কন্যা সন্তান জন্মের খুশিতে মেয়েকে চাঁদে জমি উপহার!



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
কন্যা সন্তান জন্মের খুশিতে মেয়েকে চাঁদে জমি উপহার

কন্যা সন্তান জন্মের খুশিতে মেয়েকে চাঁদে জমি উপহার

  • Font increase
  • Font Decrease

এবার প্রথম কন্যা সন্তান জন্মের খুশিতে চাঁদে জ‌মি কি‌নে মেয়েকে উপহার দি‌লেন টাঙ্গাইলের সখীপু‌র উপ‌জেলার বা‌সিন্দা আল-আ‌মিন ইসলাম সো‌হেল। তি‌নি উপ‌জেলার দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের প্র‌তিমা বংকী গ্রা‌মের সা‌দিকুর রহমা‌নের ছে‌লে। মে‌য়ের বয়স কম থাকায় বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকা‌লে তি‌নি স্ত্রীর হা‌তে চাঁদে কেনা জ‌মির কাগজপত্র বু‌ঝি‌য়ে দেন।

আল-আ‌মিন সো‌হেল জানান, গত ৩১ আগস্ট মঙ্গলবার আমার সংসার আ‌লো‌কিত ক‌রে কন্যা সন্তা‌নের জন্ম হয়। তার নাম রে‌খে‌ছি আ‌লিশা জাহান। কন্যা আ‌লিশা জ‌ন্মের পর থেকেই তা‌কে ব্যতিক্রমী কী উপহার দেওয়া যায় এমন এক‌টি প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। আমেরিকাতে এক মামা বসবাস করেন। পরে তাঁর মাধ্যমে অনলাইনে (লুনারল্যান্ড ডটকম) চাঁদে এক একর জমির অর্ডার দিয়েছিলাম। সেই জমির কাগজপত্র আজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি। বর্তমানে আমার মেয়ে আলিশা জাহান অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকায় আমার নামেই জমিটুকু ক্রয় করা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক হলেই তার নামে কাগজপত্র করা হবে।

আল আমিন সোহেল আরও জানান, জমিটুকু ক্রয় করতে সব মিলিয়ে আমার দুইশত ডলার খরচ হয়েছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭ হাজার টাকা। মেয়েকে চাঁদের জমি উপহার দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। পরিবারের লোকজনও খুশি হয়েছে।

দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাহআলম সিকদার বলেন, আমাদের সমাজে কিছু মানুষ এখনো কন্যা সন্তানকে এক প্রকার বোঝা মনে করেন। সেখানে আলামিন নামের ওই যুবক কন্যা সন্তান জন্মের খুশিতে চাঁদের জমি কিনে উপহার দিয়েছেন। বিষয়টি অবশ্যই সমাজের অন্যান্যদের জন্য ইতিবাচক হিসেবে কাজ করবে এবং কুসংস্কার দূর করতে উৎসাহিত করবে।

এ ব্যাপারে দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী আসিফ জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি, তবে কিভাবে আর কার মাধ্যমে সে চাঁদের জমি কিনেছেন সে বিষয়টি আমি জানি না।

তবে বিবিসি ও ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে ‘মুন অ্যাগ্রিমেন্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে বলা হয়, পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহটিকে শুধু বিশ্ববাসীর শান্তির স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে এবং চাঁদে যদি কেউ কোনো স্টেশন স্থাপন করতে চায়, তাহলেও জাতিসংঘকে আগে জানাতে হবে।

মুন অ্যাগ্রিমেন্টে বলা হয়, ‘চাঁদ এবং এর প্রাকৃতিক সম্পদের সাধারণ উত্তরাধিকার সমগ্র মানবজাতি’ এবং কেউ যদি এসব সম্পদের অপব্যবহার করে, তাহলে তা প্রতিহত করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক শাসন ব্যবস্থা তৈরি করা হবে। মুন অ্যাগ্রিমেন্টে যেহেতু চাঁদের উত্তরাধিকার হিসেবে ‘সমগ্র মানবজাতির’ কথা বলা হয়েছে, তাই অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন চাঁদে ব্যক্তিগত ও করপোরেট মালিকানা নিষিদ্ধ।

