মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এবার নওগাঁয় মামলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে নওগাঁর আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন নাহিদ রনি (৩৬) নামের এক যুবক।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মুক্তিযুদ্ধে এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে এই মামলাটি করেন তিনি।

নাহিদ রনি ‘মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি’ নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটি আমলে নিয়ে নওগাঁর আমলি আদালত-৫-এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার জাহান মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে ২০২২ সালের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম স্বপন বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও ধর্ষণের শিকার মা-বোনদের সংখ্যা নিয়ে বিবাদী বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ইতিহাস বিকৃত করেছেন। তাঁর এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যে দেশে বিশৃঙ্খলার তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বাদী নৈতিকতার স্থান থেকে এ মামলাটি করেছেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৫০৪, ৫০৫ ও ৫০৫ (ক) ধারায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মামলার আরজি করা হয়। আদালতের বিচারক আরজি দেখে সন্তুষ্ট হয়ে মামলাটি আমলে নিয়েছেন। এ বিষয়ে আদালত পিবিআইকে তদন্ত করে আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

গত সেপ্টেম্বরে গোপনে ধারণ করা মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ও গাজীপুর জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি এবং দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। গত ২৫ নভেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়রের পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিকের স্বীকারোক্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
মিথুন ওরফে আকাশ

মিথুন ওরফে আকাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুর মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রুহির (১৯) মৃত্যুর ঘটনায় প্রেমিক মিথুন ওরফে আকাশ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করা হলে বিচারক রাজু আহমেদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এদিন দুপুরে আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আল-আমিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানবন্দি রেবর্ড করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল-আমিন।

আদালত সূত্র বলছে, রুহির সঙ্গে পরিচয়ের কথা স্বীকার করেছেন মিথুন। তবে রুহি তাকে প্রথম থেকে ভালোবাসার কথা বললেও তিনি রাজি ছিলেন না। তার মোবাইল নম্বর একাধিকবার ব্লক লিস্টে রেখেছিলেন। এক পেশে ভালোবাসার কারণে তিনি ফোন বন্ধ রেখেছিলেন। রুহির সঙ্গে পরিচয়ের পর যা যা ঘটেছিল, তা সবিস্তারে আদালতকে জানিয়েছেন মিথুন।

এর আগে, সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বিকালে গঙ্গাচড়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আটক মিথুন গঙ্গাচড়া উপজেলার ধামুর গ্রামের ইবাদত আলীর ছেলে। সে প্রেমিকা রুহিকে নিজের ভুয়া নাম ও ঠিকানা দিয়েছিল।

গত রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের ভেতর থেকে রুহির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রুহি ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ড থানার হরিয়ারঘাট গ্রামের সেকেন্দার আলীর মেয়ে।

মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আল-আমিন জানান, মিথুন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

;

অবৈধ সম্পদের মামলায় জি কে শামীমের মা কারাগারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তার আত্মসমর্পণ করার পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ জানয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তিনি আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ এনে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ মামলাটি করেন। এরপর তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর দুদক জি কে শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জি কে শামীম ২০১৮-১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এরমধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

এছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধারকৃত নগদ এক কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ও সাত লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরও ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদার এবং জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

অনুসন্ধানে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তারের কোনো বৈধ আয়ের উৎসও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জি কে শামীমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এ সময় তার অফিস থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার ও সহযোগিদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

;

মামুনুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় তৃতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন যুবলীগ নেতাসহ রয়েল রিসোর্টের ২ জন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষগ্রহণ শুরু হয়।

এর আগে, সকাল ৯টায় কঠোর নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় তাকে। পরে ২টায় আবার তাকে কঠোর নিরাপত্তায় কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

গত ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় মামুনুলের বিরুদ্ধে রয়েল রিসোর্টের সুপারভাইজার আব্দুল আজিজ, রিসিপশন অফিসার নাজমুল ইসলাম অনিক ও আনসার গার্ড রতন বড়াল সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। একই আদালতে ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় বিচার কাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, মামুনুল হক গত বছরের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে ওই রিসোর্টে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে ব্যাপক ভাঙচুর করে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে ৩০ এপ্রিল সকালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নারী। যাকে মামুনুল হক তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেছিল।

;

ডা. ইকবালসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফের মামলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
১৬ বছর পর ডা. ইকবালসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফের মামলা

১৬ বছর পর ডা. ইকবালসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ফের মামলা

  • Font increase
  • Font Decrease

১৬ বছর পর প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. এইচ বি এম ইকবাল, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সংগঠন বিএমবিএর সভাপতি ছায়েদুর রহমান ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সাইফুল ইসলামসহ সাত ব্যক্তি এবং দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে ফের মামলা হয়েছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, গত নভেম্বরে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নতুন করে এ মামলা দায়ের করেছে। মামলা আমলে নিয়ে গত ১৭ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

তাদের বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার ছাড়ার প্রক্রিয়া বা আইপিওতে কারসাজির উদ্দেশ্যে ২৬ হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে ২০০৫ সালে মামলা হয়েছিল। তবে নথি গায়েব হওয়ার কারণে এতদিন মামলাটির কার্যক্রম চলেনি।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডা. ইকবাল ছাড়াও মামলার অপর আসামিরা হলেন- প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক পরিচালক (অপসারিত) কাজী আবদুল মজিদ, ব্যাংকের বনানী শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক সৈয়দ নওশের আলী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল আলম চৌধুরী, সাবেক ফার্স্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার মোখলেছুর রহমান এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক ও ইক্যুইটি পার্টনার্স সিকিউরিটিজ (বর্তমান নাম ব্র্যাক-ইপিএল ব্রোকারেজ)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৫ সালে প্রিমিয়ার ব্যাংকের আইপিওর উল্লেখযোগ্য শেয়ার অবৈধ প্রক্রিয়ায় হাতিয়ে নিতে পারস্পরিক যোগসাজশে ২৬ হাজার ভুয়া বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন আসামিরা, যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ঘটনাটি ফাঁস হলে বিএসইসি তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা ফরহাদ আহমেদকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি করে। তদন্ত কমিটি জানতে পারে, প্রিমিয়ার ব্যাংক ডিপি ও ইক্যুয়িটি পার্টনার্স সিকিউরিটিজ নামে ব্রোকারেজ হাউজ থেকে ভুয়া বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। বিও অ্যাকাউন্ট খুলতে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক বিধায় আসামিরা প্রিমিয়ার ব্যাংকেরই ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারের বিভিন্ন শাখায় ২৬ হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলেন।

এজাহারে বলা হয়, এ ঘটনার মূল হোতা ছিলেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ডা. এইচ বি এম ইকবাল। তদন্ত শুরু হলে প্রিমিয়ার ব্যাংকের ডিপি থেকে খোলা ভুয়া বিও অ্যাকাউন্টগুলো প্রিমিয়ার ব্যাংক নিজেই বন্ধ করে দেয়। এ থেকে প্রিমিয়ার ব্যাংকের নিজের এবং চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায় প্রমাণ হয়।

;