বিদেশফেরত অভিবাসী কর্মীদের চাকরিতে পুর্নিয়োগের আহ্বান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে কর্মচ্যুত এবং স্বদেশে ফিরে আসা সকল অভিবাসী কর্মীকে দ্রুত স্বাগতিক দেশসমূহে চাকরিতে পুর্নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) জেনেভায় অন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) কর্তৃক আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাসী কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চাকরির নিশ্চয়তাসহ তাদের সকল প্রকার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও স্বাগতিক দেশসমূহকে আহ্বান জানান। সকল অভিবাসী কর্মীর জন্য দ্রুত কোভিড-১৯ টিকা নিশ্চিত করার ওপরও তিনি জোর দেন।

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, অভিবাসী কর্মীরা তাদের স্বদেশ এবং স্বাগতিক দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তিনি বলেন, অভিবাসী কর্মীদের আয়ের মাধ্যমে লাখ লাখ পরিবারের জীবিকা সংস্থান হয়। এ সময় করোনা মহামারির কারণে চাকরি হারিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসা অভিবাসী কর্মীদের পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে মন্ত্রী সকলকে অবহিত করেন।

কোভিড-১৯ অতিমারি থেকে টেকসই পুনরুদ্ধারের জন্য সকল অভিবাসী কর্মীকে পুনরুদ্ধার পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা অতি জরুরি বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন। এছাড়া, তিনি অভিবাসী কর্মীদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় স্বাগতিক দেশসমূহে যথাযথ আইনি রক্ষাকবচের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আইওএম-এর মহাপরিচালক এন্তোনিও ভিতোরিনো এই উচ্চ পর্যায়ের সভায় সভাপতিত্ব করেন। কলম্বিয়া, ফিলিপাইন ও ভেনেজুয়েলা’র রাষ্ট্রপতিসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি এ সভায় যোগদান করেন।

বাংলাদেশে ট্রেড মিশন পাঠাবে ডেনমার্ক



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বাংলাদেশে ট্রেড মিশন পাঠাবে ডেনমার্ক

বাংলাদেশে ট্রেড মিশন পাঠাবে ডেনমার্ক

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ট্রেড মিশন পাঠাবে ডেনমার্ক। এমন আশ্বাস দিয়েছেন ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন।

এছাড়া, কৃষিপণ্য ও খাদ্যের গুণগতমান উন্নয়নে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা দেবে ডেনমার্ক।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন (Winnie Estrup Petersen) এ সহযোগিতার কথা জানান।

বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনের অভাবনীয় সাফল্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রফতানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। দেশের আম, আনারস, কলা, টমেটো, আলু ও শাকসবজি প্রভৃতি রফতানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সম্ভাবনা অনেক। এক্ষেত্রে ডেনমার্কের বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রয়োজন। উত্তম কৃষিচর্চা (জিএপি) মেনে খাদ্য উৎপাদনেও ডেনমার্কের সহযোগিতা দরকার। এছাড়া, পূর্বাচলের ২ একর জমিতে আধুনিক প্যাকিং হাউজ নির্মাণ ও আধুনিক টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে ডেনমার্কের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন কৃষিখাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের গুণগতমান উন্নয়নে ও এগ্রিবিজনেসে ডেনমার্ক সহযোগিতা করবে। কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হলে ডেনমার্কের বিনিয়োগ ও ট্রেড মিশন পাঠানোর বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের কৃষিখাত, ডেইরি, নিরাপদ খাবার, খাদ্য অপচয় কমানো, ফুড ভ্যালু চেইন ও ল্যাব উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, কৃষিখাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের ব্যাপারেও দুই দেশ সম্মত হয়।

সাক্ষাৎকালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো.রুহুল আমিন তালুকদার, উপসচিব এসএম ইমরুল হাসান, ডেনমার্কের ঢাকা দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আলি মুস্তাক বাট উপস্থিত ছিলেন।

;

দৌলতপুরে ৯টি ইটভাটায় জরিমানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ৯টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত জেলার দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন ভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদফতর। পরিবেশ অধিদফতর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন এ অভিযান পরিচালনা করেন।

তিনি বলেন, অভিযানে জ্বালানী হিসেবে কাঠ পোড়ানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারনে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন ২০১৩ সংশোধিত ২০১৯ আইন অনুযায়ী ৯টি ইটভাটায় মোট ২৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

দৌলতপুর উপজেলার জয়রামপুর, সাদীপুর, মানিকদিয়াড়, মরিচা ও ডাংমড়কাসহ বিভিন্ন এলাকায় অনুমোদনহীন অবৈধ ৯টি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় কয়েকটি ইটভাটা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়।

অভিযান চলাকালে কুষ্টিয়া পরিবেশ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আতাউর রহমান, সহকারী পরিচালক কমল কুমার বর্মনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পরিবেশ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

;

পরকীয়ার জেরে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে পালাল স্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের মিঠাপুকুরে পরকীয়ার জেরে স্বামী সোলাইমান মিয়ার (২৪) গোপনাঙ্গ কেটে নিয়ে পালিয়ে গেছে স্ত্রী। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান।

