ভোট না দেয়ায় কাঁটাতারের বেড়ায় অবরুদ্ধ পরিবার



আল হাবিব, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সুনামগঞ্জ
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি সুনামগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন হয়। এ নির্বাচনে হেরে যান কামাল হোসেন নামে এক প্রার্থী। এরপরই এক বাড়ির সামনে রাস্তায় কাটা তারের বেড়া দিয়ে একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

ওই ইউপি সদস্যকে ভোট না দেওয়ার অভিযোগে পরিবারটি গত চারদিন ধরে অবরুদ্ধ। পরিবারের লোকজনসহ তাহাদের গৃহপালিত পশু চলাচল করতে পারছে না। এতে করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পরিবারের লোকজনদের। ঘটনাটি শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কাঁঠালিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে তৌফিক মিয়া বুধবার (৮ ডিসেম্বর) শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিমুলবাক ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে কামাল হোসেন তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে একজন পদপ্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে তিনি প্রতিপক্ষের কাছে পরাজিত হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে ভোট না দেওয়ার অভিযোগে তোলেন।

গত রোববার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার সময় ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ির একমাত্র চলাচলের রাস্তাটিতে কাটা তারের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি ভুক্তভোগী পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র হতে নলকূপের পানি সংগ্রহ করতে বাধা দেওয়া হয়। এতে পরিবারটির কোনো সদস্য জরুরি কাজে বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামাল হোসেন বলেন, আমি আমার জায়গায় বেড়া দিয়েছি। এখানে আমি ফসল রোপণ করবো।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনোয়ার উজ্জ জামান অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নির্বাচনে ভোট না দেওয়ায় একটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে এমন অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে আমি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

শাহজালালে গোল্ডবার জব্দ, গ্রেফতার ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ কেজি ৪৮০ গ্রাম ওজনের ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩০টি গোল্ডবার সহ যাত্রী ও বিমানের নিরাপত্তা কর্মী গ্রেফতার।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি)এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোহাম্মদ জিয়াউল হক এই তথ্য জানান।

তিনি জানান, আজ বিকাল ৪ টায় বিমানবন্দরের এপ্রন সাইড থেকে বিমান নিরাপত্তা কর্মী ইব্রাহীম খলিলকে প্রথমে সন্দেহ করে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩ কেজি ৪৮০ গ্রাম ওজনের ৩০ টি গোল্ডবার উদ্ধার করা হয় ৷ পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সৌদী প্রবাসী যাত্রী কামাল উদ্দীনের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাকেও আটক করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিটে সৌদী আরবের রিয়াদ থেকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিজি ৪০৪০ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এসময় বাংলাদেশ বিমানের নিরাপত্তাকর্মী ইব্রাহীম খলিলকে ইতস্তত সন্দেহজনক ঘোরাঘুরি করতে দেখে আটক করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে তার কাছে গোল্ডবার রয়েছে। এ সময় তিনি নিজ হাতে তার জ্যাকেটের পকেট থেকে ৩ কেজি ৪৮০ গ্রাম ওজনের ৩০ টি গোল্ডবার সহ একটি ছোট ব্যাগ বের করে দেন।

এরপর বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে এই গোল্ড বহনকারী যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত হয় বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ এবং যাত্রী কামাল উদ্দীনকেও আটক করা হয়।

আটককৃত নিরাপত্তাকর্মী জানান, এই গোল্ডবার পাচার করতে পারলে প্রতিটি গোল্ডবারের জন্য তিনি ৬ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা পাওয়ার কথা। আটককৃত দুইজনের মধ্যে নিরাপত্তা কর্মী ইব্রাহীম খলিল নোয়াখালী এবং যাত্রী কামাল উদ্দীন ফেনী জেলার অধিবাসী।

আটককৃত দুইজনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় নিয়মিত আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন এপিবিনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক।

;

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের মিঠাপুকুরে ট্রাক ও সিমেন্ট বোঝাই কার্গোর মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুই গরু ব্যবসায়ীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড় দরগাহ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়ামিন আলী।

এর আগে, বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- বগুড়ার সদর উপজেলার নামুজা শাহাপাড়া গ্রামের সুধীর চন্দ্র (৪৫) ও তার বাবা লাল চাঁদ (৭০)।

