ডিএমপির মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৭৫



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৭৫ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার(৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে শনিবার(৪ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে ১৬৬৯৮ পিস ইয়াবা, ২১৫ গ্রাম ৫৭৫ পুরিয়া হেরোইন ও ১৮ কেজি ৯৮০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয় বলে জানায় ডিএমপি। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৭ টি মামলা রুজু হয়েছে বলে জানান ডিএমপি।

রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার

রংপুরে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে সিসি টিভির ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য সাইফুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) ও অতিরিক্ত দায়িত্বে সি-সার্কেল আশরাফুল আলম।

গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা গ্রামের রহমান হাজির গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে।

আশরাফুল আলম জানান, গত ১৮ জানুয়ারি পীরগাছা থানায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বর্ণনা মতে ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ফুটেজের সূত্র ধরে আসামি মশিউর রহমান সিজনকে পূর্বে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সাইফুল ইসলামকে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করা হয়।

অতিরিক্ত দায়িত্বে সি-সার্কেল মো. আশরাফুল আলম বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

;

দেশি ছোট মাছ রক্ষায় ১৬০ অভয়াশ্রম, দেখভালের দায়িত্বে জেলেরা



তরিকুল ইসলাম সুমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এলাকা ভিত্তিক দেশীয় প্রজাতির বিলুপ্ত প্রায় ছোট মাছ চাষ, সংরক্ষণের অংশ হিসেবে দেশের ১০ জেলার ৪৯ উপজেলায় ১৬০ অভয়াশ্রম স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য অধিদফতরের মাহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক।

তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, সব বাঙালিরই প্রিয় ও পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে দেশীয় ছোট মাছ। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে ছোট মাছ। বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিলে, হাওরে এখন আর মিলছে না তেমন ছোট মাছ। পানি দূষণ ও পানি স্বল্পতার অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। এই ছোট জাতের মাছ ফিরিয়ে আনার জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্য অধিদফতর কাজ শুরু করেছে দেশের নদ-নদী ও হাওর বেষ্টিত ১০ জেলায় ছোট মাছ সংরক্ষণ ও চাষাবাদের।

মহাপরিচালক আরো বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে দেশোর ৪৯ উপজেলায় শুধু ১৬০ নতুন অভয়াশ্রম স্থাপনের পাশাপাশি ২৪০ অভয়াশ্রম পুনঃসংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। অভয়াশ্রমগুলো পাহারা দেয়ার জন্য সম সংখ্যক পাহারা শেড কাম ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণ করা হবে। যা সমাজভিত্তিক গোষ্ঠী কর্তৃক পাহারা ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় অনেক মাছ হারিয়ে গেছে। গজার, টেপা মাছ, দেশি মাগুর, বোয়াল, চিতল, ফলি, ফাঁসা, নুনা মাছ, চেবলী, আইকার, তপসি, চাঁদা, ঢেলা, তারা বাইন, বাতাসি, বাইলা, শিং, ভেকটি, কৈ, মাগুর, শিং, পাবদা, টেংরা, পুঁটি, ডারকা, মলা, শাল চোপরা, শৌল, বোয়াল, আইড়, ভ্যাদা, বুড়াল, বাইম, খলিসা, চিংড়ি, মালান্দা, খরকাটি, গজার, শবেদা, চেং, টাকি, চিতল, গতা, পোয়া, বালিয়া, উপর চকুয়া, কাকিলা, গুত্তুম, বৌরানীসহ প্রায় ৫২ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে। অনেক আবার হারিয়ে গেছে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, ছোট মাছের পুষ্টি ও স্বাদের দিক দিয়ে আমাদের সবার কাছেই প্রিয়। একারণে বেশ কয়েক বছরের গবেষণার মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া ও বিপন্ন প্রায় প্রজাতির মধ্য থেকে ৩১ প্রজাতির ছোট মাছ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যা মৎস্য অধিদফতরের মাধ্যমে দেশব্যাপী চাষপদ্ধতি সম্পসারণ করা হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালক এসএম আশিকুর রহমান বার্তা২৪.কমকে জানান, ফাগুন-চৈত্র মাসে খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে যাওয়ায় দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ প্রজনন করতে পারে না। এ কারণে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগ থেকেই আমরা কাজ শুরু করেছি। প্রকল্প ভুক্ত এলাকার যে সব জায়গায় এসব মাছ বেশি পাওয়া যাবে। সে সব এলাকা চিহ্নিত করে অভয়াশ্রম স্থাপন করা হবে। যেখানে সারা বছর কম বেশি পানি থাকবে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পে আওতায় খাঁচায় মাছ চাষ, ধানক্ষেতে মাছ চাষ, বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মৎস্যচাষ প্রশিক্ষণ, নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল গড়ে তোলা হবে।

;

নদী দখলমুক্ত করতে শিগগিরই অভিযান: ঢাকা জেলা প্রশাসক



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাভার (ঢাকা)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা জেলার বিভিন্ন জায়গায় দখল হয়ে যাওয়া নদীর পাড়ে খুব শিগগিরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নে সমাজের অসহায় দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার, সেলাই মেশিন বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

ঢাকা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম বলেন, নদী দখলকারীরা যত বড়ই শক্তিশালী হোক না কেন তাদের খুব দ্রুতই উচ্ছেদ করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন ব্যক্তি যদি ফসলি জমি নষ্ট করে ইটভাটা নির্মাণ করে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ঢাকা জেলা প্রশাসক সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, সাভার উপজেলায় অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করেন ও সাভার মডেল থানায় একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। এছাড়াও তিনি আশুলিয়ায় ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করেন।

এসময় সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল আলম সমরসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

;

কৃষিতে সম্ভাবনাময় গাইবান্ধার চরাঞ্চল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
মতবিনিময় সভা

মতবিনিময় সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধার সাতটি উপজেলার ১৬৪টি চর হবে কৃষিতে অপার সম্ভাবনাময় এলাকা। চরাঞ্চলে যা চাষাবাদ করা হচ্ছে তাই ফলছে বলে মন্তব্য করেছে গাইবান্ধার নবাগত জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা যারা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছি, তারা জনগণের সেবক মাত্র। শিক্ষার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অবকাঠামো রয়েছে। এখন প্রয়োজন অট্টালিকার ভেতরে জনবলকে প্রশিক্ষিত করে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা। উপযুক্ত স্থান এবং কর্মপরিকল্পনাকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল মারুফের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ রেজা সরকার ডাবলু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবুল ফাত্তাহ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান, গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল মান্নান আকন্দ, ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, নাফিউল ইসলাম জিমি, রেজাউল আলম সরকার, আব্দুল জব্বার, এবিএম মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন বুলু প্রমুখ।

এর আগে, জেলা প্রশাসক তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ, পুটিমারি উচ্চ বিদ্যালয়, পুটিমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাপুর তহশীল অফিস, তারাপুর ইউনিয়নের খোদ্দা ও লাঠশালা চরের গুচ্ছগ্রাম এবং আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

;