আজকের পত্র-পত্রিকার প্রধান প্রধান খবর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ শনিবার (৩ জুলাই ২০২১, ১৯ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ) দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্র-পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলোর মধ্যে রয়েছে, পকেট মেরে লোপাট ১৫৭০ কোটি টাকা, সুইস রূপকথা থামিয়ে শেষ চারে স্পেন, মৃত্যু ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ।

আসুন, দেখে নিই আজকের দৈনিক প্রতিকার প্রধান প্রধান কিছু শিরোনাম-


যুগান্তর
- পকেট মেরে লোপাট ১৫৭০ কোটি টাকা
- সুইস রূপকথা থামিয়ে শেষ চারে স্পেন
- ছুটি বৃষ্টি লকডাউনে সড়ক ফাঁকা
- বড় বন্যার আশঙ্কা
- উত্তরায় খুন সন্ত্রাসে সক্রিয় ১১ কিশোর গ্যাং

ইত্তেফাক
- ১৫ উপজেলায় ১৯৬ চিকিৎসকের পদ খালি
- বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনে বৃষ্টি, ফাঁকা রাজধানী
- এমএলএমের নামে ফের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন রফিকুল
- হাইফ্লো ক্যানোলার অভাবে সাত মৃত্যু
- অবৈধ গ্যাস-সংযোগ পেলেই মামলা করার নির্দেশ

কালের কণ্ঠ
- মৃত্যু ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ
- চাহিদার চেয়ে ৯ লাখ বেশি, তবু বাড়বে দাম!
- এরশাদের সম্পত্তি ঘিরে জাপায় ফের কানাঘুষা
- 'সমঝোতা' করেও নিস্তার নেই নারীর
- শিশু বিবেচনায় জামিন কতটা সুফল দিচ্ছে

বাংলাদেশ প্রতিদিন
- আমলা নিয়ে উৎকণ্ঠা কেন
- আইসিইউ নেই ৩৭ জেলায়
- করোনায় মৃত্যু কমছে না
- হাসপাতালে ঠাঁই নেই, বাড়িতে মৃত্যু বেড়ে দ্বিগুণ
- যৌন হয়রানির হাতিয়ার এখন প্রযুক্তি

দেশ রূপান্তর
- কলকাতা থেকে কয়লার জাহাজ রামপালের পথে
- মৃত্যু, রোগী ও শনাক্ত হারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড
- করোনার প্রধান ধরন হবে ডেল্টা
- দরিদ্রদের ভাতার টাকার নয়ছয়!
- বিশ্বে করোনা শনাক্ত-মৃত্যুর অর্ধেকের বেশি ৬ মাসে

সমকাল
- উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যু ও সংক্রমণের হার
- পেনশনের ব্যবস্থা এবার অ্যাপে
- খামখেয়ালির শিকার হয়েই চলেছেন প্রবাসী কর্মীরা
- ঘোষণাই সার, কমেনি ভোজ্যতেলের দাম
- চিনিমুক্ত আমের জাত উদ্ভাবন

আমাদের সময়
- মৃত্যুকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে মৃত্যু
- শীতল যুদ্ধের দুঃসহ স্মৃতি যেন ফিরছে
- এসএসসি-এইচএসসি নিয়ে তিন পরিকল্পনা
- সিলেট বিভাগে ফের আক্রান্তের রেকর্ড
- শক্তি হারাচ্ছে অগোছালো ঢাকা মহানগর আ. লীগ

আজকের পত্রিকা
- স্বাস্থ্যের ৫৪ হাজার পদ শূন্য
- মাঠের কাজটা আমলাদের, মানছেন না আ.লীগ নেতারা
- করোনা রোগীদের আইসিইউ সংকট
- তিন কারণে বেড়েছে চালের দাম
- সিলেট ময়মনসিংহ গাইবান্ধার নিচু এলাকায় পানি

কে যাচ্ছেন বঙ্গভবনে, জানা যাবে মঙ্গলবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কে হচ্ছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি! এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। এজন্য মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদীয় দলের বৈঠক ডেকেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভা কক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৪ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ সদস্যদের ভোটে। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাতে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ওই আইনের সপ্তম ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিন, সময় ও স্থানে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করবেন। প্রার্থী একজন হলে এবং পরীক্ষায় তার মনোনয়নপত্র বৈধ বিবেচিত হলে কমিশন তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। তবে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে নির্বাচনের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করবে ইসি।

