বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী আজ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
তারামন বিবি।

তারামন বিবি।

  • Font increase
  • Font Decrease

বীরপ্রতীক তারামন বিবির তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলা সদরের কাচারীপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে শ্বাসযন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগে ভোগার পর মারা যান তিনি। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে কাচারীপাড়া তালতলা কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তাকে বীরপ্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও সে কথা তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর জানতে পারেননি। ১৯৯৫ সালের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে বীরপ্রতীক খেতাবের পদক তুলে দেওয়া হয়। বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দু'জন নারীর মধ্যে তারামন বিবি একজন।

তারামন বিবি ১৯৫৭ সালে কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আবদুস সোহবান এবং মায়ের নাম কুলসুম বিবি। সাত ভাই-বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয় ছিলেন তারামন বিবি। তিনি লেখাপড়ার সুযোগ পাননি। কাজ করতেন অন্যের বাড়িতে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্না, তাদের অস্ত্র লুকিয়ে রাখা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর খবর সংগ্রহ করতেন ১৪ বছর বয়সী তারামন। রান্না করতে করতে অস্ত্র চালাতে শেখেন তিনি। তারপর রান্নার খুন্তি ফেলে রাইফেল হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে অংশ নেন সম্মুখ সমরে।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৩ সালে তৎকালীন সরকার মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবিকে তার সাহসীকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য 'বীর প্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। ১৯৯৫ সালে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক বিমল কান্তি দে প্রথম তার সন্ধান পান। এ কাজে বিমল কান্তিকে সহায়তা করেন কুড়িগ্রামের রাজীবপুর কলেজের অধ্যাপক আবদুস সবুর ফারুকী।

এরপর নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন তাকে ঢাকায় নিয়ে আসে। সেই সময় তাকে নিয়ে পত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হয়। অবশেষে ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকার এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তারামন বিবিকে বীরত্বের পুরস্কার তার হাতে তুলে দেন।

তারামন বিবিকে নিয়ে আনিসুল হকের লেখা ‘বীর প্রতীকের খোঁজে’ নামক একটি বই রয়েছে। আনিসুল হক রচিত ‘করিমন বেওয়া’ নামক একটি বাংলা নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিলেন তারামন বিবি।

তারামন বিবির স্বামীর নাম আবদুল মজিদ। এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ২০১৮ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাড়িতে কোরআনখানি এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারামন বিবির ছেলে আবু তাহের। এ ছাড়া জেলা শহরের ব্যাপারীপাড়ায় অবস্থিত উত্তরবঙ্গ জাদুঘরের আয়োজনে সন্ধ্যায় জাদুঘর চত্বরে মোমবাতি প্রজ্বালন ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা এস এম আব্রাহাম লিংকন।

অজুহাত নয়, স্কুল খোলা চায় ইউনিসেফ



কল্লোল রায়, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, কুড়িগ্রাম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে, এটি যাতে শিশুদের পড়াশোনাকে ব্যাহত করতে না পারে সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।

২৮ জানুয়ারি(শুক্রবার) ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোরের এক বিবৃতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিপর্যয় এড়াতে এবং শিশুদের তাদের শেখার পথে ফিরিয়ে আনতে ইউনিসেফ কিছু সুপারিশ তুলে ধরেছে।

সুপারিশগুলো হলো:

স্কুল খোলা রাখুন। স্কুলগুলো পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে প্রায় ৬১ কোটি ৬০ লাখ শিশু ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা জানি যে, কোভিড-১৯ ঝুঁকি প্রশমনের ব্যবস্থাগুলোই স্কুলগুলোকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। আমরা আরও জানি যে, ডিজিটাল সংযুক্তির পেছনে বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলেই কোনো শিশু পেছনে পড়ে থাকবে না। প্রতিটি শিশুকে স্কুলে ফিরিয়ে আনতে আমাদের জরুরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি কমিউনিটির প্রান্তিক শিশুদের ওপর বিশেষ লক্ষ্য রেখে কিছু বিষয়ে বিস্তৃত সহায়তা প্রদান করা। যেমন শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ঘাটতি পূরণে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া, মানসিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সহায়তা, সুরক্ষা এবং অন্যান্য পরিষেবা প্রদান।

শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের অবিলম্বে টিকা দিন। প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মী এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে কোভিড-১৯ এর টিকাদানের পরপরই এই টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষক এবং স্কুল কর্মীদের সম্পূর্ণরূপে সমর্থন ও অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

অগ্রাধিকার প্রাপ্য জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি সুরক্ষিত করার পর এবং টিকার যথেষ্ট প্রাপ্তি নিশ্চিত হলে ইউনিসেফ শিশুদের টিকাদানকে সমর্থন করে। সশরীরে স্কুলে যাওয়ার জন্য টিকাদানকে পূর্বশর্ত করবেন না। কোভিড-১৯ টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে সশরীরে স্কুলে যাওয়ার শর্ত আরোপ করলে তা শিশুদের শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ না পাওয়া এবং ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সুপারিশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইউনিসেফ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের টিকাদান ছাড়াই স্কুলগুলো খোলা রাখার এবং কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কৌশল যাতে পড়াশোনা ও সামাজিক জীবনের অন্যান্য দিকগুলোতে শিশুদের অংশগ্রহণকে সহজতর করে তা নিশ্চিত করার সুপারিশ করে।

