টাঙ্গাইলের মাহমুদপুর-পানকাতা গণহত্যা দিবস পালন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের মাহমুদপুর-পানকাতা গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গোপালপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে উপজেলার পানকাতা ইসলামীয়া হাইস্কুল প্রাঙ্গণে গণহত্যা দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭১ সালের এই দি‌নে হানাদার বাহিনীরা উপজেলার মাহমুদপুর ও পানকাতা গ্রামের ১৮ জনকে নি‌র্বিচা‌রে হত্যা ক‌রে। এছাড়া তা‌দের আঘাতে আরো ১০ জন গুরুত্বর আহত হয়।

‌গোপালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল, হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাদের তালুকদার, থানা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি প্রকৌশলী কেএম গিয়াস উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি জিএম ফারুখ, প্রধান শিক্ষক মোফাখারুল ইসলাম লেবু, ধনবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি স.ম. জাহাঙ্গীর আলম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সম্পাদক ইদ্রিস হোসেন, গোপালপুর প্রেসক্লাবের সম্পাদক সন্তোষ কুমার দত্ত, শহীদ পরিবারের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা একাত্তরের ৩০ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে ১৮ জন শহীদের স্মৃতি রক্ষার্থে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, একাত্তরের এই দিনে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার ও আলবদররা সাবেক এমএনএ হাতেম আলী তালুকদারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের পর সামনে অগ্রসর হয়। মাহমুদপুর বটতলা মাঠে আসলে কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার হুমায়ুন বাঙ্গালের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এক পর্যায়ে যুদ্ধের রসদ ফুরিয়ে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এরপর হানাদাররা মাহমুদপুর ও পানকাতা গ্রামের বহু বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়। যাকে সামনে পায় তাকেই গুলি করে। ফলে ১৮ জন শহীদ হন। গুরুতর আহত হন ১০ জন।