পুলিশ জানায়, সুধীর চন্দ্র ও তার বাবা লাল চাঁদ গত বুধবার দুপুরে গরু কিনে অন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ট্রাক যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। ট্রাকটি মিঠাপুকুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্ট বোঝাই কার্গোর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকে থাকা চার গরু ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুধীর ও তার বাবা লাল চাঁদের মৃত্যু হয়।

বড় দরগাহ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়ামিন আলী জানান, দুর্ঘটনায় আহত দুজনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। তাদের মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

জানুয়ারিতে এক দিনও ভালো বায়ু পায়নি ঢাকাবাসী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি মাসে এখন পর্যন্ত এক দিনও রাজধানী ঢাকার বাসিন্দারা নির্মল বাতাস পায়নি। পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাপা এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

আরও জানানো হয়েছে, ঢাকা শহরে রাতের বেলা মালবাহী ট্রাক প্রবেশের কারণে দিনের চেয়ে রাতে আরও বেশি বাতাসের মান খারাপ থাকে।

বিপজ্জনক মাত্রায় ঢাকার বায়ুদূষণ: জনস্বাস্থ্য ও দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি সামনে রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়নকেন্দ্রের (ক্যাপস) পরিচালক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার।

তিনি বলেন, দেশে নগর পরিকল্পনায় ঘাটতি, আইনের দুর্বলতা, আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা ঢাকার বায়ু দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ। ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের অর্থাৎ গত ৬ বছরের জানুয়ারি মাসের বায়ুমান সূচকের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে গড় বায়ু দূষণের পরিমাণ বেড়েছে ৯.৮ শতাংশ। ২০২২ সালে জানুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনের গড় বায়ুমান সূচক ২১৯.৫২ তে এসে দাঁড়িয়েছে; যা খুবই অস্বাস্থ্যকর।

এবিষয়ে অধ্যাপক মজুমদার বলেন, জানুয়ারি মাসে ঢাকার মানুষ ১ দিনের জন্যও ভালো বাতাস পাননি, বাতাসের মান বেশিরভাগ সময় ‘অস্বাস্থ্যকর’ থেকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় ছিল এবং গত ৬ বছরের মধ্যে ঢাকার মানুষ মাত্র ৩৮ দিন ভালো বাতাস পেয়েছে।

ক্যাপসের তথ্য বলছে, ঢাকা শহরে বিকেল ৪টার পর থেকে বাতাসের মান খারাপ হতে শুরু করে, যা রাত ১১টা থেকে ২টার মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছে। গত ৬ বছরে বাতাসের মান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাত ১টায় বায়ুমান সূচক থাকে ১৬২; যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সর্বোচ্চ। রাত ১০টার পর উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে প্রচুর মালবাহী ট্রাক ঢাকা শহরে প্রবেশ করে, যার কারণে এইসব যানবাহন থেকে রাতে প্রচুর বায়ুদূষণ হয়।

অধ্যাপক মজুমদার বলেন, ঢাকা শহরের রাস্তাগুলোতে রাতের বেলায় ঝাড়ু দেওয়ার নিয়ম চালু রয়েছে, যার কারণে বাতাসে ধূলোবালি উড়তে থাকে। রাতে যেহেতু দিনের চেয়ে তাপমাত্রা কম থাকে সেহেতু ধূলোবালি বাতাসে বেশি সময় ধরে অবস্থান করে।

ঢাকা শহরের ১০টি স্থানের গবেষণার তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে ক্যাপসের পরিচালক জানান, ২০২১ সালে ঢাকা শহরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষিত ছিল তেজগাঁও (প্রতি ঘনমিটারে ৭০ মাইক্রোগ্রাম)। এর পরের অবস্থানে ছিল শাহবাগ (প্রতি ঘনমিটারে ৬৮ মাইক্রোগ্রাম)।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে আহসান মঞ্জিল, আবদুল্লাহপুর, মতিঝিল, ধানমন্ডি-৩২, সংসদ ভবন, আগারগাঁও, মিরপুর-১০ এবং গুলশান-২ এই এলাকাগুলোতে ক্ষতিকর বস্তুকণা পিএম-২.৫-এর গড় পরিমাণ ছিল যাথাক্রমে ৫৭, ৬২, ৬০, ৬৩, ৫৯, ৬১,৬৬ এবং ৬৫ মাইক্রোগ্রাম; যা নির্ধারিত মান মাত্রার প্রায় ৪-৫ গুণ বেশি।

