বেনাপোল বন্দরে লাশবাহী গাড়িতে নিরাপত্তাকর্মীদের চাঁদাবাজি!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
বেনাপোল বন্দরে লাশবাহী গাড়িতে নিরাপত্তাকর্মীদের চাঁদাবাজি

বেনাপোল বন্দরে লাশবাহী গাড়িতে নিরাপত্তাকর্মীদের চাঁদাবাজি

  • Font increase
  • Font Decrease

বেনাপোল বন্দরে যাত্রী সেবা আর নিরাপত্তার নামে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সেও চাঁদাবাজি করছে বন্দর নিরাপত্তা কর্মী পিমার সদস্যরা।

বুধবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ভারত ফেরত যাত্রীর মরদেহ বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স চেকপোস্টে দাঁড় করিয়ে ১শ টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠে লিটন নামে এক নিরাপত্তার কর্মীর বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা জানান, একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ফিরছিল চেকপোস্ট শূন্য রেখা দিয়ে। এসময় পিমার পোশাক পরিহিত নিরাপত্তা কর্মী লিটন অ্যাম্বুলেন্স দাঁড় করিয়ে জোরপূর্বক ১শ টাকা আদায় করে। এসময় ঘটনাস্থলে থাকা গোয়েন্দা সংস্থা ও সংবাদকর্মীদের নজরে আসে। পরে বিষয়টি নিয়ে হৈচৈ পড়লে টাকা ফেরত দেয় মিলন নামে এক এনজিও সদস্য।

জানা যায়, বেনাপোলে যাত্রী সেবা আর নিরাপত্তায় বন্দরের অধীনে কাজ করে থাকে পিমা নামে বেসরকারি একটি নিরাপত্তা সংস্থা। মাত্র ৫ হাজার টাকা বেতন হওয়ায় এরা বন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, আমদানি-রফতানি পণ্য প্রবেশ গেটসহ চেকপোস্ট যাত্রী প্রবেশ দ্বারে দায়িত্ব পালনকালে কিছু সদস্য বকশিশের নামে চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি বন্দর কর্মকর্তাদের জানা থাকলেও বিষয়টি নিয়ে যেন কারো মাথাব্যাথা নেই।

সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট ফোরামের বেনাপোল শাখার সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দীন জানান, লাশ বহনকারী যাত্রীদের কাছ থেকে বন্দরের নিরাপত্তাকর্মীদের চাঁদাবাজি বিষয়টি দুঃখজনক। এর আগেও চাঁদাজির অভিযোগ রয়েছে। এতে বন্দরের যেমন ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে তেমনি বেনাপোল সম্পর্কে দেশ ও দেশের বাইরের মানুষের খারাপ ধারণা জন্ম নিচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে কর্তৃপক্ষের দেখা দরকার।

বিষয়টি নিয়ে বন্দরের নিরাপত্তা সংস্থা পিমার সিও মিজানুর রহমান জানান, সে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের কাছ থেকে বকশিশ হিসেবে ১শ টাকা নিয়েছিল শুনেছি। সেটা ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে এটা চরম অপরাধ। তাই তাকে শাস্তিমূলক কর্মস্থল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।