কক্ষ দখল করে জাল ভোট, ম্যাজিস্ট্রেটের হানা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নে কাজলদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে কক্ষ দখল করে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঐ ইউনিয়নের নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. শাহ্ আলম মিয়ার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

পরে খবর পেয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুর রহমান মিলন গিয়ে ঘটনার প্রমাণ পেয়ে সেই ভোট গুলোকে বাতিলের নির্দেশ দেন। ঐ কক্ষে এক স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে তিনি এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অজয় রায়।

রোববার (২৮ নভেম্বর) বিকেল ৩ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এসময় জাল ভোট দিতে বাধা দেয়ায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোটার এজেন্টের উপর আক্রমণ করে তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এব্যাপারে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এজেন্ট শাহজাহান আলী বলেন,‘আমি ৩নং কক্ষের দ্বায়িত্বে ছিলাম। দুপুর ৩টার দিকে ৮ থেকে ৯জন যুবক এসে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে জোর করে সিল মেরে ব্যালট গুলো বাক্সে রাখে । আমি বাধা দিতে গেলে আমার গলার মাফলার দিয়ে আমার মুখ চেপে ধরে এবং বাইরে বের করে দেয়।এরপর প্রশাসনের লোকজন চলে আসায় তারা কক্ষ ত্যাগ করে পালিয়ে যায় ।’

ঘটনার পরপরই কেন্দ্রটির ৩নং কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, কক্ষটির দুটি বুথের জন্য বরাদ্দ দুটি চেয়ারম্যান প্রতিকের ব্যালটের বইয়ের একটিতে ৭৩ টি ব্যালট পেপার এবং অপরটিতে ৪৮ টি ব্যালট পেপার সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার সাক্ষর,সীল এবং টিপসই ছাড়াই ছিড়ে ফেলা হয়েছে। এই ব্যালট পেপার গুলোতে নৌকা প্রতিকে ছিল মেরে ব্যালট বাক্সে ভরানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কক্ষটির দ্বায়িত্বে থাকা ভোটার এজেন্ট শাহজাহান আলী।

এ বিষয়ে কেন্দ্রটির দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার অজয় রায় বলেন,‘আমরা খবর পেয়ে কক্ষে গিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতার পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে’।

এ ব্যাপারে দায়িত্বরত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিবুর রহমান মিলন বলেন,যেগুলো ব্যালট পেপারে জাল ভোট দেয়া হয়েছে,সেগুলোতে স্বাক্ষর ও সীল না থাকায় শনাক্ত করে ভোটগুলো বাতিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে । অভিযোগকারী ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের উপর অভিযোগ না আনায় কাউকে আইনের আওতায় আনা যায়নি। পরবর্তীতে যাতে এমন পরিস্থিতি না ঘটে এব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এবিষয়ে নৌকা প্রতিকে নির্বাচন করা প্রার্থী মো. শাহ্ আলম মিয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার মন্তব্য নেয়া যায়নি।

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আইসিইউতে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়েছে। লিভারজনিত সমস্যার কারণে সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবীকে ল্যাবএইড হাসপাতালে অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গত ১৮ জানুয়ারি রাতে ব্যারিস্টার শফিক আহমেদেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছেন। তার চারবার করোনা টেস্ট করানো হয়েছে। কিন্তু রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানান তার ছেলে ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।

ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। এছাড়া তিনি সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি।

;

মসিকে ৪ সড়ক উদ্বোধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম,ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক) এর সম্প্রসারিত এলাকা ৩১ নং ওয়ার্ডে ১৫ কোটি টাকা ব্যায়ে ৪ টি রাস্তার নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু

শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায়। উদ্বোধনকৃত সড়কসমূহ হল শম্ভুগঞ্জ ব্রিজ সড়ক ও জনপদের রাস্তা থেকে পাওয়ার হাউজ হয়ে জয়বাংলা বাজার পর্যন্ত বিসি রোড, চর ঈশ্বরদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জোড়াপুল সাহেব খালি পর্যন্ত বিসি রোড, চর ঈশ্বরদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সুলতানের মোড় পর্যন্ত বিসি রোড এবং চর ঈশ্বরদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বকুল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত বিসি রোড।এসব সড়কসমূহের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার।

