বিয়ের কথা বলে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আটক ৪



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধূকে মুঠোফোনে ডেকে পালাক্রমে রাতভর মাইক্রোবাসে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী গৃহবধূ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে বোদা থানায় বাদী হয়ে জাহিদুল ইসলম রতন (২৫) ও মাইক্রোবাসের চালক শহিদুল ইসলামকে (২৭) ধর্ষণের দায়ে এবং আরো দুজনকে ধর্ষণে সহযোগিতা করায় মোট ৪ জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মঙ্গলবার রাতেই মামলার প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলাম রতনকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যমতে মাইক্রোবাস জব্দসহ ওই ৪ আসামিকে আটক করা হয়।

এদিকে বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে আসামিদের পঞ্চগড় জেলা দায়রা জজ আদালতের হাজির করা হলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের ওই গৃহবধূ সাথে মুঠোফোনে রং নাম্বারে পরিচয় হয় একই এলাকার যুবক জাহিদুল ইসলাম রতনের। সোমবার দুপুরে গৃহবধূ ও তার স্বামীর মধ্যে ঝগড়া লাগে। রতন ফোন করে ওই গৃহবধূকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং বিয়ের কথা শুনে ওই গৃহবধূ বাড়ি থেকে বের হয়।

বিয়ের জন্য কাজী অফিসে যেতে হবে বলে রতন গৃহবধূকে সাথে নিয়ে মাইক্রোবাসে আমিরুল ও নূর আলমের পাহারায় রতন ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে মাইক্রোবাসের চালক শহিদুল ইসলামও গৃহবধূ ধর্ষণ করে।

এ বিষয়ে বোদা থানার ওসি (তদন্ত) আবু সায়েম মিয়া জানান, গৃহবধূ বাদী হয়ে রতনসহ ৪ জনের নামে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশোধন ২০২০ অধ্যাদেশে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা করলে তাদের আটক করা হয়। আদালত তাদের জেল হাজতে পাঠানো নির্দেশ দিয়েছে। ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।