হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরানের বেনাপোল বন্দর পরিদর্শন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বেনাপোল বন্দর পরিদর্শন। ছবি: বার্তা২৪.কম

বেনাপোল বন্দর পরিদর্শন। ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের বাণিজ্য আর পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করতে ভারতের দিল্লীতে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান বেনাপোল বন্দর, কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ১ টায় হাইকমিশনার তার সফর সঙ্গীদের সাথে নিয়ে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করেন। বিকাল ৪ টায় বেনাপোল কাস্টমস হাউজ অডিটোরিয়ামে হাইকমিশনারের সাথে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বৈঠকের কথা রয়েছে।

এর আগে হাই কমিশনার বেনাপোল সীমান্তের শুন্য রেখায় পৌছালে বন্দর, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। প্রতিনিধি দলটি বেনাপোল বন্দর পরিদর্শনের আগে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর ও ইমিগ্রেশন-কাস্টমসের কার্যাদি ঘুরে দেখেন। হাই কমিশনারের এটাই প্রথম বেনাপোল বন্দর পরিদর্শন বলে জানা গেছে।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, বাণিজ্যিক দিক দিয়ে চট্রগ্রাম নৌ বন্দরের পরে বেনাপোল স্থল বন্দরের অবস্থান। এপথে বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিভিন্ন পরিকল্পনার বিষয়গুলো হাই কমিশনার মহাদ্বয়কে দেখানো হয়েছে। এছাড়া এপথে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত ব্যবস্থাও ঘুরে দেখেন তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, আমরা ব্যবসায়ীরা মনে করছি এ পরিদর্শনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে অনুন্নত বিষয় সমূহের দ্রুত উন্নয়ন সাধিত হবে। এতে এপথে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে গতি ফিরে আসবে। ফলে ব্যবসায়ীরা যেমন উপকৃত হবেন তেমনি সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে।

পরিদর্শনে দুই দেশের কর্মকর্তাবৃন্দ। ছবি: বার্তা২৪

হাই কমিশনারের সফর সঙ্গী ছিলেন- কলকাতার ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান, মিনিস্টার পলিটিক্যাল বিএম জামাল হোসেন, কাউন্সিলর শহীদ আজিজ, ফাস্ট সিকিউরিটি কমার্সিয়াল মোঃ আরিফ ও প্রটোকল অফিসার আজিজুল আলম।

বাংলাদেশের ছিলেন- বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক লতা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসনা শারমিন মিথি, ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাসিন আলীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা।