টিকা নিয়ে বাড়ি ফেরা হল না বৃদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টিকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অটোরিক্সা উল্টে নিয়াত আলী (৬০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। সোমবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে দৌলতপুর-তারাগুনিয়া থানামোড় সড়কের সরুপপুর গ্রামে এ দূর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত নিয়াত আলী উপজেলার তারাগুনিয়া শালিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় লন্ড্রি ব্যবসায়ী ছিলেন। 

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, করোনার টিকা নিয়ে অটোরিক্সা যোগে বাড়ি ফেরার পথে সরুপপুর গ্রামে অটোরিক্সা উল্টে নিয়াত আলী নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার নিয়াত আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের কোন অভিযোগ ও আপত্তি না থাকায় নিহতের মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

নোয়াখালীতে সালিশে দুপক্ষের সংঘর্ষ, মেম্বারসহ আহত ৬



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

নোয়াখালীর কবিরহাটে গ্রামের সালিশি বৈঠকে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা ইমন নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

আহত ইউপি সদস্যরে নাম আজাদ হোসেন আরজু (৩৬)। তিনি উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। আহত অন্যদের নাম জানা যায়নি।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের আবদুল্ল্যাহ মিয়ারহাটের প্রাইমারী স্কুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কবিরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.জয়নাল আবেদীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ১৭ জানুয়ারি আবদুল্ল্যাহ মিয়ারহাট বাজারের মাসুম মেম্বারের দোকানে পার্শ্ববর্তী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের রাব্বী নামে এক যুবকের সাথে স্থানীয় আমিন মেম্বারের ছেলে কচিকে তুই বলা এবং ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়।

এরপর বুধবার সন্ধ্যায় ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবদুল্ল্যাহ মিয়ারহাট ও অশ্বদিয়া ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয় লোকজন বিষয়টি সমাধান করতে বৈঠকে বসে। বৈঠকের একপর্যায়ে সালিশের মধ্যে কথা কাটাকাটি লাগলে সালিশের বাহিরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি বেধে যায়। এসময় ইউপি সদস্য আরজু সংঘর্ষ থামাতে গেলে লোহার আঙ্গেল দিয়ে তার পিঠে আঘাত করে এক যুবক।

পরিদর্শক (তদন্ত) মো.জয়নাল আবেদীন বলেন, এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ইমন নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আহত ইউপি সদস্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;

সিজারে শিশুর হাত ভেঙে ফেলার অভিযোগ, বন্ধ আরামবাগ হাসপাতাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
শিশুর হাত ভেঙে ফেলার অভিযোগে বন্ধ হল আরামবাগ হাসপাতাল

শিশুর হাত ভেঙে ফেলার অভিযোগে বন্ধ হল আরামবাগ হাসপাতাল

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরে এক প্রসূতির ডেলিভারির সময় শিশুর হাতের কনুইয়ের হাড়ের জয়েন্ট ছুটিয়ে ফেলার অভিযোগে শহরের পশ্চিম খাবাসপুরে অবস্থিত আরামবাগ হাসপাতাল নামে একটি প্রাইভেট হাসপাতাল বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ। অসুস্থ শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে নবজাতকের হাত ভাঙার অভিযোগটি সঠিক নয় বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গত শনিবার আলমদিনা হাসপাতালে নবজাতকের কপাল কেটে ফেলার ঘটনা মাত্র চারদিন পর আরামবাগ হাসপাতালের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠল। এর আগে মঙ্গলবার অনুমোদন না থাকায় আলফাডাঙ্গায় দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদান না থাকায় বন্ধ করে দেয়া হয়।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার ১৯ জানুয়ারি বেলা ১২টার দিকে জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দিকুর রহমান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তার আরামবাগ হাসপাতালে অভিযান চালান। এ সময় তারা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন। তাদেরকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখানোর জন্য সাতদিনের সময় দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, এর আগে মঙ্গলবার শহরের পশ্চিম খাবাসপুরের আরিফুল  আলম সজল নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, গত ১৩ ডিসেম্বর আরামবাগ হাসপাতালে তার স্ত্রী  মুক্তার সিজার অপারেশন করা হয়। সন্তান বের করার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক নবজাতকের হাতের কনুইয়ের হাড়ের জয়েন্ট ছুটিয়ে ফেলেন। পরে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালের চিকিৎসক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপর তিনি জেলা সিভিল সার্জনের নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন। এতে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগ করেন।

