মুন্সিগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মুন্সিগঞ্জ
বার্তা ২৪.কম

বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় সালিসে ছুরিকাঘাতে তিন জনকে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এরা হলো- রোকন উদ দৌলা রাফসান ওরফে রাফি(২০) ও তানভীর মোল্লা ওরফে রামিম (১৯)।

সোমবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করে মুন্সিগঞ্জ ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মো.মোজাম্মেল হক।

এরআগে রোববার বিকালে ফরিদপুর এলাকা থেকে রামিম ও শরিয়তপুর থেকে রাফিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গেপ্তারকৃত রামিম মানিকপুর এলাকার সুরুজ মোল্লার ছেলে ও রাফি ইসলামপুর এলাকার আব্দুল মতিনের ছেলে।

মুন্সিগঞ্জ ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো.মোজাম্মেল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি আসামি রামিম ফরিদপুর ও রাফি শরিয়তপুর এলাকায় অবস্থান করছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামি মামলা সংক্রান্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। যা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য- গত ২৪ মার্চ বুধবার বিকেলে উত্তর ইসলামপুর এলাকায় দুটি কিশোর গ্যাং এর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সেখানে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। সমস্যার সমাধান করতে সেদিন রাত ১০ টার দিকে দুই পক্ষকে নিয়ে বিচারক আওলাদ হোসেন মিন্টু প্রধান সালিসে বসে । সেখানে জামাল হোসেন তার ছেলে সৌরভ ও তাদের সহযোগী, সিহাব, শামীম, অভি গ্যাংরা অর্তকিত হামালা চালীয়ে ছুড়িকাঘাতে করে হত্যা করে সালিসীর বিচারক মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সমাজ সেবক মো. আওলাদ হোসেন মিন্টু প্রধান,কলেজ ছাত্র ইমন পাঠান (২২) ও মো. সাকিব হোসেন (১৯)কে। নিহতদের সবার বাড়ি উত্তর ইসলামপুর এলাকায়।

পরে নিহত মিন্টু প্রধানের স্ত্রী খালেদা আক্তার বাদী হয়ে ঘটনার পরদিন ২৫ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টার পর একটি হত্যা মামলা করে। মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১৫ জনকে আসামী করা হয়।

সে মামলার এজহার নামীয় জামাল হোসেন (৫২), মো.জাহাঙ্গীর হোসেন (৫০), মো.রনি(৩২), মো.ইমরান হোসেন(২০), রাহুল প্রধান(২২)। এবং সন্দেহভাজন হিসবে জামালের স্ত্রী নাসরিন বেগমকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

গত ২৮ মার্চ বেলা ১২ টার দিকে আমলি আদালত-১ এর বিচারক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী কামরুল ইসলাম এজহারনামীয় পাঁচজনকে ৫ দিন ও ওই নারীকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেয়।

পরে ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় গোয়ান্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার ৬ নম্বর আসামী আলভী মুনতাসিস ওরফে অভিকে (২০) গ্রেপ্তার করে। এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে আছে মামলার মূল আসামী সৌরভ, সিহাব, শামীম,শাকিবরা।