ওই চুক্তিতে বলা হয়েছে, চাঁদের কোনো খনিজ সম্পদের উত্তোলন এবং রক্ষণাবেক্ষণ একটি স্পেস ওয়াচডগ বা নিয়ন্ত্রকের অধীনে হতে হবে এবং এ থেকে যা লাভ হবে, তার একটা অংশ তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া হবে। এই চুক্তিতে চাঁদে কোনো ধরনের অস্ত্র পরীক্ষাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ও দেশীয় গণমাধ্যমের সংবাদ এবং জাতিসংঘের ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ চুক্তি অনুযায়ী, চাঁদে কেউ জমি কিনতে পারে না। তবে কিছু দেশের নাগরিক আইন বা চুক্তির ফাঁকফোকর বের করে চাঁদ এবং অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহে জমি বিক্রির নাম করে পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। যাঁরা কিনছেন, তাঁরা আসলে প্যাকেটভর্তি বাতাসই কিনছেন!

কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

কুষ্টিয়ায় আহত হনুমান উদ্ধার, বন বিভাগে হস্তান্তর

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর জয়নাবাদ বাসিন্দাপাড়া এলাকায় আহত একটি হনুমান উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া টিম।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পরে কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়া এলাকায় লিটনের বাড়ি থেকে আহত হনুমামটিকে উদ্ধার করা হয়।

বিবিসিএফ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত বাড়োটার সময় লাহিনীপাড়া মীর মোশারফ মোড় সংলগ্ন বিদ্যুৎএর টাওয়ারের উঠতে গিয়ে দুইটি হনুমান আহত হয় এর মধ্যে একটি হনুমান ঘটনাস্থলেই মারা যায় বলে জানায় এলাকাবাসী। বাকি আহত দুইটি হনুমানের মধ্যে একটি শুক্রবার সকালে জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়ায় লিটনের বাড়ির উঠানে এসে অবস্থান নেয়। পরে স্থানীয়রা ও কয়েকটি শিশু মিলে আহত হনুমান কে সেবা দেয়। পরবর্তীতে শনিবার জয়নাবাদ বাসিন্দা পাড়া এলাকার জনগন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিবিসিএফকে খবর দিলে শনিবার সন্ধার পরে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া জেলার সভাপতি দি ফক্স ম্যান শাহাবউদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক পাখি গবেষক এস আই সোহেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক নাব্বির আল নাফিজ ও বন কর্মকর্তা মো: আব্দুল হামিদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত হনুমাটিকে উদ্ধার করেন।

বিবিসিএফ কুষ্টিয়ার টিম লিডার শাহাবউদ্দিন মিলন বলেন, বিকালের দিকে সাংবাদিক এসএম জামাল এর কাছ থেকে জানতে পারি কুমারখালী উপজেলার জয়নাবাদ বাসিন্দাপাড়া এলাকায় একটি হনুমান আহত অবস্থায় পড়ে আছে এমন খবর জানতে পেরে সাথে সাথে আমাদের বিবিসিএফ এর টিম ও কুষ্টিয়া বন বিভাগের সদস্যরা সেখানে হাজির হয় এবং আহত অবস্থায় হনুমান টাকে উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় বিবিসিএফ কুষ্টিয়া টিমের সদস্য জয়নুল আবেদিন মুরাদ, বন বিভাগ কুষ্টিয়ার মো. জুয়েল আহম্মেদ, মো. আক্তারুজ্জামান, মো. হাসান আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

;

কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তার হঠাৎ মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তার হঠাৎ মৃত্যু

কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংক শাখার কর্মকর্তার হঠাৎ মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

 

কুড়িগ্রাম সদরের সোনালি ব্যাংক শাখার এক কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র বর্মন(৩৮) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

শনিবার(২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি বুকের ব্যাথায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের এক স্বজন ফনি সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত পলাশ চন্দ্র বর্মন সোনালী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম সদর শাখায় প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তার বাড়ি লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার নওদাবাস এলাকায়।

তার পরিবারের এক সদস্য মৃদুল রায় জানান, বিভিন্ন কারণে পলাশ দীর্ঘদিন থেকে মানসিক চাপে ভুগছিলেন। তবে এর আগে তার হার্টের সমস্যা ছিলোনা। কিভাবে কি হয়ে গেলো আমরা বুঝতে পারলাম না।

আজ রাতেই নিহতের মরদেহ কুড়িগ্রাম থেকে নিজ বাড়ি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার নওদাবাসে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পরিবার।

;

