শেষ হলো ছারছীনা দরবারের তিন দিনব্যাপী মাহফিল



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছারছীনা দরবার শরিফের পীর হজরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ আখেরি মোনাজাত করছেন, ছবি : সংগৃহীত

ছারছীনা দরবার শরিফের পীর হজরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ আখেরি মোনাজাত করছেন, ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ছারছীনা থেকে মো. আবদুর রহমান : ঈমান ও আকিদা সহিহ-শুদ্ধ করে নিয়মিত তরিকা মশক করে আমলি জিন্দেগি গঠনের মাধ্যমেই দয়াময় আল্লাহর রেজামন্দি (সন্তুষ্টি) হাসিল করা সম্ভব।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) বাদ জুমা তিন দিনব্যাপী ছারছীনা দরবারের বার্ষিক ঈছালে ছওয়াব মাহফিলের আখেরি মোনাজাতের আগে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মানুষের উদ্দেশ্যে আমিরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা দরবার শরিফের পীর সাহেব হজরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি সমবেত জনতাকে গোনাহমুক্তির জন্য জন্য তওবা করিয়ে জিকিরের তালিম দেন। ব্যস্ততার মধ্যেও সকাল-সন্ধ্যা জিকির ও অজিফা পালনের মাধ্যমে তরিকা মশকের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, তরিকা চর্চার মাধ্যমে একজন মানুষ আদববান মানুষে পরিণত হতে পারে। তরিকা কখনোই বেয়াদবি শিক্ষা দেয় না।

আখেরি মোনাজাতের আগে বিশেষ হেদায়েতি বয়ানে হজরত পীর সাহেব কেবলা সবাইকে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সংগঠনভুক্ত হয়ে তালিমি জলসা কায়েম, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা এবং নিজ নিজ সন্তানদের যেসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করার নির্দেশ দেন। এছাড়া তিনি আগামী মাহফিলে সবাইকে আসার জন্য দাওয়াত দেন।

আখেরি মোনাজাতে হজরত পীর সাহেব কেবলা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। দোয়ার সময়ে লাখো জনতার ক্রন্দনে এক হৃদয়বিদারক অবস্থার সৃষ্টি হয়। মোনাজাতে পীর সাহেব কেবলা বিশ্ব শান্তির জন্য বিশেষ করে ফিলিস্তিনের বিপন্ন মুসলিম ভাই-বোনদের জন্য দোয়া করেন। দোয়ার সময় উপস্থিত জনতার আমিন আমিন ধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে।

ছারছীনা দরবারের তিন দিনব্যাপী মাহফিলের আখেরি মোনাজাতের দৃশ্য

 

ছারছীনা দরবারের বার্ষিক মাহফিলে জাতীয় ও দক্ষিণবঙ্গের রাজনীতিবিদদের অনেকেই অংশ নেন। এ সময় তারা সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে উপস্থিত জনতার কাছে দোয়া কামনা করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশে বহু দরবার রয়েছে। তবে ছারছীনা দরবার ব্যতিক্রম। ছারছীনা কোনো দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। দেশ ও জাতির কল্যাণে ছারছীনা দরবারের ভূমিকা সর্বদা ইতিবাচক। বিভিন্ন সময়ে শাসকবর্গকে বুঝিয়ে দেশ ও ইসলামের কল্যাণে এই দরবার যে অবদান রেখেছে তা অন্যকোনো দরবার রাখতে পারেনি।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন- মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মো. আফজাল হোসেন, সংসদ সদস্য রুস্তুম আলী ফরাজী, এস. এম. শাহজাদা, অধ্যক্ষ মুহিবুর রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনি, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবদুর রশিদ, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছিনের মহাসচিব অধ্যক্ষ শাব্বির আহমদ মোমতাজি, নেছারাবাদ উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হক, স্বরূপকাঠী পৌর মেয়র গোলাম ফারুকসহ বিভাগীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।

   

বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তিতে সম্মাননা পেলেন বিশিষ্ট লেখকরা



নিজস্ব প্রতিবেদক, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামি ধারার সৃজনশীল প্রকাশনী বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডে ডিআর টাওয়ার মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট লেখক ও মুহাদ্দিস মাওলানা লিয়াকত আলী। মাসউদুল কাদির ও শেখ মুহাম্মদ রিয়াজের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাসিক মুসলিম নারী পত্রিকার সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল।

ক্বারী ইলিয়াস লাহোরীর তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। ফাঁকে ফাঁকে হামদ- নাত ও ইসলামি সংগীতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে অনুষ্ঠান।

বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার ড. অ. ফ. ম. খালিদ হোসেন ছাড়াও সংবর্ধিত লেখকরা বক্তব্য দেন। তারা লেখালেখি ও প্রকাশনা শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। জাতির ক্রান্তিকালে লেখকদের একতাবদ্ধ হয়ে লেখালেখি করার আহ্বান জানান বক্তারা। প্রকাশকদের উদার মনে লেখকদের মূল্যায়নের আহ্বান জানান। লেখক-প্রকাশকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রকাশনা শিল্পকে এগিয়ে নেবে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা।