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর সম্প্রসারিত ওয়ার্ডসমূহের উন্নয়নে দ্রুত এগিয়ে চলেছে সড়ক, ড্রেন ও অবকাঠামো নির্মাণ কাজ। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্ত ২২ থেকে ৩৩ নং ওয়ার্ডের এসব এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান আছে।

এ বিষয়ে মেয়র বলেন, করোনার কারনে সারা বিশ্বের মত আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমও কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। আমরা করোনার ক্ষতিকে পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। নতুন অন্তর্ভুক্ত ওয়ার্ডসমূহের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।

উদ্বোধনকালে ৩১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ আসাদুজ্জামান, ৩১,৩২,৩৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর ফারজানা ববি কাকলি, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ মো. জিল্লুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মো. আজাহারুল হক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

;

সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খাগড়াছড়ি
সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষদের উদ্যোগে সাঁকো তৈরি

  • Font increase
  • Font Decrease

খাগড়াছড়ি সদরের সাত গ্রামের ত্রিশ জন পাহাড়ি মারমা যুবকের স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে বাঁশ, কাঠ, দিয়ে চেঙ্গী নদীর ওপর সাঁকো তৈরি করছেন। চলাচল করছে খাগড়াছড়ি সদরের দক্ষিণ গোলাবাড়ি, পশ্চিম গোলাবাড়ির ত্রিপুরাপাড়া, ঠাকুরছড়া, বটতলী, কালাডেবাসহ সাত গ্রামের পাহাড়ি মারমা মানুষরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শ্রম দিয়ে সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করবেন জানান উদ্যোক্তারা।

শনিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, চেঙ্গী নদীর পারে মাইকে চলছে একের পর এক গান। কখনো বৌদ্ধ ধর্মীয়, আধুনিক, হিন্দীসহ ইংরেজি গান শুনে শীতে চেঙ্গী নদীর পানিতে নেমে দুইপাশে দুইটি কুঠি ঘেরে বাঁশ ও কাঠ বেঁধে সাঁকো তৈরি করছেন যুবকরা।       

সাঁকো তৈরির উদ্দ্যোক্তা ক্যাচিং মর্গ বলেন, সাত গ্রামের মানুষ যাতায়াতের জন্য ত্রিশ জন সেচ্ছা শ্রম দিয়ে আমাদের ছেলেরা সাঁকো তৈরি করছেন। রোগীদের পারাপার করতে অসুবিধা হয়। ডেলিভারি রোগীদের নদী পার হলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে রোগীরা অনেক কষ্ট পায়। দুর্ভোগে পড়ে স্বজন ও মানুষরা। তিনি বলেন, দক্ষিণ গোলাবাড়ি, কালাডেবা, বটতলীসহ সাত গ্রামের মানুষ থেকে দশ থেকে পাঁচশ টাকা তোলে সাঁকো তৈরি করছি। তৈরি করতে পঁঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হবে।   


চাইহলাপ্রু মারমা ও আচাইপ্রু মারমা বলেন, সকাল থেকে আমরা সেচ্ছা শ্রম দিয়ে সবাই মিলে মিসে সাঁকো তৈরির কাজ করছি। সন্ধ্যার আগে সাঁকো তৈরি হয়ে যাবে। শীতে ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ চলছে। কষ্ট হলেও গ্রামবাসির সুবিধার জন্য আমরা সাঁকো তৈরির কাজ শেষ করে সবাই বাড়ি ফিরব।      

দক্ষিণগোলাবাড়ির বাসিন্দা নিওয়েন চৌধুরী বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে নৌকা দিয়ে নদী পার করে শাক-সবজি বটতলীতে নিয়ে যেতে হয়। খাগড়াছড়ি শহরের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত যায়। বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও শীত মৌসুমে সাঁকো দিয়ে পার করে সবজি বিক্রি করতে নিয়ে যেতে হয়। গ্রামবাসি থেকে টাকা তোলে যুবক, নারী ও বয়স্করা মিলে সাঁকো তৈরি করছেন। কষ্টের কোনো শেষ নেই আমাদের। একটি সেুত নিমার্ণ করা হলে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পায় সাত গ্রামের মানুষরা। 

গোলাবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও হেডম্যান অংখ্যচিং চৌধুরী বলেন, জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ইচ্ছে করলে এখানে একটি ব্রিজ নিমার্ণ করতে পারে। তাঁরা ফিরে থাকায় না। সেতু হলে গ্রামের উন্নয়ন হত। তিনি বলেন, দক্ষিণগোলাবাড়ি এলাকায় পাঁচ হাজার একর জমিতে সবজি চাষ করেন দুই হাজর পাহাড়ি চাষিরা চাষ করে সংসার চালান।


সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দান করেন সুজিত দেওয়ান। তিনি বলেন, সাত গ্রামের মানুষদের দুঃখ দেখে সাঁকো তৈরি করতে পনের হাজার টাকা দিয়ে তাঁদের সহযোগিতা করি।

খাগড়াছড়ি সদরের গোলাবাড়ি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার রাম কুমার ত্রিপুরা বলেন, পাকিস্তান আমলে দক্ষিণগোলাবাড়ির মারমাপাড়া হয়ে নদী পার হয়ে আমাদের বাজারে যেতে পুরানো রাস্তা ছিল এটা। প্রতি পরিবার তিন থেকে চার কানি জমিতে সবজি চাষ করে। সবজি শহরে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতে হয় কষ্ট করে। আমাদের এখানে ব্রিজ দরকার। তিনি বলেন, সাবেক এমপি যতিন্দ্রলাল ত্রিপুরা থাকা কালিন ব্রীজের জন্য আবেদন করেছে। নানান সদস্যার কারণে হয়নি।

খাগড়াছড়ি জেলা সদর গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জ্ঞান রঞ্জন ত্রিপুরা বলেন, খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও ইউনিয়নের মধ্যে পড়ে এই স্থানটি। দক্ষিণগোলাবাড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রামবাসিদের টাকা দিয়ে তাঁরা সাঁকো তৈরি করেন। শীতের সময়ে লোকজন ওইখানে সাঁকো তৈরি করে দক্ষিণ গোলাবাড়ি হয়ে বটতলী পারাপার করেন। বর্ষা মৌসুমে তাঁরা দুরে ঠাকুরছড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সময় বাচাঁনোর জন্য তাঁরা নদীর পার হয়ে শহরের বটতলী এলাকার বাজারে যায়। এদের সময়ের প্রয়োজনে চেঙ্গী নদী পার হলে শহরের বটতলী এলাকা। এই সুবিধা। তিনি বলেন, আমরা যে বরাদ্দ পায় তা দিয়ে ব্রিজ নিমার্ণ করা সম্ভব নয়। এখানে ব্রিজ দেওয়া জরুরি।

;

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে ধামরাই উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন নিসচা'র উপজেলা কার্যালয়ে এক সভায় সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই কমিটিতে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার নতুন সভাপতি হয়েছেন মো. নাহিদ মিয়া, সহ সভাপতি মো. ইমরান হোসেন, আবুল কালাম মিজানুর রহমান, মো. মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক নাঈম ইসলাম সহ ৫৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই শাখার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তালিকায় রয়েছেন, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবির, ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (পিপিএম), উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সিরাজ উদ্দিন, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরাফাত সাকলাইন রাফি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সংগঠনের সহ-সাধারণ সম্পাদ সাইফুল ইসলাম রতন, ধামরাই প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু হাসান প্রমুখ।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ধামরাই উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নাহিদ মিয়া জানান, নবগঠিত ২ বছর মেয়াদী নতুন কমিটির মুল ভিশন হচ্ছে ধামরাই উপজেলার অংশবিশেষে দুর্ঘটনার পরিমান কমিয়ে আনা। আজকে যে কমিটি ঘোষণা করা হলো পূর্বের কমিটির ন্যায় বিচার বিশ্লেষণ করে সংগঠনের কার্যক্রম কে বেগমান করার লক্ষ্যে যে সকল সদস্য ভূমিকা রেখে চলেছে তাদের এই কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে মুল্যায়ন করা হয়েছে। এছাড়া কমিটির আজকের আয়োজনে বিগত সালের সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, সংগঠনের আয় ব্যয় হিসাবের চিত্র তুলে ধরাসহ সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পর্কে সকলের সামনে উপস্থাপন করে তুলে ধরা হয়। সুতরাং আমাদের উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধিগণ, পুলিশ, প্রশাসনসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি সড়ক দুর্ঘটনা ও সড়কে বিশৃঙ্খলা রোধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সড়ক দুর্ঘটনামুক্ত ধামরাই উপজেলা গড়ে তোলার প্রত্যাশা করছি।

;