বিবস্ত্র করে নির্যাতন: আসামি ইসরাফিলের আত্মসমর্পণ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে গৃহবধূ নির্যাতন ও পর্ণোগ্রাফি মামলার ৪ নম্বর আসামি ইসরাফিল হোসেন মিয়া (২২) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছে। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে ইসরাফিল। ইসরাফিল মধ্য একলাশপুর গ্রামের মোহর আলী মুন্সী বাড়ির আমিন উল্যার ছেলে।

পিবিআই ইন্সপেক্টর মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী জানান, ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা ইসরাফিল বুধবার দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ২নং আমলি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে। আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক হাকিম মাসফিকুল হক শুনানি শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

গ্রেফতারকৃত ইসরাফিলের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তী তারিখে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ওই নারীর আগের স্বামী তার সাথে দেখা করতে তার বাবার বাড়ি একলাশপুর ইউনিয়নের জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে এসে তাদের ঘরে ঢুকেন। বিষয়টি দেখে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও দেলোয়ার বাহিনীর প্রধান দেলোয়ার। রাত ১০টার দিকে দেলোয়ার তার লোকজন নিয়ে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে পর পুরুষের সাথে অনৈতিক কাজ ও তাদের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায়ে পিটিয়ে নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে। ৪ অক্টোবর দুপুরে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলায় তথা দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ঘটনায় ইসরাফিলসহ এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও পর্ণোগ্রাফী মামলা দুটি পিবিআই তদন্ত করছে। গৃহবধূর দায়ের করা ধর্ষণ, র‌্যাবের করা বিস্ফোরক ও অস্ত্র আইনে মামলা তিনটি তদন্ত করছে বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।