সংকটময় পরিস্থিতিতে সবসময় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় যে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে তা আমরা স্বীকার করি। তবে এক্ষেত্রে ঝুঁকি খুবই বেশি। শিশুদের স্কুলে রাখার জন্য সম্মিলিতভাবে আমাদের পক্ষে সম্ভব সবকিছু করতে হবে।

;

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনা: সমাজসেবা কর্মকর্তাসহ নিহত ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গার হামিরদী নামক স্থানে শুক্রবার রাতে ট্রাকের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহীসহ দুই জন নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৯ টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ আলী মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন(৪০)। সে ভাঙ্গা উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ে ইউনিয়ন সমাজসেবা অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অপরজন ওয়াহিদুজ্জামান বাবু মির্জা(৩৫)। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসভার নওপাড়া গ্রামের আব্দুর রসিদ মির্জার ছেলে। সে সমাজসেবা অফিসে পার টাইম কাজ করতেন।

ভাঙ্গা উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিহত আনোয়ার ও তার স্ত্রী আমার অফিসের ইউনিয়ন সমাজসেবা অফিসার হিসাবে কর্মরত। ছেলে মেয়ে নিয়ে ভাঙ্গাতেই বসবাস করতেন। নিহত আনোয়ার এর মা ফরিদপুর শহরে বসবাস করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজের মটর সাইকেল যোগে বাবু মির্জাকে সাথে নিয়ে মায়ের সাথে দেখা করার জন্য ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথিমধ্যে হামেরদী নামক স্থানে পৌছালে পিছন দিক থেকে আসা একটি ট্রাক মোটর সাইকেলটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাই-ওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম জানান, ট্রাকের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছাই। সেখানে সমাজসেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন অফিসার আনোয়ার হোসেনের লাশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।

অপর জনকে আহত অবস্থায় স্থানীয় জনতা প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘাতক ট্রাকটি আটক করতে পুলিশ কাজ করছে বলে তিনি জানান।

;

ফরিদপুরে হাসপাতাল থেকে দালালচক্রের ৬ সদস্য আটক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে দালাল, প্রতারক ও চাঁদাবাজ চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিবি পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, শেখ রিপন (৩৮),মোসা. ঝর্ণা বেগম (৪০) মোসা. লিপি আলী (৩০), মোসা. চম্পা আক্তার (২০), মোসা. বিনা আক্তার (৩০), মোসা. হেলেনা বেগম (৪৫)। আটককৃতদের সবার বাড়ি ফরিদপুরে বিভিন্ন এলাকায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তারা রোগীদের নিকট হইতে প্রেসক্রিপসন জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তাদের নিজস্ব ফার্মেসীতে ঔষধের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখে। চিকিৎসার জন্য আগত রোগী ও রোগীর লোকজনরা দালালদের সাথে যেতে অস্বীকার করলে বা অতিরিক্ত টাকা দিতে না চাইলে তাদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে।

ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, হাসপাতালের কর্মরত বিভিন্ন ইউনিটের স্ট্যাফরা তাদের হাসপাতালে আসা রোগীদের ব্যাপারে তথ্য দিয়ে তাদের এই কাজে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে। এছাড়া এরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ বা মাস্টার রোলে চাকরি করে বলে দাপটের সাথে পরিচয় দিয়ে থাকে। তিনি আরও জানান, আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

;

সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর, প্রতিবাদ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর, প্রতিবাদ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের

সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর, প্রতিবাদ আ.লীগ নেতা-কর্মীদের

  • Font increase
  • Font Decrease

সাদুল্লাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের উপর স্বতন্ত্র প্রার্থীর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিবাদে মাঠে নেমেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে সাদুল্লাপুরের ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ধাপেরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা পালন করা হয়েছে। এসময় শতাধিক দলীয় নেতা-কর্মী হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠে।

হামলার শিকার হওয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব প্রতিবাদ সভায় বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীর গডফাদার শহিদুল ইসলাম সিপন ও তার ভাই  সেলিম ও ডিউকসহ জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতার করতে হবে। এই হামলাকারীরা মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রসী। যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার করা হয়নি, ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঘরে ফিরবে না।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা চলেছে ইউপি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। এ নির্বাচনে ধাপেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  শফিকুল কবির মিন্টু নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে আসছে। তার পক্ষে শুক্রবার বিকেলে ধাপেরহাটের পীরেরহাট এলাকায় গণসংযোগে অংশ নেয় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়া খাঁন বিপ্লব। এসময় প্রতিদ্বন্দ্বী চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও স্থানীয় বিএনপির নেতা শহিদুল ইসলাম সিপন ও তার কর্মী-সমর্থকরা সাহারিয়া খাঁন বিপ্লবকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। উপর্যপরি ইটপাটকেলের ঢিলে উপজেলা চেয়ারম্যানের  সরকারি পাজেরো গাড়ি ভাঙচুর করে হামলাকারীরা।

;