হাজী সেলিমের ছেলের বাসা থেকে বিদেশি মদ ও অস্ত্র উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হাজী সেলিমের ছেলের বাসা থেকে বিদেশি মদ ও অস্ত্র উদ্ধার

হাজী সেলিমের ছেলের বাসা থেকে বিদেশি মদ ও অস্ত্র উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের বাসা থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা বিদেশি মদ, একটি অস্ত্র, ওয়াকিটকি ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর থেকে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে চলা অভিযানে এসব উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এরআগে, রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর ধানমণ্ডিতে কলাবাগান ক্রসিংয়ের কাছে হাজী সেলিমের গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধরের ঘটনা ঘটে।ঘটনার পরদিন সোমবার ধানমণ্ডি থানায় একটি মামলা করেছেন ওয়াসিফ।

মামলায় হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম, প্রোটকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু, মোহাম্মদ জাহিদ ও মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলো, ইরফান সেলিম, তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদ, হাজি সেলিমের মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত আরও দুই তিন জন। গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে ঘটনার পরই গ্রেফতার করা হয়। তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এদিকে হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদ র‌্যাবের হেফাজতে রয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কলাবাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো একটি কালো রঙের ল্যান্ড রোভার গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৫৭৩৬) পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়।

ওয়াসিফ ও তার স্ত্রী ধাক্কা সামলে মোটরসাইকেল থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে ওই গাড়ি থেকে জাহিদ, দিপু এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজন ‘অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ’ করতে করতে নেমে আসে এবং ‘মারধর’ শুরু করে। তারা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ ও তার স্ত্রীকে ‘উঠিয়ে নেয়ার এবং হত্যার’ হুমকি দেয় বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হলে সংসদ সদস্যের গাড়ি ফেলে মারধরকারীরা পালিয়ে যান। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে এমপির গাড়ি ও নৌবাহিনীর কর্মকর্তার মোটরসাইকেল ধানমণ্ডি থানায় নিয়ে যায়। এদিকে এই ঘটনার পর মোবাইল ফোনে একটি ভিডিও ধারণ করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। এরই মধ্যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। র‌্যাবের অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।