‘চুপ করে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ওবায়দুল কাদের চুপ করে বসে থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেত পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন বসুরহাট পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বসুরহাট বাজারের রূপালী চত্ত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে কাদের মির্জা বলেন, ‘আপনি কি হতে চান? আপনার এলাকায় ত্যাগী কর্মীরা ঘরে ঘুমাতে পারে না। তাদের গুলি খেতে হয়, তারা হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছে। আর আপনি সেখানে বসে কী করছেন?’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জেলে দেবেন- সেটার অভ্যাস আছে। আপনার চেয়ে বেশি জেল খেটেছি। মেরে ফেলবেন- আপনাকে কবরের জায়গা দেখিয়ে দিয়েছি। এখনও আপনি আমার রাজনৈতিক আদর্শ। কোম্পানীগঞ্জের নেতা কর্মীরা এখনও আপনাকে শ্রদ্ধা করে। কিন্তু আগামী শনিবারের পর থেকে আর এই শ্রদ্ধা থাকবে না। কারণ আপনি একটা দুঃচরিত্র, মাদক সম্রাটকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। কেউ না থাকলেও আমি একা রাস্তায় থাকবো, প্রয়োজনে জীবন দিয়ে দেব।’

কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি নাকি রাজাকারের সন্তান? ওবায়দুল কাদের এটা কিভাবে নিয়েছেন আমি সেটা জানি না। তবে তারা আমাদের প্রতিবাদ ও কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না। উল্টো রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে। আমি কারও রক্তচক্ষুকে ভয় পাই না। একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার এবং নোয়াখালী আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটি বাতিল করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একরাম চৌধুরী নোয়াখালীতে টেন্ডারবাজি, চাকরি বাণিজ্য, লুটপাট করছে। আমাদের ত্যাগী কর্মীদের নানা ভাবে হয়রানি করছে। কেউ কি দেখার নেই? আগামী রোববার সকাল থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত আধাবেলা কোম্পানীগঞ্জের সর্বত্র হরতাল। এরপরও দাবি আদায় না হলে ঢাকাভিত্তিক কর্মসূচি দেওয়া হবে। কারণ এখান থেকে কথা বললে নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছায় না। যারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে থাকে তারা বিক্রি হয়ে গেছে। আমার পরিবারকে রাজাকার বলেছে। অথচ আমার আব্বা হেডমাস্টার ছিলেন। উনি কোলকাতা ইসলামিয়া কলেজে বঙ্গবন্ধুর পাশের রুমে থাকতেন।’