ইউপির ডিজিটাল সেন্টারে ১১৯ জনের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হাইকোর্ট/ছবি: বার্তা২৪.কম

হাইকোর্ট/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চার জেলার ১১৯ জনকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ডিজিটাল সেন্টারের সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ চারটি জেলা হলো-কক্সবাজার, সাতক্ষীরা, নারায়ণগঞ্জ ও ঝিনাইদহ।

একইসঙ্গে ইউপি ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার পদে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং উদ্যোক্তা পদে কর্মরতদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) পৃথক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহমুদ হাসান তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিট আবেদনে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদেশের পর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত আছেন রিট আবেদনকারীরা। অথচ তাদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ না করে হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত আবেদনকারী ১১৯ জনের জন্য হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর পদ ৬ মাসের জন্য সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে ইউনিয়ন পরিষদে হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরদের এই ১১৯টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে এবং পদগুলো সংরক্ষিত থাকবে।

কক্সবাজার জেলার- আহমেদ আনোয়ার, মুরশেদুল করিম, জিয়াউল হক বাপ্পি, এহসান, গিয়াস উদ্দিন টিটু, আনোয়ারুল কবির, আব্দুল হাকিম, মো. মহিউদ্দিন, রুপন নাথ, শাহেদা পারভিন, নারায়নগঞ্জ জেলার-ইউসুফ মিয়া, আল-মাহমুদ, সালমা আক্তার, সাতক্ষীরা জেলার- মগফুর রহমান, মিঠুন কুমার সাহা, দেবদাস সানা, মো. শাহিন আলম, আব্দুল রশিদ নান্টু, এস. এম. শহিদুল ইসলাম, সাইফুজ্জামান, ঝিনাইদহ জেলার-মজিবুল হক, মো. মাসুদুর রহমান, সঞ্জিত বিশ্বাস, রঞ্জিত কুমার বিশ্বাসসহ ১১৯ জন এ রিট আবেদন করেন। ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে উদ্যোক্তা পদে কর্মরত এসব ব্যক্তি হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন।

আপনার মতামত লিখুন :