দ্বিতীয় জামাত।

এছাড়া মুন্সিপাড়া ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায়, হজরত মাওলানা কেরামত আলী মাজার সংলগ্ন কেরামতিয়া মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায়, মণ্ডল পাড়া বড় ঈদগাহ ও দামোদরপুর বড় ময়দানে সাড়ে ৯টায়, মিঠাপুকুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ৯টায়, বদরগঞ্জ চান্দামাড়ি কারামতিয়া ঈদগাহে সকাল ১০টায়, পীরগাছা জেএন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, কাউনিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, তারাগঞ্জ চৌপথি ঈদগাহ, পীরগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, বদরগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও সদর উপজেলা পরিষদ ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত হবে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায়, গঙ্গাচড়ার পাইকান বড় জুম্মা মসজিদ মাঠে সকাল ৯টায়, ধাপ স্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদ মাঠে এবং বুড়িরহাট কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সকাল ৯টায়, বুড়িরহাট মাঠে সকাল ৯টায় ঈদের জামাত হবে।

   

সিলেটে শবে বরাতের রাতে দুই ওলির মাজারে মুসল্লীদের ভিড়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত। ইবাদত-বান্দেগীর মধ্য দিয়ে পবিত্র এই রাতটি পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। প্রতিবারের ন্যায় এবারো পবিত্র শবে বরাতে সিলেটের দুই ওলির মাজারে মুসল্লীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকেই সিলেটে নগরীর দরগাহ গেইট এলাকায় হযরত শাহজালাল (রহ.) ও খাদিমনগরের হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারের হাজার হাজার মুসল্লী জড়ো হতে থাকেন। কেউ নফল নামাজ পড়ছেন কেউবা ওলির মাজার জিয়ারত করছেন।

জানা যায়, প্রতি বছরেই শবে বরাত উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আসেন সিলেটের এই দুই ওলির মাজারে। এবারও এসেছেন তারা। এক মাজার থেকে আরেক মাজারে যাচ্ছেন এবং মহান আল্লাহ কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

সরেজমিনে রোববার দিবাগত রাতে হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরান রহ. মাজারে গিয়ে দেখা যায়, মাজারে প্রবেশের প্রতিটি গেইটে মুসল্লিদের উপস্থিতি। একদিকে মুসল্লিরা প্রবেশ করছেন অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ মাজার মসজিদে ইবাদত করছেন, কেউবা মাজার জিয়ারত ও পার্শ্ববর্তী কবরস্থান জিয়ারত করছেন। মাজার এলাকায় ঘুরাঘুরিও করছেন অনেকে।

শবে বরাত রাতকে কেন্দ্র করে মাজারের বাইরের দোকানগুলোতে বিভিন্ন ধরনের টুপি, আগরবাতি, মোমবাতি, আতর গোলাপজল, তাসবীসহ নানা পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও মাজারের প্রবেশপথগুলোতে সারিবদ্ধ ভিক্ষু ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন জেলা থেকে ভিক্ষুকরা অধিক ভিক্ষা পাওয়ার আশায় এখানে এসে ভিড় জমান। ঝুলি নিয়ে বসে থাকা ভিক্ষুকদেরকে মাজারে আসা লোকজনও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থকরী দান করেন।

;

কটিয়াদীতে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে শবে বরাত



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র শবেবরাত পালিত হয়েছে।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে শবে বরাত উপলক্ষ্যে মসজিদে মসজিদে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ কটিয়াদীর কেন্দ্রীয় মসজিদ কলামহাল জামে মসজিদে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে৷  কবরস্থানগুলোয় ছিল মুসল্লিদের ভিড়। 

নামাজ শেষে মানুষ আত্মীয়স্বজনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া দরুদ পাঠ ও তাদের জান্নাত নসিব করার জন্য আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেন। এছাড়াও উপজেলার সবগুলো মসজিদে মুসল্লিতে ভরপুর ছিল৷ 

হিজরী বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ পবিত্র শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এ রাত ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবে পরিচিত।

মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমান নর-নারীরা যার যার ঘরেও রাতভর মগ্ন ছিলেন ইবাদত বন্দেগিতে। অনেকে নফল রোজা রেখেছেন। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে সওয়াব হাসিল আর গুনাহ থেকে পানাহ চাওয়ার রাত হিসেবে শবে বরাতের মর্যাদা অতুলনীয়। তাই নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, ইবাদত বন্দেগি, জিকির-আসকার, করব জিয়ারত আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ফজিলতের এই রাত পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। 

বিশেষ মোনাজাতে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। দেশের সুখ সমৃদ্ধি উন্নতি ও মুসলিম উম্মার কল্যাণ কামনা করে মসজিদগুলোতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুসল্লিরা মোনাজাতে অংশ নেন।

মিলাদ মাহফিলে নামাজ, রোজা ও শবে বরাতের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। মসজিদের বাইরেও বিভিন্নস্থানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজন ছিল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের। এশার নামাজের পর মুসল্লিরা মসজিদে মসজিদে রাতভর নফল নামাজ ও আল্লাহর দরবারে গুনাহ মাফ চেয়ে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেছেন।

;

পবিত্র শবে বরাত রোববার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
পবিত্র শবে বরাত রোববার

পবিত্র শবে বরাত রোববার

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীকাল রোববার (২৫ ফেব্রুযারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

হিজরি সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি মুসলমানরা শবে বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এ রাতটি ‘লাইলাতুল বরাত’ হিসেবেও পরিচিত।

পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আগামী সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারি ছুুটি থাকবে।

এ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে আসন্ন পবিত্র রমজানে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আর কিছু দিন পরই আসছে পবিত্র রমজান মাস। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দেখা দিয়েছে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি। এ প্রেক্ষিতে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে আমি বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। পরম করুণাময় সকল সংঘাত-সংকট থেকে বিশ্ববাসীকে রক্ষা করুন।’

রাষ্ট্রপতি পবিত্র শবেবরাত মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মহিমান্বিত ও বরকতময় এক রজনী উল্লেখ করে এ উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

অপর এক পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র শবেবরাতের মহাত্মে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবকল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আসুন, সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র শবেবরাত রাতকে অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও এ রাতের ইবাদত উত্তম। এই রাতে আল্লাহর অশেষ রহমত ও নিয়ামত বর্ষিত হয়। পবিত্র এই রাতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আমরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি। অর্জন করতে পারি তাঁর অসীম রহমত, নাজাত, বরকত ও মাগফেরাত।

প্রধানমন্ত্রী পবিত্র এই রজনীতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেছেন।

এ রাতে বাসাবাড়ি ছাড়াও মসজিদে মসজিদে নফল নামাজ, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

পবিত্র শবে বরাত ১৪৪৫ হিজরি উপলক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, হামদ নাতসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার এ উপলক্ষে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে ‘পবিত্র শবে বরাতের ফজিলত ও তাৎপর্য’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ রুহুল আমীন।

রাত ৮টা ৫০ মিনিটে ‘পবিত্র কুরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল বরাতের শিক্ষা ও করণীয়’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন মাদারীপুর জামেআতুছ সুন্নাহ শিবচরের মুহতামিম হযরত মাওলানা নেয়ামত উল্লাহ ফরিদী।

রোববার দিবাগরাত সাড়ে ১২টায় ‘আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে করণীয়’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন ঢাকার বাদামতলীর শাহাজাদ লেন জামে মসজিদের খতীব শায়খুল হাদিস মুফতী নজরুল ইসলাম কাসেমী। আর রাত ৩ টা ১৫ মিনিটে ‘নফল নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত’ শীর্ষক ওয়াজ করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতী মো. মিজানুর রহমান।

আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে ভোর সাড়ে ৫ টায়। মোনাজাত পরিচালনা করবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতী মো. মিজানুর রহমান।

বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও এ উপলক্ষে ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে।

এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলসহ এবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে কাটাবেন।

মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মুসলমানরা বিশেষ মোনাজাত করবেন।

;

বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তিতে সম্মাননা পেলেন বিশিষ্ট লেখকরা



নিজস্ব প্রতিবেদক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামি ধারার সৃজনশীল প্রকাশনী বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডে ডিআর টাওয়ার মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট লেখক ও মুহাদ্দিস মাওলানা লিয়াকত আলী। মাসউদুল কাদির ও শেখ মুহাম্মদ রিয়াজের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাসিক মুসলিম নারী পত্রিকার সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল।

ক্বারী ইলিয়াস লাহোরীর তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। ফাঁকে ফাঁকে হামদ- নাত ও ইসলামি সংগীতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে অনুষ্ঠান।

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. অ. ফ. ম. খালিদ হোসেন ছাড়াও সংবর্ধিত লেখকরা বক্তব্য দেন। তারা লেখালেখি ও প্রকাশনা শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। জাতির ক্রান্তিকালে লেখকদের একতাবদ্ধ হয়ে লেখালেখি করার আহ্বান জানান বক্তারা। প্রকাশকদের উদার মনে লেখকদের মূল্যায়নের আহ্বান জানান। লেখক-প্রকাশকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রকাশনা শিল্পকে এগিয়ে নেবে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা।

ইসলামি ও মৌলিক সাহিত্য রচনায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন: মাওলানা লিয়াকত আলী, মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী, মুফতী মুহাম্মদ তৈয়্যেব হোসাইন, মুফতী মুবারকুল্লাহ, ড. আহমদ আবদুল কাদের, মাসুদ মজুমদার, নূরুল ইসলাম খলিফা, অধ্যাপক এম. মুজাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, আবদুল কাদির সালেহ, আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, ফরীদ আহমদ রেজা, মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ড. মুহাম্মদ সোলায়মান, মুহাম্মদ এনায়েত আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, ড. সালেহ মতীন, মো. শরীফ হোসেন, ড. মুহাম্মদ নুরউদ্দিন কাওছার, মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দীন, মুহাম্মদ মনজুরে মাওলা, শেখ মো. রিয়াজ উদ্দিন, মো. খায়রুল হাসান, জহির উদ্দিন বাবর, মাওলানা মুনীরুল ইসলাম, আইয়ূব বিন মঈন, মাসউদুল কাদির, মুফতী ফারুক আহমাদ, মুফতী মাহফূযুল হক, মাওলানা আহমাদুল্লাহ, কাজী সিকান্দার, সাইফুল হক।

অনুবাদ সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় উৎসাহ প্রদানে সম্মাননা পেলেন মুফতী আবু সাঈদ, মুফতি আবু উসায়মা আখতার, মুফতী আমিনুল ইসলাম আরাফাত, মুফতী শরীফুল ইসলাম, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ, মুফতী আশরাফ আলী, মুহাম্মদ আনিসুর রহমান। ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয় মাসিক মদীনার সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দীন খান রহ. (মরণোত্তর), এমদাদিয়া লাইব্রেরীর আব্দুল হালিম ও ইসলামিয়া কুতুবখানার মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে বই পাঠ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে পবিত্র ওমরার ব্যবস্থা, দ্বিতীয় বিজয়ীকে ল্যাপটপ ও তৃতীয় বিজয়ীকে স্মার্টফোন দেওয়া হয়। এছাড়া আরও ৪০ জন বিজয়ী পুরস্কার লাভ করেন। বই পাঠ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন ঢাকার মোস্তাফিজুর রহমান, দ্বিতীয় খুলনার উম্মে হাবিবা এবং তৃতীয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইশতার জাহান। অনুষ্ঠানে কাজী সিকান্দার রচিত ‘লেখক হওয়ার ব্যাকরণ’ এবং মো. শরীফ হোসেন রচিত ‘চিন্তাগুলো যাক ছড়িয়ে’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের লেখক ও পাঠকদের পক্ষ থেকে ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রকাশনাটির স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।

;