করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া যাত্রী আনলে ফ্লাইট বাতিল



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা নেগেটিভ সনদ ছাড়া বিদেশ থেকে যাত্রী আনা এয়ারলাইনসকে বিভিন্ন মেয়াদে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত (সাসপেন্ড) রাখবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে সতর্ক করে একটি নির্দেশনা জারি করেছে বেবিচক।

নির্দেশনায় কোভিড সার্টিফিকেট ছাড়া যাত্রী আনলে কিংবা কোভিড আক্রান্ত যাত্রী বহনে এয়ারলাইনসকে বিভিন্ন মেয়াদে ফ্লাইট স্থগিতের মতো শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বেবিচকের ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন্সের সদস্য গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী জিয়া উল কবির স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়, অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে কয়েকটি এয়ারলাইনস যাত্রীদের পিসিআর নির্ভর কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট ছাড়া যাত্রী বহন করছে। কেউ কেউ করোনা আক্রান্ত যাত্রীও বহন করছে।

এতে বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কোভিড মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বেবিচক সব এয়ারলাইনসকে আন্তর্জাতিক যাত্রী বহন সংক্রান্ত গত ৬ ডিসেম্বরের সার্কুলারটি মেনে চলার নির্দেশনা দিচ্ছে। তবে কোনো এয়ারলাইনস যদি এই নির্দেশনা না মানে তবে তাদের ফ্লাইট চলাচলে বিভিন্ন মেয়াদে স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, প্রথমবার নিয়ম ভাঙলে একটি ফ্লাইটের অনুমতি বাতিল করা হবে। দ্বিতীয় বারের ক্ষেত্রে শাস্তি তিনটি ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা। তারপরেও যদি কোনো এয়ারলাইন্স নিয়ম না মানে, তাহলে তৃতীয় বারের জন্য এক সপ্তাহ ও চতুর্থবারের জন্য চার সপ্তাহের জন্য ফ্লাইট স্থগিত করা হবে।

প্রসঙ্গত, শীতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানও চালানো হচ্ছে। এর আগে ৪ ডিসেম্বর (শুক্রবার) এক বিজ্ঞপ্তিতে বেবিচক ঘোষণা করে, ৫ ডিসেম্বর (শনিবার) থেকে যারাই বাংলাদেশে আসতে চাইবে, তাদের অবশ্যই করোনার নেগেটিভ সনদ থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে ফ্লাইটের সময় থেকে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা আগের সনদ গ্রহণযোগ্য হবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সতর্কতার অংশ হিসেবে এই কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে বেবিচক।

উল্লেখ্য, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া এবং অবতরণ করা প্রতিটি এয়ারলাইনসকেই বেবিচক নির্দেশনা দিয়েছে, কোভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ ছাড়া যেন কোনো যাত্রীকে বোর্ডিং পাস না দেওয়া হয়।