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সবশেষ ষষ্ঠ সভা হয় ১২ জানুয়ারি। ওই সভায় প্রবীণ রাজনীতিক মতিয়া চৌধুরীকে সংসদ উপনেতা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

;

হিরো আলমকে নিয়ে আ. লীগ-বিএনপির বক্তব্য শিষ্টাচার বহির্ভূত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমকে নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের বক্তব্যকে শিষ্টাচার বহির্ভূত ও বৈষম্যমূলক বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিয়ে হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দুর্নীতিবিরোধী এই সংস্থাটি।

টিআইবি বলেছে, একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সর্বোপরি দেশের একজন সাধারণ নাগরিককে নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দলের বা কারোরই এমন উপহাস করার কোনো অধিকার নেই।

আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে একতারা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসনে জামানত হারালেও বগুড়া-৪ এ মাত্র ৮৩৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি। রাজনীতির মাঠেও তাকে নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

হিরো আলমকে নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য অনভিপ্রেত উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণমাধ্যমে আমরা দেখেছি, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে।

উল্টোদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ...এই আওয়ামী লীগ হিরো আলমের কাছেও কতটা অসহায়। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তার সঙ্গে জিততে হয়। দুই ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলমকে অবজ্ঞা বা তাচ্ছিল্যসূচক বিবেচনায় পরস্পরকে আক্রমণ করেছেন দুই নেতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক রীতি অনুযায়ী পরস্পরকে নিয়ে বিষোদগার নতুন কিছু নয়। কিন্তু সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলমের ব্যক্তি পরিচয় ও অবস্থাকে মানদণ্ড হিসেবে দাঁড় করিয়ে দুই দল একে অপরকে আক্রমণ করেছেন। সেই মানদণ্ড যে ইতিবাচক কিছু নয়, বরং এর মাধ্যমে আলম এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। পাশাপাশি দেশের ‘সাধারণ’ একজন নাগরিকের প্রতি দুই বর্ষীয়ান রাজনীতিকের এমন আচরণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির স্থূলতাকেই জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠিত করে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তার বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে, কোনো উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হলে, দেউলিয়া না হলে, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ না করলে বা আনুগত্য স্বীকার না করাসহ কিছু শর্ত পূরণে তিনি সংসদ সদস্য হতে পারবেন। সংবিধানের শর্ত পূরণের পরও আলমকে কেন্দ্র করে দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দলের বক্তব্য শুধুমাত্র রাজনৈতিক শিষ্টাচারকেই ভূলুণ্ঠিত করে না, বরং তার সাংবিধানিক অধিকার অবজ্ঞার নামান্তরও বটে। হিরো আলম নির্বাচিত হলে সংসদকে ছোট করা হতো এমন বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকারন্তরে সংসদকে ছোট করা হয়েছে। কারণ, সংসদীয় গণতন্ত্রের চেতনা ও চর্চায় মানুষে-মানুষে বৈষম্যের প্রকাশ অগ্রহণযোগ্য।

;

দুই বছর পর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে যাবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর শহীদ মিনারে যাননি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবছর ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় বিষয়টি জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবছর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। তাদের আগমন, অবস্থান ও প্রত্যাগমনের সময় যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদান করা হবে।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারেন, সেজন্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রস্থানের পর ৩০ মিনিট বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হবে। বিদেশি দূতাবাসের প্রতিনিধিরাও যাতে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন সেজন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একই সঙ্গে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎসংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা বলয়ে নিয়ে আসা হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভিডিও সার্ভিলেন্সের আওতায় নিয়ে আসার পাশাপাশি প্রবেশ ও বের হওয়ার স্থানসহ প্রয়োজনীয় এলাকায় সিসিটিভি, নাইট ভিশন ক্যামেরা ও আর্চওয়ে থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ডিএমপি ব্যবস্থা নেবে। আগেই ট্রাফিক রোডম্যাপ মিডিয়ার মাধ্যমে জানানো হবে। ঢাকা মহানগরের বাইরের অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকা, বিভাগীয় এলাকা, জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মসূচিতেও সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

মোছলেম উদ্দিন আ. লীগের নিবেদিত প্রাণ কর্মী ছিলেন: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদ আওয়ামী লীগের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন।

