‘জাতীয় কবি’র গেজেট চেয়ে ১০ আইনজীবীর হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্ট রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে মো. আসাদ উদ্দিন এ রিট দায়ের করেন। রিটকারী আইনজীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিট আবেদনকারী অন্যান্য আইনজীবীরা হলেন মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন, মো. জোবায়দুর রহমান, আল রেজা মো. আমির, মো. রেজাউল ইসলাম, কে এম মামুনুর রশিদ, মো. আশরাফুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান, মো. রেজাউল করিম এবং মো. আলাউদ্দিন।

রিট আবেদনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালকে বিবাদী করা হয়েছে। নোটিশ প্রাপ্তির সাত কর্মদিবসের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যথায় উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

রিট আবেদনকারী আইনজীবী মো. আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দেশের আপামর জনগণ এমনকি ছোট্ট শিশুটিও জানে বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। কিন্তু বাস্তবে এটির কোনও দালিলিক ভিত্তি নেই। মৌখিকভাবে তিনি জাতীয় কবি হিসেবে পরিচিত হলেও লিখিতভাবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই। বলা হয়ে থাকে, ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার আলবার্ট হলে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে সর্বভারতীয় বাঙালিদের পক্ষ থেকে কবিকে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নজরুলকে ‘জাতীয় কবি’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে মুখে মুখে তিনি জাতীয় কবি হয়ে আছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সরকারিভাবে তাকে জাতীয় কবি হিসাবে ঘোষণা করে কোনও প্রজ্ঞাপন বা গেজেট প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। বসবাসের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ধানমন্ডিতে তাঁকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি-লিট উপাধিতে ভূষিত করে। এরপর ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়ে সরকারি আদেশ জারি করা হয়। ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ‘একুশে পদক’ দেওয়া হয়।

আসাদ উদ্দিন আরও বলেন, বাংলাদেশের দুটি আইনে জাতীয় কবি হিসেবে নজরুলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে তাকে জাতীয় কবি হিসেবে উল্লেখও করা হয়। কিন্তু সবই পরোক্ষ স্বীকৃতি। তিনি আমাদের ইতিহাসের অংশ। এ ছাড়া নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণার দাবিতে কবি পরিবারের পক্ষ থেকেও বারবার দাবি তোলা হয়েছে।

সম্রাটের জামিন শুনানি ১১ আগস্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন শুনানি ১১ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। একই দিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

বুধবার (০৬ জুলাই) ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে সম্রাট আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আজ তার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি। তার আইনজীবী সংশ্লিষ্ট নথি উপস্থাপন করে জামিন চাইলে আদালত আগামী ১১ আগস্ট শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।

আদালত এদিন সম্রাটের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ দেন। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএসএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সম্রাট।

;

স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলে দেড় লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে তিনি এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত সুজন মিয়া (৩৫) টাঙ্গাইল পৌর শহরের আদি টাঙ্গাইল এলাকার মৃত আ. সালামের ছেলে।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রায় ১৪ বছর পূর্বে সুজন মিয়ার সাথে আদি টাঙ্গাইল দাসপাড়া (মাঝিপাড়া) শিউলী আক্তারের (২৭) বিয়ে হয়। বিয়ের পর দেড় লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে তার স্বামী বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। ২০১৪ সালের ১৭ জুন সকাল ১১টার দিকে তার স্বামী ঘরের দরজা বন্ধ করে যৌতুকের টাকার জন্য মারপিট করে। পরে পরিকল্পিতভাবে সেভেনআপের বোতল ভর্তি কেরোসিন তেল ঢেলে তার স্ত্রীর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিউলী আক্তারের মৃত্যু হয়।

পরে তার ভাই শিবলু মিয়া বাদী হয়ে ২০১৪ সালের ১৮ জুন টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

;

রাজশাহীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় যুবকের ৮ বছরের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এক কিশোরীর এডিট করা নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করায় রাজশাহীর আদালত এক ব্যক্তিকে আট বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও আট লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) দুপুরে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান আলাদা দুটি ধারায় আসামিকে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম শাকিল মন্ডল (৩১)। চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা তিনি। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলা হয়। ১৬ বছর বয়সী ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার বাদী একটি সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি শাকিল মণ্ডল ওই কিশোরীর ছবি সংগ্রহ করে এডিট করেন। এরপর এসব অশ্লীল ছবি শাকিল তার ফেইক ফেসবুক আইডি থেকে ওই কিশোরীর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে পাঠান। পরবর্তীতে ওই কিশোরীর বাবাকে ফোন করে শাকিল ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে এসব ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জানান, মামলা দায়েরের পর পুলিশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। এরপর বিচার শুরু হয়। আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ মামলার রায় ঘোষণা করলেন। রায়ে আদালত একটি ধারায় আসামিকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার এ অর্থ অনাদায়ে আরও ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

অন্য আরেকটি ধারায় আসামিকে ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার এই অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে আসামিকে। রায়ে আদালত উল্লেখ করেছেন, কারাদণ্ডের সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে। জরিমানার অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে ভুক্তভোগী পাবে। মামলার আসামি পলাতক আছেন। রায় ঘোষণার দিনও আসেননি। তার অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

;

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকা-৯ (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তিনি আজ আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এজন্য তার পক্ষে আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারি পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বাদি হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

২০১৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (প্রয়াত), সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন (প্রয়াত), সে সময়ের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারি সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ি গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

;