১৩ বছরে প্রায় ৬ কোটি টাকা বেতন নিয়েছেন ওয়াসার তাকসিম



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ১৩ বছরে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা বেতন নিয়েছেন। এর মধ্যে বাড়ি ভাড়া, আয়কর, কোয়ার্টার মেরামত ও অন্যান্য কর্তন বাবদ মোট ১ কোটি ২৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৭৭ টাকা কর্তন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে ঢাকা ওয়াসা। আদালত এ প্রতিবেদন নথিভুক্ত করতে আদেশ দেন।

ঢাকা ওয়াসার পক্ষে প্রতিবেদনটি দাখিল করেন ব্যারিস্টার এম মাসুম। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন।

এর আগে, গত ১৭ আগস্ট ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান ১৩ বছরে বেতন, উৎসাহ ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা হিসেবে যত টাকা নিয়েছেন তার হিসাব তলব করেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে তাকসিম এ খানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। এছাড়া তাকে অপসারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

যতদিন পর্যন্ত তাকে অপসারণ করা না হবে ততদিন ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী তার বেতন নির্ধারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এ নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

স্থানীয় সরকার সচিব, ঢাকা ওয়াসা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, গত ১৩ বছর ওয়াসা বোর্ড বিভিন্ন রেজুলেশনের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা পরিচালককে কী পরিমাণ বেতন-ভাতা এবং টিএ-ডিএসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে তার হিসাব আগামী ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে বিভাগে দাখিলের জন্য আবেদন করেছিলাম। আদালত তা অনুমোদন করেছেন। গত ৩১ জুলাই ক্যাবের পক্ষে এই রিট আবেদন করা হয়।

২০০৯ সালে ঢাকা ওয়াসার এমডি পদে নিয়োগ পান তাকসিম এ খান। প্রথম নিয়োগের পর থেকে মোট ছয়বার তার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

ফারদিন হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে নির্দোষ বুশরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি আমাতুল্লাহ বুশরাকে নির্দোষ দেখিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

এর আগে, এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি আদেশ দিয়েছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিক।

এ আদেশের পর আজ সোমবার ডিবির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইয়াসিন শিকদার মামলার প্রধান আসামি ফারদিনের বন্ধু আমাতুল্লাহ বুশরাকে নির্দোষ দেখিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেন।

গত ৮ জানুয়ারি এই মামলার প্রধান আসামি আমাতউল্লাহ বুশরাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়। আজ তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গত বছরের ১৬ নভেম্বর ৫ দিনের রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে বুশরাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলে গত ৪ নভেম্বর ঢাকার ডেমরার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বের হন পরশ। ওই দিনই তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন ৫ নভেম্বর রামপুরা থানায় জিডি করেন তার বাবা কাজী নূর উদ্দিন। নিখোঁজের তিনদিন পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এ ঘটনায় পরশের বান্ধবী বুশরাসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে ‘হত্যা করে লাশ গুম’ করার অভিযোগে রামপুরা থানায় মামলা করেন তার বাবা নূর উদ্দিন রানা।

;

বিদেশ থেকে লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী: ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৭১৪ নারী লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন। এসব নারীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা লিমা এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

রিটে পররাষ্ট্র সচিব, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, জনশক্তি রপ্তানি বুরোসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

গত ৩০ জানুয়ারি দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ‘লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে বিদেশে থাকা সকল নারী শ্রমিকদের দেখভাল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনের একাংশে বলা হয়, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যত নারী কর্মীর লাশ দেশে এসেছে, তাদের বড় অংশের মৃত্যুর কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে সরকারের কাছ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির তৈরি করা হিসাবে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ৭১৪ জন বাংলাদেশী নারী শ্রমিক লাশ হয়ে ফিরেছেন। এর বড় অংশের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ দেখানো হয়েছে স্বাভাবিক মৃত্যু, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ।

;

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেকজনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জানা য়ায়, ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরির পশ্চিম পাশের বাউন্ডারি ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায় মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের বিচার শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

;

শিশু হত্যায় এক আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড, আরেক জনের যাবজ্জীবন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
সংগৃহীত

সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
ঢাকা কদমতলীর সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে হত্যার অভিযোগে মো.হানিফ নামে এক আসামিকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড ও জাহিদ হোসেন নামে অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামি হানিফকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাসের এবং জাহিদকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও পাঁচ মাস সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক রয়েছেন।

২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সাত বছর বয়সী আব্দুল্লাহকে কদমতলী থানাধীন উজালা ম্যাচ ফ্যাক্টরীর পশ্চিম পাশের বাউন্ডারী ওয়ালের ভিতরে পাথর দিয়ে মাথায় ও মুখে আঘাত করে হত্যা করা হয়। 

এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর বাবা গোলাম মোস্তফা কদমতলী থানায়  মামলা দায়ের করেন।

২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক এরশাদ হোসেন হানিফ ও জাহিদকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

ওই বছরের ১১ জুলাই আসামিদের শুরু হয়। আদালত বিভিন্ন সময়ে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।
;