খালি পেটে কামরাঙা খেলে কিডনি বিকলের শঙ্কা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
খালি পেটে কামরাঙা খেলে কিডনির ক্ষতি। ছবি: সংগৃহীত

খালি পেটে কামরাঙা খেলে কিডনির ক্ষতি। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, রক্ত পরিষ্কার থেকে শুরু করে বহু রোগের ওষুধ কামরাঙা। রসালো টক-মিষ্টি এ ফলটি বাঙালিদের প্রিয় খাবার। কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি এটা অনেকে চাটনি বানিয়েও খেয়ে থাকেন।

ফলটির নানা ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে। ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’-এর মতো উপকারী নানা উপাদান রয়েছে কামরাঙায়। কামরাঙায় মানব শরীরে উপকার ছাড়া ক্ষতির কথা চিন্তাও করা হয় না।

অথচ এ কামরাঙায় নিয়ম মেনে না খেলে ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ ক্ষতি। বিশেষ করে কেউ যদি এটি খাওয়ার নিয়ম না জানেন, তা হলে সেই আশঙ্কাটি বেড়ে যায়।

barta24

কামরাঙার অন্যতম উপাদান অক্সালিক অ্যাসিড। বিপুল পরিমাণে অক্সালিক অ্যাসিড রয়েছে এ ফলটিতে, যা মানুষের কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

চিকিৎসকরা বলছেন, কামরাঙায় সবেচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়, এটি খালি পেটে খেলে। কারণ তাতে অক্সালিক অ্যাসিড সরাসরি গিয়ে প্রভাব ফেলে কিডনিতে। এমনকি খালি পেটে কামরাঙা বা তার চাটনি খেলে কিডনি সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যেতে পারে।

খেজুর গুড়ের তৈরি স্নিকার্স বার



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিশুদের পছন্দের স্নিকার্স চকলেট বার যদি ঘরেই তৈরি করা যায়, তবে বাইরে থেকে চকলেট কেনার আর কোন প্রয়োজনই হবে না। আর সে চকলেট বার যদি খেজুর ও আখরোটের মত স্বাস্থ্যকর উপাদানে তৈরি হয়, তবে ছোটদের পাশাপাশি বড়রাও আনন্দ নিয়ে খেতে পারবে মজাদার স্নিকার্স বার। বাড়িতে খেজুর দিয়ে স্নিকার্স বার তৈরির প্রক্রিয়াটি জেনে নিন।

স্নিকার্স বার তৈরিতে যা লাগবে

১. এক কাপ খেজুর (১৮-২০টি খেজুর)।

২. এক কাপ আখরোট (আখরোট না থাকলে কাজু বা কাঠবাদাম)।

৩. ১/৪ কাপ ক্যারামেল সস।

৪. ১/৪ কাপ সল্টেড পিনাট (চিনা বাদাম)।

৫. এক কাপ ডার্ক চকলেট (অথবা চকলেট চিপস)।

স্নিকার্স বার যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. খেজুর ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এতে আখরোট দিয়ে পুনরায় ব্লেন্ড করলে বাদাম ও খেজুরের কাই (ডো) তৈরি হবে।

২. পার্চমেন্ট পেপারের উপরে এই ডো থেকে অল্প পরিমাণে নিয় ছোট ও লম্বাটে আকৃতিতে বারের মত তৈরি করতে হবে। বারগুলো ফ্রিজে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে।

৩. ফ্রিজ থেকে বের করে বারগুলোর উপরে ক্যারেমেল সস সমানভাবে দিতে হবে। ক্যারামেলের উপর সল্টেড পিনাট ছড়িয়ে পুনরায় ফ্রিজে রাখতে হবে আধা ঘন্টার জন্য।

৪. এ সময়ের মাঝে চকলেট গলিয়ে নিতে হবে। চকলেট গলে গেলে বারগুলো ফ্রিজ থেকে বের করে চকলেটে গড়িয়ে নিতে হবে। উভয় পাশ চকলেটে গড়িয়ে নিয়ে পুনরায় পার্চমেন্ট কাগজের উপর বসিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে আধা ঘন্টার জন্য।

৫. সময় হয়ে গেলে ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করতে হবে মজাদার স্নিকার্স বার।

;

বছরজুড়ে তাজা থাকবে যে গোলাপ, দাম ৬৮ লাখ!



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঘর সাজানো থেকে শুরু করে উপহার দেয়া, ফুলের আবেদন সব জায়গাতেই। তবে ফুলের মন মাতানো সৌন্দর্য বেশি দিন থাকে না। গাছ থেকে ছেঁড়ার পর দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় ফুল। যদি গাছ থেকে ছেঁড়ার পরও বছরজুড়ে ফুলটি তাজা থাকে, তবে কেমন হবে?

