দায়রা আদালতেও জামিন হয়নি বিএনপি নেতা আলালের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর পল্টন থানার নাশকতার মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার ভারপ্রাপ্ত মহানগর দায়রা জজ ফয়সল আতিক বিন কাদেরের আদালতে এই আদেশ দেন।

আলালের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ জামিন না মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৮ অক্টোবর বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে পল্টন থানাধীন পুলিশ ক্যান্টিনে ভাঙচুর এবং পুলিশের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ইটপাটকেল মেরে জাদুঘরের গ্লাস ভেঙে ক্ষতিসাধন করা হয়। মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। বিএনপি নেতাদের উসকানিতে এ হামলা চালানো হয় মর্মে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

গত ৩১ অক্টোবর রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুরের এলাকার একটি বাসা থেকে মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে গ্রেফতার করা হয়। সেই থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

   

কারাগারে হাজতির মৃত্যু, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি রুবেল দে’র মৃত্যুর ঘটনায় মামলার আবেদন দাখিলের ১২ দিন পর নির্যাতনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিরূপণের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)।

রোববার (৩ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম সিনিয়র স্পেশাল জজ বেগম জেবুনেনেছা এ আদেশ দিয়েছেন। এসময় অভিযোগকারীকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন আদালত।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের কর্মকর্তা দীপেন দাশগুপ্ত জানান, পিবিআইকে পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্যাতনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা তদন্তপূর্বক নিরূপণের আদেশ দিয়েছেন। মামলার আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর আজ (রোববার) অভিযোগকারীর উপস্থিতিতে আদালত এ আদেশ দিয়েছেন। আগামী ২৭ মার্চ প্রিলিমিনারি এনকোয়ারি রিপোর্ট জরুরি ভিত্তিতে দাখিলের জন্য পিবিআইকে আদেশ দিয়েছেন। এ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী আদেশ দেবেন।

কারাগারে মৃত রুবেল দে’র বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের দক্ষিণ জৈষ্ঠ্যপুরা গ্রামে। গ্রেফতারের পর রুবেলকে নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগ এনে তার স্ত্রী পূরবী পালিত গত ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলার আবেদন দাখিল করেছিলেন। এতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেন, বোয়ালখালী থানার ওসিসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় বিবাদি করা হয়েছিল- চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মোহাম্মদ এমরান হোসেন মিয়া, ডেপুটি জেলার নওশাদ মিয়া, মো. আখেরুল ইসলাম, সুমাইয়া খাতুন, ইব্রাহিম, বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আছহাব উদ্দিন, একই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক আবু মুসা, মো. সাইফুল ইসলাম, রিয়াউল জব্বার, ডিউটি অফিসার, কনস্টেবল কামাল, আসাদুল্লাহ এবং কারাগারের ওয়ার্ড মাস্টার।

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ জৈষ্ট্যপুরার নিজ বাড়ি থেকে থানার ওসির নির্দেশে উপপরিদর্শক এস.এম আবু মুসা সঙ্গীয় অফিসারসহ চৌকিদার জয় চক্রবর্তী এবং ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য চৌধুরী মো. হাসান চৌধুরী যোগসাজশক্রমে ও সহযোগিতায় বিনা কারণে গ্রেফতার করে রুবেল দে (৩৮) 'কে। এরপর অভিযান পরিচালনা করে তাকে রাত ৮টার দিকে মদসহ অবস্থান করার তথ্যে গ্রেফতার করার ভুয়া মামলা সাজায়। ওইদিন রাত ৯টার দিকে পুলিশ কল করে রুবেল দে'কে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ৫শ' লিটার চোলাই মদ দিয়ে মিথ্যা মাদক মামলা সাজিয়ে চালান দেয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ভিকটিম রুবেলের পরিবার এত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ২শ’ লিটার চোলাই মদ উদ্ধারের মিথ্যা এজাহার প্রস্তুত করে থানায় বসে ভুয়া জব্দ তালিকা তৈরি করেন এবং একজন আসামি নিজে বাদী হয়ে বোয়ালখালী থানায় রুবেলের নামে মিথ্যা মামলা রুজু করেন। পরদিন বোয়ালখালী থানার উপপরিদর্শক রিযাউল জব্বার রুবেল দে'র শারীরিক আঘাতের কথা গোপন রেখেই তাকে আদালতে সোপর্দ করেন। আদালত রুবেলকে হাজতে পাঠানোর আদেশ দিলে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় প্রিজন ভ্যানে করে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর ২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রুবেলের পরিবার সাক্ষাৎ করার জন্য কেন্দ্রীয় কারাগারে গেলে দেখতে পান, কারারক্ষীরা মুমূর্ষু অবস্থায় রুবেলকে হুইল চেয়ারে করে নিয়ে আসা হয়। এ সময় তারা দেখতে পান রুবেলের কপালে, ডান চোখের ভ্রূ এর উপর রক্তাক্ত কাটা জখম, মুখ দিয়ে অনবরত লালা ঝরছে, সারা মুখমণ্ডল ফোলা, জখম হয়ে আছে এবং প্রচণ্ড আহত ও নিস্তেজ অবস্থায় মাথা হেলিয়ে পড়ে আছে। এমনকি কথা বলার কোনো শক্তি বা অবস্থা তার মধ্যে ছিল না। এমন অবস্থার কারণ জানতে চাইলে কারারক্ষীরা কোনো জবাব দেননি।

