নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে মৃত্যু বেড়ে ৩



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নারায়ণগঞ্জ শহরের এক নম্বর রেলগেইটে লাইনের উপর থাকা বাস ও যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া শিশুটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছে। এর আগে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই পুরুষ। তবে নিহত তিনজনের কারোরই পরিচয় জানা যায়নি।

রোববার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের এক নম্বর রেলগেইট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের দুইজন পুরুষের বয়স ৪৫-৫৫ বছরের মধ্যে হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আরেক শিশুর বয়স আনুমানিক দশ বছর। দুর্ঘটনায় তার বা পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পা বিচ্ছিন্ন অবস্থাতেই প্রথমে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।

নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এই দুর্ঘটনায় দশজন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন। তাদের মধ্যে সাতজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন: নুরু (৪০), কাদের মোল্লা (৩৫), মেজান মিয়া (৬৫), মনা, মনির (২৬), শাকিল (১২), আমেনা বেগম (৩৫)। অজ্ঞাত আরও তিনজন এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার হামিদুর রহমান জানান, তারা দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন। অন্তত ৪ জন আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সদর মডেল থানার ওসি শাহ্ জামান বলেন, আনুমানিক পৌনে ছয়টাক দিকে আনন্দ পরিবহনের বাসের (ঢাকা মেট্রো-ব: ১১-৪৩৭৪) সাথে ট্রেনটির সংঘর্ষ হয়। ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে এসেছিল। নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনের অদূরেই এই সংঘর্ষ হয়। ট্রেন চালককে এখনও পাওয়া যায়নি।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক নম্বর রেলগেইটের ক্রসবারটি নামানো ছিল না। বাসটি ছিল রেললাইনের উপরে। স্টেশনের অদূরে দ্রুতগামী ট্রেনটির সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রেন লাইনের দুই পাশের অবৈধ কিছু স্থাপনাও ধমুড়ে মুচড়ে যায়।

ট্রেনের চালককে পাওয়া যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ঘটনার পরপরই ট্রেন চালক পালিয়ে যান। সাধারণত ক্রসিংয়ের সামনে এতো দ্রুত ট্রেন চলে না। তবে আজ ট্রেনটির গতি বেশি ছিল। এদিকে রেলের কোনো কর্মকর্তার তাৎক্ষনিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল সম্পাদক কামরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
সোহেল মিয়া ও কামরুজ্জামান কামরুল

সোহেল মিয়া ও কামরুজ্জামান কামরুল

  • Font increase
  • Font Decrease

 

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মাদ সোহেল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কামরুজ্জামান কামরুল। সর্বসম্মতিক্রমে ২০২২-২৪ সালের জন্য ত্রিবার্ষিক কমিটি ঘোষণা করেন প্রেসক্লাবের আহবায়ক দেবাশীষ বিশ্বাস।
 
রোববার (২২ মে) সকালে বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এক জরুরী সভায় বিগত দিনের কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তা বিলুপ্তি ঘোষণা করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাকির হোসেন। এরপর দেবাশীষ বিশ্বাসকে আহবায়ক করে তিন কমিটি বিশিষ্ট একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। জরুরী সভার শুরুতেই ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত রঘুনন্দন সিকদারের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন সকল গণমাধ্যমকর্মীরা।
 
নির্বাচন পরিচালনা কমিটি দুপুরের পর সবার সর্বসম্মতিক্রমে মোহাম্মাদ সোহেল মিয়াকে (বার্তা২৪.কম ও যায়যায়দিন) সভাপতি ও মো: কামরুজ্জামান কামরুলকে (সময়ের কাগজ) পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করেন। 
 
কমিটির অন্যরা হলেন- সহসভাপতি দেবাশীষ বিশ্বাস (বাংলাদেশ প্রতিদিন ও ডিবিসি নিউজ), যুগ্ন-সম্পাদক তনু সিকদার সবুজ (দৈনিক ইত্তেফাক ও মাতৃকণ্ঠ), সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোর্তবা রিজু (দৈনিক গণসংহতি), কোষাধাক্ষ্য গোলাম মোস্তফা (অনুসন্ধান), সদস্য- মো: জাকির হোসেন (দৈনিক ফরিদপুর কণ্ঠ), সমীর কান্তি বিশ্বাস (সকালের সময়), অনিক সিকদার (দৈনিক আজকের পত্রিকা) ও মো: আশরাফুজ্জামান (দৈনিক কুষ্টিয়া)
;

খোঁজ মিলছে না রাজেন্দ্র কলেজের ২৫ শিক্ষার্থীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফরিদপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ২৫ শিক্ষার্থীর কোন খোঁজ মিলছে না। রোববার (২২ মে) দুপুরে এ তথ্য জানান কলেজটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক অসীম কুমার সাহা।

তিনি বলেন, গত দুই বছর যাবত তারা হারিয়ে গেছে। তারা কলেজে আসছে না। কোন একাডেমিক সেশনে থাকছে না। পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। তাদের মোবাইলে ফোন দিয়েও তাদের পাচ্ছি না।

‘করোনা পরবর্তী বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে এ তথ্য জানান কলেজ অধ্যক্ষ অসীম কুমার সাহা।