সম্প্রতি দুবাইয়ের গবেষকরা এমনই এক ধরনের গোলাপ উদ্ভাবন করেছেন, যা এক বছরেও নষ্ট হবে না। তবে এ ফুলের একটি তোড়া কিনতে গুনতে হবে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৮ লাখ টাকা।

barta24
ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

ফরএভার রোজ লন্ডন মানে ব্রিটেনভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান এমন এক পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যাতে ফুলের প্রাকৃতিকভাবে নষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়া খুব ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়।

ইকুয়েডরের কিয়েটো শহরে এ ধরনের গোলাপের চাষ করা হচ্ছে। সেখানকার আগ্নেয় জমিতে চাষ করা এ ফুলের পাঁপড়ি সহজে পচে না বলে জানিয়েছেন ফরএভার রোজের প্রতিষ্ঠাতা ইব্রাহিম আল সামাদি।

barta24
ফরএভার রোজ। ছবি: সংগৃহীত

ফুলগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রথমে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়। এরপর তা বিশেষ প্রক্রিয়ায় শুকানো হয়। ফুলগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে কাঁচের জারের মধ্যে তা প্রদর্শন করা হয়।

এরই মধ্যে হাই-প্রোফাইল ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ফুলটি। আইফেল টাওয়ার কিংবা ইউকর্ন আদলের ফুলের তোড়ার অর্ডার পেয়েছে ফরএভার রোজ।

;

রাতে মুখ ধুয়ে ঘুমানোর উপকারিতা



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদিনে বেশ কয়েকবার মুখ ধোয়া হলেও, ঘুমানোর আগে আলাদাভাবে মুখ ধুয়ে ঘুমানোর প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন। পুরো দিনের ধকল শেষে রাতে শরীরের মত আমাদের ত্বকও ক্লান্তি দূর করতে বিশ্রাম নেয়। এছাড়াও অন্যান্য যে সকল উপকারিতা পেতে প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধোয়া প্রয়োজন তা জেনে রাখুন।

ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার করে

প্রতিনিয়ত আমাদের ত্বক থেকে মরা চামড়া উৎপন্ন হচ্ছে। সেই সাথে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল সিবাম নিঃসৃত হচ্ছে ত্বকের আর্দ্রতাকে ধরে রাখার জন্য। এছাড়া বাইরের ধুলাযুক্ত বাতাস তো আছেই। সবকিছু মিলিয়ে সারাদিনে ত্বকের উপরে একটি প্রলেপের সৃষ্টি হয়। যা খালি চোখে দেখা না গেলেও ত্বকে উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং ত্বকের লোমকূপকে বন্ধ করে ফেলে। যা থেকে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাগুলো দেখা যায়। রাতে ভালো ক্লিনজারের সাহায্যে মুখ পরিষ্কার করে নিলে এমন কোন ঝুঁকি থাকে না।

চোখের পাপড়িকে সুরক্ষিত রাখে

মেকআপ পণ্য ব্যবহার না করলেও অনেকেই নিয়মিত মাশকারা ব্যবহার করেন। অনেক সময় বেখেয়ালে বা আলসেমির ফলে মাশকারা তোলা না হলে পরদিন সকালে দেখা যায় চোখের পাপড়িসহ মাশকারা উঠে আসছে বা গুঁড়া হয়ে যাচ্ছে। রাতে ভালোভাবে পুরো মুখ ধুয়ে নিলে চোখ ও চোখের পাপড়ির মাশকারাও পরিষ্কার হয়ে যায়। এতে করে চোখের পাপড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

ত্বকের পুনরুজ্জীবিত হওয়ার প্রক্রিয়া ঠিক থাকবে

ঘুমের ভেতর শরীর যেমন বিশ্রাম নেয়, তেমনিভাবে ত্বকও বিশ্রাম করে এবং এ সময়ে সে সারাদিনের ধকল কাটিয়ে নিতে কাজ করে। যাকে বলা হচ্ছে ত্বকের পুনরুজ্জীবিত হওয়ার প্রক্রিয়া (Rejuvenation Process). এ কারণে ঘুম থেকে ওঠার পর ত্বককে খুব ফ্রেশ বলে মনে হয়। কিন্তু ঘুমানোর আগে যদি সঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার করা না হয়, সে নিজ থেকে কাজ করার সুযোগ পাবে না। এতে করে ত্বকের উপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে যায়। মেকআপ ব্যবহার করা হোক বা না হোক, ঘুমানোর আগে অবশ্যই মনে করে ভালো ক্লিনজারের সাহায্যে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে হবে।

