একযুগ পর আবারও চট্টগ্রাম-বরিশাল নৌপথে জাহাজ চলাচল শুরু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় বরিশালের নৌরুটে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, পর্যটনশিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতেই জাহাজ চলাচলের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)।

এতে করে পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারের সঙ্গে কুয়াকাটার একটি নিবিড় যোগাযোগ স্থাপিত হবে । ১৪/১৫ ঘণ্টার এই যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভ্রমণ পিপাসুদের ভ্রমণে নতুনদ্বার উন্মোচিত হবে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম-বরিশাল নৌপথে পরীক্ষামূলক জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রা শুরু করে বিআইডব্লিউটিসির নতুন জাহাজ এমভি তাজউদ্দিন আহমদ। বরিশাল স্টিমার ঘাটে শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে সেই জাহাজ এসে পৌঁছায়। এবং রাত সাড়ে ৯টায় বরিশাল থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে বলে বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিসির বরিশালের ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন শিকদার ।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিসি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৪ সালে চট্টগ্রাম-বরিশাল নৌরুটে প্রথম জাহাজ চলাচল শুরু করেছিলো কর্তৃপক্ষ। ওই সময়ে চারটি জাহাজ চলাচল করলেও ১০ বছরের মাথায় ১৯৭৪ সালের দিকে চলাচলকারী জাহাজ এমভি তাজুল ইসলাম এবং পরবর্তী সময়ে এমভি আলাউদ্দিন আহম্মেদকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে বিক্রি করে দেয় নৌপরিবহন করপোরেশন । কিন্তু ২০০৯ সালে মেরামতের কথা বলে এমভি মতিন ও এমভি মনিরুল হককে ডকইয়ার্ডে তোলার পর গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বন্ধের দীর্ঘ একযুগ পর আবারও চট্টগ্রাম- বরিশাল নৌরুটে এমভি বার আউলিয়া ও এমভি তাজউদ্দীন নামে দুটি জাহাজ চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, এমভি বার আউলিয়া ও এমভি তাজউদ্দীন আহমদ জাহাজ দুটি ১২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলার সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি জাহাজ দুটির তৃতীয় ও দ্বিতীয় শ্রেণির ব্যবস্থাসহ প্রতিটি জাহাজে ২৫টি কেবিনসহ ৭৫০টি আসন রয়েছে।

বরিশাল সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, চট্টগ্রাম-বরিশাল নৌরুটে জাহাজ সার্ভিসের সঙ্গে নদীবিধৌত বরিশাল অঞ্চলবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা ও অনেক স্মৃতি জড়িত। ষাটের দশকে এই রুটে এবং অন্যান্য রুটে সরকারি সংস্থার জাহাজ চলাচলে কারণে বরিশাল প্রসিদ্ধ নৌবন্দরে পরিণত হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, এই জাহাজ চালুর মধ্য দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারের সঙ্গে কুয়াকাটার একটি নিবিড় যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

বরিশাল চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি মো. সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, চট্টগ্রাম থেকে বরিশালে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করতে পারলে সময় ও আর্থিক সাশ্রয় হবে। এতে দুই বিভাগের পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটবে। কেননা, চট্টগ্রাম থেকে বরিশালে পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে একসময় এই নৌ সেবাই ছিল একমাত্র ভরসা। ২০০৯ সালে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে তাঁরা দুর্ভোগে আছেন। সড়কপথে পণ্য আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক জটিলতায় পড়তে হয়।

বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান বার্তা২৪.কম-কে জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও চট্টগ্রাম-বরিশাল নৌরুটে জাহাজ চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় বিআইডব্লিউটিসি। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে এমভি তাজউদ্দীন আহমদ নামে জাহাজটি ট্রায়াল শুরু করেছে। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে জাহাজটি আবার চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিবে।

পর্যায়ক্রমে যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনার মধ্য দিয়ে এই রুটে আনুষ্ঠানিক জাহাজ যাত্রা কার্যক্রম শুরু হবে। তবে এখনো ভাড়া নির্ধারণ ও সপ্তাহে কত দিন এই সেবা দেওয়া হবে, তার সময়সীমা নির্ধারণ হয়নি।

মগবাজারে বাসচাপায় কিশোর নিহতের ঘটনায় গ্রেফতার ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে যাত্রীবাহী দুই বাসের চাপায় রাকিব (১৪) নামের এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় আজমেরি বাসের দুই চালককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

গ্রেফতারকৃত দুই চালক হলেন- মো. মনির হোসেন ও মো. ইমরান হোসেন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে তাদের রাজধানীর পল্টন ও মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে বুধবার দুপুরে বিস্তারিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় কিশোর রাকিবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বিকাল সাড়ে ৫টায় মৃত ঘোষণা করেন।

;

রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার

রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে সিসি টিভির ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য সাইফুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে সি-সার্কেল আশরাফুল আলম।

গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা গ্রামের রহমান হাজির গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে।

আশরাফুল আলম জানান, গত ১৮ জানুয়ারি পীরগাছা থানায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বর্ণনা মতে ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ফুটেজের সূত্র ধরে আসামি মশিউর রহমান সিজনকে পূর্বে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সাইফুল ইসলামকে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করা হয়।

অতিরিক্ত দায়িত্বে সি-সার্কেল মো. আশরাফুল আলম বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

;

দেশি ছোট মাছ রক্ষায় ১৬০ অভয়াশ্রম, দেখভালের দায়িত্বে জেলেরা



তরিকুল ইসলাম সুমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এলাকা ভিত্তিক দেশীয় প্রজাতির বিলুপ্ত প্রায় ছোট মাছ চাষ, সংরক্ষণের অংশ হিসেবে দেশের ১০ জেলার ৪৯ উপজেলায় ১৬০ অভয়াশ্রম স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য অধিদফতরের মাহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক।

তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, সব বাঙালিরই প্রিয় ও পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে দেশীয় ছোট মাছ। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে ছোট মাছ। বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিলে, হাওরে এখন আর মিলছে না তেমন ছোট মাছ। পানি দূষণ ও পানি স্বল্পতার অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। এই ছোট জাতের মাছ ফিরিয়ে আনার জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য অধিদফতর কাজ শুরু করেছে দেশের নদ-নদী ও হাওর বেষ্টিত ১০ জেলায় ছোট মাছ সংরক্ষণ ও চাষাবাদের।

মহাপরিচালক আরো বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে দেশোর ৪৯ উপজেলায় শুধু ১৬০ নতুন অভয়াশ্রম স্থাপনের পাশাপাশি ২৪০ অভয়াশ্রম পুনঃসংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। অভয়াশ্রমগুলো পাহারা দেয়ার জন্য সম সংখ্যক পাহারা শেড কাম ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণ করা হবে। যা সমাজভিত্তিক গোষ্ঠী কর্তৃক পাহারা ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় অনেক মাছ হারিয়ে গেছে। গজার, টেপা মাছ, দেশি মাগুর, বোয়াল, চিতল, ফলি, ফাঁসা, নুনা মাছ, চেবলী, আইকার, তপসি, চাঁদা, ঢেলা, তারা বাইন, বাতাসি, বাইলা, শিং, ভেকটি, কৈ, মাগুর, শিং, পাবদা, টেংরা, পুঁটি, ডারকা, মলা, শাল চোপরা, শৌল, বোয়াল, আইড়, ভ্যাদা, বুড়াল, বাইম, খলিসা, চিংড়ি, মালান্দা, খরকাটি, গজার, শবেদা, চেং, টাকি, চিতল, গতা, পোয়া, বালিয়া, উপর চকুয়া, কাকিলা, গুত্তুম, বৌরানীসহ প্রায় ৫২ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে। অনেক আবার হারিয়ে গেছে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ছোট মাছের পুষ্টি ও স্বাদের দিক দিয়ে আমাদের সবার কাছেই প্রিয়। একারণে বেশ কয়েক বছরের গবেষণার মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া ও বিপন্ন প্রায় প্রজাতির মধ্য থেকে ৩১ প্রজাতির ছোট মাছ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যা মৎস্য অধিদফতরের মাধ্যমে দেশব্যাপী চাষপদ্ধতি সম্পসারণ করা হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালক এসএম আশিকুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, ফাগুন-চৈত্র মাসে খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে যাওয়ায় দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ প্রজনন করতে পারে না। এ কারণে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগ থেকেই আমরা কাজ শুরু করেছি। প্রকল্প ভুক্ত এলাকার যে সব জায়গায় এসব মাছ বেশি পাওয়া যাবে। সে সব এলাকা চিহ্নিত করে অভয়াশ্রম স্থাপন করা হবে। যেখানে সারা বছর কম বেশি পানি থাকবে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পে আওতায় খাঁচায় মাছ চাষ, ধানক্ষেতে মাছ চাষ, বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মৎস্যচাষ প্রশিক্ষণ, নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে তোলা হবে।

;

নদী দখলমুক্ত করতে শিগগিরই অভিযান: ঢাকা জেলা প্রশাসক



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা জেলার বিভিন্ন জায়গায় দখল হয়ে যাওয়া নদীর পাড়ে খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে সমাজের অসহায় দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

ঢাকা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম বলেন, নদী দখলকারীরা যত বড়ই শক্তিশালী হোক না কেন তাদের খুব দ্রুতই উচ্ছেদ করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন ব্যক্তি যদি ফসলি জমি নষ্ট করে ইটভাটা নির্মাণ করে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ঢাকা জেলা প্রশাসক সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, সাভার উপজেলায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করেন ও সাভার মডেল থানায় একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। এছাড়াও তিনি আশুলিয়ায় ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করেন।

এসময় সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমরসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

;