তিনি বলেন, মানুষ মরণশীল একদিন সবাইকেই চলে যেতে হবে, তবে তার কর্মফলকেই মানুষ স্মরণ করে। মোছলেম উদ্দিন সাহেব আমাদের দল এবং দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তাকে জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) একাদশ জাতীয় সংসদের সদস্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহমদের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে আনীত শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মোছলেম উদ্দিন আহমদ ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছেন। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে কখনো তার কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে এবং তার পূর্বের আন্দোলনে চট্টগ্রামে তিনি সবসময় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি একটি অপারেশন চালানোর সময় মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ গ্রেফতার হন।সেখানে তিনি যথাযথ গেরিলার মতোই কাজ করেছিলেন এবং সেখান থেকে নিজেদের মুক্ত করতে সক্ষম হন। মুক্ত হয়ে তিনি আবারও মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এর মাধ্যমে দেশপ্রেম এবং দেশের জনগণের জন্য যে কর্তব্যবোধ সেটাই প্রকাশিত হয়।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সাল আমাদের জন্য একটি কলঙ্কময় অধ্যায়। মহিউদ্দিন চৌধুরী, মৌলভী সৈয়দসহ যারা সেদিন প্রতিবাদ করেছিলেন, মোছলেম উদ্দিন তাদের সাথেই ছিলেন, তারা সেদিন সকলে মিলে প্রতিবাদ করেছিলেন। ওই সময় মৌলভী সৈয়দকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাকে দিনের পর দিন টর্চার করে জিয়াউর রহমান তাকে হত্যা করে। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ আমাদের প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন। খালেদা জিয়া যে ভোট চুরি করেছিল, তার বিরুদ্ধে আমরা যে, ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করেছিলাম, সেই আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। আমাদের প্রতিটি আন্দোলনে তার উপস্থিতি আমরা উপলব্দি করেছি। লালদিঘির ময়দানে মিটিং করতে গেলে সেখানে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করা হয়েছিল, একবার না-দুই/তিনবার আমি গুলির মুখোমুখি হই। মোছলেম উদ্দিন ভাইকে সব সময় পাশে পেয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সালে আমাকে দেশে আসতে বাধা দেয়া হয়েছিল। ওই সময় আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছিল। তারপরও তিনি সক্রিয় ছিলেন, পিছু হটেননি। আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ একজন কর্মীকে আমরা হারিয়েছি। তিনি আমাদের প্রতিটি দুঃসময়ে দলের পাশে যেমন ছিলেন, জাতীয় স্বার্থেও তিনি যথেষ্ট অবদান রেখে গেছেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন, কিন্তু তার সেই কষ্টের কথা তিনি ভুলে গেলেন, যখন চট্টগ্রামে জনসভা করার সিদ্ধান্ত নিলাম। সেই জনসভা আয়োজন করতে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। ওই সময় তার একটা কেমো নেয়ার তারিখ ছিল। সেটাও তিনি নেননি, মনে করেছিলেন-মিটিংটা শেষ হবার পরই তিনি তা নেবেন। এই যে একটা আন্তরিকতা বা দলের প্রতি কর্তব্যবোধ, দেশের মানুষের প্রতি তার যে দায়িত্ববোধ সেটাই ছিল সব চাইতে বড় কথা।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা তাকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য অনেকবারই চেষ্টা করেছি। দু’বার নমিনেশন দেয়ার পরও তিনি তখন জয়ী হতে পারেননি। পরে ২০২০ সালে মনোনয়ন দেয়ার পর তিনি জয়ী হয়ে আসেন। তিনি সংসদ সদস্য হয়ে আশায় খুবই খুশী ছিলেন যে, সংসদে তিনি তার জনগণের কথা বলতে পারবেন এই ভেবে। কিন্তু আজ তিনি না ফেরার দেশে চলে গেছেন। আওয়ামী লীগের জন্য এটা একটা বিরাট ক্ষতি। কারণ ছোট বেলা থেকে চট্টগ্রামের সাথে আমাদের যোগাযোগ। চট্টগ্রামের বহু নেতা একে একে চলে গেছেন। করোনার সময় অনেককে আমরা হারিয়েছি। আওয়ামী লীগের ২১ জন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি, আর জাতীয় পার্টির দুইজন। এছাড়া ধর্মমন্ত্রী আব্দুল্লাহ সাহেবকেও আমরা হারিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রী তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

;