‘রাজধানীতে আর অপরিকল্পিত নগরায়ন করতে দেওয়া হবে না’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীতে আর কোথাও কোনো অপরিকল্পিত নগরায়ন নয়। এক ইঞ্চি জায়গাতেও অপরিকল্পিতভাবে কিছু করতে দেওয়া হবে না। অবৈধভাবে সিটি করপোরেশনের জায়গায় গড়ে উঠা সব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রাজউককে চিঠি দেওয়া হয়েছে, নগরে যাদের অংশীদারত্ব রয়েছে সবাইকে জানানো হয়েছে। আমরা রাজউকের কাছে জানতে চেয়েছি কারা কারা কোন নকশায় বিল্ডিং বানানোর কথা বলে এখন কীভাবে বানিয়েছে তা জানানোর জন্য।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানী পান্থপথের প্লায়ার্স টাওয়ারে আয়োজিত '১৫তম কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক ও জ্যেষ্ঠ পরিকল্পনাবিদের সংবর্ধনা' অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র আতিক বলেন, রাজধানীর বছিলায় খাল দখল করে বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। এটা কী কেউ দেখেনি? যতবড় শক্তিই অবৈধ দখলের পেছনে থাকুক না কেনো, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না ৷

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের যে মহাযজ্ঞ শুরু করেছেন সব কিছু করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে। ২০৪১ সালের বাংলাদেশ, এমন কী ২১০০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে তার রূপরেখাও তিনি প্রণয়ন করে দিয়েছেন।

মেয়র অবৈধ দখলদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, সিটি করপোরেশন অবৈধ দখলের জন্য কাউকে বৈধ নোটিশ দেবে না।

তিনি হাউজিং ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, পাসকৃত নকশার বাইরে কোনো কাজ করার চেষ্টা করবেন না। ১/২ কাঠা জায়গা কাউকে বরাদ্দ দেবেন না। এই জায়গা আমাদের দিন, আমরা সাজিয়ে দেব। এতে ওই এলাকার পরিবেশ সুন্দর হবে।

তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পনা আর অবস্থাপনার কারণেই কিন্তু শহর নোংরা হচ্ছে, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে বলে তিনি জানান।

এ সময় মেয়র আতিকুল ইসলাম সুস্থ সচল আধুনিক ঢাকা নির্মাণের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

;

‘সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

  • Font increase
  • Font Decrease

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
‌‌
শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, নাগরিক ঢাকার সভাপতি এম নাঈম হোসেন, বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তাশিক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক দুলাল খান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, যে জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি থাকে না, কৃষ্টি থাকে না, যে জাতি ইতিহাস, ঐতিহ্য ধারণ করে না সে জাতি অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। এ জন্য আমাদের বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখতে হবে। বাঙালির অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রয়েছে। যদিও তথাকথিত আকাশ সংস্কৃতি আমাদের অনেক জায়গা বিপন্ন করে দিচ্ছে। সে জায়গা আমাদের শিল্পীদের অভিনয়, গানসহ অন্যান্য নৈপুণ্য দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণীজনদের সম্মানিত করা, সমৃদ্ধ করা আমাদের দায়িত্ব।

মন্ত্রী বলেন, যিনি বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে আকৃষ্ট থাকেন না তার স্বকীয়তা বিপন্ন হয়। বাংলাদেশি নাটক-চলচ্চিত্র অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে বিশ্ব পরিমণ্ডলে। তবে একথাও সত্য হঠাৎ করে ব্যবসার নামে, দ্রুততার সাথে জনপ্রিয়তার নামে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত শিষ্টাচারবর্জিত সৃষ্টিও দেখা যায়। যদিও এগুলোর আয়ুস্কাল স্বল্পসময়ের। বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিশেষ করে হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বাংলাদেশ টিকিয়ে রাখতে গেলে সংস্কৃতি বিকাশের, সংস্কৃতির বিপ্লবের কোন বিকল্প নেই। যখনই সংস্কৃতি মুখ থুবড়ে পড়ে তখনই উগ্রতা, জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই দৃশ্যমান শক্তি প্রয়োগ না করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্রসহ সংস্কৃতির নানা ক্ষেত্রে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করছেন। যতদিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন শেখ হাসিনা দেশে প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, ততদিন সংস্কৃতি চর্চার জন্য রাষ্ট্রের সকল পৃষ্ঠপোষকতা থাকবে-যোগ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও কাহিনীকার ছটকু আহমেদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদকে। এছাড়া সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়

;