রংপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২ হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত, ১৩ দিনেও মেলেনি সহায়তা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২ হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত, ১৩ দিনেও মেলেনি সহায়তা

রংপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২ হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত, ১৩ দিনেও মেলেনি সহায়তা

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ঝড় আর শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। শিলাবৃষ্টিতে ঘরের চালের টিন বড় বড় ফুটো হয়ে বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নষ্ট হয়েছে বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষেত। এ ঘটনার পর প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে অনেকেই মেরামত করতে পারেননি তাদের বসত-বাড়ি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে পীরগঞ্জ উপজেলার ৫টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দুই হাজার ঘরের টিনের চালা ফুটো হয়ে যায়। বোরোসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এরপর পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই সপ্তাহ। কিন্তু প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রীর অভাবে ঘরবাড়ি মেরামত করতে পারেননি অনেকে। তাই পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে এসব অসহায় মানুষ।

শিলাবৃষ্টিতে ঘরের চালের টিনে ফুটো হয়ে গিয়েছে

উপজেলার ছোট মির্জাপুরের আব্দুল মালেক বলেন, 'হামার আবাদও গেলো, ঘরের চালও ফুটো হইলো। তবু কোন সহযোগিতা ভাগ্যে জুটলো না।'

মিঠিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম বলেন, 'শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরে শুয়ে আকাশ দেখা যায়। অর্থাভাবে মেরামত করতে পারছি না। সকলের দাবি নতুন ঢেউটিন বরাদ্ধের। শুনতেছি তালিকা হয়েছে। কিন্তু এতো দিনেও তো পেলাম না।'

বড়দরগাহ ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক মন্ডল বলেন,  প্রায় ২হাজার ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের তালিকা জমা দেয়া হয়েছে। ঢেউটিন বরাদ্ধ না আসায় এখনও বিতরণ সম্ভব হয়নি।

পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(পিআইও) মিজানুর রহমান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা পাঠিয়েছি। বরাদ্ধ আসলেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে।

রংপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এটিএম আকতারুজ্জামান বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। আশা করছি বরাদ্ধ সাপেক্ষে দ্রুত তাদের সহযোগিতা করা সম্ভব হবে।