সোলাইমান মিয়া উপজেলার দমদমা বাজারের পাশে শিমুল পাড়া গ্রামের ফুলবাবু ওরফে ফুলু মিয়ার ছেলে। তিনি ট্রাক ড্রাইভারের সহকারী হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হেলপারের কাজ করতেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাগুরা জেলার রাহেনা বেগম নামে এক নারীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে সম্পর্ক গড়ে উঠে সোলাইমানের। দুই বছর আগে মাগুরা জেলার ওই নারীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

বিয়ের এক বছর পর সোলাইমান তার স্ত্রীকে গ্রামের বাড়ি মিঠাপুকুরে নিয়ে এসে সংসার শুরু করেন। সম্প্রতি সোলাইমানের স্ত্রী রাহেনা বেগম অভিযোগ তুলেন তার স্বামী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে খাওয়া শেষে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে স্ত্রী রাহেনা বেগম তার স্বামী সোলাইমান মিয়ার বিশেষ অঙ্গ কেটে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ইউপি-সদস্য রাজু আহম্মেদ জানান, ওই নারী একটি চিঠি লিখে গিয়েছেন। সেখানে তার পূর্বের সংসার নষ্টের জন্য বর্তমান স্বামী সোলাইমানকে দায়ী করেছেন। সোলাইমানের মোবাইলে একাধিক মেয়ের সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।

মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পলাতক স্ত্রী রেহেনা বেগমকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

;

রাজধানীর সকল খাল দখলমুক্ত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীতে অবৈধভাবে দখল হওয়া সমস্ত খালগুলোকে উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

উদ্ধারকৃত খালসমূহ সংস্কার করা হলে রাজধানীতে জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি নগরবাসীকে একটি আধুনিক-দৃষ্টিনন্দন ও বাসযোগ্য নগর উপহার দেওয়া সম্ভব হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলায় রামচন্দ্রপুর খালের অবৈধ স্থাপনা উদ্ধার অভিযান কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, যারা সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তারা স্বাভাবিক ভাবেই এখন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর ফলে সব জায়গায় একটি মেসেজ চলে যাবে যে অবৈধভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করে রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র এখানকার খাল উদ্ধার হবে আর অন্যগুলো হবে না এমনটা ভাবা উচিত হবে না। ঢাকা শহরের যত জায়গা দখল করে অবৈধ নির্মাণ করেছেন বা করার পাঁয়তারা করছেন তারা সতর্ক হবেন। কোনো দখলবাজদের বরদাস্ত করা হবে না। জনগণের কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সবকিছু করবে সরকার

মো. তাজুল ইসলাম জানান, রাজধানীর সকল খালগুলোর একটির সাথে অন্যটির সংযোগ তৈরি করে ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট চালু করা হবে। এ লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ সংস্থার সাথে একাধিক সভা করে প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে। ঢাকা শহরের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতেই হবে।

তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধির হাতে দায়িত্ব দিলে খাল উদ্ধার করা সহজ হবে। কারণ জনপ্রতিনিধিদের সাথে জনগণ থাকে। তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করলে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। সে উদ্দেশ্যেই রাজধানীর কিছু খাল ঢাকা ওয়াসার নিকট থেকে দুই সিটি করপোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই দুই সিটি করপোরেশন জোরালো অভিযান চালিয়ে খাল উদ্ধার কাজ শুরু করেছে যার ফলাফল এখন দৃশ্যমান।

জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য দুই মেয়র আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সাথে সরকারের পূর্ণ সমর্থন আছে এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার পাশে থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, কয়েকজন মানুষের জন্য রাজধানীর দুই কোটি মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হতে পারে না। আর এটা কখনোই করতে দেওয়া হবে না। রাজধানীতে পরিকল্পিতভাবে ট্রাক ও বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ করার কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেখানে যে পরিমাণ রাস্তার দরকার তা নির্মাণ করতে হবে। আবাসনের জায়গায় আবাসন হবে। সবার জন্য কল্যাণকর ঢাকা গড়তে যা যা দরকার তার সবই করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

মো. তাজুল ইসলাম জানান, ঢাকা শহরে এখনও ৫৩টি খালের অস্তিত্ব রয়েছে। এসব খাল উদ্ধার করে যদি নৌ চলাচল ও দুই পাশে ওয়াক ওয়ে নির্মাণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি দৃষ্টিনন্দন করা যায় তাহলে মানুষ ভেনিস ঘুরতে না গিয়ে ঢাকা শহরে আসবে।

রাজধানীর অন্যান্য খালাগুলো সিটি করপোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ওয়াটার বোর্ডের অধীনে থাকা খালগুলো হস্তান্তরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। এছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন থাকা খালসমূহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, পৃথিবীর অনেক সিটি করপোরেশন নিজেদের অর্থায়নে এয়ারপোর্ট, সাবওয়ে, ট্যানেল এবং মেট্রোরেল করেছে। আমাদের সিটি করপোরেশনগুলো আগের তুলনায় অনেক সক্ষমতা অর্জন করেছে। আমি বিশ্বাস করি খুব অচিরেই দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন আত্মনির্ভরশীল হবে।

পরিদর্শনকালে উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি, নগর স্থপতি এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ উপস্থিত ছিলেন।

;