তিতাসের মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদনের শুনানি ১৪ নভেম্বর



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
তিতাস ঘোষ

তিতাস ঘোষ

  • Font increase
  • Font Decrease

মাদারীপুরে ফেরিতে অ্যাম্বুলেন্সে স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় দেওয়া দুটি তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানির জন্য ১৪ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) এ ঘটনায় নৌ-পরিবহণ মন্ত্রনালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হলে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। দুই বিবাদীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও এ এম আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে ছিলেন আইন মো. জহির উদ্দিন লিমন।

বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দেয়। প্রতিবেদনে যুগ্ম-সচিবকে সরাসরি দায়ী না করা হলেও তিনি দায় এড়াতে পারেন না বলে মন্তব্য করা হয়। তবে ফেরির চার কর্মচারীকে দায়ী করা হয় প্রতিবেদনে।

এর আগে গত ২৩ অক্টোবর তিতাসের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে দেরিতে ফেরি ছাড়ার জন্য দায়িত্বরত ফেরি ঘাটের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়ী করে কমিটি। তদন্ত কমিটি যুগ্ম-সচিবের কোনো দোষ খুঁজে পায়নি।

পরে রিটকারী আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ নভেম্বরের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর এটুআই প্রকল্পে কর্মরত যুগ্ম-সচিব আব্দুস সবুর মণ্ডলের গাড়ির অপেক্ষায় মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি এক নম্বর ফেরিঘাটে প্রায় ২ ঘণ্টা ‘কুমিল্লা ফেরি’ বসিয়ে রাখা হয়। ফেরিঘাটে আটকে পড়া স্কুল ছাত্র তিতাস ঘোষকে বহণকারী অ্যাম্বুলেন্স পার করার জন্য বারবার অনুরোধ জানিয়েও ফেরি ছাড়া যায়নি। ফলে অ্যাম্ব্যুলেন্সেই মৃত্যু হয় তিতাসের। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে তিতাসের পরিবারকে তিন কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জহির উদ্দিন লিমনের করা এক রিট আবেদনে গত ৩১ জুলাই বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আদেশে ঘটনা তদন্ত করতে নির্দেশ দেন।