এ ঘটনার কথা রুবেল দে’র আইনজীবীকে জানানো হলে মামলার ১ থেকে ৯ নম্বর আসামিদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে ১০ থেকে ১৫ নম্বর আসামিরা ভিকটিমকে তাদের হেফাজতে অকথ্য নির্যাতন করেন। যার প্রেক্ষিতে ৪ জানুয়ারি রুবেলের আইনজীবী তার বিরূপ শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণে জেল সুপারকে আদেশ প্রদানের জন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আদালতে একটি দরখাস্ত দেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতকে অবহিত করার জন্য জেল সুপারকে নির্দেশ প্রদান করেন। পরদিন সকাল ৮টায় রুবেল দে'র স্ত্রী পুরবী পালিত ইউপি সদস্য প্রদীপ সূত্রধরের মাধ্যমে জানতে পারে, তার স্বামী মারা গেছেন এবং লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এরপর রুবেলের পরিবার মর্গে গিয়ে সেখানে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়।

;

আদালত অবমাননায় বিএনপি নেতা হাবিবের সাজা বহাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আদালত অবমাননার দায়ে বিএনপির চেয়াপারসনের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবকে ৫ মাসের কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা করে হাইকোর্ট বিভাগের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে আনা হাবিবের লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) ও জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ রোববার (৩ মার্চ) এ আদেশ দেন।

আদালত অবমাননার দায়ে হাবিবকে ৫ মাসের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা করে গত ২২ নভেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট বিভাগ। ওই রায়ের বিরুদ্ধে কারাবন্দী হাবিব গত ৮ ফেব্রুয়ারি লিভ টু আপিলসহ জামিন আবেদন করেন।

আদালতে হাবিবের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র এডভোকেট মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ।

অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ সাংবাদিকদের বলেন, হাবিবুর রহমান হাবিবের 'লিভ টু আপিল' খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এতে হাইকোর্ট বিভাগের দেওয়া রায় বহাল রইল। তাকে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে এবং জরিমানার অর্থও পরিশোধ করতে হবে।

হাইকোর্ট বিভাগকে কটূক্তি ও আদালত অবমাননার মামলায় রাজধানীর পল্লবী থানার মিরপুর ডিওএইচএস এলাকা থেকে গত ২১ নভেম্বর হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানকে নিয়ে ‘অবমাননাকর বক্তব্যের’ প্রেক্ষাপটে গত বছরের ১৫ অক্টোবর হাবিবের প্রতি স্বতঃপ্রণোদিত আদালত অবমাননার রুল দেন হাইকোর্ট বিভাগ। ব্যাখ্যা জানাতে তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত তারিখে তিনি হাজির হননি। গত ৮ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগ হাবিবুরকে খুঁজে বের করে অবিলম্বে আদালতে হাজির করতে নির্দেশ দেন। গত ২২ নভেম্বর তাকে আদালতে হাজির করে শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ।

;

অরিত্রীর আত্মহত্যার মামলার রায় আবারও পেছাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার রায় ঘোষণা তৃতীয়বারের মতো পেছানো হয়েছে।

রোববার (৩ মার্চ) ঢাকার ১২তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন রায় পিছিয়ে আগামী ৯ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন।

এ খবর নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান। তিনি বলেন, রায় এখনো প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত নতুন তারিখ ধার্য করেছেন।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়। তারও আগে গত বছরের ২৭ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করেন। মামলার দুই আসামি হলেন শিক্ষক নাজনীন ফেরদৌস ও জিনাত আক্তার।

২০১৮ সালে ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় শিক্ষার্থী অরিত্রী। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে ভিকারুননিসার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।

ঘটনার পরদিন রাজধানীর পল্টন থানায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতি শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণিশিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী মামলা করেন।

মামলার এজাহারে অরিত্রীর আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে বলা হয়, অরিত্রীর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। ২০১৮ সালের ২ ডিসেম্বর সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ তার অভিভাবকদের ডেকে পাঠায়। ৩ ডিসেম্বর তারা স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, অরিত্রী মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এজাহারে অরিত্রীর বাবা আরও উল্লেখ করেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়ের সামনে তাঁকে অনেক অপমান করে। এই অপমান ও পরীক্ষা দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

২০১৯ সালের ২০ মার্চ দুই শিক্ষককে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই এ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। এ মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

;

অর্থ আত্মসাতের এ মামলা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে: ড. ইউনূস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আমার বিরুদ্ধে করা অর্থ আত্মসাতের এ মামলা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের জন্য আজকের এই ঘটনা ইতিহাস হয়ে থাকবে, আপনারা রেকর্ড রাখুন।

গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের লভ্যাংশের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুদকের মামলায় জামিন পাওয়ার পর রোববার (৩ মার্চ) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমি একজন নোবেলজয়ী। আমার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা দেওয়া হয়েছে। আপনারা এই ছবি তুলে রাখুন।

একই মামলায় জামিন পেয়েছেন গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালক পারভীন মাহমুদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও পরিচালক এস. এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী।

গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। আজ এ মামলায় চার্জশিট আমলে নেওয়ার জন্য ধার্য ছিল।

;