বজায় রাখবে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা

সারাদিনের ঘাম, ময়লা ও ময়েশ্চারাইজারের অবশিষ্টাংশকে ত্বক থেকে দূর করার জন্য রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে নেওয়ার ফলে, ত্বক তার স্বাভাবিক অবস্থাকে ফিরে পায়। এতে করে ত্বক নিজ থেকে তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা ও কোমলতাকে ধরে রাখার জন্য ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বা সিবাম নিঃসৃত করে। যা ত্বকের সুস্থতায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

;

ঘর জীবাণুমুক্ত রাখতে



লাইফস্টাইল ডেস্ক, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাস মহামারি জীবনযাপনে অনেক পরিবর্তন জরুরি করে দিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন থাকা। তবে নিজে শুধু পরিচ্ছন্ন থাকলেই হবে না। ঘর-বাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখাও জরুরি।

কারণ এর সাথে জড়িত থাকে নিজের ও পরিবারের সকলের শারীরিক সুস্থতাও। ঘর ও ঘরের অনুষঙ্গ যতটা পরিষ্কার রাখা সম্ভব হবে, রোগজীবাণু থেকে দূরে থাকা যাবে। পরিষ্কারের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র চকচকে ভাবের দিকে খেয়াল রাখা এ কারণেই যথেষ্ট নয়। সাথে জীবাণু ধ্বংসের বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে হাতের কাছে ও ঘরে থাকা সহজলভ্য কিছু জিনিসেই জরুরি এই কাজটি সেরে নেওয়া সম্ভব।

রাবিং অ্যালকোহল

রাবিং অ্যালকোহল মূলত সার্জিক্যাল স্পিরিট বা স্পিরিট নামে পরিচিত। যেকোন ফার্মেসিতেই সহজলভ্য এই জিনিস। একইসাথে ঘরের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার ও জীবাণু ধ্বংস করতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে এই স্পিরিট বা রাবিং অ্যালকোহল ও হোয়াইট ভিনেগারের মিশ্রণ। দরজা, জানালা, বিভিন্ন জিনিসের হাতল, ক্যাবিনেটসহ যে সকল স্থানে সহজেই হাত যায় সেখানে ব্যবহারের জন্য এই মিশ্রণটি প্রয়োজন হবে। মিশ্রণটি তৈরির জন্য এক কাপ রাবিং অ্যালকোহল, এক কাপ পানি ও এক টেবিল চামচ হোয়াইট ভিনেগার একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে।

ওভেন পরিষ্কারে বেকিং সোডা

লকডাউনে ঘরে থাকার এ সময়ে বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ওভেনের ব্যবহার হয় তুলনামূলক বেশি। ফলে দ্রুত তৈলাক্ত ও নোংরাও হয়ে যায় এবং এতে করে ওভেনে জীবাণুর বিস্তার বৃদ্ধি পায়। সেক্ষেত্রে এবকটি স্প্রে বোতলের ১/৪ অংশ বেকিং সোডা ও বোতলের অর্ধেক অংশ পানি নিয়ে ঝাঁকিয়ে মিশ্রণটি ওভেনের ভেতরের পুরো অংশে কয়েকবার স্প্রে করতে হবে এবং আধা ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আধা ঘণ্টা পর ব্রাশ কিংবা স্পঞ্জের সাহায্যে মুছে নিতে হবে।

জানালার কাঁচ পরিষ্কারে লেবুর খোসা

প্রতিদিন যে লেবুগুলো খাওয়া হয় তার খোসা ফেলে না দিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। কারণ ফেলনা এই জিনিসটা থেকে তৈরি করা যাবে চমৎকার জীবাণুনাশক ক্লিনার। ৩-৪ টি লেবুর খোসা ও দুই টেবিল চামচ হোয়াইট ভিনেগার একটি বড় পাত্রে নিয়ে পাত্রটি পানিতে ভর্তি করে ৩-৪ দিনের জন্য রেখে দিতে হবে। এরপর এই পানি দিয়ে জানালার কাঁচ কিংবা আয়না পরিষ্কার করতে হবে। এতে কাঁচ তুলনামূলক চকচকে হবে এবং জীবাণু দূর হবে।

কিচেন সিংকের জন্য বেকিং সোডা

রান্নাঘরের সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয়টা হল কিচেন সিংকে পানি আটকে যাওয়া বা সিংক ক্লগ হয়ে যাওয়া। এর ফলে সিংকে জীবাণুও বিস্তার পায় বেশি। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য আধা কাপ ভিনেগার ও ৩/৪ কাপ শুকনো বেকিং সোডা সিংকে ঢেলে অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই দুইটি উপাদান একসাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ড্রেইনের ময়লাকে সরিয়ে ফেলবে। এতে করে সিংকে পানি জমে থাকবে না।

;