সেমিনারে প্রধান আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা বিভাগের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা আখতার বলেন, বর্তমানে পুরুষেরাও নারীর হাতে নিগৃহীত হচ্ছেন। রাজধানী ঢাকাতে ৬০ ভাগ পুরুষ নারীর নির্যাতনের শিকার। নারীবাদি মানে পুরুষকে অস্বীকার করা না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের বাবা, ভাই, স্বামী সকলেই পুরুষ। তাদেরও দরকার রয়েছে। বরং নারী শিক্ষার প্রসার দরকার এই নিগ্রহ ও নির্যাতনের প্রতিকারের স্বার্থে।

রাজেন্দ্র কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের উদ্যোগে শহরের বায়তুলআমানস্থ ক্যাম্পাসে সমাজকর্ম ভবনের ৩য় তলায় এর আয়োজন করা হয়। বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ.বিএ.এম সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক এস.এম. আব্দুস সালাম ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক মো. আশরাফুল আজম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহকারী অধ্যাপক মো. সাইফুর রহমান।

সেমিনারে আলোচকগণ বলেন, দু’একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাদে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করোনাকালে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা কার্যকর করতে পারেনি। এরও নানা কারণ রয়েছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইন কাঠামো ছিলো না। শিক্ষার্থীদেরও ডিভাইস বা ডেটা ক্রয়ের সামর্থ্য ছিলো না। গ্রামে এ সময়ে সমস্যা হয়েছে বেশি।

তারা বলেন, করোনার কারণে আমাদের পড়াশুনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জ্ঞানান্বেষণে আমরা পিছিয়ে পড়েছি। শিক্ষার্থীদের মাঝে হতাশা, অবসাদ, ক্রোধ, একাকিত্ব সহ নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। এসময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ না থাকায় বিশেষ করে শিশুরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বেশি। তাদের মাঝে মানসিক বৈকল্য দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্জন থেকে ঝড়ে যাওয়ায় বেড়েছে শিশুশ্রম। এই সাইকোলজিক্যাল ট্রমা থেকে পরিত্রাণে এখনই কার্যকর উপায় বের করতে না পারলে সামনে এর বিরুপ প্রভাব সমাজে বহুদিন বিদ্যমান থাকবে।

করোনাসৃষ্ট পরিস্থিতির বড় শিক্ষা হলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাকে উপর থেকে নিচে পর্যন্ত বদলাতে হবে উল্লেখ করে তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে স্বশরীরে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অপরিহার্য। এছাড়া শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা নিশ্চিত এবং শিক্ষার এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দুই তিন বছরের কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়ে কাজ শুরু করা দরকার।

;

নদীতে নিখোঁজের পর নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপকের মরদেহ উদ্ধার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিব

নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিব

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিব। নিখোঁজের দুইদিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২২ মে) দুপুরে স্থানীয়রা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান। পরে পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

ঢাকার আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় অবস্থিত নাসা গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক আশ হাবিবের (৪৩) গ্রামের বাড়ি বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি এলাকায়। স্ত্রী ও ১০ বছরের ছেলেকে নিয়ে তিনি সাভারের রেডিও কলোনি এলাকায় থাকতেন।

নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে শিবালয়ের জাফরগঞ্জ এলাকায় নদী ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি দেখে আশ হাবিব সেখানে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। গত শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় তিনি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে সেখানে বেড়াতে যান। বেলা ৩টার দিকে তিনি স্ত্রী শামীমা নাসরিন ও ছেলে অহনকে (১০) যমুনার তীরে বসিয়ে রেখে নদীতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে তিনি নদীতে ডুবে যান। এরপর গতকাল সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জাফরগঞ্জ ও এর আশপাশে যমুনা নদীতে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে নিখোঁজ হাবিবের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সকাল ১১টার দিকে জাফরগঞ্জ এলাকায় আশ হাবিবের মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পাটুরিয়া নৌ-থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে পাটুরিয়া নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, 'স্বজনদের দেওয়া ছবি দেখে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। আশ হাবিবের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে আসছেন। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

;

মাত্রাতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসায় মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। ফার্মাকোলজিতে 'প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস (পিপিআই)' নামে দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ওষুধটি নির্বিচারে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।

রোববার 'পিপিআই-এর অতিরিক্ত ব্যবহার: উদীয়মান উদ্বেগ পর্যালোচনা' শীর্ষক সেমিনারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন।

মূল বক্তব্যে বিএসএমএমইউ-এর গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রাজিবুল  আলম বলেন, 'সব পেটের সমস্যাই গ্যাস্ট্রিক নয় এবং সঠিক কারণ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। বেশিরভাগ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বিভিন্ন ধরনের ব্যথার মতো সাধারণ সমস্যাগুলোকে গ্যাস্ট্রিকের সঙ্গে এক করে ফেলেন এবং গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান বা লিখে দেন। এটা ঠিক নয়।'

তিনি আরও বলেন, 'এমনকি গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ৮ সপ্তাহের বেশি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া উচিত হবে না। এটি অপুষ্টি, ডিমেনশিয়া, ক্যানসারসহ অন্যান্য অনেক স্বাস্থ্য জটিলতার কারণ হতে পারে।'

এসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা যদি সুশৃঙ্খল খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে পারি তাহলে অ্যাসিডিটি হবে না এবং ওষুধেরও প্রয়োজন হবে না। ওষুধ খাওয়া মানে অন্য রোগকে স্বাগত জানানো।

;