আরিফুল আলম বলেন, স্ত্রীর সিজারিয়ানের পর ছাড়পত্র নিয়ে তারা বাড়ি ফিরেন। পরের দিন বাচ্চার ব্যথা অনুভব হওয়ায় পুনরায় শিশুর এক্সরে করিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল্লাহিস সায়াদকে দেখান। তিনি অর্থোপেডিক সার্জন ডা. সৈয়দ আসিফ উল আলমের নিকট প্রেরণ করেন। এরপর ডা সৈয়দ আসিফ উল আলম শিশুটিকে ঢাকা হেলথ এন্ড হোপ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সারোয়ার ইবনে সালামের নিকট পুনরায় রেফার্ড করেন। সেখানে ডা. সরোয়ার ইবনে সালাম তাদের জানান, সিজারিয়ান করে বের করার সময় টানাটানির কারণে নবজাতকের হাতের কনুইয়ের হাড়ের জয়েন্ট ছুটে গেছে। বর্তমানে ঢাকার হাসপাতালে বাচ্চার চিকিৎসা চলছে। এঘটনার পর আরামবাগ হাসপাতালে যোগাযোগ করলে সেখানে কর্তব্যরত ডা. শারমিন সুলতানা জুই তার সাথে অসম্মানজনক আচরণ করে এ ঘটনার কোন দায় নিতে পারবে না বলেও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন আরিফুল আলম।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ঘটনা জানতে পেরে অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগে হাসপাতালটি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আরামবাগ হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। হাসপাতালটিতে পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স না থাকা এবং অপ্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নার্স দিয়ে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে আরামবাগ হাসপাতালের এমডি মাসুদুর রহমান জানান, শিশুর হাড় ভাঙার অভিযোগটি সঠিক নয়। তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় তারা কোনো অভিযোগ তোলেননি। এমনকি বাসায় নেওয়ার পরও অভিযোগ তোলেননি। ঘটনার মাস খানেক পর অভিযোগ তোলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। আমাদের হাসপাতালে অন্য কিছু সমস্যা ছিল। এ কারণে সিভিল সার্জন সাময়িক বন্ধ রাখতে বলেছেন। আমরা সমস্যাগুলো সমাধান করে নতুন করে চালু করার ব্যবস্থা করবো।

;

‘রিকশা উপহার পাওয়ায় দুবেলা ভাত খেতে পারব’



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
অসহায় হারুণ শেখকে রিকশা উপহার দেয়া হয়। ছবি: বার্তা২৪.কম

অসহায় হারুণ শেখকে রিকশা উপহার দেয়া হয়। ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর সদর উপজেলার শ্রীপুরের বাসিন্দা রিকশাচালক হারুণ শেখ। সহায়-সম্বল না থাকায় রিকশা চালিয়েই কোনো রকমে জীবন ধারণ করেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিও হারুণই। অভাবের সংসারে তার রয়েছে একটি প্রতিবন্ধী সন্তান। দিনভর রিকশা চালিয়ে যা আয় হয়, সেটা দিয়েই চলে সংসার। রিকশার প্যাডেল ঘোর সাথে সাথে ঘোরে ভাগ্যের চাকা। যেদিন চাকা ঘোরে না সেদিন বন্ধ থাকে আয়ও। তাই রিকশাটিই তার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন।

কিন্তু বিধাতা বিমুখ! হঠাৎ একদিন চুরি হয়ে যায় হারুণ শেখের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন রিকশাটি। রিকশা হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তিনি। আকাশ ভেঙ্গে পড়ে তার মাথায়। একটি নতুন রিকশা কিনবে এমন সামর্থও নেই তার। তার এই অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে রাজবাড়ীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও জনকল্যাণমূখী সামাজিক সংগঠন রাজবাড়ী হেল্পলাইনের ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট করেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজার ওমর ফারুক।

এরপরই খুলে যায় রিকশাচালক হারুণ শেখের ভাগ্যের চাকা। রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাজবাড়ী প্রেস ক্লাবের বিপরীতে অবস্থিত একটি রিকশার গ্যারেজ থেকে হারুণ শেখের হাতে তুলে দেওয়া হয় ব্যাটারিচালিত একটা রিকশা। রিকশাটি পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে হারুণ শেখ বার্তা২৪.কমকে বলেন, রিকশাটিই ছিল আমার জীবনধারণের একমাত্র সম্বল। রিকশা ছাড়া আমার আর কোনো সম্পদ নেই। রিকশাটি চুরি হয়ে যাওয়ার পর আমি হতাশ হয়ে পড়ি। একটি রিকশা কিনবো, এমন সামর্থ্যও আমার নেই। প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে আমি পুরোপুরি মানবেতর জীবনযাপন করতে থাকি। রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশন আমাকে যে রিকশাটি উপহার দিল, তাতে আমি অন্তত দুবেলা দু’মুঠো ভাত খেতে পারবো। যারা রিকশাটি কিনে দিয়েছেন, আমি তাদের জন্য মন থেকে দোয়া করছি।

রিকশা হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি জয়ন্ত কুমার দাস, এডমিন প্যানেলের সদস্য হিটু মামুন, মোখলেছুর রহমান, ফারুক উদ্দিন, আজাদ বিপ্লব, সোলায়মান হিমেল, ব্র্যাংক ব্যাংকের রাজবাড়ী শাখার ম্যানেজার ওমর ফারুক, প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার শাহিন আহম্মেদ, আশরাফুল আলম, জাকির হোসেন প্রমুখ।

রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন ডা. সুমন হুসাইন বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমরা যা কিছু করি, তা আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই করি। রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশন সমাজের অসহায়-দুস্থ মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যারা এই সংগঠনটির সাথে জড়িত আছি আমাদের সবার চাওয়া সমাজের প্রতিটা মানুষই যেন ভালো থাকে, সুখে থাকে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

;

বসুন্ধরায় বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২ ইউনিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ৭তলা ভবনের সপ্তম তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান,
রাত ৯টায় আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

তিনি বলেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ডি ব্লকের ৫ নম্বর সড়কের ৬৩১ নম্বর বাসার সপ্তম তলায় আগুন লাগে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের কোনো খবর এখনও জানা যায়নি।

;