রংপুরে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় মিলেছে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে বাস দুর্ঘটনা

রংপুরে বাস দুর্ঘটনা

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত চারজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় মিলেছে।

বুধবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন- হিমাচল পরিবহনের যাত্রী দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার আলতাফ হোসেনের পুত্র আনিছুর রহমান (৩০), হিমাচল পরিবহনের চালকের সহকারী ঢাকা সাভারের বরকত মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া (৩৫) ও একই বাসের ইঞ্জিন মিস্ত্রি ফেনী জেলার আবুল খায়েরের পুত্র জিয়া উদ্দিন (৩০)। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নিহত একজনের পরিচয় এখনও মেলেনি।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার মোকছেদুল ইসলাম, আবেদা বেগম, দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার দম্পতি রাজু মিয়া, ছাবিনা বেগম, পার্বতীপুর উপজেলার লাবু মিয়া, লাবিব হোসেন, কবিরুল ইসলাম, আমিনা বেগম, আল-আমিন, মাজেদা বেগম, নুরুনবী, বীরগঞ্জ উপজেলার দেলওয়ার হোসেন, ময়মনসিংহের লিটন রহমান এবং হানিফ এন্টারপ্রাইজ বাসের সুপারভাইজার মিজানুর রহমানসহ ২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাইওয়ে থানার ওসি নুরুন্নবী প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে যে তিনজন নিহত হয়েছে আমরা তাদের পরিচয় জানতে পেরেছি। অপর একজনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। নিহতদের মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিকে থেকে আসা দিনাজপুরগামী হিমাচল পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন ও হাসপাতালে নেওয়া পথে অপর একজনের মৃত্যু হয়।

তারাগঞ্জ থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ বলেন, ঘটনার পর পর নিহত ও আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহতদের তারাগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে বলে তিনি জানান।