সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইফা

ইসলাম ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লোগো, ছবি: বার্তা গ্রাফিক্স

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লোগো, ছবি: বার্তা গ্রাফিক্স

  • Font increase
  • Font Decrease

বছর ঘুরে আবারও আসছে পবিত্র রমজান মাস। মাসটি মুসলিম জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময়। ইসলামি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৯ম মাস রমজান। এ মাসে রোজা পালন পালন করেন গোটা মুসলিম বিশ্ব। ইসলামের ৫টি স্তম্ভের মাঝে সাওম বা রোজা ৩য়। মহিমান্বিত এ মাসে নাজিল হয়েছে মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ কোরআনে কারিম।

রমজানকে সামনে রেখে ঢাকা জেলার জন্য ১৪৪১ হিজরি অর্থাৎ ইংরেজি ২০২০ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। অবশ্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জেলা অফিস থেকে প্রতিটি জেলার জন্য আলাদা আলাদা ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই সময়সূচি অনুযায়ী চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে রমজান শুরু হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রকাশতি ক্যালেন্ডারে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মুফাসসির ড. মাওলানা আবু সালেহ পাটওয়ারী এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মো. আনিছুর রহমান সরকারের স্বাক্ষর রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ক্যালেন্ডারে সেহরির শেষ সময় সতর্কতামূলকভাবে সুবহে সাদেকের ৩ মিনিট পূর্বে ধরা হয়েছে। ফজরের ওয়াক্তের শুরু সুবকে সাদেকের ৩ মিনিট পর রাখা হয়েছে। অতএব সেহরির সতর্কতামূলক শেষ সময়ের ৬ মিনিট পর ফজরের আজান দিতে হবে। আর সূর্যাস্তের পর সতর্কতামূলকভাবে ৩ মিনিট বাড়িয়ে ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

আল্লাহতায়ালা প্রত্যেক মুমিন-মুসলিমের জন্য রোজা ফরজ করেছেন। এ প্রসেঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেন তোমরা পরহেজগারি অর্জন করতে পারো।’ -সূরা বাকারা: ১৮৩

রোজা মুমিনদের শারীরিক, আত্মিক, মানসিক সব ধরণের চরিত্র গঠন করে। রমজানকে বলা হয়- রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসের প্রস্তুতি স্বরূপ শাবান মাসের চাঁদের হিসাব রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘তোমরা রমজানের সম্মানার্থে শাবানের চাঁদের হিসাব গননা করে রাখো।’ –সুনানে তিরমিজি

এ ছাড়া রজব এবং শাবান মাস আগমন করলে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি বেশি পাঠ করতেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রাজাবা ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগনা রামাজান।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করে দিন এবং আমাদের হায়াতকে রমজান মাস পর্যন্ত পৌঁছে দিন।’ –সুনানে নাসায়ি

বার্তা২৪.কম-এর পাঠকদের জন্য ২০২০ সালের রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি নিচে তুলে ধরা হলো-

আপনার মতামত লিখুন :