‘শ্রমিকদের নিরাপত্তায় শিল্পপুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পোশাক কারখানায় যাতায়াতের সময় নারী শ্রমিকরা যেন কোন অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার না হয় সেজন্য রাস্তাঘাটে শিল্প পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে সাভারের বিরুলিয়ার কালিয়াকৈর এলাকায় কৃষিবিদ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি শফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের শ্রমিকরা দক্ষ ও পরিশ্রমী তাদের সুযোগ সুবিধা দিলে কাজের মান আরও ভালো করবে বলেও জানান তিনি।

কারখানা পরিদর্শনে এসময় কৃষিবিদ প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিমিটেড কারখানার এমডি ড. আলী আফজালসহ শিল্প পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জে করোনার টিকা তৈরিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সংসদীয় কমিটি

সংসদীয় কমিটি

  • Font increase
  • Font Decrease

গোপালগঞ্জে করোনার টিকা তৈরি ও গবেষণা প্ল্যান্ট প্রতিষ্ঠায় দ্রুতগতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

রোববার (২২ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ওই বৈঠক হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

কমিটির সদস্য আ.ফ.ম রুহুল হক, মুহিবুর রহমান মানিক, মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, মো. আব্দুল আজিজ, সৈয়দা জাকিয়া নূর ও মো. আমিরুল আলম মিলন সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বেসরকারি কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ বিল, ২০২২ সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচনা করা হয়। কতিপয় সংযোজন, সংশোধন ও পরিমার্জনের পর বিলটি জাতীয় সংসদে পাশের উদ্দেশ্যে সংশোধিত আকারে রিপোর্ট প্রদানের জন্য কমিটি থেকে সুপারিশ করা হয়।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিবসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কমকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

;

৮ লাখ কোটি টাকা পাচার: অর্থনীতি সমিতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল অর্থ পাচার হচ্ছে। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি জানিয়েছে, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১৮-২০১৯ বছর পর্যন্ত অর্থপাচারের পরিমাণ ৮ লাখ কোটি টাকা।

রোববার (২২ মে) ঢাকায় সমিতির অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির বিকল্প বাজেট প্রস্তাবনা ২০২২-২৩: একটি জনগণতান্ত্রিক বাজেট প্রস্তাব’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত এতথ্য জানান।

দেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০১৮-২০১৯ বছর পর্যন্ত ৪৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার হয়েছে ৮ লাখ কোটি টাকা। আমরা তার ১০ শতাংশ উদ্ধার করে বাজেটে আয় খাতে ব্যবহার করার জন্য প্রস্তাব করেছি। যার পরিমাণ ৭৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কালো টাকা উদ্ধারে আমরা একটি স্বাধীন কমিশন গঠনেরও প্রস্তাব করছি।

দেশের আয় বৃদ্ধি ও বাজেট ঘাটতি পূরণের বিষয়ে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে অন্যতম উৎস হলো সম্পদ কর ও অতিরিক্ত মুনাফার ওপর কর। এছাড়া কালো টাকা উদ্ধার থেকে প্রাপ্ত অর্থ এবং পাচার ও বিদেশি নাগরিক থেকে প্রাপ্ত কর। তাই আমরা ওই টাকা সংগ্রহের কথা বলছি

আবুল বারাকাত বলেন, বৈষম্য-অসমতা-দারিদ্র্য দূর করতে শুধু আসন্ন বাজেটে নয়, আগামী অন্তত ৫ বছর সমাজ থেকে আয়, সম্পদ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বৈষম্য ক্রমাগত হ্রাস করে এক সময় নির্মূল করার লক্ষ্যে যেতে হবে। বাজেটে আয় ও ব্যয়ের মৌলিক কাঠামোগত পরিবর্তন হতে হবে। বাজেটে অর্থায়নের উৎস নির্ধারণে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত, বিত্তহীন, প্রান্তিক, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্য মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর কোনো ধরনের কর দাসত্ব আরোপ করা যাবে না।

এর আগে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ২০ লাখ ৫০ হাজার ৩৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি। এসময় আবুল বারকাত বলেন, জনগণতান্ত্রিক ২০ লাখ ৫০ হাজার ৩৬ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব করছি। যা বর্তমান বাজেটের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

;

স্থান-কাল বুঝে উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের একেক এলাকার বৈশিষ্ট্য একেক রকম, তাই সবকিছু মাথায় রেখে বুঝে-শুনে উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রোববার (২২ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারের শতবর্ষী মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে গঠিত ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিলের প্রথম সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের একেক এলাকার বৈশিষ্ট্য একেক রকম। সে অনুযায়ী উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে হবে। প্রকল্প নেওয়ার আগে ভালোভাবে জেনে বুঝে নিতে হবে।

ডেল্টা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি নীতিমালা তৈরির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ডেল্টা প্ল্যানটা যদি আমরা ভালোভাবে একটা গাইডলাইন তৈরি করে প্ল্যান ভালোভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, আর যেহেতু এটা ২১০০ সাল পর্যন্ত, তাই সময়ের সঙ্গে এটা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন করতে হবে।

সেইভাবেই কিন্তু আমাদের সব প্ল্যান হাতে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারলে যে কোনো কঠিন কাজ সমাধান করা যায়।

;

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুডিগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ধরলা ও তিস্তাসহ সবকটি নদনদীর পানি বাড়ছে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে এসব নদ-নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ফসলি জমি তলিয়ে গেছে, বাড়িঘরে চারপাশে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। বিশেষত বোরো ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অববাহিকার কৃষকরা।

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের নিচু এলাকা ইতিমধ্যে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। অনেকের বাড়িঘরের চারপাশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে সহসাই বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

যাত্রাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বেলাল হোসেন বলেন, প্রতিদিনই পানি বাড়ছে। ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদের তীরবর্তী অনেক ফসলি জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। বাসিন্দারা বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার চেয়ে নিজেদের আবাদ করা ধান রক্ষায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

যাত্রাপুর হাট এলাকার বাসিন্দা উজ্জ্বল জানান, গত কয়েকদিন ধরে দ্রুত পানি বাড়ছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে যাত্রাপুর হাটের নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে।

নাগেশ্বরী উপজেলার বাসিন্দা মামুনর রশীদ জানান, তাদের এলাকাতেও নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উপজেলার বামনডাঙা ইউনিয়ন ঘুরে এসে তিনি বলেন, সেখানে নদীর পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাবদ্ধতার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধান ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মামুন বলেন, কুটিবামনডাঙা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তীর সংরক্ষণ কাজের সাইটে ঠিকাদারের লোকজন পানি নিষ্কাশনের পাইপ বন্ধ করায় সেখানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে পাউবো জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ধরলা ও তিস্তাসহ অন্যান্য নদনদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে এখনও জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া যায়নি বলে জানায় পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, স্থানীয়ভাবে বৃষ্টিপাত এবং সীমান্তবর্তী ভারতীয় অংশে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলায় নদনদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পূর্বাভাস নেই।

আগামী কয়েকদিন ব্রহ্মপুত্রের পানি কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও অন্যান্য নদনদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানান তিনি।

তিস্তা অববাহিকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও তা মেরামতে কাজ চলছে জানিয়ে পাউবো নির্বাহী প্রকৌশী বলেন, জেলায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নদী ভাঙন রোধে কাজ চলমান রয়েছে। প্রচুর পরিমাণ জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনও জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় প্রস্ততি রয়েছে।

সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম তিনি বলেন, বন্যা মৌসুম এসে গেছে। আমরা জেলা পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সভা করেছি। সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বন্যায় উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ সহায়তা বিতরণের প্রস্তুতির বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় আমাদের স্পিড বোর্ড রয়েছে। এছাড়াও ত্রাণ সামগ্রী পরিবহনের জন্য জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি এনজিও গুলোরও কিছু নৌকা রয়েছে। জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখায় পর্যাপ্ত খাদ্য ও টাকার বরাদ্দ রয়েছে। প্রয়োজনে আরও বরাদ্দ চাওয়া হবে বলেন তিনি।

;