জেএমবির ১৭ সদস্য কারাগারে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
গ্রেফতারকৃত জেএমবির ১৭ অনুসারী, ছবি: সংগৃহীত

গ্রেফতারকৃত জেএমবির ১৭ অনুসারী, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর কাকরাইল মসজিদের বিপরীত পাশের পাবলিক হেলথ কার্যালয়ের সামনে থেকে গ্রেফতারকৃত জেএমবির ১৭ জন অনুসারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক বাবু কুমার সাহা আসামিদের ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।

শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন- হায়দার আলী, মাহমুদুল হাসান ওরফে মাসুম, জামিরুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন, শেখ আরাফাত ওরফে জনি, ইমরুল হাসান ওরফে ইমন, সাইফুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, শাহজালাল, আক্তারুজ্জামান, মাহমুদুল হাসান ওরফে সাব্বির, আবিদ উল মাহমুদ ওরফে আবিদ, সোহাইল সরদার, ওবায়দুল ইসলাম ওরফে সুমন, মাহমুদ হাসান ওরফে শরীফ, মাজেদুল ইসলাম ওরফে মুকুল ও সোহাগ হাসান।

আরও পড়ুন:জেএমবির ১৭ সদস্য গ্রেফতার

সোমবার (৪ মে) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) বিভাগের এডিসি তহিদুল ইসলাম জানান,এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৯টি মোবাইল ফোন, দুই লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও ৯২২ আমেরিকান ডলার জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, জনৈক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মোস্তাক বিন আরমান বাংলাদেশ হতে ২০১৭ সৌদি আরবে যান এবং এখনো সেখানে অবস্থান করছেন। তিনি জিহাদের পক্ষে ঈমাম মাহাদীর সৈনিক হিসাবে বিভিন্ন বক্তব্য এবং গাজওয়াতুল হিন্দ নামক স্থানে মুসলিমদের পক্ষে জিহাদ করার আহব্বান জানিয়ে অডিও ভিডিও প্রকাশ করেন। গ্রেফতারকৃতরা তার বক্তব্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে তার সাথে যোগাযোগ করে ঈমাম মাহাদীর সৈনিক হিসেবে যুদ্ধের প্রস্তুতি স্বরূপ সৌদি আরব যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

গ্রেফতারকৃতরা বলেন, তারা পলাতক রবিউল সৈয়দ মোস্তাক বিন আরমানের সাথে যোগাযোগ রাখতেন এবং গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় তারা পরস্পর যোগাযোগ করে হিজরতের সিদ্ধান্ত নেন। তাবলিগ-জামায়াতের আড়ালে সাতক্ষীরা বা বেনাপল সীমান্ত দিয়ে তারা ভারত-কাশ্মীর সীমান্ত হয়ে সৌদি আরব পৌঁছাতে চেয়েছিলেন। তাদের বলা হয়েছিল, করোনার দুর্যোগে আকাশ থেকে এক ধরনের গজব নেমে আসবে এবং সমস্ত কিছু ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে যাবে, তখন সীমান্তে কোনো পাহারা থাকবে না। এ সময় তারা যেন চলে আসেন।

আপনার মতামত লিখুন :