‘কৃষকের কোমরে দড়ি, হাজার কোটি টাকা আত্মসাতকারীর কিছুই হয় না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হাইকোর্ট বলেছেন, মাত্র ২৫ হাজার টাকা খেলাপির জন্য দরিদ্র কৃষকের কোমরে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। অথচ যাদের কাছে হাজার হাজার কোটি টাকা পাওনা তাদের কিছু করতে পারছেন না।

ঋণ আদায়ে ব্যাংকের চেক প্রতারণার মামলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হাইকোর্টের এক রায় স্থগিতে করা আবেদনের শুনানিতে সোমবার (২৮ নভেম্বর) এমন মন্তব্য করেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।

হাইকোর্টের রায়ের ওপর কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের আবেদন ১ ডিসেম্বর শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেন আদালত।

গত ২৩ নভেম্বর এক রায়ে হাইকোর্ট বলেন, ঋণ আদায়ে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার মামলা করতে পারবে না।

আরও বলা হয়, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বিধান অনুযায়ী অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে।

চেক প্রতারণার অভিযোগে ব্র্যাক ব্যাংকের করা এক মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর দণ্ড বাতিলও করেন হাইকোর্ট।

এই রায় স্থগিতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে চেম্বার আদালতে শুনানি করেন আবু মোহাম্মদ (এ এম) আমিন উদ্দিন। বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল বাকী।

ফারদিন হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে নির্দোষ বুশরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি আমাতুল্লাহ বুশরাকে নির্দোষ দেখিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

এর আগে, এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিক।

এ আদেশের পর আজ সোমবার ডিবির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইয়াসিন শিকদার মামলার প্রধান আসামি ফারদিনের বন্ধু আমাতুল্লাহ বুশরাকে নির্দোষ দেখিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেন।

গত ৮ জানুয়ারি এই মামলার প্রধান আসামি আমাতউল্লাহ বুশরাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়। আজ তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের ১৬ নভেম্বর ৫ দিনের রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে বুশরাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলে গত ৪ নভেম্বর ঢাকার ডেমরার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বের হন পরশ। ওই দিনই তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন ৫ নভেম্বর রামপুরা থানায় জিডি করেন তার বাবা কাজী নূর উদ্দিন। নিখোঁজের তিনদিন পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এ ঘটনায় পরশের বান্ধবী বুশরাসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে ‘হত্যা করে লাশ গুম’ করার অভিযোগে রামপুরা থানায় মামলা করেন তার বাবা নূর উদ্দিন রানা।

;

বিদেশ থেকে লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী: ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৭১৪ নারী লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন। এসব নারীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা লিমা এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

রিটে পররাষ্ট্র সচিব, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, জনশক্তি রপ্তানি বুরোসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ‘লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে বিদেশে থাকা সকল নারী শ্রমিকদের দেখভাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনের একাংশে বলা হয়, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যত নারী কর্মীর লাশ দেশে এসেছে, তাদের বড় অংশের মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে সরকারের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির তৈরি করা হিসাবে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ৭১৪ জন বাংলাদেশী নারী শ্রমিক লাশ হয়ে ফিরেছেন। এর বড় অংশের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ দেখানো হয়েছে স্বাভাবিক মৃত্যু, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ।

;

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেকজনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জানা য়ায়, ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরির পশ্চিম পাশের বাউন্ডারি ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের বিচার শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

;

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেক জনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংগৃহীত

সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরীর পশ্চিম পাশের বাউন্ডারী ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। 

এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায়  মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
;