বাপার নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এস সিদ্দিকী বলেন, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ও নির্মাণ কাজের ফলে ঢাকার দূষণ বেশি হচ্ছে এবং এই দূষণ কমানোর জন্য ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, সরকার নিজেদের পরিকল্পনা ও বাজেট যথাযথ খরচ করলে নির্মাণের যে দূষণ সেটা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

রাজধানীর এই ভয়াবহ বায়ু দূষণ থেকে বাঁচতে বাপা ১৫টি সুপারিশ তুলে ধরে বাপা।

সুপারিশগুলো হলো-

>> শুষ্ক মৌসুমে সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, ওয়াসা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ঢাকা শহরে প্রতি দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর পানি ছেটানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

>> নির্মাণ কাজের সময় নির্মাণ স্থান ঘেরাও দিয়ে রাখতে হবে ও নির্মাণ সামগ্রী পরিবহনের সময় ঢেকে নিতে হবে।

>> রাস্তায় ধূলা সংগ্রহের জন্য সাকশন ট্রাকের ব্যবহার করা যেতে পারে।

>> অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিকল্প ইটের প্রচলন বাড়াতে হবে।

>> ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রয়োজনে নম্বর প্লেট অনুযায়ী জোড়-বিজোড় পদ্ধতিতে গাড়ি চলাচলের প্রচলন করা যেতে পারে।

>> সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রচুর পরিমাণ গাছ লাগাতে হবে এবং ছাদ বাগান করার জন্য সকলকে উৎসাহিত করতে হবে।

>> ঢাকার আশপাশে জলাধার সংরক্ষণ করতে হবে।

>> আলাদা সাইকেল লেনের ব্যবস্থা করতে হবে।

>> আগুনে পোড়ানো ইটের বিকল্প হিসাবে স্যান্ড ব্লক-এর ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে।

>> সিটি গভর্নেন্সের প্রচলনের মাধ্যমে উন্নয়নমূলক কার্যকলাপের সমন্বয় সাধন করতে হবে। সেবা সংস্থার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্বল্প সময়ে সম্পন্ন করতে হবে।

>> নির্মল বায়ু আইন-২০১৯ যতদ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে।

>> পরিবেশ সংরক্ষণ ও সচেতনতা তৈরির জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে। নিয়মিত বায়ু পর্যবেক্ষণ স্টেশনের (ক্যামস) ব্যাপ্তি বাড়িয়ে ঢাকা শহরের সব এলাকাকে এর আওতাধীন করতে হবে। এছাড়াও বায়ু দূষণের পূর্বাভাস দেওয়ার প্রচলন করতে হবে।

>> সর্বোপরি সচেতনতা তৈরির জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে বায়ু দূষণ সম্পর্কে আরও বেশি তথ্যনির্ভর অনুষ্ঠান প্রচারের ব্যবস্থা করার মাধ্যমে ঢাকাসহ সারা দেশের বায়ু দূষণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

>> ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।

>> পরিবেশ ক্যাডার সার্ভিস এবং পরিবেশ আদালত চালু ও কার্যকর করতে হবে।

;

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরে শহরের হাসপাতাল মোড়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের হাসপাতাল মোড়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নারায়ন চন্দ্র পাল। এ সময় মাক্স না পরার অপরাধে হাসপাতাল মোড়ের দুটি ফার্মেসী কর্মচারীর কাছ থেকে চারশত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার শেখ জালাল উদ্দীন জানান, করোনা সচেতনতা বৃদ্ধিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় জেনারেল হাসপাতালের বিপরীত পাশে জামান মেডিসিন ফার্মেসীর হাফিজুর রহমান এবং ইবনে সিনা হাসপাতালের বিপরীত পাশে সখিনা ড্রাগ এন্ড সার্জিক্যাল হাউসের কর্মচারী ওলিদের কাছ থেকে দুইশত করে মোট চারশত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ওই এলাকায় অবস্থানরত সকল ফার্মেসী, দোকান, যানবহন চালকদের মাক্স পরিধানে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নারায়ন চন্দ্র পাল বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে মাক্স পরিধান করতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে এবং অন্যকে মাক্স পরতে ও ভ্যাকসিন নিতে উৎসাহিত করতে হবে। করোনা প্রতিরোধে সকলের সচেতনতা প্রয়োজন।

;