কিস্তির চাপে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা, ৬ এনজিও'র ১১ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া।
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় করোনা কালে এনজিও কর্মীদের কিস্তি আদায়ের চাপ সহ্য করতে না পেরে বেলাল হোসেন (২৬) নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন। এর ফলে ৬ এনজিওর ১১ জন কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মীর নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলাল হোসেনের স্ত্রী হাসিনা খাতুন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে -এনজিও সাজেদা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান ও মাঠকর্মী মাজেদুল ইসলাম, রিয়েল সেভিং এ্যান্ড ক্রেডিট কো-অপারেটিভ সোসাইটির ব্যবস্থাপক ফরহাদ হোসেন,মাঠকর্মী জেসমিন আকতার, এসএসএস নামের এনজিওর ব্যবস্থাপক আমিরুল হাসান, মাঠকর্মী মঞ্জুরুল ইসলাম, এনজিও বীজ এর ব্যবস্থাপক সাইদুর রহমান,মাঠ কর্মী লাকি আকতার, এনজিও সেবা'র ব্যবস্থাপক হেলাল উদ্দিন,টিএমএসএস এর ব্যবস্থাপক আব্দুল মান্নান,মাঠকর্মী নাহারকে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বেলাল হোসেন একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তিনি ৬ টি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গ্রীলের দরজা জানালা তৈরি করে বিক্রি করতো। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে করোনার প্রাদুর্ভাবে ব্যবসায় মন্দা ভাব চলছিল। একারণে ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করতে পারছিলেন না। কিন্তু এনজিও গুলো থেকে কিস্তি পরিশোধের জন্য চাপ দেয়ার ছাড়াও মানসিক নির্যাতন করছিল। চাপ সহ্য করতে না পেরে গত ১৫ সেপ্টেম্বর বেলাল হোসেন নিজেই গলা কেটে আত্মহত্যা করেন।

মামলার বাদী হাসিনা খাতুন বলেন, আদালত তার জবানবন্দী গ্রহণ করে অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।