ইসলামি ও মৌলিক সাহিত্য রচনায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন: মাওলানা লিয়াকত আলী, মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী, মুফতী মুহাম্মদ তৈয়্যেব হোসাইন, মুফতী মুবারকুল্লাহ, ড. আহমদ আবদুল কাদের, মাসুদ মজুমদার, নূরুল ইসলাম খলিফা, অধ্যাপক এম. মুজাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, আবদুল কাদির সালেহ, আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, ফরীদ আহমদ রেজা, মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ড. মুহাম্মদ সোলায়মান, মুহাম্মদ এনায়েত আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, ড. সালেহ মতীন, মো. শরীফ হোসেন, ড. মুহাম্মদ নুরউদ্দিন কাওছার, মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দীন, মুহাম্মদ মনজুরে মাওলা, শেখ মো. রিয়াজ উদ্দিন, মো. খায়রুল হাসান, জহির উদ্দিন বাবর, মাওলানা মুনীরুল ইসলাম, আইয়ূব বিন মঈন, মাসউদুল কাদির, মুফতী ফারুক আহমাদ, মুফতী মাহফূযুল হক, মাওলানা আহমাদুল্লাহ, কাজী সিকান্দার, সাইফুল হক।

অনুবাদ সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় উৎসাহ প্রদানে সম্মাননা পেলেন মুফতী আবু সাঈদ, মুফতি আবু উসায়মা আখতার, মুফতী আমিনুল ইসলাম আরাফাত, মুফতী শরীফুল ইসলাম, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ, মুফতী আশরাফ আলী, মুহাম্মদ আনিসুর রহমান। ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয় মাসিক মদীনার সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দীন খান রহ. (মরণোত্তর), এমদাদিয়া লাইব্রেরীর আব্দুল হালিম ও ইসলামিয়া কুতুবখানার মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে বই পাঠ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে পবিত্র ওমরার ব্যবস্থা, দ্বিতীয় বিজয়ীকে ল্যাপটপ ও তৃতীয় বিজয়ীকে স্মার্টফোন দেওয়া হয়। এছাড়া আরও ৪০ জন বিজয়ী পুরস্কার লাভ করেন। বই পাঠ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন ঢাকার মোস্তাফিজুর রহমান, দ্বিতীয় খুলনার উম্মে হাবিবা এবং তৃতীয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইশতার জাহান। অনুষ্ঠানে কাজী সিকান্দার রচিত ‘লেখক হওয়ার ব্যাকরণ’ এবং মো. শরীফ হোসেন রচিত ‘চিন্তাগুলো যাক ছড়িয়ে’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বিশ্বকল্যাণ পাবলিকেশন্সের লেখক ও পাঠকদের পক্ষ থেকে ইসলামি সাহিত্য ও প্রকাশনা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রকাশনাটির স্বত্বাধিকারী মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।

;

দুশ্চিন্তা দূর হয় দরুদ পাঠে



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
দরুদ একটি ফজিলতময় আমল, ছবি : সংগৃহীত

দরুদ একটি ফজিলতময় আমল, ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করার নির্দেশনা পবিত্র কোরআন-হাদিসে রয়েছে। মহান আল্লাহ তার রাসুলের প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ নবীর প্রতি রহমত নাজিল করেন এবং তার ফেরেশতারাও নবীর জন্য রহমতের দোয়া করে। হে ঈমানদাররা! তোমরাও নবীর প্রতি রহমতের দোয়া করো এবং তাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।’ -সুরা আহজাব : ৫৬

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম পাঠ করার মাধ্যমে দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং পাপ মোচন হয়।

ইরশাদ হয়েছে, হজরত উবাই ইবনে কাব (রা.) বলেন, আমি হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার ওপর অনেক বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করি। আপনি আমাকে বলে দিন, আমি (দোয়ার জন্য যতটুকু সময় বরাদ্দ করে রেখেছি তার) কতটুকু সময় আপনার ওপর দরুদ প্রেরণের জন্য নির্দিষ্ট করব? জবাবে নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি এক-তৃতীয়াংশ করি? নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরও বেশি করো, তাহলে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, যদি অর্ধেক সময় নির্ধারণ করি? নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়। যদি আরও বেশি নির্ধারণ করো, তাহলে তা তোমার জন্যই ভালো। আমি বললাম, যদি দুই-তৃতীয়াংশ করি। নবী কারিম (সা.) বলেন, তোমার মন যা চায়।

যদি আরও বেশি নির্ধারণ করো তা তোমার জন্যই কল্যাণকর হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, তাহলে আমি আমার (দোয়ার) সবটুকু সময়ই আপনার ওপর দরুদ পাঠ করার জন্য নির্দিষ্ট করে দেব? নবী কারিম (সা.) বলেন, তাহলে তোমার চিন্তা ও ক্লেশের জন্য তা যথেষ্ট হবে এবং তোমার গোনাহ মাফ করা হবে। -জামে তিরমিজি : ২৪৫৭

;

হজ মৌসুমে মক্কা-মদিনায় কাজের সুযোগ



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হজ মৌসুমে মক্কা-মদিনায় কাজের সুযোগ, ছবি : সংগৃহীত

হজ মৌসুমে মক্কা-মদিনায় কাজের সুযোগ, ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন পবিত্র হজ মৌসুমে সৌদি আরবের তিনটি শহরে খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ রয়েছে। দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মক্কা, মদিনা ও জেদ্দা শহরে হজের সময় শূন্য পদে বেশ কিছু লোক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের ঘোষণামতে পদগুলো হলো- হজ কন্ট্রোলার, কাস্টমার সার্ভিস, মেকানিক্যাল টেকনিশিয়ান, ড্রাইভার ও প্রকৌশলী। এসব পদে কতজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি।

আগ্রহীদের লিংকে (https://hajcareers.haj.gov.sa/) আবেদন করতে বলা হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে বসবাস করা স্থানীয় নাগরিক ও মুসলিম অভিবাসীদের জন্য হজের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এবার সৌদি হজযাত্রীদের জন্য আবাসন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে চার হাজার ৯৯ রিয়াল থেকে ১৩ হাজার ২৬৫ রিয়ালের মধ্যে চারটি হজ প্যাকেজ ঘোষণা দেওয়া হয়। পুরো অর্থ চার ধাপে পরিশোধ করা যাবে।

এর মধ্যে ২০ শতাংশ রমজান মাস শুরুর আগে এবং ৪০ শতাংশ ২০ রমজানের আগে শোধ করতে হবে।
গত বছর করোনা-পরবর্তীকালের সর্ববৃহৎ হজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৮ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৬০ হাজার ৯১৫ জন বিদেশি মুসলিম ছিলেন।

এদিকে গত বছর বিভিন্ন দেশ থেকে ১৩ কোটি ৫৫ লাখের বেশি মুসলিম ওমরাহ পালন করেন, যা ছিল সৌদি আরবের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা। একই বছর ২৮ কোটির বেশি মুসল্লি পবিত্র মসজিদে নববীতে নামাজ পড়েন ও রওজা শরিফ জিয়ারত করেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৬ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১ মার্চ হজের ভিসা ইস্যু শুরু হয়ে ২৯ এপ্রিল শেষ হবে। এরপর ৯ মে থেকে সৌদি আরবে হজযাত্রীদের গমন শুরু হবে।

;

শাবান মাসের ফজিলত ও আমল



ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শাবান মাসে রমজানের প্রস্তুতিমূলক বেশি বেশি রোজা রাখা, ছবি : প্রতীকী

শাবান মাসে রমজানের প্রস্তুতিমূলক বেশি বেশি রোজা রাখা, ছবি : প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

শাবান মাস আসলেই রমজানের সুঘ্রাণ বইতে শুরু করে প্রতিটা মুমিন বান্দার অন্তরে। হিজরি বর্ষের অষ্টম মাস হলো- শাবান। এ মাসের পরেই আগমন ঘটে মুমিনদের জন্য বরকতময় বসন্তকাল রমজান মাসের। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসকে অনেক গুরুত্ব দিতেন এবং বেশি বেশি ইবাদতসহ বিশেষ কিছু আমল করতেন।

শাবান মাসের আমলসমূহের মাঝে শ্রেষ্ঠ আমল হচ্ছে- রমজানের প্রস্তুতিমূলক বেশি বেশি রোজা রাখা। নবী কারিম (সা.) শাবান মাসে অধিকহারে নফল রোজা রাখতেন।

হাদিসে এসেছে, হজরত উম্মে সালমা (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে শাবান ও রমজান মাস ছাড়া অন্যকোনো দুই মাস একাধারে রোজা রাখতে দেখিনি। -সুনানে আবু দাউদ : ২৩৩৬

তবে শাবান মাসের ২৭ তারিখ থেকে রোজা না থাকার কথাও অন্য হাদিসে পাওয়া যায় যাতে রমজানের রোজা শুরুতে সমস্যা না হয়। তবে তিনি এ মাসে একাধারে যতবেশি রোজা রাখতেন অন্যকোনো মাসে রাখতেন না।

যেমন অন্য এক হাদিসে এসেছে, উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী কারিম (সা.) শাবান মাসের চেয়ে বেশি রোজা কোনো মাসে রাখতেন না। তিনি পুরো শাবান মাসই রোজা রাখতেন এবং বলতেন, তোমাদের মধ্যে যতটুকু সামর্থ্য আছে ততটুকু (নফল) আমল করো, কারণ তোমরা (আমল করতে করতে) পরিশ্রান্ত হয়ে না পড়া পর্যন্ত আল্লাহতায়ালা (সওয়াব) দান বন্ধ করেন না। -সহিহ বোখারি : ১৯৭০

হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) রজব ও শাবান পুরো মাসে দোয়া ও ক্ষমা বেশি প্রার্থনা করতেন। তিনি এ দোয়া বেশি বেশি পড়তেন- (উচ্চারণ) আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজবা ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগনা রামাজান।’

অর্থ : হে আল্লাহ! রজব মাস ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন; রমজান আমাদের নসিব করুন। -মুসনাদে আহমাদ : ২৫৯

;